ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মরক্কোতে ইতিহাসে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ফাতিমা জাহরা মানসুরি নিয়োগ


মরক্কোতে ইতিহাসে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ফাতিমা জাহরা মানসুরি নিয়োগ

মরক্কোর ইতিহাসে প্রথমবারের মতো নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ফাতিমা জাহরা মানসুরি নিয়োগ পেয়েছেন। ৫০ বছর বয়সী এই নগর পরিকল্পনামন্ত্রী এবং আইনজীবীকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে দেশটির রাজা ষষ্ঠ মোহাম্মদ কর্তৃক, যা মরক্কোর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

রাজপ্রাসাদ থেকে প্রকাশিত এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, নতুন সরকার গঠনের দায়িত্ব সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত এই প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া হয়েছে। উল্লেখযোগ্য যে, এই ঘোষণা এসেছে সদ্য সমাপ্ত সংসদীয় নির্বাচনের চার দিন পর, যেখানে ফাতিমা জাহরার মধ্যপন্থী দল ‘অথেন্টিসিটি অ্যান্ড মডার্নিটি পার্টি (প্যাম)’ সর্বাধিক ভোট পেয়ে বিজয় অর্জন করেছে। তিউনিসিয়ার নাজলা বুদেনের পর ফাতিমা জাহরা মানসুরি আরব বিশ্বের দ্বিতীয় নারী, যিনি প্রধানমন্ত্রীর পদে আসীন হলেন।

মরক্কোর নির্বাচনী ব্যবস্থার কারণে কোনো একটি রাজনৈতিক দলের পক্ষে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করা বেশ কঠিন। তাই আশা করা হচ্ছে, ফাতিমা জাহরা আগামী দিনগুলোতে একটি জোট সরকার গঠন করবেন। তার নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের কাঁধে এখন বিশাল দায়িত্ব রয়েছে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

বিশেষ করে ২০৩০ সালের ফিফা বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ তদারকির পাশাপাশি দেশের মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, মজুরি বৃদ্ধি এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির মতো নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণে কাজ করবে তার প্রশাসন।

২০১১ সালের আরব বসন্তের পর মরক্কোর সংবিধানে আনা সংস্কারের ফলে, রাজা দেশের সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী হলেও, সংসদীয় নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি আসন পাওয়া দল থেকেই প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন করতে হয়। এর আগে, রাজা কোনো বিধিনিষেধ ছাড়াই প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দিতে পারতেন।

২০০৮ সালে রাজার বাল্যবন্ধু ও ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টা ফুয়াদ আলী এল হিম্মার হাত ধরে 'প্যাম' গঠিত হলে ফাতিমা জাহরা এই দলে যোগ দেন। ফ্রান্সের মন্টপিলিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে স্নাতক সম্পন্ন করা ফাতিমা ২০২৪ সালে দলের অন্যতম প্রধান নেতা হয়ে ওঠেন। এর আগে তিনি মারাকেশের মেয়র এবং সংসদ সদস্য হিসেবে দুই মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেছেন।

তার বাবা আবদেররহমান এল মানসুরি সংযুক্ত আরব আমিরাতে মরক্কোর সাবেক রাষ্ট্রদূত এবং মারাকেশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ছিলেন, যিনি ‘মারাকেশের পাশা’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ফাতিমা জাহরা সম্প্রতি মারাকেশে জমি লেনদেনের বিষয়ে ব্যক্তিগত সুবিধার জন্য ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে অজ্ঞাত হ্যাকারদের দ্বারা সমালোচিত হয়েছিলেন। তবে তিনি এই অভিযোগগুলোকে মানহানিকর আখ্যা দিয়ে তা অস্বীকার করেছেন এবং আইনি ব্যবস্থা নিয়েছেন।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

গত সপ্তাহের নির্বাচনে মরক্কোর ১ কোটি ৫৮ লাখ নিবন্ধিত ভোটারের মধ্যে প্রায় ১০ লাখ ভোটার প্যামকে সমর্থন করেছেন, যা দলটির প্রতিষ্ঠার পর প্রথম বড় বিজয়। গত জুলাইয়ে সিউটা অভিবাসন সংকট এবং গত বছর তরুণদের নেতৃত্বে হওয়া প্রাণঘাতী বিক্ষোভের পর এটিই ছিল দেশের প্রথম নির্বাচন। এখন সবার দৃষ্টি পরবর্তী সরকার গঠনের দিকে।

প্যাম সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করলেও, মধ্যপন্থী ইসলামি দল ‘জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি’ এবং বামপন্থী ‘ফেডারেশন অব ডেমোক্রেটিক লেফট’-এর মতো কয়েকটি দল এরই মধ্যে বিরোধী দলে থাকার ঘোষণা দিয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশের ওষুধে ১০০% শুল্ক ছাড়ের ঘোষণা ট্রাম্পের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৫৪ পি.এম


বাংলাদেশের ওষুধে ১০০% শুল্ক ছাড়ের ঘোষণা ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২০টি দেশ ও অঞ্চল থেকে আমদানি করা কিছু বিশেষায়িত ওষুধে শতভাগ শুল্ক ছাড় দেওয়ার ঘোষণা করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগের ব্যুরো অব ইন্ডাস্ট্রি অ্যান্ড সিকিউরিটি (বিআইএস) সম্প্রতি একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে শূন্য শুল্কের আওতাভুক্ত দেশ ও অঞ্চলের তালিকা প্রকাশ করেছে।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) থেকে এই সুবিধা কার্যকর হতে যাচ্ছে যোগ্য পণ্যের জন্য। তবে উল্লেখ্য, বাংলাদেশের সব ওষুধ এই শুল্ক ছাড়ের আওতায় পড়বে না।

সরকারি নথি ফেডারেল রেজিস্টারে প্রকাশিত তালিকায় বাংলাদেশের পাশাপাশি আর্জেন্টিনা, কম্বোডিয়া, ইকুয়েডর, এল সালভাদর, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, গুয়াতেমালা, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, জাপান, জর্ডান, মালয়েশিয়া, উত্তর মেসিডোনিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, সুইজারল্যান্ড ও লিশটেনস্টাইন, তাইওয়ান, থাইল্যান্ড, যুক্তরাজ্য এবং ভিয়েতনাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে সুইজারল্যান্ড ও লিশটেনস্টাইনকে একসঙ্গে উল্লেখ করা হয়েছে।

ছাড়ের আওতায় রয়েছে বিরল রোগের নির্দিষ্ট ওষুধ, নিউক্লিয়ার মেডিসিন, রক্তরস থেকে তৈরি চিকিৎসাপণ্য, বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ এবং সেল ও জিন থেরাপির পণ্য। তালিকায় কিছু অ্যান্টিবডিভিত্তিক ওষুধ ও পশুচিকিৎসার পণ্যও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গত এপ্রিলের ঘোষণায় নির্দিষ্ট পেটেন্টযুক্ত ওষুধ ও সংশ্লিষ্ট উপাদান আমদানিতে নতুন শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। সেই সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে তালিকাভুক্ত বিশেষায়িত পণ্যগুলোর জন্য শূন্য শুল্কের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

বাণিজ্য বিভাগের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বর্তমানে জেনেরিক ওষুধ ও সংশ্লিষ্ট উপাদানের ওপর ওই নির্দিষ্ট শুল্ক প্রযোজ্য নয়। কোনো পণ্য নতুন ছাড় পাবে কি না, তা বিজ্ঞপ্তিতে নির্ধারিত ধরন ও শর্ত পূরণের ওপর নির্ভর করবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

একনেকে মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণের জন্য ৭৫১ কোটি টাকা অনুমোদন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৫৪ পি.এম


একনেকে মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণের জন্য ৭৫১ কোটি টাকা অনুমোদন

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণসহ ছোট ফেনী ও বামনী নদীর অববাহিকায় সমন্বিত বন্যা ও নদী ব্যবস্থাপনা এবং পানি নিষ্কাশনব্যবস্থার উন্নয়নে ৭৫১ কোটি ৭৭ লাখ টাকা ব্যয়ের একটি প্রকল্প অনুমোদন করেছে।

এই প্রকল্প অনুমোদনের সংবাদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. ফখরুল ইসলামকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এ অঞ্চলের সাধারণ মানুষ।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এসব প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমান।

তথ্য সংগ্রহ করে জানা গেছে, মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণসহ ছোট ফেনী ও বামনী নদীর অববাহিকায় বন্যা ও নদী ব্যবস্থাপনা এবং পানি নিষ্কাশনব্যবস্থার উন্নয়নে এই প্রকল্পের অনুমোদন নোয়াখালীর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের নদী ভাঙন, বন্যা, জলাবদ্ধতা ও পানি নিষ্কাশনসংক্রান্ত সমস্যা সমাধানে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে।

প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. ফখরুল ইসলামকে ধন্যবাদ জানিয়ে নোয়াখালী জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য মো. গোলাম মোমিত ফয়সাল বলেন, প্রকল্পের কাজ দ্রুত শুরু ও যথাযথভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে নোয়াখালীর উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব হবে। তিনি আরও বলেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে নদীভাঙন ও বন্যার ঝুঁকি কমানোর পাশাপাশি কৃষি, মৎস্য ও স্থানীয় যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এতে উপকূলীয় এলাকার মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নেও ভূমিকা রাখবে।

উল্লেখযোগ্য যে, ২০২৪ সালের ২৬ আগস্ট প্রবল বর্ষণ ও উজানের ঢলে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুরে অবস্থিত ২৩ ভেন্টের রেগুলেটরটি ভেঙে যায়। এর ফলে ছোট ফেনী নদী ও আশপাশের এলাকায় নদীভাঙন, বন্যা ও জলাবদ্ধতার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। পরে রেগুলেটরটি পুনর্নির্মাণ এবং নদী ব্যবস্থাপনা ও পানি নিষ্কাশনব্যবস্থার উন্নয়নে নতুন প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের বাজারে সোনার দাম কমে ২ লাখ ২৮ হাজার ৫৫৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৫৬ পি.এম


দেশের বাজারে সোনার দাম কমে ২ লাখ ২৮ হাজার ৫৫৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে

দেশের বাজারে সোনার দাম আবারও কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা কমানো হয়েছে। এর ফলে, ভ্যাটসহ ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম বর্তমানে ২ লাখ ২৮ হাজার ৫৫৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সর্বশেষ নির্ধারিত দামেই সোনা বিক্রি হচ্ছে। এর আগে, মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে, যা বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) কর্তৃক জানানো হয়।

মঙ্গলবার বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটির বৈঠকে এই দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার দাম কমানোর কারণে এই দাম কমানো হয়েছে।

এর আগে, ২৬ সেপ্টেম্বর ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৬৯১ টাকা কমানো হয়। এরপর ২৮ সেপ্টেম্বর দাম কমানো হয় ২ হাজার ১৫৮ টাকা। বর্তমানে আবার দাম কমানোর ফলে, তিন দফায় ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম কমেছে ৬ হাজার ৬৫ টাকা।

বর্তমানে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ২৮ হাজার ৫৫৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ হাজার ৯৯ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ১৮ হাজার ২৯২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৮০৮ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৪৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ১০৮ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৫৩ হাজার ১৪৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

২৮ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা থেকে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৭২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ হাজার ১০০ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ২০ হাজার ৩৯১ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

এছাড়া, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৮০৮ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৮৯ হাজার ২৪৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৮০৮ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৫৪ হাজার ২৫৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়। আজ সকাল ৯টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত এই দামেই সোনা বিক্রি হচ্ছে।

সোনার দাম কমানোর পাশাপাশি রুপার দামও কমানো হয়েছে। ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১৭৫ টাকা কমিয়ে ৪ হাজার ৩১৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১৭৫ টাকা কমিয়ে ৪ হাজার ১৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১৭৪ টাকা কমিয়ে ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ১১৬ টাকা কমিয়ে ২ হাজার ৬৮৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুধ খেতে গিয়েই হাঁপিয়ে যায় শিশু, বিপদের সংকেত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৫৬ পি.এম


দুধ খেতে গিয়েই হাঁপিয়ে যায় শিশু, বিপদের সংকেত

সদ্যোজাত শিশু সাধারণত অনেক সময় ঘুমায়, খায় এবং আবার ঘুমিয়ে পড়ে। তাই দুধ খাওয়ার সময় সামান্য বিরতি নেওয়া বা ক্লান্ত হয়ে পড়াকে অনেক অভিভাবক স্বাভাবিক বিষয় মনে করেন। কিন্তু দুধ খাওয়ার সময় বারবার হাঁপিয়ে যাওয়া, কিছুক্ষণ পরপর খাওয়া বন্ধ করে দেওয়া কিংবা কপালে ঘাম দেখা দিলে বিষয়টি অবহেলা করা উচিত নয়। এই লক্ষণগুলো শিশুর হৃদ্‌যন্ত্রের সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে।

জন্মের সময় যদি কোনো শারীরিক সমস্যা ধরা না পড়ে, তবুও পরে শিশুর হৃদ্‌যন্ত্রের সমস্যার লক্ষণ প্রকাশ পেতে পারে। বিশেষ করে জন্মের কয়েক সপ্তাহ পর থেকে কিছু লক্ষণ ধীরে ধীরে দেখা দিতে পারে। তাই শিশুর খাওয়ানো, ঘুম, ওজন বাড়া এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের দিকে অভিভাবকদের নজর রাখা জরুরি।

দুধ খাওয়ার সময় কেন হাঁপিয়ে যায় শিশু?

শিশুর হৃদ্‌যন্ত্রে জন্মগত কোনো সমস্যা থাকলে দুধ খাওয়ার সময় অতিরিক্ত পরিশ্রম করতে হতে পারে। বিশেষ করে হৃদ্‌যন্ত্রে ছিদ্র বা রক্ত চলাচলের সমস্যার কারণে হৃদ্‌যন্ত্রের ওপর চাপ বাড়তে পারে।

এমন শিশুরা অল্প সময় দুধ খাওয়ার পর ক্লান্ত হয়ে পড়ে। কিছুক্ষণ দুধ খেয়ে আবার থেমে যায়, পরে আবার খেতে শুরু করে। ক্ষুধা পুরোপুরি না মেটায় কিছুক্ষণ পর আবার কান্না করতে পারে। দুধ খাওয়ার সময় শ্বাসকষ্ট ও কপালে ঘামও দেখা দিতে পারে।

যে লক্ষণগুলো খেয়াল করবেন

শিশুর হৃদ্‌যন্ত্রে সমস্যা থাকলে বিভিন্ন ধরনের লক্ষণ দেখা দিতে পারে। যেমন—

মা যদি গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হন, তাহলে কিছু ক্ষেত্রে শিশুর হৃদ্‌যন্ত্রের সমস্যার ঝুঁকি থাকতে পারে। এমন শিশুর শরীরের হাত-পা তুলনামূলকভাবে বড় হলেও বয়স অনুযায়ী সামগ্রিক বৃদ্ধি ঠিকমতো নাও হতে পারে।

হৃদ্‌যন্ত্রে ছিদ্র থাকলে সমস্যা বাড়ে

শিশুর হৃদ্‌যন্ত্রে ছিদ্র বা রক্ত চলাচলের ত্রুটি থাকলে দুধ খাওয়ার সময় সমস্যা দেখা দিতে পারে। হৃদ্‌যন্ত্রের দুই প্রকোষ্ঠের মাঝখানে ছিদ্র, হৃদ্‌যন্ত্রের বড় রক্তনালির সংযোগজনিত সমস্যা কিংবা অন্য কোনো জন্মগত ত্রুটির কারণে ফুসফুসে অতিরিক্ত রক্ত যেতে পারে।

এতে হৃদ্‌যন্ত্রের ওপর চাপ বাড়ে এবং শিশুর হৃদ্‌যন্ত্র দুর্বল হয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে। ফলে দুধ খাওয়ার সময় অল্পতেই ক্লান্ত হয়ে পড়া, ঘুমিয়ে যাওয়া কিংবা শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

দুধ খাওয়ানোর সময় যে বিষয়টি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ

শিশু কিছুটা দুধ খাওয়ার পর ক্লান্ত হয়ে দুধ ছেড়ে দিচ্ছে, আবার কিছুক্ষণ পর ক্ষুধার কারণে দুধ খেতে চাইছে—এ ধরনের ধারাবাহিকতা দেখা গেলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন।

স্বাভাবিকভাবে শিশু একটানা দুধ খেয়ে তৃপ্ত হওয়ার কথা। কিন্তু বারবার দুধ খাওয়া, বিশ্রাম নেওয়া এবং আবার দুধ খাওয়ার এই চক্র চলতে থাকলে তা হৃদ্‌যন্ত্রের সমস্যার লক্ষণ হতে পারে। এর সঙ্গে কপালে ঘাম বা শ্বাসকষ্ট থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

জন্মের পরপরই সব সমস্যা বোঝা যায় না

শিশুর হৃদ্‌যন্ত্রের জন্মগত সমস্যা সব সময় জন্মের পরপরই ধরা পড়ে না। জন্মের সময় ফুসফুসের ধমনিতে চাপ তুলনামূলকভাবে বেশি থাকে। পরে ধীরে ধীরে এই চাপ কমতে শুরু করলে হৃদ্‌যন্ত্রের কিছু সমস্যার লক্ষণ প্রকাশ পেতে পারে।

এ কারণে জন্মের প্রায় দেড় মাস পর থেকে অনেক শিশুর ক্ষেত্রে লক্ষণ ধীরে ধীরে স্পষ্ট হতে শুরু করে। সাধারণত ছয় থেকে আট সপ্তাহের মধ্যে কিছু সমস্যার লক্ষণ দেখা দিতে পারে।

যেসব হৃদ্‌যন্ত্রের সমস্যা হতে পারে

শিশুদের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের জন্মগত হৃদ্‌যন্ত্রের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে হৃদ্‌যন্ত্রের নিচের দুটি প্রকোষ্ঠের মাঝের দেয়ালে ছিদ্র, ওপরের দুটি প্রকোষ্ঠের মাঝের দেয়ালে ছিদ্র এবং জন্মের পর বন্ধ হয়ে যাওয়ার কথা থাকা একটি রক্তনালি খোলা থেকে যাওয়া।

এছাড়া কিছু শিশুর নীলাভ হৃদ্‌যন্ত্রের রোগও থাকতে পারে। এর একটি জটিল ধরনে একই সঙ্গে চার ধরনের ত্রুটি দেখা যায়। এতে হৃদ্‌যন্ত্রের নিচের দুই প্রকোষ্ঠের মাঝের দেয়ালে ছিদ্র, ফুসফুসে রক্ত যাওয়ার পথ সরু হয়ে যাওয়া, হৃদ্‌যন্ত্রের ডান পাশের পেশি মোটা হয়ে যাওয়া এবং মহাধমনির অবস্থানে ত্রুটি থাকতে পারে।

শিশুর শরীর নীল হলে সতর্ক

হৃদ্‌যন্ত্রের কিছু সমস্যায় শিশুর জিহ্বার নিচে, ঠোঁটে কিংবা নখের কাছে নীলচে বা কালচে ভাব দেখা দিতে পারে। আবার প্রচণ্ড কান্নার সময় পুরো শরীর নীল হয়ে যেতে পারে।

কখনো কান্না বা ঘুম থেকে ওঠার পর খিঁচুনি কিংবা অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো অবস্থাও তৈরি হতে পারে। এমন লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন

শিশুর ওজন ঠিকমতো না বাড়লে, দুধ খাওয়ার সময় বারবার হাঁপিয়ে গেলে, শ্বাসকষ্ট হলে, অস্বাভাবিক ঘাম হলে কিংবা ঠোঁট ও জিহ্বা নীলচে হয়ে গেলে দেরি না করে শিশুর চিকিৎসকের কাছে নেওয়া উচিত।

প্রয়োজনে হৃদ্‌যন্ত্রের বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হতে পারে। চিকিৎসক শারীরিক পরীক্ষা করার পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী হৃদ্‌যন্ত্রের বিভিন্ন পরীক্ষা করতে পারেন।

জন্মের পর পরীক্ষা করলে আগেই ধরা পড়ে

জন্মের পর হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়ার আগে শিশুর হৃদ্‌যন্ত্র পরীক্ষা করানো উপকারী হতে পারে। কোনো লক্ষণ না থাকলেও পরীক্ষা করলে কিছু জন্মগত সমস্যা আগেই শনাক্ত করা সম্ভব।

তবে সব জায়গায় একই ধরনের পরীক্ষা করার সুযোগ নাও থাকতে পারে। এমন ক্ষেত্রে চিকিৎসক স্টেথোস্কোপ দিয়ে শিশুর হৃদ্‌যন্ত্রের শব্দ শুনেও অনেক অস্বাভাবিকতা সম্পর্কে ধারণা পেতে পারেন। পরে প্রয়োজন হলে আরও পরীক্ষা করা হয়।

শিশুর হৃদ্‌যন্ত্রের সমস্যা যত দ্রুত শনাক্ত করা যায়, তত দ্রুত প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করা সম্ভব। তাই দুধ খাওয়ার সময় অস্বাভাবিক হাঁপিয়ে যাওয়া, বারবার থেমে যাওয়া, অতিরিক্ত ঘাম, ওজন না বাড়া বা শরীর নীলচে হয়ে যাওয়ার মতো লক্ষণকে সাধারণ বিষয় ভেবে এড়িয়ে যাওয়া উচিত নয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%