বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:০৩ পি.এম
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় সরবরাহ করা বনরুটি খেয়ে ১২ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। চিকিৎসা শেষে সন্ধ্যায় শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে তাদের ছাড়পত্র প্রদান করা হয়।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার লহালামারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই ঘটনা ঘটে। বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, দুপুর ১টার দিকে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় বনরুটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ করা হয়। রুটি খাওয়ার কিছুক্ষণ পর কয়েকজন শিক্ষার্থী পেটব্যথা ও বমিবমি ভাবের অভিযোগ করে। এরপর একে একে ১২ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে।
প্রথমে বিদ্যালয়ে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় দুপুর ২টার দিকে অসুস্থ শিক্ষার্থীদের শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা প্রদান করা হয়।
অসুস্থ চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী আম্বিয়া খাতুন জানায়, বনরুটি খাওয়ার কিছুক্ষণ পর তার বমিবমি ভাব শুরু হয়। পরে পেটব্যথা শুরু হলে সে অসুস্থ হয়ে পড়ে।
চতুর্থ শ্রেণির আরেক শিক্ষার্থী সাদিয়া খাতুন জানায়, বনরুটি খাওয়ার সময় তেলাপোকার মতো গন্ধ ও তেতোভাব অনুভূত হচ্ছিল। খাওয়ার পর প্রথমে মাথাব্যথা শুরু হয়। পরে পেটব্যথা হলে শিক্ষকরা তাকে ওষুধ দেন। অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে স্যালাইন ও ওষুধ দেওয়ার পর বর্তমানে সে সুস্থ রয়েছে।
সাদিয়ার বাবা মো. দুলাল বলেন, বনরুটি খাওয়ার পরই তার মেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে। বিদ্যালয় থেকে খবর পেয়ে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসা শেষে বর্তমানে সে অনেকটাই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে।
তিনি বলেন, শিশুদের মধ্যে খাবার বিতরণের আগে খাবারের মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। এ ধরনের ঘটনায় অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সরকারি একটি ভালো উদ্যোগ খাবারের মান নিয়ে প্রশ্নের কারণে যেন বিতর্কিত না হয়, সেদিকে সংশ্লিষ্টদের নজর দেওয়া প্রয়োজন।
শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মো. আবুল হায়াত জানান, পেটব্যথা ও বমিবমি ভাব নিয়ে ১২ শিক্ষার্থী হাসপাতালে আসে। প্রাথমিকভাবে খাদ্যে বিষক্রিয়ার কারণে এমনটি হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। চিকিৎসা দেওয়ার পর সন্ধ্যার দিকে তাদের অবস্থার উন্নতি হলে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়।
লহালামারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মান্নান বলেন, এনজিও গাকের মাধ্যমে রেদোয়ান ফ্রুটস সরবরাহ করা ২৯ সেপ্টেম্বরের বনরুটি বুধবার শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ করা হয়। রুটি খাওয়ার পর ১২ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে যারা রুটি খায়নি, তাদের কাছ থেকে অবশিষ্ট বনরুটি নিয়ে নেওয়া হয়। সেগুলো আর শিক্ষার্থীদের খেতে দেওয়া হয়নি।
প্রধান শিক্ষক আরও জানান, ওই দিনের বনরুটি খাওয়া অন্য কয়েকজন শিক্ষার্থীর কোনো সমস্যা হয়নি।
এ বিষয়ে গাক এনজিওর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সমন্বয়কারী কবির উদ্দিন বলেন, তাদের এনজিও যেসব প্রতিষ্ঠানে খাবার সরবরাহ করে, সেখানে খাবার পরীক্ষা নিরীক্ষা ও প্রক্রিয়াজাতকরণের পর শিশুদের মধ্যে বিতরণ করা হয়। তাই খাবারে ত্রুটি থাকার কথা নয়। তবে ২৯ সেপ্টেম্বরের তারিখের বনরুটি ৩০ সেপ্টেম্বর কেন শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ করা হলো, এ বিষয়ে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।
ঘটনার পর শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। স্কুল ফিডিং কর্মসূচির খাবারের মান, সংরক্ষণ ব্যবস্থা, মেয়াদ এবং সরবরাহ প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন অভিভাবকরা।
অভিভাবকদের অভিযোগ, শিশুদের জন্য সরবরাহ করা খাবার বিতরণের আগে যথাযথভাবে পরীক্ষা করা হলে এ ধরনের ঘটনা এড়ানো সম্ভব। তাই ভবিষ্যতে খাবারের মান নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আরও সতর্ক হওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
উল্লেখ্য, এর আগেও গাক এনজিওর সরবরাহ করা খাবার খেয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শতাধিক শিক্ষার্থী অসুস্থ হওয়ার অভিযোগ উঠেছিল।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিজ্ঞান জাদুঘরের সামনে একটি প্রাইভেটকারের ধাক্কায় এক শিশুর মৃত্যু ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ভোর ৪টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ইমারজেন্সি সেন্টারে (ওসেক) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়।
নিহত জিসান (৪) ভোলার লালমোহন উপজেলার গুদিরপুর গ্রামের ব্যবসায়ী আলী আকবরের পুত্র। সে দুই ভাইয়ের মধ্যে বড় ছিল।
নিহতের বাবা আলী আকবর জানিয়েছেন, বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২টার দিকে পশ্চিম আগারগাঁওয়ে বাসার পাশে বিজ্ঞান জাদুঘরের সামনে খেলা করার সময় আইল্যান্ড থেকে রাস্তায় নামার সঙ্গে সঙ্গে একটি প্রাইভেটকার তাকে ধাক্কা দেয়। এ ঘটনায় সে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হয়।
তৎক্ষণাৎ তাকে উদ্ধার করে প্রথমে নিউরো সায়েন্স ইনস্টিটিউট এবং পরে ঢামেক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ ভোরে তার মৃত্যু ঘটে।
এ বিষয়ে নিশ্চিত করে ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাড়ির উপপরিদর্শক এসআই মো. সেলিম হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, শিশুর মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি শেরে বাংলা নগর থানাকে জানানো হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে রুপসা বাসের ধাক্কায় নিহত হয়েছেন আব্দুস সামাদ (৪৫) নামে এক মোটরসাইকেলচালক।
নিহত আব্দুস সামাদ বুজরুকমুন্দিয়া গ্রামের মৃত আবু বক্কর বিশ্বাসের পুত্র এবং কালীগঞ্জ পৌরসভার কসাইখানা পরিদর্শক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকাল ৯টার দিকে কুষ্টিয়াগামী রুপসা বাসটি দ্রুতগতিতে চলছিল। বাসটি কালীগঞ্জ উপজেলা সাব রেজিস্ট্রি অফিসের সামনে পৌরসভার কসাইখানা পরিদর্শক আব্দুস সামাদের মোটরসাইকেলে ধাক্কা দেয়, ফলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে। এ সময় আরেকজন আহত হন, তবে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আহত ব্যক্তির পরিচয় জানা যায়নি।
কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক রেজওনা নাহিদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, "খবর শুনে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি আমার পৌরসভায় কর্মরত আব্দুস সামাদ মারা গেছেন। আহত ব্যক্তিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে। পরে জানতে পেরেছি আহত ব্যক্তি আশংকামুক্ত। তবে তার পরিচয় আমার জানা নেই।"
কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুলফিকার আলী জানান, বাসটি আটক করা হয়েছে এবং মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁ সদর উপজেলার ফতেপুর (১ম) উচ্চ বিদ্যালয়ের আয়া শেফালি বেগম অবসরে গেছেন ৩০ সেপ্টেম্বর, দীর্ঘ ৩৪ বছরের একনিষ্ঠ ও নিঃস্বার্থ সেবা শেষে। বিদ্যালয় চত্বরে তৈরি হয়েছিল এক অভূতপূর্ব ও আবেগঘন পরিবেশ, যা সাধারণত কোনো উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার বিদায়লগ্নেও দেখা যায় না। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অশ্রুসিক্ত ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে তিনি রাজকীয় এক ঘোড়ার গাড়িতে চড়ে নিজের বাড়িতে ফিরে যান।
শেফালি বেগম ব্যক্তিগত জীবনে অবিবাহিত ছিলেন এবং তার কোনো সংসার বা সন্তান ছিল না। বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ ও শিক্ষার্থীরাই তার আপন পরিবার ছিল। তিনি দীর্ঘ ৩৪ বছর ধরে অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে দাপ্তরিক ও সেবামূলক দায়িত্ব পালন করেছেন। শিক্ষার্থীদের টিফিনের খোঁজ নেওয়া, মায়ায় জড়িয়ে তাদের ভুলত্রুটি শুধরে দেওয়া এবং অসুস্থ হলে মায়ের মতো পরম যত্নে সেবা করার কারণে তিনি ‘শেফালি খালা’ নামে পরিচিত ছিলেন। শিক্ষকদের কাজের চাপ কিংবা নিজের ক্লান্তি— কিছুই তার সেবামূলক মানসিকতায় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি।
শেফালি বেগমের অবসরের দিনে বিদ্যালয়ে শোকাতুর ও শ্রদ্ধাবনত পরিবেশ সৃষ্টি হয়। তাঁর এই ত্যাগের যথাযথ মূল্যায়ন করতে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এক বর্ণাঢ্য বিদায়ি সংবর্ধনার আয়োজন করে। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও নওগাঁ জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নূর-ই আলম মিঠুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন প্রধান শিক্ষক সাজ্জাদুল ইসলাম, পরিচালনা কমিটির সদস্য লিটন হোসেনসহ অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।
অনুষ্ঠানে শ্রদ্ধার স্মারক হিসেবে শেফালি বেগমের হাতে সংবর্ধনা উত্তরীয়, নগদ অর্থ ও বিভিন্ন উপহারসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।
বিদায়ি বক্তৃতায় পরিচালনা কমিটির সভাপতি নূর-ই-আলম মিঠু বলেন, "শেফালি বেগম আমাদের বিদ্যালয়ের শুধু একজন কর্মচারী ছিলেন না, তিনি ছিলেন এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম এক স্তম্ভ। পদের দিক থেকে কেউ বড় বা ছোট হতে পারে, কিন্তু তার কর্তব্যপরায়ণতা এবং মমত্ববোধ আমাদের সবার চেয়ে অনেক উঁচুতে। তার এই নিঃস্বার্থ সেবার ঋণ বিদ্যালয় কোনোদিন শোধ করতে পারবে না।"
অনুষ্ঠানের শেষে বিদায়ের মুহূর্তে এক মানবিক ও চোখ জুড়ানো দৃশ্য তৈরি হয়। প্রথা ভেঙে শেফালিকে অত্যন্ত মর্যাদা ও ভালোবাসার সঙ্গে একটি সুসজ্জিত ঘোড়ার গাড়িতে চড়ে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়। এ সময় শত শত শিক্ষার্থী তার পথজুড়ে ফুলের পাপড়ি ছিটিয়ে সম্মান জানান। বিদায়ের এই ক্ষণে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের কান্না এবং ভালোবাসায় এক অবিস্মরণীয় ও আবেগাপ্লুত দৃশ্যের অবতারণা হয়।
ফতেপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের এই অনন্য উদ্যোগটি সমাজে একটি বড় বার্তা দিয়ে গেল—কাজের ছোট-বড় দিয়ে মানুষের প্রকৃত মূল্যায়ন হয় না। সততা, নিষ্ঠা ও নিঃস্বার্থ ভালোবাসা দিয়ে মানুষের হৃদয় জয় করতে পারলে প্রাতিষ্ঠানিক পদের গণ্ডি পেরিয়েও এমন রাজকীয় সম্মান পাওয়া সম্ভব। ফতেপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ইতিহাসে শেফালি বেগম চিরকাল মায়াবী এক মায়ের প্রতিচ্ছবি এবং এক সুমহান অনুপ্রেরণার প্রতীক হয়ে থাকবেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র আবু হানিফ মন্তব্য করেছেন যে, নিষিদ্ধ লীগ ও জামায়াতের গুপ্তরা বিভিন্ন উপায়ে সরকারকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে।
তিনি বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকালে ফেসবুকে একটি পোস্টের মাধ্যমে এ কথা জানান।
আবু হানিফ উল্লেখ করেছেন, ‘বর্তমান সরকার দায়িত্ব নিয়েছে প্রায় ৮ মাস হলো। দেশের মানুষ দীর্ঘ সময় পর নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগের মধ্য দিয়ে একটা গণতান্ত্রিক সরকার গঠন করেছে, ফলে এই সরকারের কাছে জনগণের প্রত্যাশা অনেক বেশি।’
তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমান সরকার জনগণের প্রত্যাশার বিষয়টি মাথায় রেখে দেশের অভ্যন্তরের ও বৈশ্বিক সংকটের মাঝেও চেষ্টা করে যাচ্ছে দেশকে এগিয়ে নিতে। কিন্তু জুলাই গণঅভ্যুত্থানে পরাজিত শক্তি নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর সবচেয়ে বেশি সুবিধাভোগী জামায়াত-এনসিপি সমন্বিতভাবে সরকারের বিরুদ্ধে অপতথ্য ছড়িয়ে ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে।’
সবশেষে, গণঅধিকার পরিষদের এই মুখপাত্র লিখেছেন, ‘শুধু তাই নয়, সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা নিষিদ্ধ লীগ ও জামায়াতের গুপ্তরা নানাভাবে সরকারকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। ফলে ভেতরে-বাইরে নানামুখী ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে দেশের জন্য ভালো কিছু করা এই সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।’
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ