বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:৫৪ পি.এম
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে শ্রেণিকক্ষে কটূক্তির অভিযোগে পুলিশ গোলাম কিবরিয়া লালন নামের একজন স্কুলশিক্ষককে আটক করেছে। গোলাম কিবরিয়া লালন প্রাগপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে ভেড়ামারা-প্রাগপুর আঞ্চলিক মহাসড়ক এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়, মঙ্গলবার বেলা ৩টার দিকে দশম শ্রেণির বাংলা ক্লাস নিচ্ছিলেন গোলাম কিবরিয়া লালন। ক্লাস চলাকালীন সময়ে তিনি সম্প্রতি জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেওয়া ভাষণের প্রসঙ্গ তুলে তার বাংলা উচ্চারণ নিয়ে মন্তব্য করেন।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ওই সময় শিক্ষক প্রধানমন্ত্রীর নাম উল্লেখ করে আপত্তিকর মন্তব্য করেন। এই ঘটনায় ক্লাসে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়। ক্লাস শেষে অসন্তুষ্ট শিক্ষার্থীরা বাড়িতে গিয়ে অভিভাবকদের কাছে ঘটনাটি জানালে তা এলাকায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
বুধবার সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে কয়েকজন অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দা জড়ো হয়ে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং শিক্ষক গোলাম কিবরিয়া লালনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও প্রাগপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফুজ্জামান মুকুল জানান, তিনি মঙ্গলবার রাতে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হন। বুধবার সকালে বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতিসহ সংশ্লিষ্টদের সামনে ওই শিক্ষককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে গোলাম কিবরিয়া লালন কটূক্তির অভিযোগ অস্বীকার করেন। তবে, তিনি জানান যে প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘদিন দেশের বাইরে থাকার কারণে বাংলা ভাষার উচ্চারণ কিছুটা অস্পষ্ট হয়েছে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে শিক্ষক লালনকে আটক করে নিয়ে যায়।
ভেড়ামারা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. দেলোয়ার হোসেন জানান, প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে প্রাগপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বাংলা শিক্ষক গোলাম কিবরিয়াকে আটক করে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, "আসলে সেই মুহূর্তে যে রকম জনরোষের সৃষ্টি হয়েছিল, তা থেকে তাকে আমরা সেভ করেছি।" শিক্ষকের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে, তার বিষয়ে পুলিশ তদন্ত করছে। তিনি আমাদের হেফাজতেই আছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্পের পরিচিতি মাদক ব্যবসা, আধিপত্যের লড়াই এবং রক্তাক্ত সংঘাতের জন্য। এই অপরাধমূলক পরিবেশে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একের পর এক অপরাধে জড়িয়ে পড়ে নতুন নতুন মুখরোচক কাহিনী তৈরি হয়েছে।
সম্প্রতি আদালতের নির্দেশে কাশিমপুর কারাগারে স্থানান্তরের সময় গাজীপুরের নাওজোড় এলাকায় প্রিজন ভ্যান থেকে পালিয়ে গেছেন ক্যাম্পের অন্যতম শীর্ষ মাদকসম্রাট রাজা, যিনি ‘পিচ্চি রাজা’ নামে পরিচিত। এই ঘটনার পর গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের পাঁচ সদস্যকে দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
পুলিশের সূত্রে জানা গেছে, রাজা শুরুতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ‘সোর্স’ হিসেবে কাজ করতেন। পরে আয়ের অভাবে একটি গ্যাস পাম্পে চাকরি নিলেও এক ঘটনার কারণে চাকরি হারান। ২০১৮ সালে জেনেভা ক্যাম্পে পুলিশের একটি অভিযানে ৫১ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হন তিনি।
এটি ছিল তার বিরুদ্ধে প্রথম মামলা। প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকার পর জামিনে মুক্তি পেয়ে তিনি ছোটখাটো মাদক ব্যবসা শুরু করেন। পরে আবারও কারাগারে গিয়ে বড় অপরাধীদের সংস্পর্শে আসেন এবং বেরিয়ে এসে অপরাধ জগতে সম্পূর্ণরূপে যুক্ত হন।
২০১৪ সালে তৎকালীন গডফাদার ইশতিয়াকের মাধ্যমে অপরাধ জগতে প্রবেশ করেন রাজা। ২০২০ সালে ইশতিয়াকের মৃত্যুর পর ক্যাম্পের মাদক ব্যবসার একটি বড় অংশ নিয়ন্ত্রণে নেন তিনি। একপর্যায়ে টেকনাফ থেকে সরাসরি মাদকের চালান এনে ক্যাম্পে সরবরাহের জন্য বিশাল নেটওয়ার্ক গড়ে তোলেন।
মাত্র ২৭ বছর বয়সে পিচ্চি রাজার বিরুদ্ধে হত্যা, হত্যাচেষ্টা, বিস্ফোরক ও মাদকসহ মোট ৩০টিরও বেশি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে মোহাম্মদপুর থানাতেই ২৯টি মামলা রয়েছে, যার মধ্যে ৩টি হত্যা, ৭টি হত্যাচেষ্টা, ৪টি বিস্ফোরক ও ১৩টি মাদক মামলা অন্তর্ভুক্ত।
বিশেষ করে ৫ আগস্টের পর ক্যাম্পের আধিপত্য, মাদক স্পট নিয়ন্ত্রণ এবং অর্থ আদায় নিয়ে বুনিয়া সোহেলসহ কয়েকটি প্রতিদ্বন্দ্বী গ্রুপের সঙ্গে রাজার মধ্যে তীব্র বিরোধ সৃষ্টি হয়। এই আধিপত্যের লড়াইয়ের প্রেক্ষাপটে ক্যাম্পের ভেতরে অন্তত ১০টি হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়।
মাদক ব্যবসা থেকে অর্জিত অর্থ দিয়ে পিচ্চি রাজা বিশাল সম্পদের মালিক হয়ে উঠেছেন। স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, তার শ্বশুর খোরশেদ, শালা নয়ন এবং ফুফাতো ভাই রনির নিয়ন্ত্রণে ২৫ থেকে ৩০টি সিএনজিচালিত অটোরিকশা এবং রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে একাধিক ফ্ল্যাট ও স্থাবর সম্পত্তি রয়েছে।
এছাড়া আদি, নবাব, শাহজাদা, ফাইজান, বেলুন, রুবেল, নাটা সুমন, সুজন এবং ব্যাটারি কামরানসহ একদল সহযোগীর মাধ্যমে তিনি ক্যাম্পের মাদক সরবরাহ, চাঁদাবাজি এবং প্রতিপক্ষকে ভয়ভীতি প্রদর্শনের কাজ পরিচালনা করতেন।
গত ১৯ মে নেপাল থেকে ঢাকায় ফেরার সময় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রাজাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তবে গত ২৭ সেপ্টেম্বর প্রিজন ভ্যান থেকে টয়লেটে যাওয়ার অজুহাতে পালিয়ে যাওয়ার পর তাকে পুনরায় গ্রেফতার করতে পুলিশ চিরুনি অভিযান শুরু করেছে।
এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের ডিসি ইবনে মিজান জানিয়েছেন, "কে সোর্স আর কে সোর্স নয়, তা মুখ্য বিষয় নয়; মূল বিষয় হলো অপরাধীকে আইনের আওতায় আনা।" পিচ্চি রাজাসহ ক্যাম্পের সব অপরাধীকে গ্রেপ্তারের জন্য একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
৫১তম বিশেষ বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা (এমসিকিউ) আগামী নভেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই বিশেষ বিসিএসে ২০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা এবং ১০০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানায়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ৫১তম বিশেষ বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা ২০২৬ সালের নভেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত হতে পারে। পরীক্ষার সঠিক তারিখ ও সময় যথাসময়ে পিএসসির ওয়েবসাইট এবং সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে জানানো হবে। লিখিত পরীক্ষায় বাংলায় ২০, ইংরেজিতে ২০, বাংলাদেশ বিষয়াবলিতে ২০, আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিতে ২০, মানসিক দক্ষতায় ১০ এবং গাণিতিক যুক্তিতে ১০ নম্বর থাকবে। সংশ্লিষ্ট ক্যাডার এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে পদের সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয়ে ১০০ নম্বরের প্রশ্ন থাকবে।
এর আগে ২৪ সেপ্টেম্বর ৫১তম বিসিএস (বিশেষ) পরীক্ষা-২০২৬-এর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পিএসসি। এই পরীক্ষার মাধ্যমে বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে পাঁচ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে। এর মধ্যে ৪ হাজার ৭০০ জন সহকারী সার্জন বা মেডিকেল কর্মকর্তা এবং ৩০০ জন সহকারী ডেন্টাল সার্জন পদে নিয়োগ পাবেন।
পিএসসি সূত্রে জানা গেছে, চিকিৎসকদের জন্য এই বিশেষ বিসিএসে প্রার্থী বাছাইয়ের প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রিলিমিনারি পরীক্ষা না থাকায় ২০০ নম্বরের এমসিকিউ ধরনের লিখিত পরীক্ষা এবং ১০০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে প্রার্থী বাছাই করা হবে। দ্রুত ফল প্রকাশ করে পাঁচ হাজার চিকিৎসককে দেশের উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের সরকারি হাসপাতালে পদায়নের লক্ষ্যে কাজ করা হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পুলিশ পঞ্চগড়ে সড়কের পাশে একটি খাল থেকে রেজাউল করিম রেজা (৪০) নামের এক ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে। তার পকেটে একটি চিরকুট পাওয়া যায়, যেখানে লেখা ছিল ‘আমি বাঁচতে চেয়েছিলাম’।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নগরের তুলারডাঙ্গা এলাকায় ইসলাম ফ্লাওয়ার মিলের পাশে খাল থেকে ওই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
রেজাউল করিম রেজা পঞ্চগড় পৌরসভার রাজনগর এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। তিনি ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ভেলাজান এলাকার মোস্তফা কামালের ছেলে। পঞ্চগড় সদর থানার সামনে তিনি কম্পিউটার কম্পোজের ব্যবসা করতেন। স্ত্রী এবং তিন সন্তান নিয়ে রাজনগরের বাড়িতে তার বসবাস ছিল।
পরিবারের সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে রেজাউল করিম রেজা রাগ করে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। এরপর তিনি আর বাড়িতে ফিরে আসেননি। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান পাননি।
পুলিশ জানায়, বুধবার সকাল আনুমানিক সাতটার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে তুলারডাঙ্গা এলাকায় সড়কের পাশে একটি অজ্ঞাত মরদেহ পড়ে থাকার খবর জানানো হয়। খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে এবং এলাকাটি ঘিরে রাখে। পরে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) এর ফরেনসিক দল ঘটনাস্থলে গিয়ে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে।
এদিকে, মরদেহের পকেট থেকে পাওয়া চিরকুট নিয়ে রেজার মৃত্যু ঘিরে রহস্য তৈরি হয়েছে। চিরকুটে লেখা ছিল, ‘দয়া করে কেউ আমার দাফনের কাপড় দান করে দিয়েন। আমার কোনো টাকা নেই। আমি বাঁচতে চেয়েছিলাম কিন্তু পারলাম না। সমাজ বড় কঠিন! বাচ্চাদের এতিমখানায় ভর্তি করে দিও।’
রেজার স্ত্রী কোহিনুর বেগম জানান, প্রতিদিন ঘুমের ওষুধ খেয়ে বাড়ি আসতেন রেজা। গতকালও তিনি ওষুধ খেয়ে এসে অসংলগ্ন কথাবার্তা বলতে শুরু করলে তার সঙ্গে ঝগড়া হয়। রাত ১২টার দিকে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান তিনি। পরে সকালে মরদেহ পাওয়ার খবর পেয়ে গিয়ে শনাক্ত করেন। কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে, তা কোহিনুর জানেন না।
তবে রেজার বাবা মোস্তফা কামাল দাবি করেন, তার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে বিচার দাবি করেছেন।
পঞ্চগড়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) শইমী ইমতিয়াজ বলেন, আজ সকাল আনুমানিক সাতটার দিকে ৯৯৯-এ কল আসে, তুলারডাঙ্গায় রাস্তার পাশে একটি অজ্ঞাত লাশ পড়ে আছে। খবর পাওয়ামাত্র আমাদের মোবাইল টিম ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে গিয়ে ক্রাইম সিন সিকিউর করা হয়। পরে সিআইডির ফরেনসিক টিমকে খবর দেয়া হলে তারা এসে আলামত সংগ্রহ করে। মরদেহের সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সম্ভাব্য সব বিষয় নিয়ে তদন্ত এগিয়ে নেয়া হচ্ছে। আশা করি, আমরা সত্য উদঘাটন করতে পারব।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দেশের বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে, সরকার সব ধরনের নৌযানে যাত্রী ভাড়া বৃদ্ধি করেছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের টিএ শাখা থেকে সিনিয়র সহকারী সচিব ছন্দা পালের সই করা একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন বিধিমালা, ২০১৯’-এর ২৭ নম্বর বিধি অনুসারে যাত্রীবাহী নৌযানের ভাড়া পুনঃনির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন ভাড়া অনুযায়ী, নৌপথে প্রথম ১০০ কিলোমিটার দূরত্বের জন্য জনপ্রতি যাত্রী ভাড়া ২ টাকা ৯৫ পয়সা থেকে ২২ পয়সা বৃদ্ধি করে ৩ টাকা ১৭ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। একইভাবে, প্রথম ১০০ কিলোমিটার দূরত্বের বেশি হলে প্রতি কিলোমিটারে জনপ্রতি যাত্রী ভাড়া ২ টাকা ৫২ পয়সা থেকে ১৯ পয়সা বাড়িয়ে ২ টাকা ৭১ পয়সা করা হয়েছে।
এছাড়া, নৌপথে জনপ্রতি সর্বনিম্ন যাত্রী ভাড়া ৩২ টাকা থেকে ৩ টাকা বৃদ্ধি করে ৩৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, এই নতুন ভাড়ার হার সব নদীবন্দরের টার্মিনাল এবং নৌযানের দৃশ্যমান স্থানে আবশ্যিকভাবে প্রদর্শন করতে হবে। পূর্বে জারি করা নৌযানের ভাড়া সংক্রান্ত সব আদেশ ও প্রজ্ঞাপন বাতিল করা হয়েছে। জনস্বার্থে পুনঃনির্ধারিত এই ভাড়া ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ