ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বগুড়ার গাবতলীতে একই লাইনে মুখোমুখি দুই ট্রেন, আতঙ্কে লাফিয়ে পড়লেন যাত্রীরা


বগুড়ার গাবতলীতে একই লাইনে মুখোমুখি দুই ট্রেন, আতঙ্কে লাফিয়ে পড়লেন যাত্রীরা

বগুড়ার গাবতলীতে একই লাইনে দুটি ট্রেন এসে পড়ায় যাত্রীদের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এই ঘটনায় লাফ দিয়ে অন্তত চারজন যাত্রী আহত হয়েছেন।

বুধবার (২৯ জুলাই) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার সুখানপুকুর রেলস্টেশনে এটি ঘটে।

এ বিষয়ে জানা গেছে, কলেজ ট্রেন স্টেশনে প্রবেশের সময় একটি বিপরীত দিক থেকে পদ্মরাগ ট্রেনও একই লাইনে চলে আসে। যাত্রীদের মধ্যে যখন দুটি ট্রেনকে মুখোমুখি অবস্থায় দেখতে পায়, তখন চরম আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। প্রাণ বাঁচাতে অনেক যাত্রী চলন্ত ট্রেন থেকে লাফিয়ে পড়েন। এই ঘটনায় অন্তত চারজন যাত্রী আহত হন। তবে, চালক ও স্টেশন কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপের কারণে বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

সুখানপুকুর রেলস্টেশনের স্টেশন মাস্টার আব্দুল মতিন জানান, কলেজ ট্রেনকে সিগন্যাল এবং লাইন ক্লিয়ার না দেওয়ার আগেই ট্রেনটি স্টেশনে প্রবেশ করেছিল, যা এই পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিল্পখাতে গ্যাস সংকট নিরসনের আশ্বাস দিলেন প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৪৬ পি.এম


শিল্পখাতে গ্যাস সংকট নিরসনের আশ্বাস দিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিল্পখাতে গ্যাসের সংকট সমাধানে উদ্যোগ নিতে আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস এসোসিয়েশন-বিটিএমএ সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল।

বুধবার (২৯ জুলাই) সকালে সচিবালয়ে সরকারপ্রধানের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের বৈঠক শেষ করে তিনি এ বিষয়টি জানিয়েছেন।

বিটিএমএ সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল এ সময় বলেছেন, টেক্সটাইল খাতের সমস্যা সমাধানে সরকারের আন্তরিকতায় উদ্যোক্তারা উৎসাহের অনুভূতি প্রকাশ করছেন।

এছাড়া, পুরোপুরি বন্ধ বা আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত কারখানাগুলোর বিষয়ে কোথায় কতটুকু সহযোগিতা প্রয়োজন, তা চিহ্নিত করতে উদ্যোক্তাদের কাছ থেকে প্রতিবেদন চাওয়া হয়েছে বলে জানান বিটিএমএ সভাপতি।

সমস্যা সমাধানে ব্যবসায়ীরা আশাবাদী উল্লেখ করে বিটিএম সভাপতি আরও বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী টেক্সটাইল খাতের পরিস্থিতির বিষয়ে বুঝার চেষ্টা করছেন। তিনি জানান, বিদ্যমান অবস্থায় সরকারের যে মনোযোগ পাওয়া যাচ্ছে তা গত ১৭ বছর আগে পাওয়া গেলে বর্তমানের দুরবস্থা হতো না।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভূরুঙ্গামারীতে দেশীয় মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে কঠোর প্রশাসন, অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল ধ্বংস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৫৯ পি.এম


ভূরুঙ্গামারীতে দেশীয় মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে কঠোর প্রশাসন, অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল ধ্বংস

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে দেশীয় মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে দুধকুমার নদীতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিকেলে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য অফিসের যৌথ উদ্যোগে, থানা পুলিশের সহযোগিতায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমৃত দেব নাথ এবং উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তৌহিদা মোহতামিম এর নেতৃত্বে উক্ত অভিযানে ৫৮টি (১ হাজার ৭৪০ মিটার) অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ করা হয়, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২ লাখ ৩২ হাজার টাকা।

অভিযান শেষে উপজেলা পরিষদ চত্বরে উদ্ধার করা ৫৮টি অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল পুড়িয়ে জালগুলো ধ্বংস করা হয়।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার অমৃত দেব নাথ জানান , অবৈধ চায়না জাল নির্বিচারে মাছের পোনা ও বিভিন্ন জলজ প্রাণী নিধন করে, যা নদীর প্রাকৃতিক ভারসাম্য ও মৎস্যসম্পদের জন্য ক্ষতিকর। তাই মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ এবং প্রাকৃতিক জলাশয়ে মাছের অবাধ বিচরণ ও প্রজনন নিশ্চিতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ময়মনসিংহের ত্রিশালে শ্রমিকদের মজুরি নিয়ে হতাশা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:০৪ পি.এম


ময়মনসিংহের ত্রিশালে শ্রমিকদের মজুরি নিয়ে হতাশা

দিনের আলো পুরোপুরি ফোটার আগেই ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলা মহিলা কলেজ মোড় পুরোপুরি সরগরম হয়ে ওঠে। সকাল ৭টা বাজতে না বাজতেই সেখানে ভিড় করেন শতাধিক দিনমজুর। কারও কাঁধে কোদাল, কেউ হাতে বেলচা, আবার কেউ এসেছেন খালি হাতেই। সবার একটাই প্রত্যাশা— আজ যেন অন্তত একটি কাজ মেলে।

স্থানীয়দের কাছে এটি পরিচিত ‘শ্রমিকের হাট’ নামে। এখানে বিক্রি হয় না কোনো পণ্য কিংবা গবাদিপশু; বিক্রি হয় মানুষের শ্রম। প্রতিদিন সকাল ৭টা থেকে সাড়ে ৯টা পর্যন্ত নির্মাণশ্রমিক, রাজমিস্ত্রী, রংমিস্ত্রী, মাটি কাটার শ্রমিক, কৃষিশ্রমিকসহ নানা পেশার দিনমজুররা কাজের আশায় অপেক্ষা করেন। এই সময়ে ঠিকাদার, বাড়ির মালিক অথবা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা এসে প্রয়োজন অনুযায়ী শ্রমিক বেছে নেন এবং মজুরি ঠিক করে নিয়ে যান।

শুধু ত্রিশালেই নয়, ময়মনসিংহ নগরীর চরপাড়া মোড়েও প্রতিদিন একই চিত্রের দেখা মেলে। সূর্য ওঠার আগেই সেখানে জড়ো হন অসংখ্য শ্রমজীবী মানুষ। যাদের ভাগ্যে কাজ জোটে, তারা দিনের উপার্জনের নিশ্চয়তা পান। অন্যদিকে যাদের ভাগ্য সহায় হয় না, তাদের ফিরতে হয় শূন্য হাতে।

ত্রিশালের আমিরাবাড়ি এলাকার নির্মাণশ্রমিক মো. বাবুল মিয়া বলেন, প্রতিদিন ভোরে এখানে চলে আসি। কাজ পেলে দিনটা ভালো যায়, আর কাজ না পেলে বাড়ি ফিরে যেতে হয়। বর্তমানে সাধারণ শ্রমিকের মজুরি ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকা। তবে প্রতিদিন কাজ পাওয়া যায় না।

শ্রমিকদের মতে, বর্ষাকালে নির্মাণকাজ কমে যাওয়ায় কাজের সুযোগও সংকুচিত হয়ে পড়ে। তবে ধান কাটা বা বোরো মৌসুমে কৃষিশ্রমিকের চাহিদা বাড়লে তাদের জন্য কিছুটা স্বস্তি আসে। বছরের বাকি সময়জুড়ে কাজের অনিশ্চয়তা নিয়ে তাদের জীবনযাপন করা এক রকমের নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তারা জানান, দৈনিক আয়ের ওপরই নির্ভর করে পরিবারের সকল খরচ। একটি দিন কাজ না মিললে সংসারে নেমে আসে টানাপোড়েন।

শ্রমিক আবদুল কুদ্দুস বলেন, আমাদের কোনো মাসিক বেতন নেই। যেদিন কাজ করি, সেদিনই সংসার চলে। কাজ না থাকলে ধারদেনা করেই চলতে হয়।

আরেক শ্রমিক সম্রাট উদ্দিন বলেন, সকালের সময় সবাই আশা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকি। কেউ কাজ পেয়ে চলে যায়, আর যারা থেকে যায় তাদের মন খারাপ হয়ে যায়।

প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে ঠিকাদার, বাড়ির মালিক ও ব্যবসায়ীরা প্রয়োজন অনুযায়ী শ্রমিক নিতে আসেন। কাজের ধরন ও দক্ষতার ভিত্তিতে মজুরি নির্ধারণ করা হয়। দক্ষ শ্রমিকরা তুলনামূলকভাবে বেশি পারিশ্রমিক পেলেও সাধারণ শ্রমিকদের জন্য মজুরি ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।

ত্রিশাল পৌর এলাকার বাসিন্দা মো. রফিকুল ইসলাম জানান, বাড়ির নির্মাণকাজের জন্য মাঝে মাঝে এখান থেকেই শ্রমিক নিয়ে যাই। এক জায়গায় অনেক শ্রমিক পাওয়া যায়, তাই সময়ও বাঁচে।

স্থানীয় এক ঠিকাদারের ভাষ্য অনুযায়ী, অভিজ্ঞ শ্রমিক পেতে হলে কিছুটা বেশি পারিশ্রমিক দিতে হয়। তবে আগের তুলনায় এখন কাজের পরিমাণ কমে গেছে।

এই শ্রমবাজারে তরুণদের থেকে প্রবীণ পর্যন্ত সব বয়সের মানুষকেই দেখা যায়। কেউ ২০ বছরের, কেউ আবার ৬০-এ পৌঁছেছেন। বয়স বাড়লেও জীবিকার সংগ্রাম থেমে নেই। পরিবারের ভরণপোষণ, সন্তানের পড়াশোনা কিংবা চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে প্রতিদিনই তাদের হাজির হতে হয় এই শ্রমের হাটে।

দেশের অনানুষ্ঠানিক শ্রমবাজারের বাস্তব চিত্র যেন ফুটে ওঠে এই হাটে। স্থায়ী চাকরি, মাসিক বেতন কিংবা সামাজিক নিরাপত্তার কোনো নিশ্চয়তা ছাড়াই হাজারো মানুষ প্রতিদিন একটি দিনের কাজের আশায় এখানে এসে দাঁড়ান।

সকাল গড়িয়ে সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাটের ভিড়ও কমতে শুরু করে। যারা কাজ পান, তারা দ্রুত চলে যান নির্মাণস্থল, কৃষিজমি কিংবা মাটি কাটার কাজে। আর যাদের ভাগ্যে সেদিন কাজ জোটে না, তারা নীরবে বাড়ি ফেরেন— পরদিন ভোরে আবারও নতুন আশা নিয়ে একই জায়গায় দাঁড়ানোর প্রত্যাশায়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের যে হাটে মানুষ ‘বিক্রি’ হয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:২০ পি.এম


দেশের যে হাটে মানুষ ‘বিক্রি’ হয়

দিনের আলোর পুরোপুরি ফোটার পূর্ব মুহূর্তে ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার মহিলা কলেজ মোড় সরগরম হয়ে ওঠে। সকাল ৭টা বাজতে না বাজতেই সেখানে অপেক্ষা করেন শতাধিক দিনমজুর। কারও কাঁধে কোদাল রয়েছে, কারও হাতে বেলচা, আবার কেউ খালি হাতেও উপস্থিত হন। সবার মাঝে একটাই প্রত্যাশা— আজ যেন অন্তত একটি কাজ মেলে।

স্থানীয় জনসাধারণের কাছে এটি পরিচিত ‘শ্রমিকের হাট’ হিসেবে। এখানে কোন পণ্য বা গবাদিপশু বিক্রি হয় না; এখানে মানুষের শ্রমেরই লেনদেন ঘটে। প্রতিদিন সকাল ৭টা থেকে সাড়ে ৯টা পর্যন্ত নির্মাণশ্রমিক, রাজমিস্ত্রি, রংমিস্ত্রি, মাটি কাটার শ্রমিক, কৃষিশ্রমিকসহ বিভিন্ন পেশার দিনমজুররা কাজের আশায় দাঁড়িয়ে থাকেন। এ সময়ে ঠিকাদার, বাড়ির মালিক বা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি আসেন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী শ্রমিক বেছে নিয়ে যান, মজুরি ঠিক করার পর।

শুধু ত্রিশাল নয়, ময়মনসিংহ নগরীর চরপাড়া মোড়েও প্রতিদিন একই দৃশ্য দেখা যায়। সূর্য ওঠার আগেই সেখানে ভিড় করেন অসংখ্য শ্রমজীবী মানুষ। যাদের ভাগ্যে কাজ জোটে, তারা দিনের উপার্জন নিশ্চিত করেন। আর যারা ভাগ্য সহায় হয় না, তাদের শূন্য হাতেই ঘরে ফিরতে হয়।

ত্রিশালের আমিরাবাড়ির নির্মাণশ্রমিক মো. বাবুল মিয়া বলেন, প্রতিদিন ভোরে এখানে এসে হাজির হই। কাজ পেলে দিনটি ভালো যায়, আর না পেলে বাড়ি ফিরতে হয়। বর্তমানে সাধারণ শ্রমিকদের মজুরি ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকার মধ্যে পরিবর্তিত হচ্ছে। তবে প্রতিদিন কাজ পাওয়া যায় না।

শ্রমিকদের মতে, বর্ষাকালে নির্মাণকাজ কমে যাওয়ার কারণে কাজের সুযোগ সংকুচিত হয়ে পড়ে। তবে ধান কাটা বা বোরো মৌসুমে কৃষিশ্রমিকের চাহিদা বাড়লে কিছুটা স্বস্তি ফিরে আসে। বছরের অন্যান্য সময় তারা কাজের অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে দিন কাটান।

তাদের মন্তব্য অনুযায়ী, দৈনিক আয় তাদের পরিবারের সকল খরচের উপরে নির্ভর করে। একটি দিন কাজ না মিললেই সংসারে সমস্যা দেখা দেয়।

শ्रमিক আবদুল কুদ্দুস বলেন, আমাদের কোন মাসিক বেতন নেই। যেদিন কাজ করি, সেদিনই সংসার চলে। কাজ না থাকলে ধারদেনা করেই চলতে হয়।

আরেক শ্রমিক সম্রাট উদ্দিন বলেন, সকালে সবাই আশা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকি। কেউ কাজ পেয়ে চলে যায়, আর যারা অপেক্ষা করেন, তাদের মন খারাপ হয়ে যায়।

প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে ঠিকাদার, বাড়ির মালিক ও ব্যবসায়ীরা প্রয়োজন অনুযায়ী শ্রমিক নিতে আসেন। কাজের ধরন এবং দক্ষতায় ভিত্তি করে মজুরি নির্ধারণ করা হয়। দক্ষ শ্রমিকরা তুলনামূলক বেশি পারিশ্রমিক পেলেও সাধারণ শ্রমিকদের জন্য ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেই।

ত্রিশাল পৌর এলাকার বাসিন্দা মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, বাড়ির নির্মাণকাজের জন্য মাঝে মাঝে এখান থেকেই শ্রমিক নিয়ে যাই। এখানে অনেক শ্রমিক এক জায়গায় পাওয়া যায়, তাই সময়-saving হয়।

স্থানীয় একজন ঠিকাদারের ভাষ্য হলো, অভিজ্ঞ শ্রমিক পেতে হলে কিছুটা বেশি পারিশ্রমিক দিতে হয়। তবে আগের তুলনায় এখন কাজের পরিমাণ কমে গেছে।

এই শ্রমবাজারে তরুণ থেকে প্রবীণ— সব বয়সের শ্রমিককেই দেখা যায়। কেউ ২০ বছরের, কেউ আবার ৬০ ছুঁইছুঁই। বয়স বাড়লেও জীবিকার সংগ্রামে তারা থামে না। পরিবারের ভরণপোষণ, সন্তানদের পড়াশোনা কিংবা চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে প্রতিদিনই তাদের হাজির হতে হয় এই শ্রমের হাটে।

দেশের অনানুষ্ঠানিক শ্রমবাজারের বাস্তব চিত্র যেন ফুটে ওঠে এই হাটে। স্থায়ী চাকরি, মাসিক বেতন কিংবা সামাজিক নিরাপত্তার কোনো নিশ্চয়তা ছাড়াই হাজারো মানুষ প্রতিদিন একটি দিনের কাজের আশায় এখানে এসে দাঁড়ান।

সকাল গড়িয়ে সময় বাড়ার সাথে সাথে হাটের ভিড়ও কমতে থাকে। যারা কাজ পান, তারা ছুটে যান নির্মাণস্থল, কৃষিজমি কিংবা মাটি কাটার কাজে। আর যাদের ভাগ্যে সেদিন কাজ জোটে না, তারা নীরবে বাড়ি ফেরেন— পরদিন ভোরে আবারও নতুন আশা নিয়ে একই জায়গায় দাঁড়ানোর প্রত্যাশায়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%