ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে অর্থায়ন করতে আগ্রহী তিনটি প্রতিষ্ঠান চীন


ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে অর্থায়ন করতে আগ্রহী তিনটি প্রতিষ্ঠান চীন

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পে অর্থায়নে আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীনের শ্যানডং প্রদেশের দুটি শীর্ষ ব্যাংক এবং একটি বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান। প্রকল্পটির চলমান আর্থিক জটিলতা কাটিয়ে তাড়াতাড়ি নির্মাণকাজ সমাপ্ত করার লক্ষ্যে সেতু বিভাগের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে প্রতিষ্ঠানগুলোর।

বৃহspaতিবার (৩০ জুলাই) বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের উপপরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানা শিকদারের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রকল্পের বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান ফার্স্ট ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে (এফডিইই)-এর শেয়ার হস্তান্তরের বৈধতা সংক্রান্ত আইনগত জটিলতার কারণে সিঙ্গাপুরে সালিশি কার্যক্রম (আরবিট্রেশন) চলছে। এই কারণে গত দুবছরের অধিক সময় ধরে প্রকল্পে অর্থায়নকারী দুটি চীনা ব্যাংকের ঋণের কিস্তি ছাড় বন্ধ রয়েছে। তবে, এই সময়ও বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানটি নিজস্ব অর্থায়নে প্রকল্পের কাজ চালিয়ে এসেছে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

এ অবস্থায় ২৯ জুলাই সেতু বিভাগের সচিব এবং বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফের সঙ্গে তার অফিসে চীনের শ্যানডং প্রদেশের দুটি ব্যাংক এবং একটি বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করে। বৈঠকে প্রকল্পের বিকল্প অর্থায়নের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।

বৈঠকের সময় সেতু সচিব উল্লেখ করেন, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের আংশিক অংশ চালু হওয়ার পর প্রত্যাশার চেয়ে অধিক যানবাহন চলাচল করছে। পুরো এক্সপ্রেসওয়ে চালু হলে বিনিয়োগ করা অর্থ পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হবে।

সভায় বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের পরিচালক (প্রশাসন) আলতাফ হোসেন সেখ, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের প্রধান প্রকৌশলী এ এইচ এম এস আকতার এবং চীনা প্রতিনিধিদল উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিতাস এলাকায় তীব্র গ্যাস সংকটের পুনরায় সতর্কতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:০৬ পি.এম


তিতাস এলাকায় তীব্র গ্যাস সংকটের পুনরায় সতর্কতা

মহেশখালীতে অবস্থিত এলএনজি (এলএনজি) টার্মিনালগুলোতে কারিগরি ত্রুটির কারণে রি-গ্যাসিফাইড এলএনজি (আরএলএনজি) সরবরাহ প্রতিদিন প্রায় ৫৫০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) হ্রাস পাওয়া গেছে। এর ফলে, তিতাস গ্যাসের আওতাধীন এলাকায় যে সব গ্রাহক রয়েছে, তাদের আবাসিক, শিল্প, বাণিজ্যিক, বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সিএনজিসহ সব ধরনের গ্রাহকের জন্য তীব্র গ্যাসের স্বল্পচাপের পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে বলে আঁচ করা হচ্ছে, এই বিষয়ে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) এক বিজ্ঞপ্তিতে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড জানিয়ে দেয়, মহেশখালীতে এলএনজি টার্মিনালগুলোর কারিগরি ত্রুটির কারণে জাতীয় গ্রিডে আরএলএনজি সরবরাহ কমে প্রায় ৫৫০ এমএমসিএফডি হয়ে গেছে। পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত, তিতাস গ্যাসের অধিভুক্ত সব শ্রেণির গ্রাহকরা প্রান্তে তীব্র স্বল্পচাপের সম্মুখীন হবেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়া অবধি গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধা চলতে থাকবে। এ কারণে, গ্রাহকদের কাছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছে।

অপরদিকে, গ্যাস সরবরাহের এই হ্রাসের ফলে রাজধানী এবং পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন অঞ্চলের বাসাবাড়িতে রান্নার কাজে বিঘ্ন ঘটছে। অনেক এলাকায় গ্যাসের চাপ এতটাই কম যে, স্বাভাবিকভাবে রান্না করা সম্ভব হচ্ছে না। একইসাথে, শিল্পকারখানার উৎপাদনে প্রভাব পড়ছে এবং সিএনজি স্টেশনগুলোতেও গ্যাস সরবরাহে সমস্যা দেখা দিয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রপ্তানি বহুমুখীকরণে ইসিফরজে প্রকল্প: ১ লাখ ৮০ হাজার নতুন কর্মসংস্থান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:০৯ পি.এম


রপ্তানি বহুমুখীকরণে ইসিফরজে প্রকল্প: ১ লাখ ৮০ হাজার নতুন কর্মসংস্থান

তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাতের ওপর অতিনির্ভরতা কমানোর উদ্দেশ্যে রপ্তানি বহুমুখীকরণের লক্ষ্য নিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ‘এক্সপোর্ট কম্পিটিটিভনেস ফর জবস (ইসিফরজে)’ প্রকল্পটি দেশের অন্যতম সফল শিল্পোন্নয়ন উদ্যোগ হয়ে উঠেছে। এই প্রকল্পটির মাধ্যমে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাদুকা, প্লাস্টিক এবং লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা উল্লেখযোগ্য মাত্রায় বেড়েছে। এদিকে, প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার নতুন ও শোভন কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে এবং বৈশ্বিক মূল্যশৃঙ্খলে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (আইডিএ) অর্থায়নে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ২০১৭ সালের জুলাইয়ে এই প্রকল্পটি শুরু করে। স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের প্রস্তুতি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে, রপ্তানি বহুমুখীকরণকে জাতীয় অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং তাই এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। প্রকল্পটি চালু হওয়ার সময়, দেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশেরও বেশি আগত ছিল তৈরি পোশাক খাত থেকে, যা অর্থনীতিকে একটি নির্দিষ্ট খাতের ওপর অত্যধিক নির্ভরশীল করে তুলেছিল।

এ প্রেক্ষাপটে সম্ভাবনাময় চারটি উৎপাদন খাতকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার, উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর, এবং নতুন রপ্তানি বাজারে প্রবেশের সক্ষমতা গড়ে তোলার লক্ষ্যেই ইসিফরজে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

প্রকল্প পরিচালক এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব শেখ মোহাম্মদ আব্দুর রহমান জানান, প্রকল্পটি প্রায় সব প্রধান কর্মপরিচালনা সূচকেই নির্ধারিত লক্ষ্য ছাড়িয়েছে এবং একটি টেকসই ভিত্তি তৈরি করে দীর্ঘমেয়াদে শিল্পের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে সক্ষম হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রকল্পের উদ্দেশ্য শুধু রপ্তানি বৃদ্ধি নয়, বরং বাংলাদেশি শিল্পকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার জন্য সক্ষম করে মানসম্মত কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাও। প্রকল্পের ফলাফল প্রমাণ করে যে, রপ্তানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা দিলে শিল্পখাতের রূপান্তর উল্লেখযোগ্যভাবে ত্বরান্বিত হতে পারে।

আব্দুর রহমান জানান, প্রকল্পের অন্যতম কার্যকর উদ্যোগ ছিল ‘এক্সপোর্ট রেডিনেস ফান্ড (ইআরএফ)’। এই ম্যাচিং গ্রান্ট কর্মসূচির আওতায় নারী উদ্যোক্তাপ্রতিষ্ঠানসহ ৫৭০টি প্রতিষ্ঠান আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা পেয়েছে। এসব সহায়তার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানেরা পরিবেশ, সামাজিক ও গুণগত মান (ইএসকিউ) সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক মানদণ্ড পূরণ, দক্ষতা উন্নয়ন, উৎপাদনব্যবস্থার আধুনিকায়ন, আন্তর্জাতিক সনদ অর্জন, এবং নতুন বিদেশি বাজারে প্রবেশের সক্ষমতা অর্জন করেছে।

প্রকল্পের তথ্য অনুযায়ী, উপকারভোগী প্রতিষ্ঠানগুলো ২৬০টি আন্তর্জাতিক কমপ্লায়েন্স সনদ অর্জন করেছে। একই সঙ্গে ইআরএফের মাধ্যমে বেসরকারি খাত থেকে ১ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলারের বেশি সহ-অর্থায়ন (কো-ইনভেস্টমেন্ট) এসেছে, যা সরকারি অর্থায়নের পাশাপাশি অতিরিক্ত বেসরকারি বিনিয়োগকে উৎসাহিত করেছে।

প্রকল্পের আওতাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর বিক্রি ৫৯ শতাংশ বেড়েছে, যেখানে প্রকল্পের প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল ১৫ দশমিক ৪ শতাংশ। একই সঙ্গে এসব প্রতিষ্ঠান ২২টি নতুন আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশ করেছে।

প্রকল্প শুরুর আগে উপকারভোগী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রপ্তানিকারকের হার ছিল ৫৯ শতাংশ, যা বেড়ে ৯৫ শতাংশে পৌঁছেছে। একই সময়ে, তাদের গড় রপ্তানির পরিমাণ বেড়েছে ১৯২ শতাংশ।

এছাড়া, ৭৩টি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানকে ১৪টি আন্তর্জাতিক সোর্সিং প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে, যার মাধ্যমে নতুন ব্যবসায়িক অংশীদারত্ব ও রপ্তানির সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে, শুধু আর্থিক সহায়তাই নয়, শিল্প অবকাঠামো এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতা উন্নয়নেও বড় ধরনের বিনিয়োগ করেছে ইসিফরজে প্রকল্প। এর আওতায়, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্লাস্টিকস ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি (বিআইপিইটি) সম্পূর্ণভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং বর্তমানে শিল্পভিত্তিক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

এছাড়া, গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বাংলাদেশ হাইটেক সিটিতে সেন্টার অব এক্সেলেন্স ফর ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি (সিইইটি) এবং গাজীপুরের কাশিমপুরে ডিজাইন অ্যান্ড টেকনোলজি সেন্টার ফর লেদার গুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার (ডিটিসিএলএফ)-এর নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে।

ভবিষ্যৎ শিল্পায়নের ভিত্তি আরও শক্তিশালী করতে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে বিসিক কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে প্রস্তাবিত ইনস্টিটিউট অব জেনারেল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি (আইজিইটি) এবং চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে (এনএসইজেড) প্রস্তাবিত ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব জেনারেল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি (আইআইজিইটি)-এর জন্য ভূমি অধিগ্রহণ ও সাইট উন্নয়নকাজ সম্পন্ন হয়েছে।

প্রকল্প পরিচালক জানান, এসব প্রতিষ্ঠান রপ্তানিমুখী শিল্পের জন্য উন্নত প্রযুক্তিসেবা, পণ্য উন্নয়ন, পরীক্ষাগার সুবিধা এবং দক্ষ জনবল গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা এবং কমপ্লায়েন্স বিষয়ক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রকল্পটি সরাসরি ১ লাখ ৭ হাজারের বেশি মানুষকে উপকৃত করেছে। তাদের মধ্যে ৩৮ শতাংশই নারী।

বিশ্বব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, সামগ্রিকভাবে এই উদ্যোগের মাধ্যমে প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার নতুন ও শোভন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে, যা প্রকল্পের প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রা ৬০ হাজারের প্রায় তিন গুণ।

বিশ্বব্যাংকের মূল্যায়ন তুলে ধরে আব্দুর রহমান বলেন, রপ্তানি বহুমুখীকরণ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সরকার এবং বেসরকারি খাতের সফল অংশীদারিত্বের একটি উদাহরণ হিসেবে ইসিফরজে প্রকল্পের কথা উল্লেখ করা হয়েছে উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা দ্বারা।

বিশ্বব্যাংকের তথ্যমতে, ২০১৬ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে প্রকল্পের আওতাভুক্ত তৈরি পোশাকবহির্ভূত খাতগুলোর রপ্তানি প্রায় ৮৩ শতাংশ বেড়েছে, যা প্রকল্পের প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রাকে উল্লেখযোগ্যভাবে ছাড়িয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, প্রকল্পটির অন্যতম উদ্ভাবনী দিক ছিল অনুদান ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি। একটি স্বাধীন তৃতীয় পক্ষের সংস্থা আন্তর্জাতিকভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে উপকারভোগী প্রতিষ্ঠান নির্বাচন, প্রকল্প বাস্তবায়নে তদারকি, এবং নির্ধারিত অগ্রগতি যাচাইয়ের ভিত্তিতে অর্থ ছাড়ের কাজ পরিচালনা করেছে। এর ফলে একদিকে জবাবদিহি নিশ্চিত হয়েছে, অন্যদিকে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগও উৎসাহিত হয়েছে।

বিশ্বব্যাংক বলেছে, আর্থিক প্রণোদনার পাশাপাশি কারিগরি সহায়তা, দক্ষতা উন্নয়ন ও সচেতনতার কার্যক্রম সমন্বিতভাবে পরিচালনা করলে শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলি ক্রমেই বৈশ্বিক মানদণ্ড পূরণে সক্ষম হতে পারে। ইসিফরজে প্রকল্পের সাফল্য তা প্রমাণ করে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপে বেসরকারি বিনিয়োগ, ১৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ফিফার সিদ্ধান্ত চাওয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:১৪ পি.এম


বিশ্বকাপে বেসরকারি বিনিয়োগ, ১৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ফিফার সিদ্ধান্ত চাওয়া

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো আবারও বিশ্ব ফুটবলে একটি বড় বিতর্কের সৃষ্টি করেছেন। বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক স্বত্বের একটি অংশ বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে হস্তান্তরের একটি পরিকল্পনা নিয়ে সদস্য দেশগুলোর কাছে প্রস্তাব পাঠিয়েছেন তিনি। এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাতে ২১১টি সদস্য ফেডারেশনকে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় দেয়া হয়েছে।

ইনফান্তিনোর পরিকল্পনার মূল বিষয় অনুযায়ী, ২০ বিলিয়ন ডলারের একটি নতুন ফিফা সহযোগী প্রতিষ্ঠান গঠন করার কথা বলা হয়েছে, যেখানে ২০ শতাংশ মালিকানা থাকবে বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের। এই প্রতিষ্ঠান ভবিষ্যতে বিশ্বকাপ, ক্লাব বিশ্বকাপসহ ফিফার প্রধান টুর্নামেন্টগুলোর বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এই পরিকল্পনার প্রধান বিনিয়োগকারী হিসেবে জশুয়া কুশনারের প্রতিষ্ঠান 'থ্রাইভ ক্যাপিটাল' রয়েছে।

যদি প্রস্তাবটি অনুমোদন হয়, তবে প্রতিটি সদস্য ফেডারেশন ২০৩০ বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে ২০ মিলিয়ন ডলার করে অতিরিক্ত অর্থ পাবে। অন্যদিকে, যদি প্রস্তাবটি বাতিল করা হয়, তবে আগের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী তাদের চার বছরে ১০ মিলিয়ন ডলারের সুবিধা পাবার কথা রয়েছে।

তবে ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা উয়েফা শুরু থেকেই এই পরিকল্পনার কড়া বিরোধিতা করে আসছে। তাদের অভিযোগ, ‘বিশ্বকাপ ফিফার বিক্রি করার সম্পদ নয়।’ এ বিষয়ে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে জরুরি বৈঠক ডাকতে যাচ্ছে উয়েফা। প্রয়োজনে ফিফার প্রতিযোগিতাকে বয়কট করার মতো কঠোর পদক্ষেপও বিবেচনা করা হচ্ছে বলে ইউরোপীয় ফুটবল মহলে আলোচনা চলছে।

এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) এবং কনকাকাপ-ও অভিযোগ করেছে যে, এতো গুরুত্বপূর্ন একটি পরিকল্পনা নিয়ে সদস্যদের সঙ্গে যথাযথ আলোচনা ছাড়া তা প্রকাশ করা হয়েছে।

সমালোচকদের আশঙ্কা, বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের মুনাফা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতে বিশ্বকাপের আয়োজন আরও ঘন ঘন হতে পারে, দল সংখ্যা বৃদ্ধি এবং টুর্নামেন্টের বাণিজ্যিকীকরণ আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফাইনালে পরাজয়ের পর শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে আর্জেন্টিনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:১৭ পি.এম


ফাইনালে পরাজয়ের পর শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে আর্জেন্টিনা

বিশ্বকাপ ফাইনালে হারের পরে গত ১৯ জুলাই স্পেনের খেলোয়াড়দের ওপর হামলা এবং সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারানোর পর ফকল্যান্ড (মালভিনাস) দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে রাজনৈতিক ব্যানার প্রদর্শনের একটি ঘটনার প্রেক্ষিতে ফিফা আর্জেন্টিনার দুটি খেলোয়াড়সহ দেশটির ফুটবল ফেডারেশনের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ এনেছে।

বুধবার (২৯ জুলাই) ফিফা প্রকাশিত অভিযোগের তালিকায় আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে নতুন নতুন আরও কিছু অভিযোগ অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এই অভিযোগের মধ্যে রয়েছে সমর্থকদের বৈষম্যমূলক স্লোগান ও অঙ্গভঙ্গি, ফাইনালের পর এক সহকারী কোচ রবার্তো আয়ালার বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ এবং বিশ্বকাপের একাধিক ম্যাচে দর্শকদের দ্বারা বস্তু নিক্ষেপের ঘটনার উদাহরণ।

গত ১৯ জুলাই নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে পরাজিত হওয়ার পর ম্যাচ-পরবর্তী সংঘর্ষে আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেসের বিরুদ্ধে হামলার তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে। একই সঙ্গে ডিফেন্ডার নাহুয়েল মলিনার বিরুদ্ধে দুটি অভিযোগ এবং সহকারী কোচ রবার্তো আয়ালার বিরুদ্ধে হামলার একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

এছাড়াও, মলিনা ও থিয়াগো আলমাদার বিরুদ্ধে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ আনা হয়েছে। একই দায়ে অভিযুক্ত হয়েছেন স্পেনের মিডফিল্ডার গাভিও।

ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে পরাজিত করে সেমিফাইনাল জয়ের পর আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়রা 'লাস মালভিনাস সন আর্জেন্টিনাস' (মালভিনাস আর্জেন্টিনার) লেখা একটি ব্যানার প্রদর্শন করেন। আর্জেন্টিনা ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জকে ইসলাস মালভিনাস নামে জানায়। ১৯৮২ সালে তৎকালীন আর্জেন্টাইন সামরিক জান্তার নির্দেশে দ্বীপপুঞ্জে অভিযান চালানোর ফলে ১০ সপ্তাহ ব্যাপী যুদ্ধ শুরু হয়, যার ফলে ব্রিটেন বিজয়ী হয়।

ব্রিটিশ সরকারের কর্মকর্তারা এ ঘটনার তদন্তের আহ্বান করেছেন। ফিফা জানিয়েছে, আর্জেন্টিনা ফুটবল ফেডারেশনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ হলো যে 'খেলাধুলার বাইরের উদ্দেশ্যে একটি ক্রীড়া ইভেন্টকে প্রদর্শনের মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।'

ফিফা উপরোক্ত সকল অভিযুক্ত ব্যক্তি ও সংশ্লিষ্ট পক্ষকে নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করার সুযোগ দিয়েছে। তাঁদের বক্তব্য পর্যালোচনা করার পরে যথাসময়ে ফিফার শৃঙ্খলা কমিটি এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%