বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:০৩ পি.এম
বরিশালের ১০ উপজেলায় চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত পাঁচ মাসের মধ্যে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) বিভিন্ন উন্নয়নকাজ বাস্তবায়ন করেছে। এসব কাজের মধ্যে রয়েছে সড়ক, হাটবাজার, সামাজিক অবকাঠামো, সেতু-কালভার্ট রক্ষণাবেক্ষণ এবং সেচ খাল খনন। এই উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজে মোট ব্যয় হয়েছে ১৪৯ কোটি ১৮ লাখ ৬২ হাজার ১০০ টাকা।
এলজিইডির বরিশাল কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ৭ দশমিক ৩৬৬ কিলোমিটার ইউনিয়ন সড়ক, ৪ দশমিক ৬৯৩ কিলোমিটার গ্রামীণ সড়ক এবং ৮ দশমিক ২৯ কিলোমিটার পাকা সড়ক প্রশস্তকরণ ও শক্তিশালীকরণ করা হয়েছে। সড়ক উন্নয়নের আওতায় মোট ২০ দশমিক ৩৪৯ কিলোমিটার কাজ সম্পন্ন হয়েছে, যার জন্য ব্যয় হয়েছে ২৮৪৭ দশমিক ৭৯১ লাখ টাকা।
একই সময়ে ৫১৮ দশমিক ৩৮ কিলোমিটার ব্রিজ ও কালভার্ট নির্মাণ করা হয়েছে, যার জন্য ব্যয় হয়েছে ৬৭২৯ দশমিক ৯৭ লাখ টাকা। এছাড়া, একটি হাট-বাজার ও গ্রোথ সেন্টারের উন্নয়ন করা হয়েছে, যার ব্যয় ৩৪৩ দশমিক ১৩ লাখ টাকা।
জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ৪২টি সামাজিক অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে মসজিদ, কবরস্থান ও মন্দির। এসব কাজে ব্যয় হয়েছে ১৭৭ দশমিক ৭৬ লাখ টাকা। এলজিইডির তথ্য অনুযায়ী, বিদ্যমান সড়ক সচল ও চলাচলের উপযোগী রাখতে ৫৭ দশমিক ২৮ কিলোমিটার সড়কের রক্ষণাবেক্ষণে ব্যয় হয়েছে ২৩২০ দশমিক ০৭ লাখ টাকা।
এছাড়া, জেলার ১০টি উপজেলায় প্রকল্পের মাধ্যমে ১২২৮ দশমিক ৯৬ কিলোমিটার ব্রিজ ও কালভার্ট রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়েছে, যার জন্য ব্যয় হয়েছে ২৪৪২ দশমিক ৬২ লাখ টাকা। কৃষি ও সেচব্যবস্থার উন্নয়নে ৫ দশমিক ১৭ কিলোমিটার খননকৃত সেচ খাল পুনঃখনন করা হয়েছে, এতে ব্যয় হয়েছে ৫৭ দশমিক ২৮ লাখ টাকা।
এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল সদর ও মুলাদী উপজেলায় উন্নয়নযোগ্য কাজের মধ্যে দুটি সড়ক প্রশস্তকরণ করা হয়েছে। এসব সড়ক সংশ্লিষ্ট এলাকার যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নের পাশাপাশি গ্রামীণ পরিবেশের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করেছে।
গৌরনদী ও উজিরপুর উপজেলায় দুটি নান্দনিক আরসিসি আর্চ গার্ডার ব্রিজ নির্মাণ করা হয়েছে। আধুনিক প্রকৌশল কৌশলে নির্মিত এসব ব্রিজের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট এলাকার মানুষের যাতায়াত ও যোগাযোগব্যবস্থা আরও সহজ হয়েছে।
জেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আল ইমরান বলেন, "জেলার গ্রামীণ যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, কৃষিপণ্য পরিবহন সহজ করা এবং মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে এলজিইডির উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।"
তিনি আরও বলেন, "নতুন সড়ক ও সেতু-কালভার্ট নির্মাণের পাশাপাশি বিদ্যমান অবকাঠামোর রক্ষণাবেক্ষণেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।" এছাড়া, হাটবাজার, গ্রোথ সেন্টার, সামাজিক অবকাঠামো ও সেচব্যবস্থার উন্নয়ন করা হচ্ছে। এর ফলে প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের যোগাযোগ সুবিধা বৃদ্ধির পাশাপাশি কৃষি ও স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হবে।
এলজিইডি কর্মকর্তারা জানান, জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বাস্তবায়িত এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে গ্রামীণ সড়ক যোগাযোগ উন্নয়ন, নিরাপদ ও সহজ যাতায়াত এবং স্থানীয় পর্যায়ে অবকাঠামোগত সুবিধা সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সূত্র: বাসস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভারতের কিংবদন্তি শাস্ত্রীয় সংগীতশিল্পী এম এস সুব্বুলক্ষ্মীর জীবন এবার রুপালি পর্দায় উপস্থাপন করা হবে। প্রথম ভারতরত্নপ্রাপ্ত এই সুরসম্রাজ্ঞীর চরিত্রে অভিনয় করবেন দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা। বড় বাজেটের এই জীবনীভিত্তিক সিনেমাটি একাধিক ভারতীয় ভাষায় নির্মিত হবে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) চেন্নাইয়ের ঐতিহ্যবাহী মিউজিক একাডেমিতে এম এস সুব্বুলক্ষ্মীর ১১০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সিনেমাটির মহরৎ ও পূজা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রথম দৃশ্যের সূচনা করেন তামিল সিনেমার কিংবদন্তি অভিনেতা কমল হাসন।
এ সময় এম এস সুব্বুলক্ষ্মীর পরিবারের সদস্য, খ্যাতিমান শাস্ত্রীয় সংগীতশিল্পী এবং ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতের প্রযোজক ও পরিচালকেরা উপস্থিত ছিলেন।
দক্ষিণী সিনেমার নির্মাতা গৌতম তিন্নানুরি প্রায় এক বছর গবেষণা করে সিনেমাটির চিত্রনাট্য তৈরি করেছেন। প্রযোজক আল্লু অরবিন্দ, রকলাইন ভেঙ্কটেশ ও বানি ভাসে যৌথভাবে সিনেমাটি প্রযোজনা করবেন। সংগীত পরিচালনার দায়িত্বে থাকবেন জনপ্রিয় সুরকার অনিরুদ্ধ রবিচন্দর।
অনুষ্ঠানে পরিচালক গৌতম তিন্নানুরি বলেন, "এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনুসারী ও পছন্দের সংখ্যা বাড়িয়ে খুব দ্রুত তারকা হওয়া সম্ভব। কিন্তু এম এস সুব্বুলক্ষ্মী সারা জীবন সাধনা, ধৈর্য ও ত্যাগের মাধ্যমে নিজের জায়গা তৈরি করেছিলেন। তার গানের পাশাপাশি সেই মানুষটির জীবনও পুরো বিশ্বের সামনে তুলে ধরতে চান তারা।"
এদিকে কিংবদন্তি এই শিল্পীর চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পেয়ে আবেগাপ্লুত রাশমিকা মান্দানা। অনুষ্ঠানে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে তিনি বলেন, "আমার মনে হচ্ছে আমি এক ঐশ্বরিক সান্নিধ্যে দাঁড়িয়ে আছি। আম্মার ঐতিহাসিক জীবনের একটি ছোট অংশ হতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। আম্মা নিজেই হয়তো আমাকে এই কাজের জন্য বেছে নিয়েছেন। আমি কথা দিচ্ছি, এই চরিত্রের প্রতি শতভাগ নিষ্ঠা ও সততা রেখে নিজের সেরাটা দেব।"
সিনেমাটির মহরৎ অনুষ্ঠানে তরুণ প্রজন্মের প্রশংসা করেন কমল হাসনও। এম এস সুব্বুলক্ষ্মীর সংগীত কীভাবে পুরো ভারতকে এক সুতোয় বেঁধেছিল, তা উল্লেখ করে তিনি রাশমিকার এই চরিত্রে অভিনয় নিয়ে নিজের মুগ্ধতার কথা জানান।
রসিকতা করে কমল হাসন বলেন, "আজকের দিনে রাশমিকা এই চরিত্রটি পাওয়ায় আমার এতটুকু হিংসা হচ্ছে না। কারণ আমি যদি নিজের দাড়িও কামিয়ে ফেলতাম, তাহলেও এম এস আম্মার চরিত্রের সঙ্গে সুবিচার করতে পারতাম না।"
তামিল, তেলেগু, কন্নড় ও মালয়ালম—এই চারটি প্রধান ভাষায় সিনেমাটি নির্মাণ ও মুক্তি দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। সিনেমাটির নাম ও প্রথম ঝলক খুব শিগগির আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জামালপুরে ট্রেনে উঠতে দৌড়ানোর সময় পা পিছলে ট্রেনের নিচে পড়ে মৃত্যু ঘটেছে আব্দুল মালেক (৫৫) নামে এক ব্যক্তির।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে জামালপুর রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় দেওয়ানগঞ্জ থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে আসা ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে পড়ে তার মৃত্যু ঘটে।
জামালপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত মালেক সরিষাবাড়ি উপজেলার বয়রা এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। তিনি বকশীগঞ্জ উপজেলার নঈম মিয়ার বাজারে সার ব্যবসায়ী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
জামালপুর রেলওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ৮টার দিকে দেওয়ানগঞ্জ থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে আসা আন্তঃনগর ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস ট্রেনটি জামালপুর রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছায়। নির্ধারিত সময় দাঁড়িয়ে থাকার পর ট্রেনটি ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে। এ সময় আব্দুল মালেক ট্রেনে দৌড়ে উঠতে গিয়ে পা পিছলে ট্রেনের নিচে পড়ে যান। ট্রেনের চাকার নিচে পড়ে আব্দুল মালেকের শরীর থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং ঘটনাস্থলে তিনি মারা যান।
ওসি রবিউল ইসলাম জানিয়েছেন, এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ছোট পর্দার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’র অভিনেতা সাইদুর রহমান পাভেলকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। এই ভিডিওটি নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা ও মন্তব্যের মধ্যে, পাভেল এবার বিষয়টি সম্পর্কে নিজের মতামত প্রকাশ করেছেন।
পাভেল জানিয়েছেন, ভিডিওতে উপস্থিত নারী তার বান্ধবী। তবে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি নিয়ে যে আলোচনা চলছে, সেগুলোর সঙ্গে বাস্তবতার কোনো সম্পর্ক নেই বলে তিনি দাবি করেছেন।
অভিনেতা বলেন, ভিডিওতে থাকা ওই নারী তার বান্ধবী এবং তাদের মধ্যে বন্ধুত্ব ও ব্যক্তিগত পরিচয়ের সম্পর্ক বিদ্যমান। তিনি এও জানান, তাদের মধ্যে অন্য কোনো সম্পর্ক নেই।
ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য ও আলোচনা শুরু হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে পাভেল নিজেকে পরিষ্কার করে বলেন, ভিডিওতে থাকা নারীকে নিয়ে যে কথাবার্তা হচ্ছে, সেগুলো সঠিক নয়।
‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ ধারাবাহিকে অভিনয়ের মাধ্যমে পাভেল দর্শকের কাছে পরিচিতি লাভ করেন। তিনি বিভিন্ন নাটক ও ধারাবাহিকে অভিনয় করে ইতোমধ্যে ছোট পর্দায় একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন। তবে এবার অভিনয় নয়, ব্যক্তিগত একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে তিনি আলোচনায় এসেছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
লিওনেল মেসি তার ক্যারিয়ারে আরেকটি মাইলফলক অর্জন করলেন। ইন্টার মায়ামির জার্সিতে ১০০ গোল পূর্ণ করার ম্যাচে তিনি দলের জন্য আরেকটি শিরোপা জিতিয়ে দিলেন। মেক্সিকান ক্লাব ক্রুজ আজুলকে ২-০ গোলে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়নস কাপের শিরোপা নিজেদের করে নিল ইন্টার মায়ামি।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ভোরে অনুষ্ঠিত ম্যাচে মায়ামির জয়ের নায়ক ছিলেন মেসি। ম্যাচের ২৪ মিনিটে লুইস সুয়ারেজের ক্রস থেকে হেডে গোল করে আর্জেন্টাইন তারকা দলকে এগিয়ে দেন। এই গোলের মাধ্যমে তিনি মায়ামির হয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ১০০ গোলের মাইলফলক স্পর্শ করেন।
মেসির গোলের পর নির্ধারিত সময়ের শেষ দিকে কাসেমিরো হেডে মায়ামির ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে মায়ামি।
মায়ামির নতুন কোচ ক্রিস্টিয়ান কিলি গঞ্জালেজের অধীনে এটি ছিল তার প্রথম ম্যাচ। অভিষেকেই কোচকে শিরোপা উপহার দিলেন মেসিরা।
ইন্টার মায়ামির হয়ে মাত্র ১১৫ ম্যাচে ১০০ গোল করেছেন মেসি। কোনো ক্লাব বা জাতীয় দলের হয়ে শততম গোলের মাইলফলকে পৌঁছাতে এর চেয়ে কম ম্যাচ তার ক্যারিয়ারে আর লাগেনি। বার্সেলোনার হয়ে ১৮৮ ম্যাচ এবং আর্জেন্টিনার হয়ে ১৭৪ ম্যাচ খেলে ১০০ গোল পূর্ণ করেছিলেন তিনি।
২০২৩ সালে মায়ামিতে যোগ দেওয়ার পর থেকে ক্লাবটির ইতিহাসে নতুন নতুন অধ্যায় রচনা করে চলেছেন মেসি। মায়ামির হয়ে তার ১০০ গোলের মধ্যে ৭৬টি এসেছে এমএলএসে, ১৪টি লিগস কাপে, ৮টি কনকাকাফ চ্যাম্পিয়নস কাপে এবং একটি ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপে।
নতুন মৌসুমেও দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছেন ৩৯ বছর বয়সী এই তারকা। ২২ ম্যাচে ১৯ গোল নিয়ে এমএলএসের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় শীর্ষে অবস্থান করছেন তিনি। সব মিলিয়ে ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে মেসির ক্যারিয়ার গোলসংখ্যা এখন ৯২৯।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ