মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৮:৩৫ পি.এম
রিয়াদের, সৌদি আরবের রাজধানীতে, জোড়া বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। এ বিষয়ে বার্তা সংস্থা এএফপির সাংবাদিক তথ্য প্রদান করেছেন। এর আগে, দেশটির সরকারের পক্ষ থেকে একটি সতর্কতা জারি করা হয়েছিল, তবে পরবর্তীতে তা প্রত্যাহার করা হয়েছে।
বিবিসি জানাচ্ছে, সৌদি আরবে হুতিদের হামলা অব্যাহত থাকায়, রাজধানী রিয়াদের বাসিন্দাদের বিমান হামলার হুমকি সম্পর্কে ফোনে সতর্কবার্তা প্রদান করা হয়েছে।
এখন পর্যন্ত হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির কোনো খবর পাওয়া যায়নি, এমনটি বিবিসি ফার্সির এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে, সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র কর্নেল তুর্কি আল-মালিকি আল জাজিরাকে জানিয়েছেন, হুতিদের ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রিয়াদের দিকে আসার পথে সৌদি আরব সেটিকে প্রতিহত করে ধ্বংস করে দিয়েছে।
সোমবার সৌদি কর্মকর্তারা জানান, হুতিদের সঙ্গে যুদ্ধের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ার পর তারা ‘ডাভোস ইন দ্য ডেজার্ট’ সম্মেলনে সশরীরে অংশগ্রহণ বাতিল করেছেন।
অন্যদিকে, ইয়েমেনেও লড়াই তীব্র হয়েছে। সৌদি আরব-সমর্থিত ইয়েমেনি সরকারি বাহিনীর একটি সামরিক শিবিরে হুতিদের হামলায় ৫০ জনের বেশি সেনা নিহত এবং আরও ২০০ জন আহত হয়েছেন। দক্ষিণ ইয়েমেনে সদ্য নিয়োগ পাওয়া সেনাদের লক্ষ্য করে ওই হামলা চালানো হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন একটি রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ১০ জনের মৃত্যু এবং এক নারী পর্যটক নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা নিয়ে গভীর রহস্য সৃষ্টি হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের সময় রিসোর্টের কর্মীরা নিজেদের পোষা কুকুর ও বিড়াল নিয়ে নিরাপদে সরে গেলেও, ভেতরে থাকা পর্যটকদের কেন সতর্ক বা উদ্ধারের চেষ্টা করা হয়নি, তা প্রশাসনের তদন্ত কমিটির সামনে একটি বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকাল ৭টার দিকে উখিয়ার মেরিন ড্রাইভসংলগ্ন পাটুয়ারটেক এলাকার ‘টুপটুপ রেস্তো অ্যান্ড রিসোর্ট’-এ বিকট বিস্ফোরণের পর এই অগ্নিকাণ্ড ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট সকাল ৮টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণ ও উদ্ধারকাজ শুরু করে এবং সকাল ১০টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। উদ্ধার তৎপরতায় ফায়ার সার্ভিসকে সহায়তা করেন বিজিবি, পুলিশ ও কোস্টগার্ডের সদস্যরা। ওই রিসোর্ট থেকে একে একে ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া আগুনে আহত সাতজনকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
উদ্ধার হওয়া ১০ জনের মরদেহ বর্তমানে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। মৃতদের পরিচয় নিশ্চিত করতে স্বজনদের পাশাপাশি মরদেহগুলো থেকে ডিএনএ পরীক্ষার নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে মামলা হয়েছে এবং গঠন করা হয়েছে প্রশাসনিক তদন্ত কমিটি।
কুকুর-বিড়াল নিয়ে কর্মীদের পলায়ন
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, রিসোর্টটিতে বিকট শব্দে বিস্ফোরণের পরই আগুনের সূত্রপাত ঘটে। আগুন লাগার পরপরই সেখানে অবস্থানরত কিছু পর্যটক হুড়োহুড়ি করে বের হয়ে আসেন। এর ঠিক পরপরই রিসোর্টের অন্তত পাঁচজন কর্মীকে দুটো কুকুর ও চারটি বিড়াল সঙ্গে নিয়ে বের হয়ে দ্রুত পালিয়ে যেতে দেখা যায় স্থানীয়দের দ্বারা।
জানা গেছে, রিসোর্টটির মালিক তানভীর আহমদ ও নিয়াজ মোরশেদ নামের দুই ব্যক্তি। এর মধ্যে মালিক তানভীরের পোষা দুটো কুকুর ও চারটি বিড়াল রিসোর্টের দ্বিতীয় তলায় তার নিজস্ব কক্ষে রাখা হতো। আগুন লাগার পর কর্মচারীরা দ্রুত দোতলায় গিয়ে প্রাণীগুলোকে উদ্ধার করে নিয়ে নিরাপদে সটকে পড়েন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কর্মচারীদের প্রাণীগুলো নিয়ে নিরাপদে বের হতে দেখা গেলেও, কক্ষে আটকে পড়া পর্যটকদের সজাগ করা কিংবা উদ্ধারের কোনো উদ্যোগ তাদের ছিল না। ফলে দ্রুতই আগুনের তীব্রতা বাড়লে ভেতরে থাকা ১০ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটে।
ঘটনাস্থলের এক স্থানীয় যুবক জানান, রিসোর্টের মালিককে প্রায়ই এসব পোষা প্রাণী সঙ্গে নিয়ে ঘুরে বেড়াতে দেখা যেত। অগ্নিকাণ্ডের পর কর্মচারীরা প্রাণীগুলো রক্ষায় যতটা তৎপর ছিলেন, ভেতরে আটকে পড়া পর্যটকদের বাঁচাতে তাদের কোনো ভূমিকাই দেখা যায়নি। আগুনের তীব্রতা বাড়লে কয়েকজন ওপর থেকে লাফিয়ে পড়ে বাঁচলেও অন্যরা ভেতরেই আটকা পড়েন।
এ ঘটনায় কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) তাসনীম জাহানকে প্রধান করে সাত সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি রোববার (১৮ অক্টোবর) ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রত্যক্ষদর্শী, স্থানীয় বাসিন্দা, রিসোর্টে অবস্থানকারী জীবিত ও আহত ব্যক্তি এবং মৃতদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেছে।
তদন্ত কমিটির এক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, আগুনের সূত্রপাত এবং রিসোর্টের কর্মীদের সবাইকে নিরাপদে বের হয়ে যাওয়ার বিষয়টি তদন্ত কমিটির নজরে এসেছে। এসব তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।
তদন্ত কমিটির প্রধান এডিএম তাসনীম জাহান জানান, অনেক প্রত্যক্ষদর্শী ঘটনার বিবরণ দিয়েছেন। প্রতিষ্ঠানটির কী ধরনের অনিয়ম ছিল এবং ওই সময় কর্মীদের কী গাফিলতি ছিল, সে সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া গেছে। এসব বিষয় চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদনে বিস্তারিত উল্লেখ করা হবে।
১০ মরদেহ শনাক্ত হলেও নিখোঁজ শিক্ষিকা
অন্যদিকে অগ্নিকাণ্ডের পর স্বজনদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী রিসোর্টে অবস্থানকারী পর্যটকদের মধ্যে নিখোঁজের তালিকায় ছিলেন মোট ১১ জন। উদ্ধার তৎপরতায় অংশ নেয়া কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মোরশেদ হোসেন জানান, অভিযানের শুরুতে দুটো কক্ষ থেকে ছয়জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে সন্ধ্যার দিকে অন্য একটি কক্ষ থেকে দুই শিশুসহ আরও চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ফায়ার সার্ভিস ও স্বজনদের তথ্যের ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে প্রশাসন নিশ্চিত হয়েছে যে প্রথমে উদ্ধার হওয়া ছয়জনের মরদেহ একই সঙ্গে ভ্রমণে আসা নিকটাত্মীয়দের। তারা হলেন ঢাকার বনশ্রীর বাসিন্দা মো. আশিকুল ইসলামের স্ত্রী ইসরাত জাহান মালিহা (৩০), ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির মেলিতা মেহেজাবিন আলভী (২৩), জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের লায়লা জাহান নাবিলা (২৭), নাফিসতা মীম (২৭), নাফিজের বড় বোন ফারিয়া কবির (৩৩) এবং তার পাঁচ বছর বয়সি ভাগনে ফায়িজান আহম্মেদ।
পরবর্তী সময়ে উদ্ধার হওয়া দুই শিশুসহ চারজনের মরদেহ শনাক্ত হয়েছে যশোরের নাহিদুর রহমান (৪১), তার স্ত্রী আফসানা মতিন তানজি (৩৬) এবং তাদের দুই সন্তান রুজাইনা ইনায়া (৭) ও সুনাইনা ইহানা (৩) হিসেবে। ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়ার পর এ বিষয়ে শতভাগ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
উদ্ধার হওয়া ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত হওয়ায় তালিকার বাকি একজন অর্থাৎ ঢাকার সাভারের ‘স্বপ্ন বিলাস স্কুল’ নামের একটি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষিকা নাসরিন আক্তার মুক্তা (২৯) নিখোঁজ রয়েছেন বলে নিশ্চিত হয়েছে প্রশাসন। নাসরিন আক্তার ঢাকা জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি বাদল হোসেনের স্ত্রী। তার অবস্থান শনাক্ত করতে প্রযুক্তিগত অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে।
এ বিষয়ে তদন্ত কমিটির প্রধান এডিএম তাসনীম জাহান জানান, নিখোঁজ নারী অগ্নিকাণ্ডের সময় রিসোর্টের ভেতরে আটকা পড়েছিলেন নাকি বাইরে ছিলেন, তা নিশ্চিত হতে পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি) ও তদন্তকারী দল কাজ করছে। নিখোঁজের মোবাইল ফোন নম্বরের নেটওয়ার্ক লোকেশন ও কল ডেটাসহ অন্যান্য তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।
নিখোঁজ মুক্তার স্বামী বাদল হোসেন জানান, অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত রিসোর্টটিতে ফয়সালের স্ত্রীসহ তিন বান্ধবী বেড়াতে গিয়ে উঠেছিলেন। সকালে দুই বান্ধবী কক্ষ থেকে কিছুটা আগেই বাইরে বের হয়ে আসেন। তবে তার স্ত্রী নাসরিন আক্তার কক্ষের ভেতরেই অবস্থান করছিলেন। আগুন লাগার পর তিনি ভেতরে আটকা পড়েন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এরপর থেকে তার আর কোনো খোঁজ মেলেনি।
ম্যানেজার গ্রেফতার, তদন্তে পুলিশ
ঘটনার সার্বিক বিষয়ে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান মজুমদার জানান, রিসোর্টের মালিকসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১৯ জনকে আসামি করে থানায় মামলা করা হয়েছে। এ মামলার এজাহারভুক্ত আসামি রিসোর্টের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সুমনকে ইতোমধ্যে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
ওসি জানান, তদন্তের স্বার্থে সুমনের সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করা হয়েছে। রিমান্ড মঞ্জুর হলে তাকে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। একই সঙ্গে মামলার অন্য আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান চলছে।
নিখোঁজ শিক্ষিকার বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, নিখোঁজের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় রিসোর্টটিতে কয়েক দফা তল্লাশি চালানো হলেও কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। ফলে প্রযুক্তির সহায়তা নেয়া হচ্ছে। তিনি আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছেন নাকি জীবিত অবস্থায় অন্য কোথাও আছেন, তা এখনও নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। পুলিশ অনুসন্ধান অব্যাহত রেখেছে, সুনির্দিষ্ট তথ্য পেলে তা জানানো হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পুলিশ অভিযান চালিয়ে অতিরিক্ত ডিআইজি আব্দুল্লাহ আল জহিরের ভাড়া দেয়া বাসা থেকে মাদকদ্রব্য উদ্ধার করেছে এবং ৮৪ জনকে আটক করেছে, যার মধ্যে নারীও রয়েছে। ঘটনার পর জহিরকে ওএসডি করা হয়েছে।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উত্তরা বিভাগ সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাতে রাজধানীর ভাটার থানাধীন পুলিশ হাউজিং ১ আবাসিক এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে, যেখানে ডিজে পার্টি এবং মাদকসেবনসহ মাদকের কারবার চলছিল, সেখানে ডিবি পুলিশের সদস্যরা অভিযান চালান।
উত্তরা বিভাগের উপকমিশনার ইলিয়াস কবির বিষয়টি সময় সংবাদকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, পুলিশ সদর দফতরের অতিরিক্ত ডিআইজি এয়ারবিএনবির মাধ্যমে ওই বাসাটি ভাড়া দিয়েছিলেন। সেখানে অবৈধভাবে মাদকসেবন ও ডিজে পার্টি পরিচালিত হচ্ছিল। অভিযান চলাকালে ২৬ জন মহিলা এবং ৫৮ জন পুরুষকে আটক করা হয়েছে এবং মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে।
এদিকে, আটক হওয়ার পর মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের সই করা এক অফিস আদেশে অতিরিক্ত ডিআইজি জহিরকে পুলিশ সদর দফতরে সংযুক্তির বিষয়ে জানানো হয়।
আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, অতিরিক্ত ডিআইজি (রিপেয়ার অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স) আব্দুল্লাহ আল জহিরকে পুলিশ সদর দফতরে সংযুক্ত করা হচ্ছে। এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। তবে কেন তাকে সংযুক্ত করা হয়েছে সে বিষয়ে আদেশে কিছু উল্লেখ করা হয়নি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বলিউডের জনপ্রিয় তারকা দম্পতি দীপিকা পাড়ুকোন এবং রণবীর সিংয়ের দ্বিতীয় কন্যাসন্তানের নাম সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে। তাদের ছোট মেয়ের নাম রাখা হয়েছে দেবী পাড়ুকোন সিং। নবরাত্রির উৎসবের প্রেক্ষাপটে, তারা পরিবারের চার সদস্যের একটি ছবি অনুরাগীদের সঙ্গে শেয়ার করেছেন।
ছবিতে দেখা যাচ্ছে, দীপিকার কোলে নবজাতক দেবী রয়েছে এবং রণবীরের কোলে বড় মেয়ে দুয়া পাড়ুকোন সিং। ছোট বোনের গালে স্নেহের চুমু দিচ্ছে দুয়া। এই পরিবারের মিষ্টি মুহূর্তটি ভক্তদের নজর কাড়তে সক্ষম হয়েছে।
গত ১৯ সেপ্টেম্বর রাধাষ্টমীর দিনে দীপিকা ও রণবীর তাদের দ্বিতীয় কন্যাসন্তানের জন্মের খবর জানান। তবে তারা এতদিন ছোট মেয়ের নাম প্রকাশ করেননি। এবার উৎসবের আবহে সেই অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে নামটি জানান তারা।
দ্বিতীয় মেয়ের নাম ‘দেবী’ রাখার সিদ্ধান্তটি নিয়ে আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে। নবরাত্রি ও দেবীপক্ষের আবহে নামটি প্রকাশ করায় অনেকেই এর মধ্যে বিশেষ তাৎপর্য খুঁজছেন।
বড় মেয়ে দুয়ার নাম প্রকাশের ক্ষেত্রেও দীপিকা ও রণবীর বিশেষ সময় বেছে নিয়েছিলেন। ২০২৪ সালে প্রথম কন্যাসন্তানের জন্মের পর তারা মেয়েকে কিছুদিন আড়ালে রেখেছিলেন। পরে ওই বছরের দীপাবলিতে তারা মেয়ের নাম প্রকাশ করেন।
উল্লেখ্য, দীপিকা পাড়ুকোন ও রণবীর সিং ২০১৮ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্কের পর বিয়ে করা এই দম্পতি বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় তারকা দম্পতি। যদিও তারা সন্তানদের নিয়ে সাধারণত ব্যক্তিগত জীবন আড়ালে রাখেন, তবে বিশেষ মুহূর্তগুলো মাঝে মাঝে ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়কের হিমছড়ি ঢালায় দুই দফা ডাকাতির ঘটনার পর ১২ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে অভিযান চালিয়ে পুলিশ লুণ্ঠিত মালামাল, দেশীয় অস্ত্র এবং খেলনা পিস্তল উদ্ধার করেছে। এ অভিযানের সময় নারীসহ দুজনকে আটক করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকালে কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এএনএম সাজেদুর রহমান লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে সাড়ে ৬টা ও দুপুর আড়াইটার দিকে হিমছড়ি ঢালায় দুটি পৃথক ডাকাতির ঘটনা ঘটে। খবর পাওয়ার পর ঈদগাঁও থানা পুলিশ হিমছড়ি ঢালাসংলগ্ন পাহাড়ি এলাকায় অভিযান শুরু করে। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এ অভিযানে পাহাড়ি এলাকার বাড়ি থেকে লুণ্ঠিত মালামাল, দেশীয় অস্ত্র এবং খেলনা পিস্তল উদ্ধার করা হয়।
ঈদগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ টি এম শিফাতুল মাজদার বলেন, ‘ডাকাতির খবর পাওয়ার পরই পুলিশ অভিযান শুরু করে। ১২ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলা অভিযানে লুণ্ঠিত মালামাল ও অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় এক নারীসহ দুজনকে আটক করা হয়।’
ডাকাতির সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার না করা পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উদ্ধার করা মালামালের মধ্যে নারীদের অলংকারও রয়েছে।
ডাকাতির শিকার ব্যক্তিদের ভাষ্য অনুযায়ী, ডাকাত দলের সদস্য সংখ্যা ১২ থেকে ১৫ জন ছিল। তারা বেশকিছু যানবাহনে শতাধিক যাত্রীর কাছ থেকে মালামাল লুট করে। মুখোশধারী ডাকাতরা সিএনজিচালিত অটোরিকশা, জিপ এবং মোটরসাইকেলের যাত্রীদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন, নগদ টাকা ও অন্যান্য মালামাল ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরপর দুই দফা ডাকাতির ঘটনার কারণে ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়কে চলাচলকারী যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ