বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
১০:৫৭ পি.এম
সান্বী জানিয়েছেন, একটি দৃশ্যে কর্ণের উদ্দেশ্য ছিল তাঁকে চুম্বন করা। এদিকে, তাঁর কর্ণকে চড় মারার ঘটনাও ছিল। কিন্তু পরিচালকের 'অ্যাকশন' বলার আগেই কর্ণ আগে থেকেই তাঁকে চুম্বন করে বসেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
তখন বনাম এখন— চেহারার পরিবর্তন নিয়ে বলিউডের বহু অভিনেত্রী কটাক্ষের মুখে পড়েছেন।
রইল তেমনই একটি তালিকা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভারতের নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার কারণে নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে বর্তমান বিক্ষোভ একটি নতুন আলোচনা শুরু করেছে। দিল্লীর রাজপথে হাজারো শিক্ষার্থীর স্লোগানে ভরে উঠেছে। বিক্ষোভ চলছে টানা। আন্দোলন স্থলটিতে হঠাৎ একটি ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে। সেখানে খাবারের প্যাকেট, সমুচা, চা, ঠান্ডা পানীয় পৌঁছে যাচ্ছে। কিন্তু খাবার নিতে সেখানে ক্রেতাদের দেখা মিলছে না। বরং ডেলিভারি কর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে, আন্দোলনকারীদের মধ্যে বিনামূল্যে খাবার বিতরণ করতে। তাহলে, কারা এই খাবার পাঠাচ্ছেন এবং কেন বিদেশ থেকেও খাবারের অর্ডার আসছে?
আন্দোলনকারীদের প্রতি সমর্থন জানাতে দেশ-বিদেশের মানুষরা অভিনব পথে চলছেন। তারা অনলাইনে খাবার অর্ডার করে তা সরাসরি আন্দোলনস্থলে পাঠাচ্ছেন। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, অনলাইনে খাবার সরবরাহকারী অ্যাপগুলোর মাধ্যমে যেমন সুইগি এবং জোম্যাটো, আন্দোলনকারীদের জন্য খাবার ও পানীয়ের নিয়মিত প্রদানের ব্যবস্থা হচ্ছে। এরপর ডেলিভারি কর্মীদের বলা হচ্ছে, যাদের খাবারের প্রয়োজন, তাদের মধ্যে বিনামূল্যে বিতরণ করতে।
সুইগির ডেলিভারি কর্মী প্রদীপ কুমার সিং ভারতের বার্তা সংস্থা এএনআইকে জানান, এখন যন্তর মন্তর তার নিয়মিত ডেলিভারি গন্তব্যে পরিণত হয়েছে। তিনি বলেন, অর্ডার দেওয়ার পর গ্রাহকরা ফোনে জানাচ্ছেন, আন্দোলনকারীদের মধ্যে খাবারগুলো বিলিয়ে দিতে। সেখানে আলাদাভাবে কেউ খাবার নিতে আসেন না। তিনি আরো জানান, একদিন তার কাছে সমুচার একটি বড় অর্ডার এসেছিল। তাকে স্রেফ বলা হয়েছিল, যাদের প্রয়োজন, তাদের কাছে সেটি পৌঁছে দিতে।
শুধু ভারতেই নয়, বিদেশ থেকেও আন্দোলনকারীদের জন্য খাবার আসছে। অন্য এক ডেলিভারি কর্মী মহেন্দ্র কুমার জানান, তিনি একজন বিদেশি গ্রাহকের পাঠানো চায়ের অর্ডার নিয়ে এসেছিলেন যন্তর মন্তরে। তবে, কে সেই অর্ডার দিয়েছেন, সে বিষয়ে তার কোনো ধারণা নেই। তাকে শুধু বলা হয়েছিল, আন্দোলনরত ভাইদের হাতে চা পৌঁছে দিতে।
অন্যদিকে, জোম্যাটো ও জেপ্টোর এক ডেলিভারি কর্মী এই উদ্যোগকে ‘স্টুডেন্ট সার্ভিস’ বলে অভিহিত করেছেন। তার ভাষ্য, প্রেরকের পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখা হয়েছে। তাকে শুধু নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, সব খাবার আন্দোলনকারীদের মধ্যে বিতরণ করে দিতে।
এদিকে, আন্দোলনের কারণে দিল্লি পুলিশ এখন পর্যন্ত ১০টি এফআইআর দায়ের করেছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় চারটি, কনট প্লেস থানায় তিনটি এবং মন্দির মার্গ, বারাখাম্বা রোড ও কর্তব্য পথ থানায় একটি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে, আন্দোলনস্থলে পৌঁছানো এসব খাবার ও পানীয় যেন আরেকটি বার্তা দিচ্ছে। কেউ পরিচয় প্রকাশ না করেই নিজেদের সমর্থনের কথা জানিয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়ে আছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম-কমিশনার ফরিদা ইয়াসমিনসহ মোট ১৭ জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার।
বুধবার (২৩ জুলাই) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখা থেকে এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এ প্রজ্ঞাপনে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বাক্ষর করেছেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী।
অবসরে যাওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন- হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি মোহাম্মদ আব্দুল্লাহীল বাকী, সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন, ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি বিধান ত্রিপুরা, পুলিশ স্টাফ কলেজের অতিরিক্ত ডিআইজি ড. একেএম ইকবাল হোসেন, বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি (বিপিএ) সারদার ডিআইজি মো. ওয়ালিদ হোসেন, এপিবিএনের অতিরিক্ত ডিআইজি সহেলী ফেরদৌস।
এছাড়াও, সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি রেবেকা সুলতানা, সারদার অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ তবারক উল্লাহ, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার মো. হাবিবুর রহমান, পুলিশ টেলিকমের অতিরিক্ত ডিআইজি হাসিনা রহমান, পুলিশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত ডিআইজি ফয়সল মাহমুদ ও কানিজ ফাতেমা, ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি সুলতানা নাজমা হোসেন, নৌ পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি জেসমিন বেগম, টিডিএস ঢাকার পুলিশের সুপার আব্দুর রহিম শাহ চৌধুরী, সিআইডির ডিআইজি সানা শামীনুর রহমান এবং ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (অতিরিক্ত ডিআইজি) ফরিদা ইয়াসমিনও রয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, অবসরে যাওয়া কর্মকর্তারা বিধি অনুযায়ী অবসরজনিত সকল সুবিধা পাবেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আমলকী শুধুমাত্র কাঁচা খাওয়া হয় না, এটি দিয়ে তৈরি মোরব্বা, চাটনিও বেশ জনপ্রিয়। অনেকে আবার আমলকীর রস খেতে বেশি পছন্দ করেন। সুপারফুড হিসাবে সমাদৃত এই ছোট সবুজ ফলটি পুষ্টিগুণে ভরপুর। ত্বকের উন্নতি, চুল মজবুত করা, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো বা হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখা পর্যন্ত, নিয়মিত আমলকী খেলে এরকম আরও অনেক উপকার পাওয়া যায়।
আমলকীকে কেন এত স্বাস্থ্যকর বলে মনে করা হয়?
ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অন্যান্য উপকারী যৌগে সমৃদ্ধ হওয়ায় আমলকী আমাদের দেশে সহজলভ্য সবচেয়ে পুষ্টিকর ফলগুলোর মধ্যে একটি। নিয়মিত এই ফল খেলে শরীরে অনেক পুষ্টির ঘাটতি সহজেই পূরণ করা যায়।
আমলকীর রস: উপকারী কিন্তু ফাইবারের অভাব
আমলকী খাওয়ার অন্যতম জনপ্রিয় একটি উপায় হলো এর রস। সরাসরি ফলটি খেতে যারা পছন্দ করেন না, তারা এইভাবে আমলকী খেতে পারেন। তবে, রস করে খাওয়া হলে এর বেশিরভাগ ফাইবার নষ্ট হয়ে যায়। যদিও এতে থাকা অনেক ভিটামিন ও খনিজ পাবেন, কিন্তু ফাইবারের অভাবে শরীর একটি গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান থেকে বঞ্চিত হবে, যা হজম এবং অন্ত্রের স্বাস্থ্য রক্ষায় সাহায্য করে।
আস্ত কাঁচা আমলকী: পুষ্টিগুণে ভরপুর কিন্তু সবার জন্য নয়
আস্ত কাঁচা আমলকী খেলে আপনি ফাইবারসহ এর সম্পূর্ণ পুষ্টিগুণ পেতে পারেন। তবে, কাঁচা আমলকীর তীব্র টক এবং কষটে স্বাদ সবার কাছে আকর্ষণীয় না-ও লাগতে পারে। কারও কারও জন্য এটি হজম করাও কঠিন হতে পারে, বিশেষ করে বেশি পরিমাণে খেলে।
ফার্মেন্টেড আমলকী: বিশেষজ্ঞরা যে পরামর্শ দেন
ফার্মেন্টেড আমলকী এই ফলটি খাওয়ার সেরা উপায় হতে পারে। এটি ফাইবারের সঙ্গে পুষ্টিকর খাবার সরবরাহ করে এবং অসাধারণ প্রোবায়োটিক হিসেবেও কাজ করে। গাঁজন প্রক্রিয়া উপকারী ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধিকে উৎসাহিত করে, যা অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে এবং একইসঙ্গে ফলটিতে প্রাকৃতিকভাবে উপস্থিত ভিটামিন, খনিজ এবং ফাইবার ধরে রাখতে সহায়তা করে।
দিনে কতগুলো আমলকী খাওয়া যাবে?
আমলকী খাওয়ার কোনো নির্দিষ্ট সময় নেই। এটি দিনের যেকোনো সময় উপভোগ করা যেতে পারে। বিশেষজ্ঞরা প্রতিদিন তিন থেকে পাঁচটি আমলকী খাওয়ার পরামর্শ দেন। ভালোভাবে চিবিয়ে খেলে এর ফাইবার এবং পুষ্টিগুণ সবচেয়ে ভালোভাবে পাওয়া যায়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ