ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইবিতে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভা অনুষ্ঠিত


ইবিতে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) তৃতীয় পর্যায়ের ১ম সংশোধিত উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির (পিআইসি) ১৬তম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং চলমান উন্নয়নকাজের সাইট পরিদর্শন সম্পন্ন হয়েছে।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমানের সভাপতিত্বে উপাচার্য কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে প্রতিনিধিদল সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।

সভায় কমিটির সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এমতাজ হোসেন, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. ইদ্রিস আলী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিরা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা কমিশনের কার্যক্রম বিভাগের যুগ্ম সচিব মো. রুহুল আলম, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ মাকছুদুর রহমান ভূঁইয়া, মাউশি বিভাগের উপপরিচালক রোকসানা লায়লা, যুগ্ম সচিব এস এম ইমরুল হাসান এবং সিনিয়র সহকারী পরিচালক মোশারফ হোসেন।

আরও পড়ুন: চুয়েটের অচলাবস্থা নিরসনে তদন্ত কমিটি গঠনের উদ্যোগ

সভায় প্রকল্পের চলমান কার্যক্রম, ভৌত অগ্রগতি, বাস্তবায়ন-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় এবং ভবিষ্যতের করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। একইসাথে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গুণগত মান বজায় রেখে কাজ ত্বরান্বিত করা এবং সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান উল্লেখ করেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত ও একাডেমিক উন্নয়নে গৃহীত প্রকল্পগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, "নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসব কাজ সুষ্ঠু ও মানসম্মতভাবে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।"

সভায় উপস্থিত সদস্যরা প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং অবশিষ্ট কাজ দ্রুত শেষ করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের তাগিদ দেন।

আরও পড়ুন: ইবি প্রশাসনের চার পদে নতুন পরিচালক নিয়োগ

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিলেটে টিকিট ও এনআইডির নামের মিল বাধ্যতামূলক, মিল না থাকলে ট্রেনে ভ্রমণ নিষিদ্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:২৫ পি.এম


সিলেটে টিকিট ও এনআইডির নামের মিল বাধ্যতামূলক, মিল না থাকলে ট্রেনে ভ্রমণ নিষিদ্ধ

সিলেট থেকে ট্রেনে যাতায়াতের সময় টিকিটের নামের সাথে যাত্রীর জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) নামের সঠিক মিল থাকা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে।

জেলা প্রশাসন জানায়, সোমবার (১২ অক্টোবর) থেকে টিকিটের নামের সাথে এনআইডির মিল না থাকলে কোনো যাত্রীকে ট্রেনে ভ্রমণ করতে দেওয়া হবে না।

সিলেট রেলওয়ে স্টেশনে বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) রাতে চারজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সমন্বয়ে বিশেষ অভিযান পরিচালনা শেষে জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন এই ঘোষণা দেন। অভিযানে অনলাইনে কাটা টিকিটের নামের সাথে একাধিক যাত্রীর মূল পরিচয়ের কোনো মিল না পাওয়ার পর প্রশাসন এই কঠোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

অভিযান শেষে জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, "আগামী ১২ অক্টোবর থেকে টিকিটের নাম ও যাত্রীর জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) নামের মিল না থাকলে যাত্রীকে যেতে দেওয়া হবে না।" তিনি আরও বলেন, "যদি কেউ সিলেট থেকে ঢাকা বা অন্য কোথাও যেতে চান, তাহলে অবশ্যই তার টিকিটের সাথে এনআইডি কার্ডের নাম মিলতে হবে। আজকে আমরা দেখেছি কিছু কিছু যাত্রীর টিকিটের সাথে এনআইডির নাম মিলছে না। আমরা তিন-চারদিন সময় দিচ্ছি। ১২ তারিখ থেকে কঠোর অপারেশন শুরু হবে। আমি চেক করব। রেল স্টেশনে রেগুলার ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে।"

জেলা প্রশাসন জানায়, সাধারণ মানুষের ভ্রমণ নির্বিঘ্ন ও কালোবাজারিমুক্ত করতে এই তদারকি নিয়মিত চলবে। গত বছরের অক্টোবরেও তৎকালীন জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলমের উদ্যোগে নিজ নামে টিকিট ছাড়া ট্রেন ভ্রমণ না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তবে কিছুদিন পর প্রশাসনের সেই নজরদারি থেমে গেলে আবারও টিকিট নিয়ে সক্রিয় হয়ে ওঠে কালোবাজারি চক্র। সিলেট রেল স্টেশনে টিকিট কালোবাজারির অভিযোগ দীর্ঘদিনের। ঢাকা-সিলেট সড়কের নাজুক অবস্থার কারণে ট্রেনের টিকিটের চাহিদা বেড়েছে। ফলে বেড়েছে কালোবাজারিও। অনলাইনে টিকিট ছাড়ার তিন-চার মিনিটের মধ্যেই সব টিকিট শেষ হয়ে যায়। অভিযোগ রয়েছে, এর বড় অংশই কালোবাজারিরা কিনে নেয়।

ট্রেনের টিকিট নিয়ে নানা অভিযোগ ও যাত্রীদের ভোগান্তির মধ্যে সম্প্রতি সিলেটের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল্লাহ আল নোমান স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলা করেন।

সিলেটে ট্রেনের টিকিট সংকটের পেছনে কালোবাজারি ও মজুদদারির সুনির্দিষ্ট আলামত পেয়ে মামলা দায়েরের পর সেটি তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে পিবিআই (পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন)-কে। এই মামলা দায়েরের পর বৃহস্পতিবার রাতে রেলস্টেশনে অভিযানে যান জেলা প্রশাসক।

এর আগে, গত বুধবার (৭ অক্টোবর) ম্যাজিস্ট্রেটের মামলার নথিপত্র পিবিআইয়ের কাছে পৌঁছেছে। উপপরিদর্শক আবদুল আহাদ জানিয়েছেন, আদালত স্বপ্রণোদিত হয়ে দায়ের করা মামলাটি তিনি তদন্ত করছেন।

জানা গেছে, সিলেট থেকে ঢাকায় উপবন, কালনী, জয়ন্তিকা, পারাবত এবং চট্টগ্রামগামী পাহাড়িকা ও উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেন চলাচল করে। এসব রুটের টিকিট অনলাইন প্ল্যাটফর্মে উন্মুক্ত হওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যে সব বিক্রি হয়ে যায়। আদালতের নজরে আসে এই বিষয়টি।

পরবর্তীতে আদালত পর্যবেক্ষণ করে অনলাইনে কয়েক মিনিটের মধ্যে ট্রেনের সব টিকিট বিক্রির বিষয়টি সন্দেহজনক মনে করে। এরই প্রেক্ষিতে সেপ্টেম্বরের শেষদিকে স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলা করেন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল্লাহ আল নোমান। তিনি এজাহারে কালোবাজারি ও মজুদদারির মতো অপরাধ সংঘটিত হয়ে থাকতে পারে বলে উল্লেখ করেন।

মামলার সূত্রে জানা যায়, সিলেট থেকে ঢাকা ও চট্টগ্রামগামী বিভিন্ন আন্তনগর ট্রেনের টিকিট নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যাত্রীদের অসন্তোষ প্রকাশ পেয়ে আসছে। অভিযোগ রয়েছে, অনলাইনে টিকিট বিক্রির জন্য নির্দিষ্ট সময় টিকিট উন্মুক্ত হওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই সব টিকিট বিক্রি হয়ে যায়। ফলে সাধারণ যাত্রীরা টিকিট না পেলেও পরে অধিক মূল্যে বিভিন্ন মাধ্যমে টিকিট বিক্রির অভিযোগ ওঠে।

বিষয়টি নজরে আসার পর ট্রেনের টিকিট বিক্রির সরকারি ওয়েবসাইট পরিদর্শন করেন আদালত। সেখানে নির্দিষ্ট দিনের টিকিট বিক্রির জন্য উন্মুক্ত হওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই সব টিকিট বিক্রি হয়ে যাওয়ার বিষয়টি আদালতের নজরে আসে। বিপুলসংখ্যক টিকিট এত অল্প সময়ে বিক্রি হয়ে যাওয়ার ঘটনায় সন্দেহ তৈরি হয় আদালতের।

মামলার নথিতে বলা হয়েছে, একটি চক্র ট্রেনের টিকিট বাজারজাতকরণের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের কারও কারও সহযোগিতায় মুহূর্তের মধ্যে ট্রেনের টিকিট সরিয়ে নিয়ে পরে তা অধিক মূল্যে যাত্রীদের কাছে বিক্রি করে থাকতে পারে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড সাধারণ যাত্রীদের হয়রানির পাশাপাশি সিলেটের পর্যটনশিল্পের বিকাশেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে সিলেট রেলস্টেশনের ব্যবস্থাপক নুরুল ইসলাম জানান, রেলের টিকিট অনলাইনে ক্রয় করতে হয়। কেউ কেউ সরাসরি কাউন্টার থেকেও ক্রয় করেন। টিকিট বিক্রিতে আমাদের কোনো হাত নেই।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লিটন ও মিরাজের ব্যাটে বাংলাদেশ ছুটছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৩২ পি.এম


লিটন ও মিরাজের ব্যাটে বাংলাদেশ ছুটছে

বাংলাদেশ দল আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে সিরিজের একমাত্র টেস্টের শুরুতে অসাধারণ পারফরম্যান্স প্রদর্শন করেছে। প্রথম দিনের তৃতীয় সেশনে লিটন কুমার দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজের ব্যাটিংয়ে টাইগাররা এগিয়ে যাচ্ছে।

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশ ৬৮ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৮২ রান সংগ্রহ করেছে। লিটন ৩৭ এবং মিরাজ ২২ রানে ব্যাট করছেন।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে টস জিতে বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন। এটি বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে নিরপেক্ষ ভেন্যুতে প্রথম ম্যাচ।

শান্ত’র নেতৃত্বে দলের একাদশে স্পিনার নাঈম হাসান, অভিজ্ঞ তাইজুল ইসলাম, মেহেদী হাসান মিরাজ এবং দুই পেসার হাসান মাহমুদ ও এবাদত হোসেন অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।

শুরুর দিকে তানজিদের আত্মবিশ্বাসী ব্যাটিং আফগানিস্তানের বোলিং লাইনআপকে চাপে রেখেছিল। সাদমানের কিছু অনিয়ন্ত্রিত শট ছাড়া আফগান বোলারদের জন্য স্বস্তির কিছু ছিল না। তানজিদ আউট হলেও বাংলাদেশের জন্য একটি স্বস্তির সেশন উপহার দিয়েছেন।

দ্বিতীয় সেশনেও বাংলাদেশের ব্যাটাররা দুর্দান্ত ব্যাটিং করতে থাকেন। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে সাদমান ও মুমিনুল মিলে ৬০ রান সংগ্রহ করেন। ব্যক্তিগত ফিফটি পূরণের পর ৬৭ রানে আউট হন সাদমান। মুমিনুল হক ও দলনেতা নাজমুল হোসেন শান্ত ব্যাট হাতে ইতিবাচক ক্রিকেট খেলছিলেন, তবে দুজনের কেউই ফিফটি পূরণ করতে পারেননি।

মুমিনুল আহমেদজাইয়ের বলে আউট হওয়ার আগে ৩৯ রান করেন। শান্ত কায়েস আহমেদের করা বলে রহমানুল্লাহর হাতে ক্যাচ তুলে দেন, আউট হওয়ার আগে তার সংগ্রহ ২৯ রান।

এরপর দ্রুত সাজঘরে ফেরেন মুশফিকুর রহিমও। ৭ বল খেলার পরও রানের খাতা খুলতে পারেননি এই অভিজ্ঞ ব্যাটার। তবে লিটন মিরাজকে সঙ্গে নিয়ে দলের হাল ধরেন। দুজনের ব্যাটে ভর করে বাংলাদেশ ৩০০ রানের পথে এগিয়ে যাচ্ছে।

‎

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে দেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাক উদ্বোধন, সুস্থ ও পরিবেশবান্ধব যাতায়াতের সুযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৩ পি.এম


চট্টগ্রামে দেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাক উদ্বোধন, সুস্থ ও পরিবেশবান্ধব যাতায়াতের সুযোগ

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) নাগরিকদের সুস্বাস্থ্য, পরিবেশবান্ধব যাতায়াত এবং উন্নত জীবনযাপনের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে চট্টগ্রাম নগরীতে সাইকেল ট্র্যাক চালু করেছে। দেশের প্রথম এই সাইকেল ট্র্যাক আজ উদ্বোধন করা হয়েছে।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ট্র্যাকটির উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, "সাইকেল শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়; অনেক মানুষ প্রতিদিন অফিসে যাতায়াত ও দৈনন্দিন কাজের জন্য এটি ব্যবহার করেন। তাদের নিরাপদ চলাচলের জন্য আলাদা পথ থাকা প্রয়োজন।"

তিনি আরও বলেন, "নাগরিকদের দৈনন্দিন জীবনের চাহিদা পূরণ করা কোনও বিলাসিতা নয়। একটি সভ্য ও উন্নত দেশে সাধারণ মানুষের এসব সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা জরুরি। অন্তর্ভুক্তিমূলক দেশ গড়ার লক্ষ্যেই এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।"

অর্থমন্ত্রী উল্লেখ করেন, সাইকেল চালানো শারীরিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। তবে সড়কে নিরাপদ জায়গা না থাকলে মানুষ সাইকেল চালাতে উৎসাহিত হবেন না। তিনি জানান, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র এ উদ্যোগ নিয়েছেন এবং এ বিষয়ে তার সঙ্গে একাধিকবার আলোচনা হয়েছে।

চট্টগ্রাম নগরের বিভিন্ন এলাকায় পর্যায়ক্রমে আরও সাইকেল ট্র্যাক নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি নগরবাসীর হাঁটাচলার সুবিধা বাড়াতে উপযুক্ত স্থানে হাঁটার পথ নির্মাণের ওপর গুরুত্ব দেন। বিশেষ করে খালের দুই পাশে হাঁটার রাস্তা তৈরির জন্য মেয়রকে অনুরোধ করেছেন বলে জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, দেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাক নির্মাণ করতে পেরে তারা গর্বিত। বিমানবন্দর সড়কে নগরবাসী ও পর্যটকদের সুবিধার জন্য এ ব্যবস্থা করা হয়েছে।

মেয়র জানান, ট্র্যাকটি প্রায় তিন কিলোমিটার দীর্ঘ। এর দুই পাশে সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য বিভিন্ন ধরনের ফুলের গাছ লাগানো হয়েছে। পাশাপাশি সাইকেল চালানোর পথের সঙ্গে হাঁটার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, নগরবাসী ও পর্যটকদের জন্য নিরাপদ, পরিবেশবান্ধব ও আধুনিক যাতায়াতব্যবস্থা গড়ে তোলাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য। চট্টগ্রামকে আরও বাসযোগ্য নগর হিসেবে গড়ে তুলতে এ ধরনের অবকাঠামো উন্নয়ন অব্যাহত থাকবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম, সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আমিনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রকল্পের তথ্য অনুযায়ী, ট্র্যাকটির দৈর্ঘ্য প্রায় ২ দশমিক ২ কিলোমিটার। এর সঙ্গে রয়েছে ফুটপাত, সড়কের মাঝখানে বিভাজক এবং সৌন্দর্যবর্ধনের ব্যবস্থা। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ট্র্যাকটি নির্মাণ করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্ববাজারে সোনার দাম বাড়লো বড় লাফে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৩ পি.এম


বিশ্ববাজারে সোনার দাম বাড়লো বড় লাফে

মধ্যপ্রাচ্যে জ্বালানি সরবরাহে ব্যাঘাতের আশঙ্কা কমে আসার ফলে শুক্রবার আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম হ্রাস পেয়েছে। এর ফলে মার্কিন ডলারের মূল্য দুর্বল হয়ে পড়ায় সোনার দাম ১ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টা ৪২ মিনিটে স্পট গোল্ডের দাম ১ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১৮৯ দশমিক ৯৯ ডলারে পৌঁছেছে। এই পরিস্থিতিতে সপ্তাহজুড়ে মূল্যবান এই ধাতুর দাম বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এছাড়া, স্পট সিলভারের দাম ১ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৬০ দশমিক ৩৬ ডলারে পৌঁছেছে। প্লাটিনামের দাম ৩ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ১ হাজার ৬৯০ দশমিক ৪৯ ডলারে এবং প্যালাডিয়ামের দাম ৩ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ১ হাজার ১৬২ দশমিক ১৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

অন্যদিকে, ডিসেম্বরে সরবরাহের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সোনার ফিউচার মূল্যও ১ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ২১৫ দশমিক ৩০ ডলারে লেনদেন হচ্ছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, আগামী মাসে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানে হামলা চালানোর পরিকল্পনা নেই। একই সময়ে যুদ্ধ বন্ধে আলোচনা চলছে। এই যুদ্ধ বিশ্বব্যাপী জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে।

জেফরিজের মালিকানাধীন ট্রেডু ডটকমের জ্যেষ্ঠ বাজার বিশ্লেষক নিকোস জাবুরাস মন্তব্য করেছেন, "তেলের দাম কমে আসায় চলতি মাসে ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার পক্ষে যুক্তি জোরালো হচ্ছে।" এতে মার্কিন ডলারের ওপর চাপ সৃষ্টি হয়েছে এবং বন্ডের মুনাফার হারও সর্বোচ্চ অবস্থান থেকে কিছুটা নেমে এসেছে। এই পরিস্থিতি সোনার দাম পুনরুদ্ধারের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করেছে।

মার্কিন ডলারের দুর্বলতা অন্য মুদ্রার ব্যবহারকারীদের জন্য ডলারে মূল্য নির্ধারিত সোনাকে তুলনামূলকভাবে সস্তা করে তোলে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার চাহিদা বৃদ্ধি পেতে পারে।

তবে জাবুরাস সতর্ক করে দিয়েছেন যে, সোনার বাজারে এখনো বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ বিদ্যমান। সামষ্টিক অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং মূল্যস্ফীতির চাপ অব্যাহত রয়েছে। বাজারে ফেডের সুদের হার বাড়ানোর আশঙ্কা রয়েছে এবং বন্ডের মুনাফার হারও তুলনামূলকভাবে বেশি। এসব কারণে সোনার দাম আবারও কমে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

সাধারণত মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে সুরক্ষাকবচ হিসেবে সোনাকে বিবেচনা করা হয়। তবে সুদের হার বৃদ্ধি পেলে সোনা ধরে রাখার আকর্ষণ কমে যায়। কারণ, সোনা থেকে সুদ বা নিয়মিত আয় পাওয়া যায় না। বিপরীতে সুদযুক্ত সম্পদে বিনিয়োগের সুযোগ বৃদ্ধি পায়।

সূত্র: রয়টার্স

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%