ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নিষেধাজ্ঞায় ইরানের অর্থনীতি ধসে যাবে, সরকারের পতন হবে: মার্কিন অর্থমন্ত্রী


নিষেধাজ্ঞায় ইরানের অর্থনীতি ধসে যাবে, সরকারের পতন হবে: মার্কিন অর্থমন্ত্রী

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পর এবার ইরানের অর্থনীতি ‘ধসিয়ে দেওয়ার’ ঘোষণা দিয়েছেন তার অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট। যুক্তরাষ্ট্রের প্রচেষ্টায় মিত্র দেশগুলোকে পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। তার দাবি, এবার ইরানের অর্থনীতিতে ধস নামবে, এমনকি সরকারও পতন হবে।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বেসেন্ট বলেন, ‘আমরা ইতিহাসের সবচেয়ে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে যাচ্ছি। আর আমি আপনাদের বলছি, এটা কাজ করবে। ভেনেজুয়েলায় অবরোধ আরোপের পর এটা কাজ করেছিল। কিউবায় এখনো এটা কাজ করছে। ইরানের ক্ষেত্রেও এটা কাজ করবে।’

ইরানের ওপর কঠোর অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে দেশটির সরকার পতন হবে, এমনটাই দাবি করেছেন তিনি। তিনি বলেন, ‘আমরা এই শাসনব্যবস্থার পতন ঘটাতে যাচ্ছি। এখন আমাদের মিত্র এবং বিশ্বের বাকি দেশগুলোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এসেছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আপনি হয় আমাদের সঙ্গে, নয়তো আমাদের বিরুদ্ধে।’

আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত

ইরান যুদ্ধ ছয় মাসে গড়িয়েছে। যুদ্ধ অবসানে কূটনৈতিক তৎপরতা চললেও সমাধানের কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে।

এদিকে নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন ঘিরে দেশের ভেতর ট্রাম্পের ওপর চাপ বাড়ছে। কারণ যুদ্ধ ব্যয় মেটাতে মার্কিন ভোক্তারা চাপে পড়েছেন। এছাড়া ইরান যুদ্ধ নিয়ে মার্কিন সামরিক বাহিনীর ওপর চাপ ক্রমাগত বাড়তে থাকায় দেশে কঠোর সমালোচনার মুখে পড়েছেন ট্রাম্প।

এমন পরিস্থিতিতে ক্ষুব্ধ ট্রাম্প ইরানের অর্থনীতিকে লক্ষ্য করে একটি নতুন বড় নিষেধাজ্ঞার অভিযান শুরুর ঘোষণা দেন। গত বুধবার (১৯ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে তিনি লেখেন, ‘আজ আমি কোনো দেশের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত নেওয়া সবচেয়ে কঠোর অর্থনৈতিক পদক্ষেপ ঘোষণা করছি! এটি হবে নজিরবিহীন অর্থনৈতিক যুদ্ধ ও একঘরে অবস্থার।’

তিনি হুঁশিয়ারি করে বলেন, যারা ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্রকে ‘যেকোনো ধরনের সহায়তা’ দেবে, তাদের ‘ভয়াবহ অর্থনৈতিক পরিণতি’ ভোগ করতে হতে পারে।

আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্যে ইরান আতঙ্ক, তিন দেশে যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কবার্তা

এর আগে গত সপ্তাহেও মার্কিন অর্থমন্ত্রী একই ধরনের কথা বলেছিলেন। তিনি বলেন, মার্কিন নৌ অবরোধের পাশাপাশি ইরানকে অর্থনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা শিগগিরই জোরদার করবে যুক্তরাষ্ট্র—এটি হবে দ্বিমুখী কৌশলের অংশ। রক্ষণশীল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক নিউজম্যাক্সকে বেসেন্ট আরও বলেন, ‘এটি অর্থনৈতিক বিচ্ছিন্নতার এমন এক সমন্বিত উদ্যোগ হবে, যা বিশ্ব আগে কখনও দেখেনি।’

তবে ট্রাম্প প্রশাসন ঠিক কী ধরনের পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি বেসেন্ট। তিনি বলেন, ইরানের অর্থনীতির ওপর পরিকল্পিত চাপ এমনভাবে প্রয়োগ করা হবে, যাতে নতুন করে বড় ধরনের সামরিক সংঘাতে যাওয়ার প্রয়োজন কমে আসে।

ইরানের পরমাণু অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা ঠেকানোর যুক্তিতে ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল দেশটির ওপর হামলা শুরু করে। তবে তেহরান বরাবরই পরমাণু অস্ত্র তৈরির অভিযোগ নাকচ করে আসছে। জবাবে ইরান ইসরাইল, মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটি এবং যুক্তরাষ্ট্রের উপসাগরীয় আরব মিত্রদের লক্ষ্য করে হামলা চালায়।

এরপর থেকে ইরান হরমুজ প্রণালি কার্যত অনেকটাই বন্ধ করে রেখেছে। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এই জলপথ দিয়ে পরিবহন করা হয়। ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দামে ব্যাপক ওঠানামা দেখা দিয়েছে।

আরও পড়ুন: বিলবোর্ডের ছবিকে রাস্তা ভেবে সজোরে ট্রাক চালালেন চালক, অতঃপর প্রাণ হারালেন

সংঘাত বন্ধ করে আলোচনার পথ তৈরি করতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান এপ্রিলে একটি এবং জুনে আরেকটি যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছিল। কিন্তু উভয় যুদ্ধবিরতিই বারবার লঙ্ঘিত হয়েছে এবং আলোচনা কার্যত থমকে গেছে।

যুদ্ধ পুনরায় শুরুর বদলে ট্রাম্প এখন ইরানের বিরুদ্ধে ‘কোনো দেশের বিরুদ্ধে নেওয়া সবচেয়ে কঠোর অর্থনৈতিক অভিযান’ চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন বেসেন্ট। তিনি বলেন, নতুন নিষেধাজ্ঞা হবে ‘বিশ্বের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সমন্বিত অর্থনৈতিক বিচ্ছিন্নতা’ হবে।

বেসেন্ট মার্কিন বাণিজ্যিক অংশীদারদের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনি যদি তাদের সঙ্গে ব্যবসা করতে চান, অর্থ স্থানান্তর করতে চান কিংবা তাদের তেল কিনতে চান, তাহলে মার্কিন ট্রেজারি ও সরকার তাদের পূর্ণ শক্তি দিয়ে আপনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।’ পরিকল্পিত নতুন অর্থনৈতিক পদক্ষেপের বিস্তারিত আগামী সোমবার (২৪ আগস্ট) এক সংবাদ সম্মেলনে প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী।

আরও পড়ুন: বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমতে শুরু করেছে

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বঙ্গভবনে প্রবেশ করছেন আমন্ত্রিত অতিথিরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:১৯ পি.এম


বঙ্গভবনে প্রবেশ করছেন আমন্ত্রিত অতিথিরা

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের আমন্ত্রিত অতিথিরা বঙ্গভবনে আসতে শুরু করেছেন। আমন্ত্রণপত্রের কার্ড হাতে নিয়ে উদ্বিগ্ন অতিথিদের বঙ্গভবনে প্রবেশ করতে দেখা যাচ্ছে।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান শুরু হবে। রাজধানীর গুলিস্তান এলাকায় বঙ্গভবনের আশপাশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বিভিন্ন সড়কগুলিতে ডাইভারশন রাখা হয়েছে। যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি বিভিন্ন পয়েন্টে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে।

জানা গেছে, বঙ্গভবনের দরবার হলও শপথ অনুষ্ঠানের জন্য বিশেষভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে। জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামাল তাকে শপথ পড়াবেন। পুরো অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করবেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।

প্রথমে জাতীয় সংগীত গাওয়া এবং কোরআন তিলাওয়াতের পর রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠিত হবে। শপথ গ্রহণের পর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শপথ বইয়ে সই করবেন। আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলে তিনি রাষ্ট্রপতির চেয়ারবিহারে আসীন হবেন।

রাষ্ট্রপতির শপথের পরে নতুন চার সদস্যের মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠিত হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ এবং বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করবেন। গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে পারেন। তাদের শপথ খাবার জন্য নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শপথ পড়াবেন।

শপথ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে আমন্ত্রিত অতিথিদের তালিকাও বেশ বড়। এই তালিকায় রয়েছেন মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তা, বিচার বিভাগ ও নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিরা, বিদেশি অতিথি, রাষ্ট্রদূত, সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা, বিরোধী দলের নেতা ও সংসদ সদস্য, অন্যান্য রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, সাংবাদিক এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরাও।

বঙ্গভবন ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ১ হাজার ২০০-এর বেশি আমন্ত্রণপত্র বিতরণ করা হয়েছে। দরবার হলে সাধারণ সময়ের তুলনায় এবার আসনসংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে। প্রায় ৪০০ জনের বসার ব্যবস্থা থাকলেও এবারের জন্য এটি বাড়িয়ে ৮০০-এর বেশি করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপতির শপথের পূর্বে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বঙ্গভবনে আসবেন। এরপর নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বঙ্গভবনে প্রবেশ করবেন এবং পরে তাদের দরবার হলে যেতে দেখা যাবে।

শপথ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বঙ্গভবনের বাইরে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যেও উৎসাহ দেখা গেছে। মূল প্রবেশপথের বাইরে নিরাপত্তার কারণে যানবাহনের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হলেও সেখানে দলের বেশ কিছু নেতাকর্মীকে অবস্থান করতে দেখা গেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি শপথ নিতে বঙ্গভভনে প্রবেশ করেছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:২০ পি.এম


নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি শপথ নিতে বঙ্গভভনে প্রবেশ করেছেন

নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিতে বঙ্গভবনে প্রবেশ করেছেন। শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যা ৫টা ৫০ মিনিটের দিকে, তার গাড়িবহর বঙ্গভবনে প্রবেশ করে।

এর আগে বিকাল থেকেই রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বঙ্গভবন এলাকায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়। বিভিন্ন সড়কে ডাইভারশন রাখা হয়েছে। যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি, বিভিন্ন পয়েন্টে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে।

শপথ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বঙ্গভবনে, এরই মধ্যে আমন্ত্রিত অতিথিরা আসতে শুরু করেছেন। আমন্ত্রণপত্রের কার্ড দেখিয়ে অতিথিদের বঙ্গভবনে প্রবেশ করতে দেখা যাচ্ছে। এতে মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, রাজনৈতিক নেতা, সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা, বিচারপতি, কূটনীতিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছেন।

বঙ্গভবনের সামনে দীর্ঘদিনের ব্যারিকেড সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আশপাশের সড়ক ও ফুটপাত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে। গুলিস্তান থেকে বঙ্গভবনমুখী সড়কের ফুটপাত থেকে অবৈধ ব্যবসায়ীদের সরিয়ে দেওয়ায় এলাকাটি অনেকটাই ফাঁকা রয়েছে। তবে সাধারণ মানুষের চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

বঙ্গভবনের দরবার হলে, আজ সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের শপথগ্রহণ হতে চলেছে। জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামাল তাঁকে শপথ পড়াবেন। পুরো অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।

শুরুতে জাতীয় সংগীত ও কোরআন তিলাওয়াতের পর রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠিত হবে। শপথ শেষে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শপথ বইয়ে সই করবেন। আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর তিনি রাষ্ট্রপতির চেয়ারে আসীন হবেন।

বঙ্গভবন ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ১ হাজার ২০০-এর বেশি আমন্ত্রণপত্র বিতরণ করা হয়েছে। দরবার হলে সাধারণ সময়ের তুলনায় এবার আসনসংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে। প্রায় ৪০০ জনের বসার ব্যবস্থা থাকলেও এবার তা বাড়িয়ে ৮০০-এর বেশি করা হয়েছে।

শপথ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তা, বিচার বিভাগ ও নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিদের পাশাপাশি বিদেশি অতিথি, রাষ্ট্রদূত, সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা, বিরোধী দলের নেতা ও সংসদ সদস্য, অন্যান্য রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, সাংবাদিক এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন।

রাষ্ট্রপতির শপথের পরই মন্ত্রিপরিষদের নতুন চার সদস্যের শপথ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ এবং বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী মন্ত্রী হিসেবে এবং গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে পারেন। তাঁদের শপথ পড়াবেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রাষ্ট্রপতির শপথের আগে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বঙ্গভবনে আসবেন। এরপর নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বঙ্গভবনে প্রবেশ করবেন। পরে তাঁরা দরবার হলে যাবেন।

শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে বঙ্গভবনের বাইরে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ দেখা গেছে। মূল প্রবেশপথের বাইরে নিরাপত্তার কারণে যানবাহনের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হলেও সেখানে দলটির বেশ কিছু নেতাকর্মীকে অবস্থান করতে দেখা গেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোহাম্মদপুরে মসজিদে দানকৃত জমি দখলের পাঁয়তারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:২২ পি.এম


মোহাম্মদপুরে মসজিদে দানকৃত জমি দখলের পাঁয়তারা

রাজধানীর মোহাম্মদপুর এবং বসিলা এলাকায় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের মাধ্যমে জোরপূর্বক জমি দখল এবং আবাসিক স্থাপনা ভাঙচুরের ঘটনা বেড়েই চলছে। এবার একটি স্থানীয় প্রভাবশালী অপরাধী চক্র মসজিদে দানকৃত জমি দখল করার উদ্দেশ্যে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে মোহাম্মদপুরের কাটাশূর বেড়িবাধ এলাকায় হাজী লাট মিয়া ঘাট জামে মসজিদে ভাঙচুর চালানো হয়। এই ঘটনায় মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে মোহাম্মদপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

থানায় দায়ের করা অভিযোগ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সরাই জাফরাবাদ মৌজার প্রায় ৪ কাঠা জমির মালিক হিসেবে ওয়ারিশসূত্রে মরহুম হাজী লাট মিয়ার স্ত্রী জবেদা খাতুন ও তাদের তিন সন্তান রয়েছেন। ২০২২ সালের ২৮ এপ্রিল তারা এই জমি হাজী লাট মিয়া ঘাট জামে মসজিদের নামে ওয়াকফ রেজিস্ট্রি সূত্রে দান করেন। পরে ওই জমিতে মসজিদ ভবন নির্মাণ করা হয়। এতে প্রতিদিন শত শত স্থানীয় বাসিন্দা নামাজ আদায় করেন।

গত কিছুদিন ধরে স্থানীয় চিহ্নিত ভূমিদস্যুদের একটি দল মসজিদে দানকৃত এই জমির মালিকানা দাবি করে মসজিদ কমিটি এবং নামাজ পড়তে আসা মুসল্লিদের হুমকি-ধামকি দিয়ে আসছিল। বৃহস্পতিবার দুপুরে সেই দুষ্কৃতিকারীরা মসজিদের জমি দখলের উদ্দেশ্যে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের মাধ্যমে মসজিদের টিনশেড ভবনে ভাঙচুর চালায়। ফলে এলাকাবাসীর মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মোহাম্মদপুর থানার ওসি মো. আব্দুল হালিম বলেন, থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে। মসজিদ এবং মুসল্লীদের নিরাপত্তার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উত্তর কোরিয়ার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করছে রাশিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:২৩ পি.এম


উত্তর কোরিয়ার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করছে রাশিয়া

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ গতকালের তুলনায় আরও তীব্র হয়েছে। দুই পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে হামলা জোরদার করেছে। এর মধ্যে ইউক্রেনের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা দাবি করেছে যে, রাশিয়া উত্তর কোরিয়ার কাছ থেকে কেএন-৩০ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হাতে পেয়েছে।

ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা অধিদপ্তর গত বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) এই তথ্য জানিয়েছে বলে ইউক্রেনীয় সংবাদমাধ্যম ইউক্রেনস্কা প্রাভদার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ইউক্রেনীয় গোয়েন্দাদের তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাস পর্যন্ত রাশিয়ার কাছে প্রায় ৫০টি কিনঝাল অ্যারোব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিঃশেষিত হয়ে গেছে। একই সময় উত্তর কোরিয়ার কেএন-৩০, কেএন-২৪ ও কেএন-২৩ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রও ছিল প্রায় ৫০টি।

রাশিয়ার কেএন-৩০ ক্ষেপণাস্ত্র পাওয়ার খবর এবারই প্রথম প্রকাশ্যে এসেছে। ইউক্রেনীয় গোয়েন্দারা জানিয়েছে, রাশিয়া ইতোমধ্যেই ইউক্রেনে হামলায় উত্তর কোরিয়ার কেএন-২৩ ও কেএন-২৪ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে।

একাধিক গোয়েন্দা সূত্রের বরাতে ইউক্রেনস্কা প্রাভদা আরও বলেছে, রাশিয়ার মজুত অস্ত্রের মধ্যে ৬০০টির বেশি অনিক্স ক্ষেপণাস্ত্র, ৪৫০টির বেশি কালিব্র, ১২০টির বেশি জিরকন এবং প্রায় ১৩০টি ইস্কান্দার-এম ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের আরও শত শত ক্ষেপণাস্ত্র রাশিয়ার হাতে আছে।

একই সময়ে রাশিয়ার সামরিক-শিল্প কমপ্লেক্স প্রতি মাসে ২০০টির বেশি ক্রুজ ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনে সক্ষম বলেও ইউক্রেনীয় গোয়েন্দারা জানিয়েছেন।

কেএন-৩০ হলো উত্তর কোরিয়ার হোয়াসং-১১সি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পশ্চিমা নাম। এই ক্ষেপণাস্ত্রটি হোয়াসং-১১ডিএ নামেও পরিচিত। এটি হোয়াসং-১১ পরিবারের বড় আকারের একটি সংস্করণ এবং স্বল্পপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের (এসআরবিএম) শ্রেণিভুক্ত।

ইউক্রেনীয় গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ক্ষেপণাস্ত্রটি সলিড-ফুয়েল ইঞ্জিনে চলে এবং মোবাইল স্থলভিত্তিক লঞ্চার থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়। হোয়াসং-১১সি-এর প্রথম পরিচিত পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ হয় ২০২১ সালের ২৫ মার্চ। ওই পরীক্ষায় ক্ষেপণাস্ত্রটি অন্তত ৬০০ কিলোমিটার পাল্লা প্রদর্শন করেছিল।

এর আগে উত্তর কোরিয়া দাবি করেছিল, এই ক্ষেপণাস্ত্র ২.৫ টন ওজনের ওয়ারহেড বহন করতে সক্ষম। তবে এ তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি। কেএন-৩০ প্রথমবার প্রকাশ্যে প্রদর্শিত হয় ২০২১ সালের ১৪ জানুয়ারি পিয়ংইয়ংয়ে আয়োজিত একটি সামরিক কুচকাওয়াজে।

ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থা রাশিয়ার মজুত থাকা অন্যান্য ক্ষেপণাস্ত্র সম্পর্কেও তথ্য দিয়েছে। তাদের হিসাবে, ৫ আগস্ট পর্যন্ত রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর জন্য বরাদ্দ ইস্কান্দার-এম অপারেশনাল-ট্যাকটিক্যাল ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার ৯এম৭২৩ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত ছিল প্রায় ১৩০টি।

অগাস্টের শুরুতে ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধি আন্দ্রি চেরনিয়াক জানান, উত্তর কোরিয়া রাশিয়ার ভোরোনেঝ অঞ্চলে একটি ক্ষেপণাস্ত্র ইউনিট মোতায়েন শুরু করেছে। ইউক্রেনের বিরুদ্ধে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাতে এই ইউনিট মোতায়েন করা হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।

রাশিয়া উত্তর কোরিয়ার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের প্রস্তুতি নিচ্ছে। ভোরোনেঝ অঞ্চলে উত্তর কোরিয়ার এসব ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার জন্য ছয়টি লঞ্চার মোতায়েন করা হয়েছে।

এগুলো দিয়ে ইউক্রেনের সাতটি অঞ্চলে হামলা চালানোর সম্ভবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে ইনস্টিটিউট ফর দ্য স্টাডি অব ওয়ার (আইএসডব্লিউ)। আজ শুক্রবার (২১ আগস্ট) কিয়েভ পোস্টের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

ইউক্রেনের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা এইচইউআর-এর বরাত দিয়ে আইএসডব্লিউ জানায়, গত জুলাই পর্যন্ত উত্তর কোরিয়া রাশিয়াকে প্রায় ৫০টি কেএন-২৩, কেএন-২৪ ও কেএন-৩০ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করেছে।

আইএসডব্লিউ-এর তথ্য অনুযায়ী, ভোরোনেঝে মোতায়েন করা লঞ্চারগুলো থেকে ইউক্রেনের সুমি, খারকিভ, চেরনিহिभ, পোলতাভা, কিয়েভ, দিনিপ্রোপেত্রোভস্ক ও জাপোরিঝঝিয়া অঞ্চলে হামলা চালানো সম্ভব।

রাশিয়া ভোরোনেঝ অঞ্চলে উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের জন্য ছয়টি লঞ্চার মোতায়েন করেছে। আইএসডব্লিউ বলছে, এসব লঞ্চার সম্মিলিতভাবে সর্বোচ্চ ১২০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার সক্ষমতা রাখে।

এর ফলে রাশিয়ান ভূখণ্ড থেকেই ইউক্রেনের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলার জন্য রাশিয়া আরও একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা পাবে। তবে ইউক্রেনের সামরিক বিশেষজ্ঞ আনাতোলি খ্রাপচিনস্কি সতর্ক করে বলেছেন, রাশিয়া একবারে হামলায় সব লঞ্চার ব্যবহার করবে, এমনটা ধরে নেওয়া ঠিক নয়।

রাশিয়ার কাছে প্রায় ১৬০টি ইস্কান্দার লঞ্চার রয়েছে। প্রতিটি লঞ্চার দুটি করে ক্ষেপণাস্ত্র বহন করতে পারে। কিন্তু খ্রাপচিনস্কির মতে, রুশ বাহিনী সাধারণত একটি হামলায় ১৬ থেকে ২৬টি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে। उत्तर কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর সঙ্গে রাশিয়ার ইস্কান্দার-এম ক্ষেপণাস্ত্রের বড় পার্থক্য রয়েছে নির্ভুলতা ও ওয়ারহেডের আকারে।

খ্রাপচিনস্কির দাবি, ইস্কান্দার-এম সাধারণত নির্ধারিত লক্ষ্য থেকে প্রায় ৫ থেকে ২০ মিটারের মধ্যে আঘাত হানতে পারে। বিপরীতে, উত্তর কোরিয়ার কেএন-২৩ ক্ষেপণাস্ত্র কখনো কখনো লক্ষ্যবস্তু থেকে কয়েকশ মিটার এমনকি কয়েক কিলোমিটার দূরেও গিয়ে পড়ে।

তবে নির্ভুলতায় পিছিয়ে থাকলেও উত্তর কোরিয়ার এসব ক্ষেপণাস্ত্র অনেক বেশি ওজনের ওয়ারহেড বহন করতে পারে। কেএন-২৩ সিরিজের ক্ষেপণাস্ত্র সর্বোচ্চ প্রায় ১ টন বা ৯৭০ কেজির ওয়ারহেড বহন করা সম্ভব বলে ধারণা করা হয়। অন্যদিকে রাশিয়ার ইস্কান্দার-এম-এর প্রচলিত ওয়ারহেডের ওজন প্রায় ৪৮০ কেজি।

ফলে উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানলে তুলনামূলকভাবে বড় গর্ত তৈরি ও আরও শক্তিশালী বিস্ফোরণজনিত চাপ সৃষ্টি হতে পারে। ভোরোনেঝে এসব লঞ্চার মোতায়েনের খবর থেকে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে, ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়া তার হামলার ব্যবস্থায় উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র আরও ব্যাপকভাবে অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করছে।

রাশিয়াকে সহায়তা করতে বিপুল সংখ্যক সেনা পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে উত্তর কোরিয়া, এমনটাই দাবি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির। তার মতে, রাশিয়ায় ৫০ হাজার পর্যন্ত উত্তর কোরীয় সেনা মোতায়েন হতে পারে।

জুলাইয়ের শেষ দিকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট বলেছিলেন, রাশিয়া আরও ৩০ হাজার উত্তর কোরীয় সেনা নিয়ে আসতে চায়। এরপর গত সপ্তাহে তিনি দাবি করেন, পিয়ংইয়ং রাশিয়ার ভূখণ্ডে ৩০ থেকে ৫০ হাজার উত্তর কোরীয় সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে এই সংখ্যার মধ্যে বর্তমানে যুদ্ধরত উত্তর কোরীয় সেনারাও আছেন কিনা, তা তিনি স্পষ্ট করেননি।

গত সপ্তাহে প্রকাশিত এক মন্তব্যে জেলেনস্কি সতর্ক করে বলেন, আধুনিক যুদ্ধ পরিচালনায় উত্তর কোরিয়া ইতোমধ্যে মূল্যবান অভিজ্ঞতা অর্জন করছে। এ সময় তিনি দক্ষিণ কোরিয়াকে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও ড্রোন প্রযুক্তিতে ইউক্রেনের সঙ্গে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর আহ্বান জানান। তার ঠিক দুই দিন পর জেলেনস্কি জানান, রাশিয়া উত্তর কোরিয়া থেকে আরও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পেয়ে গেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%