ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মধ্যপ্রঞ্চ্যে মার্কিন নাগরিকদের জরুরি নির্দেশনা


মধ্যপ্রঞ্চ্যে মার্কিন নাগরিকদের জরুরি নির্দেশনা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন হুমকির কারণে মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরণের যুদ্ধের আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে। এ অবস্থায়, ওই অঞ্চলে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার এবং প্রয়োজনে দ্রুত ওই এলাকা ত্যাগ করার পরামর্শ দিয়েছে ওয়াশিংটন।

রোববার (২ আগস্ট) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বাহরাইন, ইরাক, ইসরায়েল, জর্ডান, কুয়েত, লেবানন, ওমান, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসগুলো অনলাইনে একযোগে এই বিশেষ সতর্কবার্তা জারি করেছে। উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে যে কোনো মুহূর্তে সংঘাত ছড়িয়ে পড়তে পারে; এজন্য মার্কিন নাগরিকদের বিশেষ সতর্ক করা হয়েছে।

ইরানের সঙ্গে মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানকে ‘কঠোর আঘাত’ হানার হুমকি দিয়েছেন। ট্রাম্পের দাবী, তেহরানের ওপর থেকে তিনি আস্থা হারিয়েছেন, কেননা ইরান চুক্তির প্রতিশ্রুতি পালন করছে না।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

এই হুমকির পরপরই মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ও কনস্যুলার অ্যাফেয়ার্স তাদের সতর্কবার্তায় মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত নাগরিকদের বিমান চলাচল স্থগিত এবং ফ্লাইট বাতিলের মত পরিস্থিতি মোকাবিলার প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া নতুন করে মধ্যপ্রাচ্য সফর না করার জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।

ইতিমধ্যে একাধিক আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থা তাদের নিয়মিত ফ্লাইট স্থগিত করেছে। এই পরিস্থিতিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর নাগরিকদের সম্ভাব্য বিকল্প উপায়ে মধ্যপ্রাচ্য ছাড়ার ব্যাপারে বিবেচনা করতে বলেছে।

এ ছাড়াও অঞ্চলটির নির্দিষ্ট কিছু দেশে বাড়তি নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ—জর্ডানের মার্কিন দূতাবাস নাগরিকদের সাম্প্রতিক ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকার সামরিক ঘাঁটিগুলোর চারপাশ এড়িয়ে চলতে বলেছে। অপরদিকে, জেরুজালেমে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস ইসরায়েলে বসবাসরত নাগরিকদের দ্রুত নিকটস্থ আশ্রয়কেন্দ্রের অবস্থান চিহ্নিত করে রাখার পরামর্শ দিয়েছে।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গ্যাস নেই? ইনডাকশন চুলায় রান্নার ৫ জরুরি নিয়ম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৩০ এম


গ্যাস নেই? ইনডাকশন চুলায় রান্নার ৫ জরুরি নিয়ম

রান্নার গ্যাসের সরবরাহে টান পড়ায় অনেক পরিবার এখন বিকল্প হিসেবে ইনডাকশন চুলা ব্যবহার করছেন। তবে গ্যাসের চুলা থেকে ইনডাকশন চুলায় রান্নার পদ্ধতি কিছুটা ভিন্ন। তাই শুরুতেই কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জেনে রাখলে রান্না হবে সহজ, নিরাপদ এবং দ্রুত।

সঠিক বাসন ব্যবহার করাই প্রথম শর্ত

ইনডাকশন চুলায় সব ধরনের হাঁড়ি বা কড়াই ব্যবহার করা যায় না। সমান তলাযুক্ত এবং চুম্বক টানে এমন ধাতুর বাসন ব্যবহার করতে হবে। সাধারণত স্টিল বা ঢালাই লোহার বাসন সবচেয়ে ভালো। এতে তাপ দ্রুত ছড়ায়, রান্নাও দ্রুত শেষ হয়।

আগেই সব উপকরণ প্রস্তুত রাখুন

ইনডাকশন চুলা খুব দ্রুত গরম হয়ে যায়। তাই রান্না শুরু করার আগে সবজি কেটে রাখা, মসলা মেপে রাখা এবং প্রয়োজনীয় সব উপকরণ হাতের কাছে রাখা উচিত। এতে খাবার পুড়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমে।

তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের কৌশল শিখুন

গ্যাসের মতো এখানে আগুন দেখা যায় না। তাই তাপ বাড়ানো বা কমানোর জন্য নির্ধারিত মাত্রা ব্যবহার করতে হয়। রান্নার সময় খাবারের অবস্থা দেখে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। অনেক ইনডাকশন চুলায় আলাদা রান্নার ব্যবস্থা থাকে। সেগুলো ব্যবহার করলে রান্না আরও সহজ হয়।

হঠাৎ তাপ বাড়াবেন বা কমাবেন না

ইনডাকশন চুলায় তাপমাত্রা খুব দ্রুত বদলে যায়। তাই একবারে অনেক বেশি বা অনেক কম তাপ না দিয়ে ধীরে ধীরে পরিবর্তন করা ভালো। এতে খাবার পুড়ে যাওয়া বা উপচে পড়ার আশঙ্কা কম থাকে।

চুলা ও বাসন সব সময় পরিষ্কার রাখুন

রান্নার আগে ও পরে ইনডাকশন চুলার উপরিভাগ এবং বাসনের তলা পরিষ্কার ও শুকনো রাখা জরুরি। তেল, পানি বা ময়লা থাকলে তাপ ঠিকভাবে ছড়ায় না। এতে রান্না ধীর হয়ে যায় এবং বিদ্যুৎও বেশি খরচ হতে পারে।

কেন এই বিষয়গুলো জানা জরুরি?

বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক নিয়মে ইনডাকশন চুলা ব্যবহার করলে সময় বাঁচে, বিদ্যুৎ খরচ কম হয় এবং রান্নার মানও ভালো থাকে। নতুন ব্যবহারকারীরা শুরুতেই এসব নিয়ম মেনে চললে খুব দ্রুত এই পদ্ধতিতে অভ্যস্ত হয়ে উঠতে পারবেন।

গ্যাসের সরবরাহে অনিশ্চয়তার সময়ে বিকল্প হিসেবে ইনডাকশন চুলা অনেকের জন্য কার্যকর সমাধান হতে পারে। তবে নিরাপদ, দ্রুত ও সাশ্রয়ীভাবে ব্যবহার করতে হলে শুরু থেকেই সঠিক নিয়মগুলো মেনে চলাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বীমা খাতে বাড়ছে বকেয়া দাবি, টাকার জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন গ্রাহকরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৩৭ এম


বীমা খাতে বাড়ছে বকেয়া দাবি, টাকার জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন গ্রাহকরা

সাড়ে ১০ হাজার কোটি টাকার বেশি বীমা দাবি জমা হলেও পরিশোধ করা হয়েছে মাত্র ২ হাজার ৮৩১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। অর্থাৎ গ্রাহকদের পাওনার ৭৩ শতাংশের বেশি অর্থ এখনো পরিশোধ করেনি বীমা কোম্পানিগুলো। চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানিয়েছে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (ইডরা)। বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স ফোরাম বলছে, কেন গ্রাহকের দাবি পরিশোধ করা যাচ্ছে না, তা খতিয়ে দেখা জরুরি। আর খাতসংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতে, পদ্ধতিগত ত্রুটি দূর না হলে এই সংকটের সমাধান হবে না।

স্বামী-সন্তান নিয়ে এক বছর ধরে বীমার টাকা তুলতে বীমা প্রতিষ্ঠানের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন নরসিংদীর হামিদা বেগম। তিনি বলেন, বিশ্বাস করে আমরা টাকা জমা দিয়েছি। ১২ বছর ধরে প্রতি বছর ১০ হাজার টাকা করে মোট ১ লাখ ২০ হাজার টাকা দিয়েছি। আমাদের প্রায় ২ লাখ ২০ হাজার টাকা পাওয়ার কথা। কিন্তু এখনো নিজের জমা টাকাটাই ফেরত পাইনি।

 

শুধু হামিদা বেগমই নন, অনেক গ্রাহকই অভিযোগ করছেন, মেয়াদ শেষে বীমার টাকা তুলতে গিয়ে নানা অজুহাত শুনতে হচ্ছে। একজন গ্রাহক বলছেন, ‘কোম্পানি বলছে ফান্ড শর্টেজ। কিন্তু আমার টাকাই যদি না পাই, তাহলে এই ঘাটতির দায় কেন আমার হবে?’

 

আরেক গ্রাহকের সেলিম মোল্লার অভিযোগ, ‘২০২৩ সালের ডিসেম্বরে আমার কাগজপত্রের মেয়াদ শেষ হয়েছে। এরপর অনেকবার অফিসে গেছি। অফিসে কাউকে পাওয়া যায় না। ফোন করলেও কেউ ধরেন না।’

 

 

গ্রাহকের টাকা পরিশোধ না করায় দিনে দিনে নাজুক অবস্থা ফুটে উঠছে বীমা খাতে; বাড়ছে দায়। ইডরার প্রতিবেদনে দেখা গেছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত প্রথম প্রান্তিকে বীমা খাতে গ্রাহকদের মোট দাবি দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৬১০ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। এর বিপরীতে নিষ্পত্তি হয়েছে মাত্র ২ হাজার ৮৩১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা।

 

অর্থাৎ, এই সময়ে ৭ হাজার ৭৭৮ কোটি ৮২ লাখ টাকার দাবি এখনো পরিশোধ করতে পারেনি বীমা কোম্পানিগুলো। এর মধ্যে জীবন ও সাধারণ বীমা মিলিয়ে ফারইস্ট, গ্রীন ডেলটাসহ ১০টি প্রতিষ্ঠানের কাছেই আটকে আছে মোট বকেয়া দাবির প্রায় ৮৭ শতাংশ, যার পরিমাণ ৬ হাজার ৭৩৯ কোটি ৬৪ লাখ টাকা।

 

এ অবস্থায় বীমা খাতের ভাবমূর্তি রক্ষায় গ্রাহকদের পাওনা দ্রুত পরিশোধে প্রয়োজন হলে সরকারেরও হস্তক্ষেপ করা উচিত বলে মনে করছে বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স ফোরাম। সংগঠনটির যুগ্ম মহাসচিব এস এম নুরুজ্জামান বলেন, অনেকে নতুন করে পলিসি করছেন না, আবার অনেকেই কিস্তি বন্ধ করে দিচ্ছেন। কারণ তারা দেখছেন, মেয়াদ শেষে টাকা পাওয়া যায় না। ফলে মানুষের মধ্যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে। আমার মনে হয়, ইডরার চেয়ারম্যান যদি বীমা দাবি নিষ্পত্তির বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেন, তাহলে ৯০ শতাংশ সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।

 

খাতসংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু দাবি পরিশোধ করলেই হবে না, পুরো বীমা ব্যবস্থায় সংস্কার প্রয়োজন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. শহিদুল ইসলাম জাহিদ বলেন, বীমা শিল্পকে কীভাবে মানুষের কাছে আরও আস্থাশীল করা যায়, সে বিষয়ে আগে থেকেই গবেষণা প্রয়োজন ছিল। বাজারকে কার্যকর করতে হলে চাহিদা ও সরবরাহ-দুই দিকই বিবেচনায় নিতে হবে। সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর দুর্বলতা কোথায়, আইনে কোনো ফাঁকফোকর আছে কি না, সেগুলোও চিহ্নিত করতে হবে। এসব জায়গায় সরকার ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাজ করার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।

 

বীমা খাতকে আরও কার্যকর ও সম্প্রসারণে সময়োপযোগী নতুন পলিসি গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশসহ ৫০টি দেশের নাগরিকদের জন্য মার্কিন ভিসার নতুন নিয়ম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৪০ এম


বাংলাদেশসহ ৫০টি দেশের নাগরিকদের জন্য মার্কিন ভিসার নতুন নিয়ম

বাংলাদেশসহ পৃথিবীর ৫০টি দেশের নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ ও ব্যবসায়িক ভিসা পেতে সর্বাধিক ২০ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত জামানত (বন্ড) নেওয়ার নিয়মটি স্থায়ী করার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।

মার্কিন অফিশিয়াল রেকর্ড ‘ফেডারেল রেজিস্টার’ এর মাধ্যমে একটি অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তিতে এ সম্পর্কিত তথ্য অনলাইনে প্রকাশ করা হয়েছে। নতুন এই নিয়মটি চূড়ান্তভাবে কার্যকর হতে যাচ্ছে ৩ আগস্ট তারিখ থেকে। বিষয়টি মূলত বি-১ (ব্যবসা) এবং বি-২ (পর্যটন) ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বি-১ ও বি-২ ভিসার আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে কনস্যুলার কর্মকর্তারা যদি প্রয়োজন মনে করেন, তাহলে শর্ত হিসেবে তারা সর্বনিম্ন ১০ হাজার থেকে সর্বাধিক ২০ হাজার ডলার পর্যন্ত জামানত জমা দিতে নির্দেশ দিতে পারেন। ২০২৫ সালে শুরু হওয়া এক বছরের পরীক্ষামূলক কর্মসূচিতে ৫ হাজার, ১০ হাজার এবং সর্বাধিক ১৫ হাজার ডলার জামানতের বিধান ছিল। তবে এবারের চূড়ান্ত নীতিমালায় ৫ হাজার ডলারের সর্বনিম্ন সীমাটি বাদ দেওয়া হয়েছে এবং শীর্ষ সীমা বৃদ্ধি করে ২০ হাজার ডলারে উন্নীত করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের দাবি হচ্ছে, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবৈধভাবে থাকার প্রবণতা কমাতে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। ৫০টির তালিকায় দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ, নেপাল এবং ভুটানের নাম উল্লেখ রয়েছে এবং আফ্রিকার বেশিরভাগ দেশও অন্তর্ভুক্ত আছে।

তবে অভিবাসন অধিকারকর্মীরা এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তাদের মতে, এই অস্বাভাবিক অর্থ জামানতের বাধ্যবাধকতা বৈধ উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণকে চরমভাবে নিরুৎসাহিত করবে। তারা ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে বর্ণভিত্তিক বৈষম্য এবং বৈষম্যমূলক নীতির অভিযোগ তুলেছেন।

অন্যদিকে, ট্রাম্প প্রশাসন দাবি করেছে, এই উদ্যোগ জাতীয় নিরাপত্তা জোরদার করতে এবং অবৈধ অবস্থানজনিত খরচ বাঁচাতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে। তবে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, নীতিটি শুধু অবৈধ অভিবাসন ঠেকানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় বরং বৈধভাবে প্রবেশের পথও কঠিন করে তুলছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রাম্প কি ইরানের কঠোর হুঁশিয়ারির পর হা ম লা বাতিল করলেন?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৪৩ এম


ট্রাম্প কি ইরানের কঠোর হুঁশিয়ারির পর হা ম লা বাতিল করলেন?

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর ব্যাপক হামলার পরিকল্পনা বাতিল করেছেন।

এটি ঘটেছে তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলার বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিক্রিয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়ার পর। ট্রাম্পের পক্ষ থেকে এই ঘোষণা এসেছিল।

তেহরান মূলত যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে জানিয়েছে, হামলা হলে কেবল উপসাগরীয় অঞ্চলই নয়, যে কোনো জায়গা থেকে আক্রমণ করা হলে তার পাল্টা হামলা তারা চালাবে।

এভাবে আলোচনার মধ্যে আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। ফোনালাপে যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে দিয়েছে ইরান, তার সার্বভৌমত্ব এবং জাতীয় নিরাপত্তার ওপর যেকোনও হামলার জবাব তারা কঠোরভাবে দেবে।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগও করছে। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে, হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলের প্রচলিত নিয়ম উপেক্ষা করা এবং ইরানের অনুমোদন ছাড়াই জাহাজ পরিচালনা করা, যা তারা যুদ্ধবিরতির শর্ত ভঙ্গ করেছে বলে মনে করছে।

তিরেখ যখন সামরিক তৎপরতার আড়ালে বাণিজ্যিক জাহাজ ব্যবহার করা, নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং ইরানের লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলা চালানোর অভিযোগও তুলেছে।

অন্য দিকে, মিডল ইস্ট ইনস্টিটিউটের জ্যেষ্ঠ গবেষক রস হ্যারিসন মন্তব্য করেছেন, ট্রাম্প হামলার পরিকল্পনা স্থগিত করলেও পরিস্থিতি এখনও অত্যন্ত স্পর্শকাতর। তিনি আল-জাজিরাকে বলেছেন, ইরান হামলার হুমকির মুখে কোনও আলোচনায় বসবে না।

তিনি বলেন, “ইতিহাসে যখনই ইরান নমনীয়তা দেখিয়েছে, ওয়াশিংটন সেটিকে দুর্বলতা হিসেবে দেখেছে। এরপর পরিস্থিতি আরও সহিংস হয়েছে।”

দীর্ঘায়িত সংঘাত হলে তা তেহরান ও ওয়াশিংটনের নীতিনির্ধারকদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। তিনি আরও জানান, ইরান ইস্যুর সঙ্গে লেবানন, ইসরায়েল-ফিলিস্তিন, সৌদি-হুথি এবং ইরাকের মতো সংকট জড়িয়ে যাচ্ছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যদি উত্তেজনা কমাতে উদ্যোগ নেয়, অন্য পক্ষগুলো সংঘাত বাড়িয়ে দিতে পারে।

হ্যারিসন আরও বলেন, যদি ট্রাম্প চুক্তির কাছাকাছি পৌঁছানোর কথা বলেন, তবে সেটি ইতিবাচক। তবে তিনি সতর্ক করেন, “সত্যিই উত্তেজনা কমছে নাকি শুধু অবস্থান প্রদর্শনের রাজনীতি চলছে, তা আগামী কয়েক দিনে বোঝা যাবে।”

রস হ্যারিসনের মতে, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের স্পষ্ট কৌশল এখনও পরিষ্কার নয়। কারণ ট্রাম্প বারবার হামলার ইঙ্গিত দিয়েও পরে সরে এসেছেন।

তিনি আরও বলেন, ট্রাম্প কেন হামলা স্থগিত করলেন কিংবা ইরান কী ধরনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তা নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। তবে তার ধারণা, ইরান বিবেচনা করতে পারে যে, উত্তেজনা বাড়ার ঝুঁকির কারণে ট্রাম্পই শেষ পর্যন্ত পিছু হটেছেন।

ছোট করে বলতে গেলে, হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়া নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে স্পষ্ট সমঝোতা না হওয়া পর্যন্ত বর্তমান পরিস্থিতিকে সতর্কতা ও উত্তেজনা প্রশমনের নামে বিবেচনা করা যাবে না।

তিনি আরও যোগ করেন, জুন মাসে সই হওয়া একটি সমঝোতা স্মারকের অস্পষ্ট ব্যাখ্যা থেকেই এই সংকটের সূত্রপাত হয়েছে। ইরান মনে করেছিল, ওই সমঝোতার আওতায় তাদের হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব থাকবে। কিন্তু তাতে ওয়াশিংটন ওমানের সহযোগিতায় তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে দক্ষিণ উপকূল ঘেঁষে চলাচলের ব্যবস্থা করে। ফলে নতুন করে উত্তেজনা শুরু হয়।

তিনি আবারও বলেন, “প্রণালী খুলে দেওয়া এবং নৌ অবরোধ প্রত্যাহার নিয়ে স্পষ্ট কোনও চুক্তি না হলে বর্তমান পরিস্থিতি টিকবে না। আজকের ঘোষণাটি কেবল আরেকটি সাময়িক বিরতি হবে।”

সূত্র: আল-জাজিরা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%