শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৪৬ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় হারিকেন হেলেনের তাণ্ডবের সময় গ্যারেজে রাখা বৈদ্যুতিক গাড়ির টেসলার ব্যাটারি সিস্টেম লবণাক্ত পানির সংস্পর্শে এসে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। সম্প্রতি ট্যাম্পার ফেডারেল আদালতে দায়ের করা এক মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, এই বিস্ফোরণের ফলে সৃষ্ট আগুনে মুহূর্তের মধ্যে একটি পরিবারের কয়েক মিলিয়ন ডলার মূল্যের বিলাসবহুল বাড়ি সম্পূর্ণরূপে পুড়ে যায়।
অটো ডিলার মাইকেল মারফির গ্যারেজে রাখা ২০২১ মডেলের 'টেসলা মডেল এস প্লেইড' গাড়িতে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ঘটনার সময় মাইকেল শহরের বাইরে অবস্থান করছিলেন, কিন্তু তার স্ত্রী সিলভানা, দুই শিশুকন্যা এবং শ্বশুর-শাশুড়ি বাড়ির ভেতর আটকা পড়েছিলেন। পরবর্তীতে একটি বেসরকারি উদ্ধারকারী দল জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তাদের নিরাপদে বের করে আনতে সক্ষম হলেও, তাদের ৫ হাজার ৪০০ বর্গফুটের বিশাল বাড়িটি চোখের সামনে ধ্বংস হয়ে যায়।
মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, আগুন এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছিল যে উদ্ধারকারীরা পরিবারের প্রিয় কুকুরটিকে বাঁচাতে পারেননি। গত ২৪ সেপ্টেম্বর দায়ের করা এই অভিযোগে মারফি পরিবার দাবি করেছে, পানিতে ভিজলে টেসলার ব্যাটারি থেকে যে ভয়াবহ বিস্ফোরণ বা অগ্নিকাণ্ড ঘটতে পারে, সে বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে আগে থেকেই সতর্কবার্তা থাকা সত্ত্বেও তারা ত্রুটিপূর্ণ গাড়ি বিক্রি অব্যাহত রেখেছে।
হারিকেন হেলেনের প্রভাবে ট্যাম্পা বে এলাকায় গত ১০০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ জলোচ্ছ্বাস দেখা দিলে মারফি পরিবারের গ্যারেজে লবণাক্ত পানি প্রবাহিত হয়। পানি গাড়ির নিচের অংশে পৌঁছাতেই বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে এবং দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। বন্যার পানি এবং আগুনের কারণে জরুরি সেবাকর্মীরা সেখানে পৌঁছাতে পারছিলেন না। পরবর্তীতে মাইকেল মারফির অনুরোধে 'গ্রে বুল রেসকিউ' নামের একটি বেসরকারি উদ্ধারকারী দলের সাহসিকতায় নৌকার সাহায্যে পরিবারের সদস্যদের ওই জ্বলন্ত বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়।
মারফি পরিবারের দাবি, এই বিস্ফোরণের মূল কারণ টেসলার ত্রুটিপূর্ণ ব্যাটারি প্যাক এবং এর ডিজাইন। ইলন মাস্কের মালিকানাধীন টেসলা ২০১০ সাল থেকেই লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির এই 'থার্মাল রানঅ্যাওয়ে' বা অনিয়ন্ত্রিত তাপমাত্রার সমস্যার বিষয়ে অবগত ছিল। তারা এমনকি আগুন প্রতিরোধক উপাদানের পেটেন্টও করেছিল, কিন্তু নিজেদের গাড়িতে তা সঠিকভাবে ব্যবহার করেনি।
ফ্লোরিডায় এর আগেও হারিকেন হেলেনের সময় পানিতে ডুবে একাধিক টেসলা গাড়িতে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছিল, যা নেভাতে দমকলকর্মীদের চরম বেগ পেতে হয়েছিল। সব জেনেও দীর্ঘ এক দশকের বেশি সময় ধরে ত্রুটি সংশোধনে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগে মারফি পরিবার এখন টেসলার কাছে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে আইনি লড়াই শুরু করেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর পূর্বাচল ৩০০ ফিট এলাকায় রাস্তা পারাপারের সময় একটি দ্রুতগামী ট্রাকের ধাক্কায় এক পুলিশ সদস্যের মা ও স্ত্রী প্রাণ হারিয়েছেন।
এই দুর্ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুজনের মৃত্যু হয়।
নিহতদের মধ্যে আফরোজা আকতার (২৮) এবং তার শাশুড়ি কদমতলী থানার শ্রীধারা এলাকার বাসিন্দা। আফরোজার স্বামী মেহেদী হাসান একজন পুলিশ সদস্য।
মেহেদী হাসান জানান, শুক্রবার রাতে পূর্বাচল ৩০০ ফিট এলাকায় তার মা ও স্ত্রী আফরোজা রাস্তা পার হচ্ছিলেন।
এসময় একটি বেপরোয়া গতিতে আসা ট্রাক তাদের সজোরে ধাক্কা দেয়, ফলে দুজনই সড়কে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। স্থানীয়দের সহায়তায় রক্তাক্ত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে দ্রুত কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক আফরোজার মাকে মৃত ঘোষণা করেন। আফরোজা আকতারকে গুরুতর অবস্থায় কুর্মিটোলা থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে জরুরি বিভাগে স্থানান্তর করা হয়।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওয়ান স্টপ ইমারজেন্সি সেন্টারে (ওসেক) চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ৩টার দিকে তার মৃত্যু ঘটে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) হাবিবুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী আফরোজা আকতারের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট খিলক্ষেত/রূপগঞ্জ থানাকে জানানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, কুর্মিটোলা হাসপাতালে মারা যাওয়া নিহত শাশুড়ির মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই আইনি প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পুলিশ ঘাতক ট্রাক ও চালককে শনাক্তের জন্য কাজ করছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে ৪৫ বছর বয়সী একটি প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ শফিকুল ইসলাম নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে।
এই ঘটনা ঘটে শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) তারিখে। অভিযুক্ত যুবক শফিকুল ইসলাম ওই এলাকার সবদর আলীর পুত্র।
স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে শফিকুল ইসলাম ভুক্তভোগী পরিবারের বসতঘরে প্রবেশ করে। এক পর্যায়ে সুযোগ পেয়ে ঘরে থাকা প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। এ সময় বাড়িতে উপস্থিত অন্যান্য স্বজনরা বিষয়টি লক্ষ্য করে শফিকুলকে আটক করে একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখেন।
পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে বিকেলে নালিতাবাড়ী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শফিকুলকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, আটক শফিকুল ইসলামও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী।
নালিতাবাড়ী থানার ওসি (তদন্ত) দেবাশীষ দত্ত বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এই ঘটনায় শফিকুল ইসলাম নামের একজনকে আটক করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর মামলা গ্রহণ করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আধুনিকতার প্রভাব পড়ার আগে বরেন্দ্রভূমির মেঠোপথের অবস্থা কেমন ছিল? সন্ধ্যা নামলে চারপাশের নিস্তব্ধতা, বন্যপ্রাণীর ভীতি এবং ডাকাতের উপদ্রব— এমন এক অনিশ্চিত সময়ের মধ্যে ক্লান্ত পথিকদের জন্য আশ্রয় ও খাবারের এক অনন্য মানবিক উদ্যোগ হয়ে দাঁড়িয়েছিল একটি প্রতিষ্ঠান। প্রায় ১২ যুগ বা ১১৮ বছর ধরে নওগাঁর পোরশার ঐতিহাসিক ‘মুসাফিরখানা’ মানবতার ঐতিহ্যকে সযত্নে রক্ষা করে আসছে। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে আশ্রয় ও খাবারের এই দৃষ্টান্ত আধুনিক সমাজেও বিরল মানবসেবার বার্তা প্রদান করে।
শতাব্দী আগে উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা বা দ্রুতগতির যানবাহনের অস্তিত্ব ছিল না। মেঠোপথ ধরে হেঁটে অথবা গরুর গাড়িতে চড়ে মানুষ ব্যবসা-বাণিজ্য ও তীর্থযাত্রায় বের হতো। সেই সময় বণিক খাদেম মোহাম্মদ শাহ্ ব্যবসার প্রয়োজনে দূরদূরান্তে ঘুরে বেড়াতেন। কলকাতায় প্রথম মুসাফিরখানা দেখে তিনি নিজের জন্মভূমিতে এমন একটি সেবা প্রতিষ্ঠান গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন।
১৯০৮ সালে নওগাঁর পোরশার সদর এলাকার মিনা বাজারে নিজের বাসভবনের পাশে মাটির দেওয়াল ও টিনের চালে চার কক্ষের একটি ছোট মুসাফিরখানা গড়ে তোলেন। এই নিঃস্বার্থ সেবা চিরকাল ধরে রাখতে তিনি তার ৮০ বিঘা জমি দান করেন। পরবর্তীতে ১৯৮৮ সালে সেই সম্পত্তির আয় থেকে আধুনিক দ্বিতল ভবন নির্মাণ করা হয়। সময়ের পরিবর্তনে অনেক কিছু বদলে গেলেও এই প্রতিষ্ঠানের অতিথিপরায়ণতার চিত্র অপরিবর্তিত রয়ে গেছে।
পোরশা উপজেলা সদর বা আশপাশে কোনো বাণিজ্যিক আবাসিক হোটেল না থাকায় দূরদূরান্ত থেকে আসা পথচারী ও ব্যবসায়ীদের জন্য এই মুসাফিরখানা একমাত্র আস্থার স্থান। বর্তমানের দ্বিতল ভবনটিতে মোট ১৬টি কক্ষ ও একটি বড় হলরুম রয়েছে, যেখানে একসঙ্গে প্রায় ৬০ জন অতিথির থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। এখানে অবস্থান করার ক্ষেত্রে কোনো সামাজিক বা ধর্মীয় ভেদাভেদ নেই। যেকোনো ধর্ম ও বর্ণের যে কেউ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সর্বোচ্চ তিন দিন পর্যন্ত এখানে থাকতে পারেন। অতিথিদের সার্বিক দেখভালের জন্য একজন ম্যানেজার ও দুজন কর্মচারী নিয়োজিত রয়েছেন।
প্রতিষ্ঠার পর থেকে নিয়মিত তিন বেলা খাবারের ব্যবস্থা থাকলেও সময়ের সাথে কিছু পরিবর্তন এসেছে। বর্তমানে প্রতি বুধবার দুপুরে বিনামূল্যে বিশেষ খাবার সরবরাহ করা হয়। এছাড়া প্রতিদিন যারা এখানে রাত যাপন করেন, তাদের খাবার গ্রহণের একটি সুনির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। মুসাফিরখানায় অবস্থানরতরা দুপুরে খেতে চাইলে সকাল ৯টার মধ্যে এবং রাতে খেতে চাইলে বিকেল ৪টার মধ্যে ম্যানেজারকে জানাতে হয়। তবে অতিথিদের নিজেদের বিছানা নিজেদেরই প্রস্তুত করতে হয় এবং পরিচ্ছন্নতার বিষয়গুলোও তাদের নিজ দায়িত্বে দেখাশোনা করতে হয়।
দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে এখানে আগতদের সেবা দিয়ে আসছেন খাদেম মোসলেম উদ্দিন। প্রতিদিন ছায়া খুঁজে পাওয়া ৬-৭ জন পথিকের থাকার পাশাপাশি দুপুর ও রাতের খাবারের নিয়মও বেশ সুনির্দিষ্ট।
তিনি জানান, যারা এখানে থাকেন, তাদের নিজেদের বিছানা প্রস্তুত করতে হয়। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়গুলোও তাদেরই দেখভাল করতে হয়। প্রতিদিনই ছয়-সাতজন বিনা খরচে এখানে রাত যাপন করেন। দুপুরে খেতে চাইলে সকাল নয়টা আর রাতে খেতে চাইলে বিকেল চারটার মধ্যে জানাতে হয়।
মুসাফিরখানার প্রতিষ্ঠাতার বংশধর ষাটোর্ধ্ব ফারুকুজ্জামান শাহ বলেন, "খাদেম মোহাম্মদ শাহ্ আমার দাদার আপন বাবা। এই মুসাফিরখানায় যে কেউ থাকতে পারে, যেকোনো ধর্মের, যেকোনো বর্ণের। এখানে তিন দিন থাকা ফ্রি। আগে প্রতিদিন তিন বেলা খাবার দেওয়া হতো, এখন প্রতি বুধবার দুপুরে বিনামূল্যে খাবার খাওয়ানো হয়। এই মুসাফিরখানার সম্পত্তি থেকে যে আয় আসে, সেটা দিয়েই এটি পরিচালিত হয়। অতিথিদের সার্বিক দেখভালের জন্য একজন ম্যানেজার ও দুজন কর্মচারী আছেন।"
স্থানীয় প্রবীণরা জানান, তারা ছোটবেলা থেকেই এই মুসাফিরখানা দেখে আসছেন এবং মুরব্বিদের মুখে এর ইতিহাস শুনেছেন। অতীতে বরেন্দ্রভূমির মেঠোপথে গরুর গাড়িতে যাতায়াতের সময় বিপদের হাত থেকে বাঁচতে মানুষ এখানেই আশ্রয় নিত। দূরদূরান্ত থেকে আসা অতিথিরা জানান, এই প্রত্যন্ত অঞ্চলে ভাড়ায় থাকার মতো কোনো আবাসিক হোটেল না থাকায় বিনা খরচে এমন থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা সত্যিই কল্পনাতীত। এখানকার মানুষের আন্তরিকতা ও সেবার মান অতিথিদের মুগ্ধ করে।
প্রতিষ্ঠাতা খাদেম মোহাম্মদ শাহ্ আজ আর বেঁচে নেই, তবে তার দূরদর্শী চিন্তায় রোপিত মানবতার বীজটি আজও বরেন্দ্রভূমির বুকে ছায়া দিয়ে চলেছে শত শত ক্লান্ত পথিককে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর মিরপুর ১-এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে ঘটে যাওয়া ভাঙচুর ও লুটপাটের বিরুদ্ধে এবং সংশ্লিষ্টদের শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরের মিরপুর জোনের সদস্যরা।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত এই বিক্ষোভ মিছিলে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও মহানগরীর প্রচার-মিডিয়া সম্পাদক আতাউর রহমান সরকার। এছাড়া মহানগরী মজলিসে শূরা সদস্য ডা. মঈন উদ্দিন, আব্দুল্লাহ মুয়াজ ও মনিরুল ইসলাম মৃধা প্রমুখও উপস্থিত ছিলেন।
মাহফুজুর রহমান প্রধান অতিথির বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, সন্ত্রাসীরা রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে রাতের অন্ধকারে লুটপাট করে সন্তুষ্ট হয়নি, বরং তারা ভাঙচুর করে প্রতিষ্ঠানটিকে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিয়েছে।
তিনি বলেন, গত এক দশক ধরে অসহায় মানুষের স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করে আসা একটি প্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনা অত্যন্ত ন্যক্কারজনক। সভ্য সমাজে রাতের অন্ধকারে একটি মানবিক স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
তিনি প্রশ্ন করেন, সরকারের প্রশাসন কোথায় ছিল? নাকি আমরা মেনে নেব যে, সরকার ও প্রশাসনকে ম্যানেজ করে এই হামলা সংঘটিত হয়েছে?
মাহফুজুর রহমান সরকারের কাছে দাবি জানান যে, সুস্থ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হোক এবং জড়িতদের বিচারের মাধ্যমে ন্যায় প্রতিষ্ঠা করা হোক। তিনি সতর্ক করে বলেন, গরিব-দুঃখী মানুষের সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের দিকে নজর দেওয়া উচিত।
তিনি আরও বলেন, ‘১৮ কোটি মানুষের ওপর যারা জুলুম করবে, তাদের হাত ভেঙে দেওয়া হবে।’ মিছিলটি শাহ আলী মাজার গেইট থেকে শুরু হয়ে মিরপুর-১ গোলচত্বরে এসে পথসভার মাধ্যমে শেষ হয়।
উল্লেখ্য, মিরপুর-১-এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ