রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:৫৩ পি.এম
চীনে অনুষ্ঠিত জুনিয়র এশিয়া কাপ হকির চ্যালেঞ্জার গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। বাংলাদেশ দলের হাতে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি তুলে দেওয়া হয়েছে জমকালো সমাপনী অনুষ্ঠানে।
বাংলাদেশ পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে দারুণ পারফরম্যান্স প্রদর্শন করেছে। দলীয় সাফল্যের পাশাপাশি, ব্যক্তিগত অর্জনেও বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা ছিলেন উজ্জ্বল।
টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ গোল করে যৌথভাবে টপ স্কোরার অ্যাওয়ার্ড জিতেছেন বাংলাদেশের শারিকা সাফা রিমন। গোল করার দক্ষতায় তিনি দলের সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
চ্যালেঞ্জার গ্রুপে এই ঐতিহাসিক সাফল্যের জন্য বাংলাদেশ হকি দলের সকল খেলোয়াড়, কোচ ও কর্মকর্তাদের অভিনন্দন জানিয়েছে বাংলাদেশ হকি ফেডারেশন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে বাড়ি ফেরার পথে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী এলাকায় একটি কাভার্ড ভ্যানের আঘাতে মাইক্রোবাসের চার যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও সাতজন। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ২টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের শিকলবাহা চৌমুহনী এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন কক্সবাজারের ঈদগাহ এলাকার বাসিন্দা নিয়াজ মোর্শেদ (২২), তাঁর ছোট বোন মিমতাহ (১৭), তাদের মামা মো. ফেরদৌস আলম (৫৫) এবং মাইক্রোবাসের চালক মো. মুন্না।
স্বজনদের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার রাতে চট্টগ্রাম নগরের আগ্রাবাদ এলাকার একটি কমিউনিটি সেন্টারে মিমতাহর বড় বোনের বিয়ের অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠান শেষে পরিবারের কয়েকজন সদস্য ও আত্মীয়স্বজন একটি মাইক্রোবাসে করে কক্সবাজারের ঈদগাহ এলাকায় ফিরছিলেন। শিকলবাহা এলাকায় পৌঁছালে দুর্ঘটনার শিকার হন তারা।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শিকলবাহা চৌমুহনী এলাকায় একটি কাভার্ড ভ্যান ইউটার্ন নেওয়ার সময় মাইক্রোবাসটিকে ধাক্কা দেয়। এতে মাইক্রোবাসটির সামনের অংশ সম্পূর্ণ দুমড়েমুচড়ে যায়। দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই ফেরদৌস আলম ও মিমতাহ নিহত হন।
পরে আহতদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুজনের মৃত্যু হয়। নিহতদের মধ্যে মাইক্রোবাসের চালক মুন্নাও অন্তর্ভুক্ত আছেন। দুর্ঘটনায় আহত সাতজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজনের পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। পরে আহত ও নিহতদের হাসপাতালে পাঠানো হয়।
কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুর আহমদ চারজন নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দুর্ঘটনার পর কাভার্ড ভ্যানটি জব্দ করা হয়েছে। তবে এর চালক ও সহকারী পালিয়ে গেছেন এবং তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চাঁদপুরে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটসহ তিন বিচারকের আদালত বর্জনের পর, তাঁদের অপসারণের দাবিতে জেলা আইনজীবী সমিতি বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সভার আয়োজন করেছে। সমিতির নেতারা জানিয়েছেন, দাবি না মানলে তাঁরা আরও কঠোর কর্মসূচি দেবেন। প্রতিবাদ সভাটি রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় চাঁদপুর আদালত প্রাঙ্গণে জেলা আইনজীবী সমিতির ব্যানারে অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন সমিতির সভাপতি অ্যাড. শামছুল ইসলাম মন্টু এবং সঞ্চালনা করেন সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. জসিম মেহেদী। বক্তব্য রাখেন জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন তালুকদার ফয়সাল, সাবেক সভাপতি জহিরুল ইসলাম, সেলিম আকবর, সিনিয়র আইনজীবী মো. ইব্রাহীম, এটিএম মোস্তফা কামাল, হুমায়ুন কবির প্রমুখ।
সভাপতির বক্তব্যে অ্যাড. শামছুল ইসলাম মন্টু উল্লেখ করেন, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুজাহিদুর রহমান, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১-এর বিচারক পলাশ বর্ধ্বন এবং সদর সিনিয়র সহকারী সিভিল জজ শম্পা ইসলামের বিরুদ্ধে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। গত ৯ সেপ্টেম্বর, প্রায় সাড়ে ৪০০ আইনজীবীর উপস্থিতিতে বারের জরুরি সাধারণ সভায় তাঁদের আদালত বর্জনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হলেও কোনো সুরাহা মেলেনি।
আইনজীবীদের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট বিচারকগণ আইনজীবীদের বিরুদ্ধে মামলা করার হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন। তবে সভায় স্পষ্ট জানানো হয় যে, এসব হুমকিতে আইনজীবীরা পিছপা হবেন না। বক্তারা বিচারক ও আইনজীবীদের মধ্যকার পেশাগত দূরত্ব ও সমন্বয়হীনতা দ্রুত আলোচনার মাধ্যমে নিরসনের তাগিদ দেন। একই সঙ্গে আদালতের কার্যক্রমে বিচারপ্রার্থীরা যেন কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে সজাগ দৃষ্টি রাখার আহ্বান জানানো হয়। প্রতিবাদ সভা শেষে আইনজীবীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় আদালত প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চাঁদপুর সদর ও হাইমচর উপজেলার এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় চাঁদপুর-৩ (সদর-হাইমচর) আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
তিনি একই সঙ্গে অনুষ্ঠানে ঘটিত কিছু ভুলত্রুটির জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ভিডিও নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে চলমান প্রতিক্রিয়া রোধে সকল পোস্ট মুছে ফেলার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে আয়োজিত ওই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া একজন শিক্ষার্থীর মজার ছলে করা একটি ভিডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিভিন্ন মহলে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।
এ বিষয়ে রোববার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক জানান, সবার মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে তারা সবসময় সম্মান করেন। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন পোস্ট বা নেতিবাচক প্রতিক্রিয়াগুলো ডিলিট করার জন্য তিনি সবার প্রতি সবিনয় অনুরোধ জানিয়েছেন।
স্ট্যাটাসে তিনি আরও উল্লেখ করেন, সকলের আন্তরিক সহযোগিতা পেলে আগামী দিনগুলোতেও কৃতি শিক্ষার্থীদের উৎসাহ দিতে এমন আরও বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা অনুষ্ঠান আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। ভবিষ্যতে যেকোনো ত্রুটি বিচ্যুতি এড়িয়ে আরও সুন্দর ও গোছানো অনুষ্ঠান আয়োজনে সবার সহযোগিতা কামনা করেন এই সংসদ সদস্য।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আজকের তারিখ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রি., সকালে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মহোদয়ের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির কুমিল্লা বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, কুমিল্লা জেলা পরিষদ প্রশাসক হাজী মোস্তাক মিয়া এবং চাঁদপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, চাঁদপুর জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট সলিম উল্যা সেলিম এই সাক্ষাৎ করেন।
এই সাক্ষাৎটি শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং এটি একটি প্রাণবন্ত ও সৌহার্দ্যপূর্ণ মিলনমেলার রূপ ধারণ করে। নির্ধারিত সময়ে বঙ্গভবনে পৌঁছালে রাষ্ট্রপতি অত্যন্ত স্নেহ ও আতিথেয়তার সঙ্গে দুই কৃতি নেতাকে বরণ করে নেন। সাক্ষাৎকালে দেশ ও জাতির সামগ্রিক কল্যাণ, স্থানীয় প্রশাসনের গতিশীলতা বৃদ্ধি এবং জনসেবামূলক কার্যক্রমকে আরও বেগবান করার বিষয়ে সংক্ষিপ্ত ও ফলপ্রসূ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময়ের এই মুহূর্তে রাজনৈতিক সম্প্রীতি ও দেশের অগ্রযাত্রার একটি অনন্য প্রতিচ্ছবি ফুটে ওঠে। রাষ্ট্রপতি মহোদয় দুই নেতার রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের খোঁজখবর নেন এবং এলাকার সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষায় তাঁদের নিবেদিত প্রাণ ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি স্থানীয় সরকার পরিচালনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং জনকল্যাণ নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
সাক্ষাৎ শেষে নেতৃবৃন্দ এক প্রতিক্রিয়ায় জানান, মহামান্য রাষ্ট্রপতির এই সান্নিধ্য তাঁদের কাজের স্পৃহা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। জনগণের দোরগোড়ায় কাঙ্ক্ষিত সেবা পৌঁছে দিতে এবং গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি মজবুত করতে তাঁরা সর্বদা সচেষ্ট থাকবেন। বঙ্গভবনের সোনালী চত্বরে সকালের এই স্নিগ্ধ সাক্ষাৎটি উপস্থিত সকলের মনে এক নতুন উদ্দীপনা ও প্রেরণার সঞ্চার করে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ