প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
মধ্যপ্রাচ্যে জ্বালানি সরবরাহে ব্যাঘাতের আশঙ্কা কমে আসার ফলে শুক্রবার আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম হ্রাস পেয়েছে। এর ফলে মার্কিন ডলারের মূল্য দুর্বল হয়ে পড়ায় সোনার দাম ১ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টা ৪২ মিনিটে স্পট গোল্ডের দাম ১ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১৮৯ দশমিক ৯৯ ডলারে পৌঁছেছে। এই পরিস্থিতিতে সপ্তাহজুড়ে মূল্যবান এই ধাতুর দাম বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এছাড়া, স্পট সিলভারের দাম ১ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৬০ দশমিক ৩৬ ডলারে পৌঁছেছে। প্লাটিনামের দাম ৩ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ১ হাজার ৬৯০ দশমিক ৪৯ ডলারে এবং প্যালাডিয়ামের দাম ৩ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ১ হাজার ১৬২ দশমিক ১৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
অন্যদিকে, ডিসেম্বরে সরবরাহের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সোনার ফিউচার মূল্যও ১ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ২১৫ দশমিক ৩০ ডলারে লেনদেন হচ্ছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, আগামী মাসে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানে হামলা চালানোর পরিকল্পনা নেই। একই সময়ে যুদ্ধ বন্ধে আলোচনা চলছে। এই যুদ্ধ বিশ্বব্যাপী জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে।
জেফরিজের মালিকানাধীন ট্রেডু ডটকমের জ্যেষ্ঠ বাজার বিশ্লেষক নিকোস জাবুরাস মন্তব্য করেছেন, "তেলের দাম কমে আসায় চলতি মাসে ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার পক্ষে যুক্তি জোরালো হচ্ছে।" এতে মার্কিন ডলারের ওপর চাপ সৃষ্টি হয়েছে এবং বন্ডের মুনাফার হারও সর্বোচ্চ অবস্থান থেকে কিছুটা নেমে এসেছে। এই পরিস্থিতি সোনার দাম পুনরুদ্ধারের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করেছে।
মার্কিন ডলারের দুর্বলতা অন্য মুদ্রার ব্যবহারকারীদের জন্য ডলারে মূল্য নির্ধারিত সোনাকে তুলনামূলকভাবে সস্তা করে তোলে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার চাহিদা বৃদ্ধি পেতে পারে।
তবে জাবুরাস সতর্ক করে দিয়েছেন যে, সোনার বাজারে এখনো বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ বিদ্যমান। সামষ্টিক অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং মূল্যস্ফীতির চাপ অব্যাহত রয়েছে। বাজারে ফেডের সুদের হার বাড়ানোর আশঙ্কা রয়েছে এবং বন্ডের মুনাফার হারও তুলনামূলকভাবে বেশি। এসব কারণে সোনার দাম আবারও কমে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
সাধারণত মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে সুরক্ষাকবচ হিসেবে সোনাকে বিবেচনা করা হয়। তবে সুদের হার বৃদ্ধি পেলে সোনা ধরে রাখার আকর্ষণ কমে যায়। কারণ, সোনা থেকে সুদ বা নিয়মিত আয় পাওয়া যায় না। বিপরীতে সুদযুক্ত সম্পদে বিনিয়োগের সুযোগ বৃদ্ধি পায়।
সূত্র: রয়টার্স
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন