ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বীমা খাতে বাড়ছে বকেয়া দাবি, টাকার জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন গ্রাহকরা


বীমা খাতে বাড়ছে বকেয়া দাবি, টাকার জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন গ্রাহকরা

সাড়ে ১০ হাজার কোটি টাকার বেশি বীমা দাবি জমা হলেও পরিশোধ করা হয়েছে মাত্র ২ হাজার ৮৩১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। অর্থাৎ গ্রাহকদের পাওনার ৭৩ শতাংশের বেশি অর্থ এখনো পরিশোধ করেনি বীমা কোম্পানিগুলো। চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানিয়েছে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (ইডরা)। বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স ফোরাম বলছে, কেন গ্রাহকের দাবি পরিশোধ করা যাচ্ছে না, তা খতিয়ে দেখা জরুরি। আর খাতসংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতে, পদ্ধতিগত ত্রুটি দূর না হলে এই সংকটের সমাধান হবে না।

স্বামী-সন্তান নিয়ে এক বছর ধরে বীমার টাকা তুলতে বীমা প্রতিষ্ঠানের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন নরসিংদীর হামিদা বেগম। তিনি বলেন, বিশ্বাস করে আমরা টাকা জমা দিয়েছি। ১২ বছর ধরে প্রতি বছর ১০ হাজার টাকা করে মোট ১ লাখ ২০ হাজার টাকা দিয়েছি। আমাদের প্রায় ২ লাখ ২০ হাজার টাকা পাওয়ার কথা। কিন্তু এখনো নিজের জমা টাকাটাই ফেরত পাইনি।

 

আরও পড়ুন: সরকারি কর্মচারীদের ভাতা নির্ধারণে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি

শুধু হামিদা বেগমই নন, অনেক গ্রাহকই অভিযোগ করছেন, মেয়াদ শেষে বীমার টাকা তুলতে গিয়ে নানা অজুহাত শুনতে হচ্ছে। একজন গ্রাহক বলছেন, ‘কোম্পানি বলছে ফান্ড শর্টেজ। কিন্তু আমার টাকাই যদি না পাই, তাহলে এই ঘাটতির দায় কেন আমার হবে?’

 

আরেক গ্রাহকের সেলিম মোল্লার অভিযোগ, ‘২০২৩ সালের ডিসেম্বরে আমার কাগজপত্রের মেয়াদ শেষ হয়েছে। এরপর অনেকবার অফিসে গেছি। অফিসে কাউকে পাওয়া যায় না। ফোন করলেও কেউ ধরেন না।’

 

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

 

গ্রাহকের টাকা পরিশোধ না করায় দিনে দিনে নাজুক অবস্থা ফুটে উঠছে বীমা খাতে; বাড়ছে দায়। ইডরার প্রতিবেদনে দেখা গেছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত প্রথম প্রান্তিকে বীমা খাতে গ্রাহকদের মোট দাবি দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৬১০ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। এর বিপরীতে নিষ্পত্তি হয়েছে মাত্র ২ হাজার ৮৩১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা।

 

অর্থাৎ, এই সময়ে ৭ হাজার ৭৭৮ কোটি ৮২ লাখ টাকার দাবি এখনো পরিশোধ করতে পারেনি বীমা কোম্পানিগুলো। এর মধ্যে জীবন ও সাধারণ বীমা মিলিয়ে ফারইস্ট, গ্রীন ডেলটাসহ ১০টি প্রতিষ্ঠানের কাছেই আটকে আছে মোট বকেয়া দাবির প্রায় ৮৭ শতাংশ, যার পরিমাণ ৬ হাজার ৭৩৯ কোটি ৬৪ লাখ টাকা।

আরও পড়ুন: বিশ্ববাজারে সোনার দাম বেড়ে গেল, বিনিয়োগকারীদের নজর ফেডারেল রিজার্ভের সিদ্ধান্তে

 

এ অবস্থায় বীমা খাতের ভাবমূর্তি রক্ষায় গ্রাহকদের পাওনা দ্রুত পরিশোধে প্রয়োজন হলে সরকারেরও হস্তক্ষেপ করা উচিত বলে মনে করছে বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স ফোরাম। সংগঠনটির যুগ্ম মহাসচিব এস এম নুরুজ্জামান বলেন, অনেকে নতুন করে পলিসি করছেন না, আবার অনেকেই কিস্তি বন্ধ করে দিচ্ছেন। কারণ তারা দেখছেন, মেয়াদ শেষে টাকা পাওয়া যায় না। ফলে মানুষের মধ্যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে। আমার মনে হয়, ইডরার চেয়ারম্যান যদি বীমা দাবি নিষ্পত্তির বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেন, তাহলে ৯০ শতাংশ সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।

 

খাতসংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু দাবি পরিশোধ করলেই হবে না, পুরো বীমা ব্যবস্থায় সংস্কার প্রয়োজন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. শহিদুল ইসলাম জাহিদ বলেন, বীমা শিল্পকে কীভাবে মানুষের কাছে আরও আস্থাশীল করা যায়, সে বিষয়ে আগে থেকেই গবেষণা প্রয়োজন ছিল। বাজারকে কার্যকর করতে হলে চাহিদা ও সরবরাহ-দুই দিকই বিবেচনায় নিতে হবে। সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর দুর্বলতা কোথায়, আইনে কোনো ফাঁকফোকর আছে কি না, সেগুলোও চিহ্নিত করতে হবে। এসব জায়গায় সরকার ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাজ করার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

 

বীমা খাতকে আরও কার্যকর ও সম্প্রসারণে সময়োপযোগী নতুন পলিসি গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশসহ ৫০টি দেশের নাগরিকদের জন্য মার্কিন ভিসার নতুন নিয়ম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৪০ এম


বাংলাদেশসহ ৫০টি দেশের নাগরিকদের জন্য মার্কিন ভিসার নতুন নিয়ম

বাংলাদেশসহ পৃথিবীর ৫০টি দেশের নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ ও ব্যবসায়িক ভিসা পেতে সর্বাধিক ২০ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত জামানত (বন্ড) নেওয়ার নিয়মটি স্থায়ী করার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।

মার্কিন অফিশিয়াল রেকর্ড ‘ফেডারেল রেজিস্টার’ এর মাধ্যমে একটি অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তিতে এ সম্পর্কিত তথ্য অনলাইনে প্রকাশ করা হয়েছে। নতুন এই নিয়মটি চূড়ান্তভাবে কার্যকর হতে যাচ্ছে ৩ আগস্ট তারিখ থেকে। বিষয়টি মূলত বি-১ (ব্যবসা) এবং বি-২ (পর্যটন) ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বি-১ ও বি-২ ভিসার আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে কনস্যুলার কর্মকর্তারা যদি প্রয়োজন মনে করেন, তাহলে শর্ত হিসেবে তারা সর্বনিম্ন ১০ হাজার থেকে সর্বাধিক ২০ হাজার ডলার পর্যন্ত জামানত জমা দিতে নির্দেশ দিতে পারেন। ২০২৫ সালে শুরু হওয়া এক বছরের পরীক্ষামূলক কর্মসূচিতে ৫ হাজার, ১০ হাজার এবং সর্বাধিক ১৫ হাজার ডলার জামানতের বিধান ছিল। তবে এবারের চূড়ান্ত নীতিমালায় ৫ হাজার ডলারের সর্বনিম্ন সীমাটি বাদ দেওয়া হয়েছে এবং শীর্ষ সীমা বৃদ্ধি করে ২০ হাজার ডলারে উন্নীত করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের দাবি হচ্ছে, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবৈধভাবে থাকার প্রবণতা কমাতে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। ৫০টির তালিকায় দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ, নেপাল এবং ভুটানের নাম উল্লেখ রয়েছে এবং আফ্রিকার বেশিরভাগ দেশও অন্তর্ভুক্ত আছে।

তবে অভিবাসন অধিকারকর্মীরা এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তাদের মতে, এই অস্বাভাবিক অর্থ জামানতের বাধ্যবাধকতা বৈধ উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণকে চরমভাবে নিরুৎসাহিত করবে। তারা ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে বর্ণভিত্তিক বৈষম্য এবং বৈষম্যমূলক নীতির অভিযোগ তুলেছেন।

অন্যদিকে, ট্রাম্প প্রশাসন দাবি করেছে, এই উদ্যোগ জাতীয় নিরাপত্তা জোরদার করতে এবং অবৈধ অবস্থানজনিত খরচ বাঁচাতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে। তবে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, নীতিটি শুধু অবৈধ অভিবাসন ঠেকানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় বরং বৈধভাবে প্রবেশের পথও কঠিন করে তুলছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রাম্প কি ইরানের কঠোর হুঁশিয়ারির পর হা ম লা বাতিল করলেন?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৪৩ এম


ট্রাম্প কি ইরানের কঠোর হুঁশিয়ারির পর হা ম লা বাতিল করলেন?

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর ব্যাপক হামলার পরিকল্পনা বাতিল করেছেন।

এটি ঘটেছে তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলার বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিক্রিয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়ার পর। ট্রাম্পের পক্ষ থেকে এই ঘোষণা এসেছিল।

তেহরান মূলত যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে জানিয়েছে, হামলা হলে কেবল উপসাগরীয় অঞ্চলই নয়, যে কোনো জায়গা থেকে আক্রমণ করা হলে তার পাল্টা হামলা তারা চালাবে।

এভাবে আলোচনার মধ্যে আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। ফোনালাপে যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে দিয়েছে ইরান, তার সার্বভৌমত্ব এবং জাতীয় নিরাপত্তার ওপর যেকোনও হামলার জবাব তারা কঠোরভাবে দেবে।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগও করছে। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে, হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলের প্রচলিত নিয়ম উপেক্ষা করা এবং ইরানের অনুমোদন ছাড়াই জাহাজ পরিচালনা করা, যা তারা যুদ্ধবিরতির শর্ত ভঙ্গ করেছে বলে মনে করছে।

তিরেখ যখন সামরিক তৎপরতার আড়ালে বাণিজ্যিক জাহাজ ব্যবহার করা, নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং ইরানের লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলা চালানোর অভিযোগও তুলেছে।

অন্য দিকে, মিডল ইস্ট ইনস্টিটিউটের জ্যেষ্ঠ গবেষক রস হ্যারিসন মন্তব্য করেছেন, ট্রাম্প হামলার পরিকল্পনা স্থগিত করলেও পরিস্থিতি এখনও অত্যন্ত স্পর্শকাতর। তিনি আল-জাজিরাকে বলেছেন, ইরান হামলার হুমকির মুখে কোনও আলোচনায় বসবে না।

তিনি বলেন, “ইতিহাসে যখনই ইরান নমনীয়তা দেখিয়েছে, ওয়াশিংটন সেটিকে দুর্বলতা হিসেবে দেখেছে। এরপর পরিস্থিতি আরও সহিংস হয়েছে।”

দীর্ঘায়িত সংঘাত হলে তা তেহরান ও ওয়াশিংটনের নীতিনির্ধারকদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। তিনি আরও জানান, ইরান ইস্যুর সঙ্গে লেবানন, ইসরায়েল-ফিলিস্তিন, সৌদি-হুথি এবং ইরাকের মতো সংকট জড়িয়ে যাচ্ছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যদি উত্তেজনা কমাতে উদ্যোগ নেয়, অন্য পক্ষগুলো সংঘাত বাড়িয়ে দিতে পারে।

হ্যারিসন আরও বলেন, যদি ট্রাম্প চুক্তির কাছাকাছি পৌঁছানোর কথা বলেন, তবে সেটি ইতিবাচক। তবে তিনি সতর্ক করেন, “সত্যিই উত্তেজনা কমছে নাকি শুধু অবস্থান প্রদর্শনের রাজনীতি চলছে, তা আগামী কয়েক দিনে বোঝা যাবে।”

রস হ্যারিসনের মতে, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের স্পষ্ট কৌশল এখনও পরিষ্কার নয়। কারণ ট্রাম্প বারবার হামলার ইঙ্গিত দিয়েও পরে সরে এসেছেন।

তিনি আরও বলেন, ট্রাম্প কেন হামলা স্থগিত করলেন কিংবা ইরান কী ধরনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তা নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। তবে তার ধারণা, ইরান বিবেচনা করতে পারে যে, উত্তেজনা বাড়ার ঝুঁকির কারণে ট্রাম্পই শেষ পর্যন্ত পিছু হটেছেন।

ছোট করে বলতে গেলে, হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়া নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে স্পষ্ট সমঝোতা না হওয়া পর্যন্ত বর্তমান পরিস্থিতিকে সতর্কতা ও উত্তেজনা প্রশমনের নামে বিবেচনা করা যাবে না।

তিনি আরও যোগ করেন, জুন মাসে সই হওয়া একটি সমঝোতা স্মারকের অস্পষ্ট ব্যাখ্যা থেকেই এই সংকটের সূত্রপাত হয়েছে। ইরান মনে করেছিল, ওই সমঝোতার আওতায় তাদের হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব থাকবে। কিন্তু তাতে ওয়াশিংটন ওমানের সহযোগিতায় তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে দক্ষিণ উপকূল ঘেঁষে চলাচলের ব্যবস্থা করে। ফলে নতুন করে উত্তেজনা শুরু হয়।

তিনি আবারও বলেন, “প্রণালী খুলে দেওয়া এবং নৌ অবরোধ প্রত্যাহার নিয়ে স্পষ্ট কোনও চুক্তি না হলে বর্তমান পরিস্থিতি টিকবে না। আজকের ঘোষণাটি কেবল আরেকটি সাময়িক বিরতি হবে।”

সূত্র: আল-জাজিরা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রাথমিক শিক্ষকদের যোগদানের তারিখ জানাল মন্ত্রণালয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৪৮ এম


প্রাথমিক শিক্ষকদের যোগদানের তারিখ জানাল মন্ত্রণালয়

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৫’-এর জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের যোগদানের নতুন তারিখ ঘোষণা করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ নতুন তারিখ অনুযায়ী, চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীরা আগামী ১ অক্টোবর তাদের নিজ নিজ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগদান করবেন।

রোববার (২ আগস্ট) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিদ্যালয়-২ শাখা থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিটি উপসচিব রাজীব কুমার সরকারের সই করা, যেখানে জানানো হয়েছে যে, নিয়োগযোগ্য শূন্য পদের বিপরীতে নির্বাচিত প্রার্থীদের কাছে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নিয়োগপত্র পাঠানো হবে এবং যোগদান সম্পন্ন করার পর প্রার্থীদের পদায়ন করা হবে, পাশাপাশি পরবর্তীতে বিএফপিটি (আবশ্যিক পেশাগত প্রশিক্ষণ) পাঠানোর প্রক্রিয়া থাকবে।

এছাড়া, এর আগে ১ আগস্ট (শনিবার) মন্ত্রণালয়ের এক জরুরি ভার্চ্যুয়াল সভায় প্রার্থীদের যোগদানের সম্ভাব্য তারিখ ২৯ অক্টোবর নির্ধারণ করার বিষয়টি আলোচনা করা হয়েছিল। সেই সভায় গণশিক্ষা সচিব মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, পুলিশ ভেরিফিকেশন ও অন্যান্য প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় কিছুটা সময় লাগলেও দ্রুত শিক্ষক পদায়নের কাজ সম্পন্ন করতে চায় সরকার। সর্বশেষ, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১ অক্টোবরকে যোগদানের চূড়ান্ত দিন হিসেবে নির্ধারণ করা হলো।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানানো হয়েছে যে, এই বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে চূড়ান্তভাবে মনোনীত ১৪ হাজার ৩৮৪ জন সহকারী শিক্ষক তাদের নিজ নিজ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগদান করবেন। যোগদান শেষে জেলাভিত্তিক পদায়ন সম্পন্ন হবে এবং শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় পেশাগত প্রশিক্ষণে পাঠানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে সরকার।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি পার্বত্য তিন জেলা বাদে দেশের ৬১ জেলায় প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত (এমসিকিউ) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এতে ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়ে মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেন। পরবর্তীতে ৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়, যেখানে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে সহকারী শিক্ষক পদের জন্য নির্বাচিত করা হয়।

যদিও পরীক্ষার সব ধাপ পার হলেও যোগদান ঝুলে ছিল। গত এপ্রিলে নির্বাচিত প্রার্থীরা আন্দোলন কর্মসূচি পালন করেছিলেন। পরবর্তীতে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন দ্রুত সব দাপ্তরিক কাজ শেষ করে যোগদান ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস প্রদান করেছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পুলিশ কোনো দলের বা গোষ্ঠীর লাঠিয়াল বাহিনী নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৫৪ এম


পুলিশ কোনো দলের বা গোষ্ঠীর লাঠিয়াল বাহিনী নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, পুলিশ কোনো দলের বা গোষ্ঠীর লাঠিয়াল বাহিনী নয়; বরং, এটি একটি আধুনিক, প্রযুক্তিবান্ধব এবং মানবিক সংস্থা, যা দলীয় প্রভাবমুক্ত এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করবে।

রাজশাহীর সারদায় রবিবার সকালে বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে অনুষ্ঠিত ২৭তম বিসিএস শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারদের (প্রথম পর্যায়) প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে তিনি পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে এসব কথা বলেন। নবীন পুলিশ কর্মকর্তাদের তিনি বলেছেন, ডিজিটাল অপরাধ দমন ও সাইবার নিরাপত্তার জন্য কারিগরি দক্ষতা অর্জন করে সাধারণ মানুষের অকৃত্রিম বন্ধু ও সেবক হিসেবে নিজেদের গড়ে তোলার জন্য তাদের প্রস্তুত থাকতে হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও যোগ করেছেন, বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে পুলিশ খুবই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একইসাথে, তিনি আলোচনা করেছেন যে, কোনো ব্যক্তি যেন সেবা নিতে গিয়ে হয়রানির শিকার না হয়, সেই বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

এভাবে সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শেষ হলো ২৭তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচের প্রথম পর্যায়ের শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারদের ছয় মাস মেয়াদি মৌলিক প্রশিক্ষণ। ২০২৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এই প্রশিক্ষণের ৫৮ জন প্রশিক্ষণার্থী আজকের কুচকাওয়াজের মাধ্যমে বাস্তব কর্মজীবনে প্রবেশ করছেন।

একাডেমির প্যারেড গ্রাউন্ডে আয়োজিত এই সমাপনী কুচকাওয়াজের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। অভিবাদন গ্রহণের পরে, তিনি বিভিন্ন বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারী প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন।

প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্যারেড কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার ড. মো. নূরুল হুদা ভূঁইয়া। তিনি দীর্ঘ প্রশিক্ষণের কৃতিত্বের পরিচায়ক হিসেবে বেস্ট প্রবেশনার এবং বেস্ট ইন ফিল্ড অ্যাক্টিভিটিজ অ্যাওয়ার্ড এর দুই ক্যাটাগরিতে অ্যাওয়ার্ড পাওয়ার গৌরব অর্জন করেন। এছাড়াও, শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার আবু নুমান মোহাম্মদ খাইরুল ইসলাম বেস্ট একাডেমিক অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন এবং শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ এ বি এম মামুন বেস্ট শ্যুটার হওয়ার গৌরব অর্জন করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির এবং পুলিশ একাডেমির প্রিন্সিপ্যাল অ্যাডিশনাল আইজিপি জিএম আজিজুর রহমান।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%