বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং
১২:১৪ পি.এম
ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো আবারও বিশ্ব ফুটবলে একটি বড় বিতর্কের সৃষ্টি করেছেন। বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক স্বত্বের একটি অংশ বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে হস্তান্তরের একটি পরিকল্পনা নিয়ে সদস্য দেশগুলোর কাছে প্রস্তাব পাঠিয়েছেন তিনি। এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাতে ২১১টি সদস্য ফেডারেশনকে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় দেয়া হয়েছে।
ইনফান্তিনোর পরিকল্পনার মূল বিষয় অনুযায়ী, ২০ বিলিয়ন ডলারের একটি নতুন ফিফা সহযোগী প্রতিষ্ঠান গঠন করার কথা বলা হয়েছে, যেখানে ২০ শতাংশ মালিকানা থাকবে বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের। এই প্রতিষ্ঠান ভবিষ্যতে বিশ্বকাপ, ক্লাব বিশ্বকাপসহ ফিফার প্রধান টুর্নামেন্টগুলোর বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এই পরিকল্পনার প্রধান বিনিয়োগকারী হিসেবে জশুয়া কুশনারের প্রতিষ্ঠান 'থ্রাইভ ক্যাপিটাল' রয়েছে।
যদি প্রস্তাবটি অনুমোদন হয়, তবে প্রতিটি সদস্য ফেডারেশন ২০৩০ বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে ২০ মিলিয়ন ডলার করে অতিরিক্ত অর্থ পাবে। অন্যদিকে, যদি প্রস্তাবটি বাতিল করা হয়, তবে আগের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী তাদের চার বছরে ১০ মিলিয়ন ডলারের সুবিধা পাবার কথা রয়েছে।
তবে ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা উয়েফা শুরু থেকেই এই পরিকল্পনার কড়া বিরোধিতা করে আসছে। তাদের অভিযোগ, ‘বিশ্বকাপ ফিফার বিক্রি করার সম্পদ নয়।’ এ বিষয়ে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে জরুরি বৈঠক ডাকতে যাচ্ছে উয়েফা। প্রয়োজনে ফিফার প্রতিযোগিতাকে বয়কট করার মতো কঠোর পদক্ষেপও বিবেচনা করা হচ্ছে বলে ইউরোপীয় ফুটবল মহলে আলোচনা চলছে।
এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) এবং কনকাকাপ-ও অভিযোগ করেছে যে, এতো গুরুত্বপূর্ন একটি পরিকল্পনা নিয়ে সদস্যদের সঙ্গে যথাযথ আলোচনা ছাড়া তা প্রকাশ করা হয়েছে।
সমালোচকদের আশঙ্কা, বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের মুনাফা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতে বিশ্বকাপের আয়োজন আরও ঘন ঘন হতে পারে, দল সংখ্যা বৃদ্ধি এবং টুর্নামেন্টের বাণিজ্যিকীকরণ আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বকাপ ফাইনালে হারের পরে গত ১৯ জুলাই স্পেনের খেলোয়াড়দের ওপর হামলা এবং সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারানোর পর ফকল্যান্ড (মালভিনাস) দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে রাজনৈতিক ব্যানার প্রদর্শনের একটি ঘটনার প্রেক্ষিতে ফিফা আর্জেন্টিনার দুটি খেলোয়াড়সহ দেশটির ফুটবল ফেডারেশনের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ এনেছে।
বুধবার (২৯ জুলাই) ফিফা প্রকাশিত অভিযোগের তালিকায় আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে নতুন নতুন আরও কিছু অভিযোগ অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এই অভিযোগের মধ্যে রয়েছে সমর্থকদের বৈষম্যমূলক স্লোগান ও অঙ্গভঙ্গি, ফাইনালের পর এক সহকারী কোচ রবার্তো আয়ালার বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ এবং বিশ্বকাপের একাধিক ম্যাচে দর্শকদের দ্বারা বস্তু নিক্ষেপের ঘটনার উদাহরণ।
গত ১৯ জুলাই নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে পরাজিত হওয়ার পর ম্যাচ-পরবর্তী সংঘর্ষে আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেসের বিরুদ্ধে হামলার তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে। একই সঙ্গে ডিফেন্ডার নাহুয়েল মলিনার বিরুদ্ধে দুটি অভিযোগ এবং সহকারী কোচ রবার্তো আয়ালার বিরুদ্ধে হামলার একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
এছাড়াও, মলিনা ও থিয়াগো আলমাদার বিরুদ্ধে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ আনা হয়েছে। একই দায়ে অভিযুক্ত হয়েছেন স্পেনের মিডফিল্ডার গাভিও।
ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে পরাজিত করে সেমিফাইনাল জয়ের পর আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়রা 'লাস মালভিনাস সন আর্জেন্টিনাস' (মালভিনাস আর্জেন্টিনার) লেখা একটি ব্যানার প্রদর্শন করেন। আর্জেন্টিনা ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জকে ইসলাস মালভিনাস নামে জানায়। ১৯৮২ সালে তৎকালীন আর্জেন্টাইন সামরিক জান্তার নির্দেশে দ্বীপপুঞ্জে অভিযান চালানোর ফলে ১০ সপ্তাহ ব্যাপী যুদ্ধ শুরু হয়, যার ফলে ব্রিটেন বিজয়ী হয়।
ব্রিটিশ সরকারের কর্মকর্তারা এ ঘটনার তদন্তের আহ্বান করেছেন। ফিফা জানিয়েছে, আর্জেন্টিনা ফুটবল ফেডারেশনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ হলো যে 'খেলাধুলার বাইরের উদ্দেশ্যে একটি ক্রীড়া ইভেন্টকে প্রদর্শনের মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।'
ফিফা উপরোক্ত সকল অভিযুক্ত ব্যক্তি ও সংশ্লিষ্ট পক্ষকে নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করার সুযোগ দিয়েছে। তাঁদের বক্তব্য পর্যালোচনা করার পরে যথাসময়ে ফিফার শৃঙ্খলা কমিটি এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
অনলাইনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি ভুয়া অ্যাকাউন্ট, ছবি এবং সাইবার প্রতারণা রোধে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা। এর মাধ্যমে, সাধারণ ব্যবহারকারীদের পরিচয় নিশ্চিত করতে এবার বিনামূল্যে নতুন ধরনের 'ভেরিফায়েড ব্যাজ' চালু করার ঘোষণা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
মেটার তথ্যমতে, এই ব্যাজের মাধ্যমে সহজেই বোঝা যাবে কোনো অ্যাকাউন্ট প্রকৃত ব্যক্তির, নাকি এআই ব্যবহার করে তৈরি করা ভুয়া পরিচয়। উল্লেখ্য, এটি 'মেটা ভেরিফায়েড'-এর মতো অর্থের বিনিময়ে পাওয়া যাবে না; বরং যোগ্য সাধারণ ব্যবহারকারীরা বিনামূল্যে এই সুবিধা পাবেন।
যেভাবে মিলবে ব্যাজ
ভেরিফায়েড ব্যাজ পেতে ব্যবহারকারীকে একটি সেলফি ভিডিও ধারণ করে জমা দিতে হবে। পরবর্তীতে ফেসবুক সেই ভিডিও অ্যাকাউন্টের ছবি ও অন্যান্য তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে পরিচয় যাচাই করবে। যাচাই সফল হলে সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্টে ব্যাজ যুক্ত করা হবে।
যারা এই সুবিধা পাবেন না
মেটা জানিয়েছে, নিচের যেকোনো শর্ত প্রযোজ্য হলে বিনামূল্যের ভেরিফায়েড ব্যাজ পাওয়া যাবে না।
* ব্যবহারকারীর বয়স ১৮ বছরের কম হলে।
* ফেসবুকের কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ না করলে বা অ্যাকাউন্ট সচল অবস্থায় না থাকলে।
* অ্যাকাউন্টে প্রতারণা, ভুয়া পরিচয় ব্যবহার বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের ইতিহাস থাকলে।
* ফেসবুক পেজ এবং প্রফেশনাল মোড অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রে এই সুবিধা প্রযোজ্য হবে না।
* সেলফি ভিডিওভিত্তিক পরিচয় যাচাইয়ে সফল না হলে।
কোথায় দেখা যাবে ব্যাজ
পরিচয় যাচাই সম্পন্ন হলে, এই ভেরিফায়েড ব্যাজ শুধু ব্যবহারকারীর প্রোফাইলেই নয়, ফেসবুক মার্কেটপ্লেস, বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপ এবং ফেসবুক ডেটিং প্ল্যাটফর্মেও প্রদর্শিত হবে।
তবে মেটা স্পষ্ট করেছে, এই ব্যাজ কেবল একজন ব্যবহারকারী বাস্তব ব্যক্তি কি না, সেটির প্রমাণ বহন করবে। এটি কোনো ব্যক্তির সততা, বিশ্বাসযোগ্যতা বা আচরণের নিশ্চয়তা দেয় না। তাই অনলাইনে লেনদেন, তথ্য আদান-প্রদান বা ব্যক্তিগত যোগাযোগের ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীদের সতর্ক থাকা পরামর্শ দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
বর্তমানে ফিচারটি বিশ্বের কয়েকটি নির্বাচিত দেশে পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য দেশেও সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য এটি উন্মুক্ত করা হবে।
সূত্র: এনগ্যাজেট
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁয় একটি সড়ক দুর্ঘটনায় এক শিক্ষক নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকাল ৮টার দিকে, শহরের দয়ালের মোড় এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত আ.ত.ম ইউসুফ (৪৫) নওগাঁ শহরের জগৎসিংহপুর হাজীপাড়া এলাকার একটি বাসিন্দা ও জয়পুরহাট টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক ছিলেন।
নিহতের পরিবার এবং স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, প্রতিদিনের মতো আজ সকালে শিক্ষক আ.ত.ম ইউসুফ স্কুটি (মোটরসাইকেল) চালিয়ে কর্মস্থল জয়পুরহাট টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে শহরের দয়ালের মোড়ে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সঙ্গে তার স্কুটির ধাক্কা লাগে। ফলে, নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তিনি রাস্তার ওপর পড়ে যান।
এই সময়, বালুডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড থেকে আসা দ্রুতগতির একটি বিআরটিসি যাত্রীবাহী বাস তাকে চাপা দিয়ে চলে যায়। এর ফলে বাসের চাকায় পৃষ্ঠ হয়ে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।
স্থানীয়দের মতে, অটোরিকশার ধাক্কায় অসাবধানতাবশত সড়কে পড়ে যাওয়ার কারণেই এই অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নওগাঁ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এই বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দেশের বাজারে উপলব্ধ ৩৪টি টুথপেস্টের মধ্যে ২৬টিতে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি দেখা গেছে। এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন-এসডো এর এক গবেষণা প্রতিবেদনের কারণে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। বাসাবাড়ি থেকে শুরু করে সুপার শপ পর্যন্ত, টুথপেস্টের মাইক্রোপ্লাস্টিক কতটা ক্ষতিকর হতে পারে তা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, মাইক্রোপ্লাস্টিক মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর হলেও টুথপেস্টে উপস্থিত এই পদার্থ নিয়ে এখনই উদ্বেগের কোনো কারণ নেই। তবে বিশেষ করে শিশুদের এই ধরনের টুথপেস্ট ব্যবহার করার সময় বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন।
ঢাকা ডেন্টাল কলেজের উপাধ্যক্ষ এবং ডেন্টাল পাবলিক হেলথ বিশেষজ্ঞ ডা. মো. হায়দার আলী খান জানিয়েছেন, যেহেতু আমরা টুথপেস্ট খাই না, তাই আতঙ্কিত হওয়ার এমন কিছু নেই। কিন্তু তিনি সতর্ক করে বলেছেন যে, যদি মাইক্রোপ্লাস্টিক মানবদেহে প্রবেশ করে, তাহলে এটি পরিপাকতন্ত্র, স্নায়ুতন্ত্র, এবং হৃদযন্ত্রসহ অন্যান্য শারীরিক অবস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। তাই আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে যেন শিশুরা কোনোভাবেই টুথপেস্ট খেয়ে না ফেলে।
এসডো বলছে, এই গবেষণাটি আতঙ্ক সৃষ্টি করার জন্য নয়, বরং বাজারের মনিটরিং এবং ভোক্তা ও সরকারকে সচেতন করতেই পরিচালিত হয়েছে।
গবেষণা প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী পরিচালক সিদ্দিকা সুলতানা মন্তব্য করেছেন যে, ভোক্তা সচেতনতা বৃদ্ধি পেলে উৎপাদকরাও পরিবেশবান্ধব পণ্য তৈরিতে আগ্রহী হবে।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবে দীর্ঘদিনের পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর টুথপেস্টের মাইক্রোপ্লাস্টিক শনাক্ত করেছেন গবেষক অধ্যাপক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি সময় সংবাদকে জানিয়েছেন, বৈজ্ঞানিকভাবে সক্ষম ল্যাবরেটরিতে চলমান রয়েছে পরীক্ষা।
অধ্যাপক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানাচ্ছেন, আমাদের ৩০-৩৫টির বেশি আর্টিকেল সায়েন্টিফিক ফোরামে প্রকাশিত হয়েছে। যেহেতু সায়েন্টিফিক ফোরাম আমাদের গবেষণা প্রকাশ করেছে, তাই আমরা যে পদ্ধতিতে গবেষণা সম্পন্ন করেছি, সেটি উপযোগী তা প্রমাণিত হয়েছে।
বিএসটিআইর মহাপরিচালক কাজী এমদাদুল হক জানিয়েছেন, টুথপেস্টে কোন কোন উপাদান ব্যবহার করা যাবে এবং কোনগুলো যাবে না—সেটি নিয়ে নতুন করে মানদণ্ড নির্ধারণের পরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে।
তিনি আরো বলেছেন, আমরা আন্তর্জাতিক মানদণ্ডগুলো পুনরায় পর্যালোচনা করবো। যদি দেখা যায় যে আমাদের মানদণ্ডে কিছু পরিবর্তন প্রয়োজন, সেটি আমরা করবো।
এদিকে, এ বিষয়ে এক আইনজীবীর রিটের পর তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হাইকোর্ট, তাদের ১৫ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
হাইকোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, সায়েন্স ল্যাবরেটরি, বুয়েট এবং বিএসটিআইয়ের একজন করে মোট তিনজনকে ১৫ দিনের মধ্যে প্রতিবেদনের জন্য ডাকা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু টুথপেস্টে নয়, মাইক্রোপ্লাস্টিক পুরো পৃথিবীজুড়ে পানি, মাটি ও বায়ুতে ছড়িয়ে পড়েছে। এ বিষয়ে বিশ্বজুড়ে গবেষণা চলমান রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ