১১:৪০ এম
বাংলাদেশসহ পৃথিবীর ৫০টি দেশের নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ ও ব্যবসায়িক ভিসা পেতে সর্বাধিক ২০ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত জামানত (বন্ড) নেওয়ার নিয়মটি স্থায়ী করার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।
মার্কিন অফিশিয়াল রেকর্ড ‘ফেডারেল রেজিস্টার’ এর মাধ্যমে একটি অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তিতে এ সম্পর্কিত তথ্য অনলাইনে প্রকাশ করা হয়েছে। নতুন এই নিয়মটি চূড়ান্তভাবে কার্যকর হতে যাচ্ছে ৩ আগস্ট তারিখ থেকে। বিষয়টি মূলত বি-১ (ব্যবসা) এবং বি-২ (পর্যটন) ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বি-১ ও বি-২ ভিসার আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে কনস্যুলার কর্মকর্তারা যদি প্রয়োজন মনে করেন, তাহলে শর্ত হিসেবে তারা সর্বনিম্ন ১০ হাজার থেকে সর্বাধিক ২০ হাজার ডলার পর্যন্ত জামানত জমা দিতে নির্দেশ দিতে পারেন। ২০২৫ সালে শুরু হওয়া এক বছরের পরীক্ষামূলক কর্মসূচিতে ৫ হাজার, ১০ হাজার এবং সর্বাধিক ১৫ হাজার ডলার জামানতের বিধান ছিল। তবে এবারের চূড়ান্ত নীতিমালায় ৫ হাজার ডলারের সর্বনিম্ন সীমাটি বাদ দেওয়া হয়েছে এবং শীর্ষ সীমা বৃদ্ধি করে ২০ হাজার ডলারে উন্নীত করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের দাবি হচ্ছে, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবৈধভাবে থাকার প্রবণতা কমাতে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। ৫০টির তালিকায় দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ, নেপাল এবং ভুটানের নাম উল্লেখ রয়েছে এবং আফ্রিকার বেশিরভাগ দেশও অন্তর্ভুক্ত আছে।
তবে অভিবাসন অধিকারকর্মীরা এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তাদের মতে, এই অস্বাভাবিক অর্থ জামানতের বাধ্যবাধকতা বৈধ উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণকে চরমভাবে নিরুৎসাহিত করবে। তারা ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে বর্ণভিত্তিক বৈষম্য এবং বৈষম্যমূলক নীতির অভিযোগ তুলেছেন।
অন্যদিকে, ট্রাম্প প্রশাসন দাবি করেছে, এই উদ্যোগ জাতীয় নিরাপত্তা জোরদার করতে এবং অবৈধ অবস্থানজনিত খরচ বাঁচাতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে। তবে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, নীতিটি শুধু অবৈধ অভিবাসন ঠেকানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় বরং বৈধভাবে প্রবেশের পথও কঠিন করে তুলছে।
আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন