০১:১২ পি.এম
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) নিয়ে আপত্তিকর ও মানহানিকর বক্তব্য প্রদান করার অভিযোগে এবি পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদকে প্রকাশ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়ে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নোটিশে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ফুয়াদের ক্ষমা চাওয়ার পাশাপাশি ঢাবির গবেষণা তহবিলে ১০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ হিসেবে জমা দেয়ার দাবি করা হয়েছে।
গত বহৃস্পতিবার (২ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ৩৩তম ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থী ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের আইনজীবী তন্ময় কুমার সাহা এই নোটিশ পাঠিয়েছেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদকে এই নোটিশের বিষয়টি জানানো হয়েছে।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে যে, গত ১ জুলাই ডাকসু কার্যালয়ে আয়োজিত ‘বাঙালি মুসলমানের জাগরণ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় ব্যারিস্টার ফুয়াদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সম্পর্কে অবমাননাকর, বিদ্বেষপূর্ণ ও মানহানিকর মন্তব্য করেন।
আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার
তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকদের গত ৫০ থেকে ৭০ বছরের অবদান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং তাদেরকে জাতীয় ক্ষতির জন্য দায়ী করেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের উদ্দেশে বিদ্বেষমূলক এবং বিভাজন সৃষ্টিকারী বক্তব্যও দেন। এইসব মন্তব্যের ফলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়েছে, সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে বলে নোটিশে জানানো হয়।
আগামীতে, নোটিশে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষকে ব্যারিস্টার ফুয়াদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে। একইসাথে এবি পার্টির মহাসচিবকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তার বক্তব্য প্রত্যাহার করে মূলধারার ইলেকট্রনিক, প্রিন্ট এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছে।
সাথে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক সুনাম ক্ষুণ্ণ করার জন্য দৃষ্টান্তমূলক ও শাস্তিমূলক ক্ষতিপূরণ হিসেবে ১০০ কোটি টাকা ঢাবি গবেষণা তহবিলে জমা দেয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে, যাতে অর্থটি একাডেমিক উন্নয়ন ও জাতীয় সমৃদ্ধির কাজে ব্যবহার করা যায়।
নোটিশে আরও বলা হয়েছে, যদি নির্ধারিত ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দাবিগুলো বাস্তবায়ন করা না হয়, তবে জনস্বার্থে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে রিট আবেদন (পিআইএল) দায়ের করা হবে।
আরও পড়ুন: ধামরাইয়ে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় প্রশাসনের তৎপরতা: বিভাগীয় কমিশনার
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন