বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
১১:১৮ পি.এম
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম-কমিশনার ফরিদা ইয়াসমিনসহ মোট ১৭ জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার।
বুধবার (২৩ জুলাই) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখা থেকে এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এ প্রজ্ঞাপনে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বাক্ষর করেছেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী।
অবসরে যাওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন- হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি মোহাম্মদ আব্দুল্লাহীল বাকী, সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন, ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি বিধান ত্রিপুরা, পুলিশ স্টাফ কলেজের অতিরিক্ত ডিআইজি ড. একেএম ইকবাল হোসেন, বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি (বিপিএ) সারদার ডিআইজি মো. ওয়ালিদ হোসেন, এপিবিএনের অতিরিক্ত ডিআইজি সহেলী ফেরদৌস।
এছাড়াও, সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি রেবেকা সুলতানা, সারদার অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ তবারক উল্লাহ, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার মো. হাবিবুর রহমান, পুলিশ টেলিকমের অতিরিক্ত ডিআইজি হাসিনা রহমান, পুলিশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত ডিআইজি ফয়সল মাহমুদ ও কানিজ ফাতেমা, ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি সুলতানা নাজমা হোসেন, নৌ পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি জেসমিন বেগম, টিডিএস ঢাকার পুলিশের সুপার আব্দুর রহিম শাহ চৌধুরী, সিআইডির ডিআইজি সানা শামীনুর রহমান এবং ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (অতিরিক্ত ডিআইজি) ফরিদা ইয়াসমিনও রয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, অবসরে যাওয়া কর্মকর্তারা বিধি অনুযায়ী অবসরজনিত সকল সুবিধা পাবেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আমলকী শুধুমাত্র কাঁচা খাওয়া হয় না, এটি দিয়ে তৈরি মোরব্বা, চাটনিও বেশ জনপ্রিয়। অনেকে আবার আমলকীর রস খেতে বেশি পছন্দ করেন। সুপারফুড হিসাবে সমাদৃত এই ছোট সবুজ ফলটি পুষ্টিগুণে ভরপুর। ত্বকের উন্নতি, চুল মজবুত করা, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো বা হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখা পর্যন্ত, নিয়মিত আমলকী খেলে এরকম আরও অনেক উপকার পাওয়া যায়।
আমলকীকে কেন এত স্বাস্থ্যকর বলে মনে করা হয়?
ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অন্যান্য উপকারী যৌগে সমৃদ্ধ হওয়ায় আমলকী আমাদের দেশে সহজলভ্য সবচেয়ে পুষ্টিকর ফলগুলোর মধ্যে একটি। নিয়মিত এই ফল খেলে শরীরে অনেক পুষ্টির ঘাটতি সহজেই পূরণ করা যায়।
আমলকীর রস: উপকারী কিন্তু ফাইবারের অভাব
আমলকী খাওয়ার অন্যতম জনপ্রিয় একটি উপায় হলো এর রস। সরাসরি ফলটি খেতে যারা পছন্দ করেন না, তারা এইভাবে আমলকী খেতে পারেন। তবে, রস করে খাওয়া হলে এর বেশিরভাগ ফাইবার নষ্ট হয়ে যায়। যদিও এতে থাকা অনেক ভিটামিন ও খনিজ পাবেন, কিন্তু ফাইবারের অভাবে শরীর একটি গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান থেকে বঞ্চিত হবে, যা হজম এবং অন্ত্রের স্বাস্থ্য রক্ষায় সাহায্য করে।
আস্ত কাঁচা আমলকী: পুষ্টিগুণে ভরপুর কিন্তু সবার জন্য নয়
আস্ত কাঁচা আমলকী খেলে আপনি ফাইবারসহ এর সম্পূর্ণ পুষ্টিগুণ পেতে পারেন। তবে, কাঁচা আমলকীর তীব্র টক এবং কষটে স্বাদ সবার কাছে আকর্ষণীয় না-ও লাগতে পারে। কারও কারও জন্য এটি হজম করাও কঠিন হতে পারে, বিশেষ করে বেশি পরিমাণে খেলে।
ফার্মেন্টেড আমলকী: বিশেষজ্ঞরা যে পরামর্শ দেন
ফার্মেন্টেড আমলকী এই ফলটি খাওয়ার সেরা উপায় হতে পারে। এটি ফাইবারের সঙ্গে পুষ্টিকর খাবার সরবরাহ করে এবং অসাধারণ প্রোবায়োটিক হিসেবেও কাজ করে। গাঁজন প্রক্রিয়া উপকারী ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধিকে উৎসাহিত করে, যা অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে এবং একইসঙ্গে ফলটিতে প্রাকৃতিকভাবে উপস্থিত ভিটামিন, খনিজ এবং ফাইবার ধরে রাখতে সহায়তা করে।
দিনে কতগুলো আমলকী খাওয়া যাবে?
আমলকী খাওয়ার কোনো নির্দিষ্ট সময় নেই। এটি দিনের যেকোনো সময় উপভোগ করা যেতে পারে। বিশেষজ্ঞরা প্রতিদিন তিন থেকে পাঁচটি আমলকী খাওয়ার পরামর্শ দেন। ভালোভাবে চিবিয়ে খেলে এর ফাইবার এবং পুষ্টিগুণ সবচেয়ে ভালোভাবে পাওয়া যায়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চলতি মাসের প্রথম ২২ দিনে দেশে এসেছে ২১৭ কোটি মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স।
এই হিসাবে দেখা যায়, গড় প্রতিদিন ৯ কোটি ৮৬ লাখ ডলার রেমিট্যান্স দেশে এসেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এতে আরও বলা হয়েছে, চলতি জুলাই মাসের প্রথম ২২ দিনে দেশে আসা ২১৭ কোটি মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স গত বছরের একই সময়ে আসা ১৭৫ কোটি ৯০ লাখ ডলারের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে। অর্থাৎ, বছর ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ছে।
গত মাস জুনে দেশে এসেছে ২৮১ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। এর মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৫১ কোটি ৫১ লাখ ডলার।
বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৪৪ কোটি ১৬ লাখ ৮০ হাজার ডলার। বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ১৮৫ কোটি ৩৫ লাখ ৮০ হাজার ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৬৬ লাখ ১০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স।
গত মে মাসে দেশে মোট ৩৪২ কোটি ৫০ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা দেশের ইতিহাসে কোনো এক মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাসী আয় হিসেবে বিবেচিত।
গত এপ্রিলে দেশে এসেছিল ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ মার্কিন ডলার এবং গত মার্চে এসেছিল ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা দেশের ইতিহাসে এক মাসের সর্বোচ্চ রেকর্ড।
গত ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারি মাসে যথাক্রমে ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার এবং ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স দেশে এসেছে।
গেল ডিসেম্বরে দেশে আসা রেমিট্যান্স ছিল ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার; নভেম্বরে আসা রেমিট্যান্স ছিল ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার ডলার।
এছাড়াও, গত অক্টোবর ও সেপ্টেম্বরে যথাক্রমে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজার এবং ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স দেশে এসেছে।
একইভাবে, গত আগস্ট ও জুলাইয়ে দেশের রেমিট্যান্স ছিল যথাক্রমে ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার এবং ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার।
এদিকে, ২০২৫-২৬ অর্থবছর জুড়ে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৩ হাজার ৫৫৬ কোটি ২০ লাখ বা ৩৫.৫৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স।
এটি দেশের ইতিহাসে কোনো নির্দিষ্ট অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের একটি রেকর্ড।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর তেজগাঁও-গুলশান লিংক রোডের ‘সুইস টাওয়ার’ ৮০০ কোটি টাকায় কিনে নিচ্ছে দেশের বেসরকারি খাতের পূবালী ব্যাংক। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ব্যাংকটির মূল্য সংবেদনশীল তথ্য থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ভবনটি আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি মোরশেদ আলমের মালিকানাধীন বেঙ্গল গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের সহযোগী কোম্পানি ‘বেঙ্গল হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট’ নামে নির্মাণ করা হচ্ছিল। ব্যবসায়িক গ্রুপটির লক্ষ্য ছিল ‘সুইসটেল ঢাকা’ নামে পাঁচতারকা হোটেল প্রতিষ্ঠা করা।
ডিএসইর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গত বুধবার অনুষ্ঠিত বৈঠকে পূবালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ নতুন করপোরেট প্রধান কার্যালয় স্থাপনের জন্য রাজধানীর তেজগাঁও এলাকার ৯৫ ডেসিমেল বা সাড়ে ৫৭ কাঠারও বেশি জমিসহ ২৬ তলা নির্মাণাধীন ভবন কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
ডিএসইর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্যে আরও জানানো হয়েছে, ভবনটি কিনতে আয়করসহ মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৮০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত নয়। তবে কেনাবেচার সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, সৌদি আরবের সঙ্গে করা পারমাণবিক চুক্তিটি কার্যকর হবে না যদি ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেওয়া না হয়। তিনি বলেছেন, কেবল ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দিয়ে আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে যোগ দিলে তবেই ওয়াশিংটন ও রিয়াদের মধ্যে স্বাক্ষরিত বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতাসংক্রান্ত চুক্তিটি কার্যকর হবে।
আব্রাহাম অ্যাকর্ডস হল ইসরায়েল এবং কয়েকটি আরব রাষ্ট্রের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের লক্ষ্যে করা একগুচ্ছ চুক্তি, যা ২০২০ সালে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
এখন পর্যন্ত মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), বাহরাইন, মরক্কো এবং সুদান আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে যোগ দিয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন ট্রাম্পের নতুন মন্তব্য সৌদি সরকারকে উভয় সংকটে ফেলে দিয়েছে। কারণ, সৌদি আরব দীর্ঘদিন ধরে বলছে, তারা ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য একটি গ্রহণযোগ্য রূপরেখা না পাওয়া পর্যন্ত ওই চুক্তিতে যোগ দেবে না।
এখন ট্রাম্প বলছেন, সৌদি আরবের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি যে পারমাণবিক চুক্তি সই করেছে, সেটার ভবিষ্যৎ আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। তবে, তিনি বলেছেন যে, চুক্তিটি কার্যকর হলেও সৌদি সরকার পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির অনুমতি পাবে না।
বৃহস্পতিবার সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প বলেন, চুক্তি আওতায় সৌদি সরকার কেবল বিদ্যুৎ উৎপাদনের মতো বেসামরিক কাজে পারমাণবিক কেন্দ্র ব্যবহার করতে পারবে।
অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বলেছেন, সৌদি আরবের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তিটি দেশটির ‘আব্রাহাম অ্যাকর্ডস’-এ যোগ দেওয়ার ওপর ‘নির্ভরশীল’।
তিনি আরও বলেছেন, এটি এমন একটি শর্ত, যা নিয়ে প্রেসিডেন্ট বহুবার উপসাগরীয় ও আরব মিত্রদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। লেভিট জানান, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো যেন আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে স্বাক্ষর করে। এটি ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদের অন্যতম ঐতিহাসিক অর্জন। তিনি আরো যুক্ত করেছেন, ট্রাম্প চান যে পারমাণবিক চুক্তিগুলোর পরিধি আরও বিস্তৃত হোক। আব্রাহাম অ্যাকর্ডস মার্কিন প্রেসিডেন্টের দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্যের অংশ; যাতে মধ্যপ্রাচ্য একটি শান্তিপূর্ণ ও স্থিতিশীল অঞ্চলে পরিণত হয়।
বুধবার চুক্তিটি ঘোষণা করার সময় কেন প্রশাসন এটিকে শর্ত হিসেবে উল্লেখ করেনি, সেই প্রশ্নের জবাবে লেভিট বলেছেন, এটি এমন একটি বিষয় যা তিনি অতীতে বহুবার উল্লেখ করেছেন।
লেভিট আরো বলেন, 'আপনারা জানেন, চূড়ান্ত চুক্তির বিষয়টি সবসময়ই প্রেসিডেন্টের হাতে থাকে... এবং সবকিছু প্রেসিডেন্ট নির্ধারণ করেন।' লেভিট জানান, প্রেসিডেন্ট বলেছেন, 'যদি সৌদি আরব আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে যোগ না দেয়, তবে চুক্তিটি বাতিল হয়ে যাবে।'
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ