বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৫৬ পি.এম
দেশের বাজারে সোনার দাম আবারও কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা কমানো হয়েছে। এর ফলে, ভ্যাটসহ ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম বর্তমানে ২ লাখ ২৮ হাজার ৫৫৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সর্বশেষ নির্ধারিত দামেই সোনা বিক্রি হচ্ছে। এর আগে, মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে, যা বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) কর্তৃক জানানো হয়।
মঙ্গলবার বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটির বৈঠকে এই দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার দাম কমানোর কারণে এই দাম কমানো হয়েছে।
এর আগে, ২৬ সেপ্টেম্বর ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৬৯১ টাকা কমানো হয়। এরপর ২৮ সেপ্টেম্বর দাম কমানো হয় ২ হাজার ১৫৮ টাকা। বর্তমানে আবার দাম কমানোর ফলে, তিন দফায় ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম কমেছে ৬ হাজার ৬৫ টাকা।
বর্তমানে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ২৮ হাজার ৫৫৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ হাজার ৯৯ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ১৮ হাজার ২৯২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এছাড়া, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৮০৮ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৪৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ১০৮ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৫৩ হাজার ১৪৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
২৮ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা থেকে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৭২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ হাজার ১০০ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ২০ হাজার ৩৯১ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
এছাড়া, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৮০৮ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৮৯ হাজার ২৪৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৮০৮ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৫৪ হাজার ২৫৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়। আজ সকাল ৯টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত এই দামেই সোনা বিক্রি হচ্ছে।
সোনার দাম কমানোর পাশাপাশি রুপার দামও কমানো হয়েছে। ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১৭৫ টাকা কমিয়ে ৪ হাজার ৩১৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১৭৫ টাকা কমিয়ে ৪ হাজার ১৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১৭৪ টাকা কমিয়ে ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ১১৬ টাকা কমিয়ে ২ হাজার ৬৮৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সদ্যোজাত শিশু সাধারণত অনেক সময় ঘুমায়, খায় এবং আবার ঘুমিয়ে পড়ে। তাই দুধ খাওয়ার সময় সামান্য বিরতি নেওয়া বা ক্লান্ত হয়ে পড়াকে অনেক অভিভাবক স্বাভাবিক বিষয় মনে করেন। কিন্তু দুধ খাওয়ার সময় বারবার হাঁপিয়ে যাওয়া, কিছুক্ষণ পরপর খাওয়া বন্ধ করে দেওয়া কিংবা কপালে ঘাম দেখা দিলে বিষয়টি অবহেলা করা উচিত নয়। এই লক্ষণগুলো শিশুর হৃদ্যন্ত্রের সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে।
জন্মের সময় যদি কোনো শারীরিক সমস্যা ধরা না পড়ে, তবুও পরে শিশুর হৃদ্যন্ত্রের সমস্যার লক্ষণ প্রকাশ পেতে পারে। বিশেষ করে জন্মের কয়েক সপ্তাহ পর থেকে কিছু লক্ষণ ধীরে ধীরে দেখা দিতে পারে। তাই শিশুর খাওয়ানো, ঘুম, ওজন বাড়া এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের দিকে অভিভাবকদের নজর রাখা জরুরি।
দুধ খাওয়ার সময় কেন হাঁপিয়ে যায় শিশু?
শিশুর হৃদ্যন্ত্রে জন্মগত কোনো সমস্যা থাকলে দুধ খাওয়ার সময় অতিরিক্ত পরিশ্রম করতে হতে পারে। বিশেষ করে হৃদ্যন্ত্রে ছিদ্র বা রক্ত চলাচলের সমস্যার কারণে হৃদ্যন্ত্রের ওপর চাপ বাড়তে পারে।
এমন শিশুরা অল্প সময় দুধ খাওয়ার পর ক্লান্ত হয়ে পড়ে। কিছুক্ষণ দুধ খেয়ে আবার থেমে যায়, পরে আবার খেতে শুরু করে। ক্ষুধা পুরোপুরি না মেটায় কিছুক্ষণ পর আবার কান্না করতে পারে। দুধ খাওয়ার সময় শ্বাসকষ্ট ও কপালে ঘামও দেখা দিতে পারে।
যে লক্ষণগুলো খেয়াল করবেন
শিশুর হৃদ্যন্ত্রে সমস্যা থাকলে বিভিন্ন ধরনের লক্ষণ দেখা দিতে পারে। যেমন—
মা যদি গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হন, তাহলে কিছু ক্ষেত্রে শিশুর হৃদ্যন্ত্রের সমস্যার ঝুঁকি থাকতে পারে। এমন শিশুর শরীরের হাত-পা তুলনামূলকভাবে বড় হলেও বয়স অনুযায়ী সামগ্রিক বৃদ্ধি ঠিকমতো নাও হতে পারে।
হৃদ্যন্ত্রে ছিদ্র থাকলে সমস্যা বাড়ে
শিশুর হৃদ্যন্ত্রে ছিদ্র বা রক্ত চলাচলের ত্রুটি থাকলে দুধ খাওয়ার সময় সমস্যা দেখা দিতে পারে। হৃদ্যন্ত্রের দুই প্রকোষ্ঠের মাঝখানে ছিদ্র, হৃদ্যন্ত্রের বড় রক্তনালির সংযোগজনিত সমস্যা কিংবা অন্য কোনো জন্মগত ত্রুটির কারণে ফুসফুসে অতিরিক্ত রক্ত যেতে পারে।
এতে হৃদ্যন্ত্রের ওপর চাপ বাড়ে এবং শিশুর হৃদ্যন্ত্র দুর্বল হয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে। ফলে দুধ খাওয়ার সময় অল্পতেই ক্লান্ত হয়ে পড়া, ঘুমিয়ে যাওয়া কিংবা শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
দুধ খাওয়ানোর সময় যে বিষয়টি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ
শিশু কিছুটা দুধ খাওয়ার পর ক্লান্ত হয়ে দুধ ছেড়ে দিচ্ছে, আবার কিছুক্ষণ পর ক্ষুধার কারণে দুধ খেতে চাইছে—এ ধরনের ধারাবাহিকতা দেখা গেলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন।
স্বাভাবিকভাবে শিশু একটানা দুধ খেয়ে তৃপ্ত হওয়ার কথা। কিন্তু বারবার দুধ খাওয়া, বিশ্রাম নেওয়া এবং আবার দুধ খাওয়ার এই চক্র চলতে থাকলে তা হৃদ্যন্ত্রের সমস্যার লক্ষণ হতে পারে। এর সঙ্গে কপালে ঘাম বা শ্বাসকষ্ট থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
জন্মের পরপরই সব সমস্যা বোঝা যায় না
শিশুর হৃদ্যন্ত্রের জন্মগত সমস্যা সব সময় জন্মের পরপরই ধরা পড়ে না। জন্মের সময় ফুসফুসের ধমনিতে চাপ তুলনামূলকভাবে বেশি থাকে। পরে ধীরে ধীরে এই চাপ কমতে শুরু করলে হৃদ্যন্ত্রের কিছু সমস্যার লক্ষণ প্রকাশ পেতে পারে।
এ কারণে জন্মের প্রায় দেড় মাস পর থেকে অনেক শিশুর ক্ষেত্রে লক্ষণ ধীরে ধীরে স্পষ্ট হতে শুরু করে। সাধারণত ছয় থেকে আট সপ্তাহের মধ্যে কিছু সমস্যার লক্ষণ দেখা দিতে পারে।
যেসব হৃদ্যন্ত্রের সমস্যা হতে পারে
শিশুদের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের জন্মগত হৃদ্যন্ত্রের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে হৃদ্যন্ত্রের নিচের দুটি প্রকোষ্ঠের মাঝের দেয়ালে ছিদ্র, ওপরের দুটি প্রকোষ্ঠের মাঝের দেয়ালে ছিদ্র এবং জন্মের পর বন্ধ হয়ে যাওয়ার কথা থাকা একটি রক্তনালি খোলা থেকে যাওয়া।
এছাড়া কিছু শিশুর নীলাভ হৃদ্যন্ত্রের রোগও থাকতে পারে। এর একটি জটিল ধরনে একই সঙ্গে চার ধরনের ত্রুটি দেখা যায়। এতে হৃদ্যন্ত্রের নিচের দুই প্রকোষ্ঠের মাঝের দেয়ালে ছিদ্র, ফুসফুসে রক্ত যাওয়ার পথ সরু হয়ে যাওয়া, হৃদ্যন্ত্রের ডান পাশের পেশি মোটা হয়ে যাওয়া এবং মহাধমনির অবস্থানে ত্রুটি থাকতে পারে।
শিশুর শরীর নীল হলে সতর্ক
হৃদ্যন্ত্রের কিছু সমস্যায় শিশুর জিহ্বার নিচে, ঠোঁটে কিংবা নখের কাছে নীলচে বা কালচে ভাব দেখা দিতে পারে। আবার প্রচণ্ড কান্নার সময় পুরো শরীর নীল হয়ে যেতে পারে।
কখনো কান্না বা ঘুম থেকে ওঠার পর খিঁচুনি কিংবা অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো অবস্থাও তৈরি হতে পারে। এমন লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।
কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন
শিশুর ওজন ঠিকমতো না বাড়লে, দুধ খাওয়ার সময় বারবার হাঁপিয়ে গেলে, শ্বাসকষ্ট হলে, অস্বাভাবিক ঘাম হলে কিংবা ঠোঁট ও জিহ্বা নীলচে হয়ে গেলে দেরি না করে শিশুর চিকিৎসকের কাছে নেওয়া উচিত।
প্রয়োজনে হৃদ্যন্ত্রের বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হতে পারে। চিকিৎসক শারীরিক পরীক্ষা করার পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী হৃদ্যন্ত্রের বিভিন্ন পরীক্ষা করতে পারেন।
জন্মের পর পরীক্ষা করলে আগেই ধরা পড়ে
জন্মের পর হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়ার আগে শিশুর হৃদ্যন্ত্র পরীক্ষা করানো উপকারী হতে পারে। কোনো লক্ষণ না থাকলেও পরীক্ষা করলে কিছু জন্মগত সমস্যা আগেই শনাক্ত করা সম্ভব।
তবে সব জায়গায় একই ধরনের পরীক্ষা করার সুযোগ নাও থাকতে পারে। এমন ক্ষেত্রে চিকিৎসক স্টেথোস্কোপ দিয়ে শিশুর হৃদ্যন্ত্রের শব্দ শুনেও অনেক অস্বাভাবিকতা সম্পর্কে ধারণা পেতে পারেন। পরে প্রয়োজন হলে আরও পরীক্ষা করা হয়।
শিশুর হৃদ্যন্ত্রের সমস্যা যত দ্রুত শনাক্ত করা যায়, তত দ্রুত প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করা সম্ভব। তাই দুধ খাওয়ার সময় অস্বাভাবিক হাঁপিয়ে যাওয়া, বারবার থেমে যাওয়া, অতিরিক্ত ঘাম, ওজন না বাড়া বা শরীর নীলচে হয়ে যাওয়ার মতো লক্ষণকে সাধারণ বিষয় ভেবে এড়িয়ে যাওয়া উচিত নয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে নতুন ডিজাইনের ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং পরিচয়পত্র বিতরণ শুরু হয়েছে।
ফ্লোরিডা সড়ক নিরাপত্তা ও মোটরযান বিভাগ বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) থেকে এই নতুন ডিজাইনের পরিচয়পত্রগুলো প্রদান করতে শুরু করবে।
নতুন কার্ডে ফ্লোরিডার ইতিহাস, প্রকৃতি এবং মহাকাশ গবেষণার বিভিন্ন প্রতীক অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কার্ডের সামনের দিকে সেন্ট অগাস্টিনের ঐতিহাসিক দুর্গ ‘কাস্তিয়ো দে সান মার্কোস’-এর চিত্র রয়েছে। এটি যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডের প্রাচীনতম পাথরের দুর্গ হিসেবে পরিচিত।
ফ্লোরিডার পরিচিত কমলাকে ‘ফ্লোরিডা’ শব্দের ‘ও’ অক্ষরের ডিজাইনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কার্ডের নিচের বাম কোণে অঙ্গরাজ্যটির একটি পরিচিত স্থানীয় প্রাণী মানাটির ছবি রয়েছে। উপরের ডান কোণে পরিচয়পত্রের নিরাপত্তা চিহ্নের মধ্যে ফ্লোরিডার প্রতীকী প্রাণী অ্যালিগেটরের ছবি স্থান পেয়েছে।
কার্ডের পেছনের দিকে ফ্লোরিডার মহাকাশ উপকূলের ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে মহাকাশযান ডিসকভারির ছবি রয়েছে, যা ৩৯টি অভিযানে অংশ নিয়ে মহাকাশে মোট ৩৬৫ দিন কাটিয়েছে। এটি ২০১১ সালের ৯ মার্চ ফ্লোরিডায় শেষবারের মতো অবতরণ করে।
নতুন পরিচয়পত্রে ফ্লোরিডার প্রথম অনানুষ্ঠানিক অঙ্গরাজ্য পতাকা থেকে নেওয়া ‘লেট আস অ্যালোন’ অর্থাৎ ‘আমাদের একা থাকতে দিন’—এই মূলমন্ত্রও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ফ্লোরিডার তৎকালীন গভর্নর উইলিয়াম ডি. মোসলির অভিষেকের সময় ওই পতাকা উপহার দেওয়া হয়েছিল।
ফ্লোরিডার গভর্নর রন ডেস্যান্টিস রাজধানীতে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স ও পরিচয়পত্র চালুর বিষয়টি ঘোষণা করেন।
নতুন ডিজাইনের পাশাপাশি পরিচয়পত্রের নিরাপত্তা বাড়াতে অঙ্গরাজ্যের সিলের একটি বিশেষ ছবি যুক্ত করা হয়েছে। বাণিজ্যিক ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং বাণিজ্যিক শিক্ষানবিশ অনুমতিপত্রে ‘অস্থায়ী অনাবাসী’ চিহ্নও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
ফ্লোরিডা সড়ক নিরাপত্তা ও মোটরযান বিভাগের নির্বাহী পরিচালক ডেভ কার্নার বলেন, নতুন ডিজাইনের মাধ্যমে পরিচয় যাচাইয়ের নিরাপত্তা আরও উন্নত করা হয়েছে। জালিয়াতির নতুন প্রবণতা মোকাবিলা এবং বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে পরিচয় যাচাই আরও শক্তিশালী করার জন্য এই পরিবর্তন আনা হয়েছে।
তবে নতুন কার্ড পেতে পুরোনো বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স বা পরিচয়পত্র এখনই পরিবর্তন করতে হবে না। বর্তমানে বৈধ পরিচয়পত্রের মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত ব্যবহার করা যাবে। পরে ধীরে ধীরে পুরোনো কার্ডের পরিবর্তে নতুন ডিজাইনের কার্ড দেওয়া হবে।
অনলাইনে নবায়নের ক্ষেত্রে নতুন ডিজাইনের কার্ড পাওয়ার সুবিধা ২০২৬ সালের নভেম্বরের শেষ নাগাদ চালু হবে।
সূত্র: নাওকাস্ট ওয়েস্ট ২ নিউজ
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, এমন তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এই কারণে, সংশ্লিষ্ট এলাকার নৌবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত প্রদর্শন করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত এই পরিস্থিতি বজায় থাকবে। পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে, বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলে দক্ষিণ-পূর্ব/পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি কিংবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।
এই কারণে, এসব অঞ্চলের নৌবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত প্রদর্শন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) কর্তৃক ভর্তুকি বা সাশ্রয়ী মূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কারা পাবেন, তা সুনির্দিষ্টভাবে নতুন নিয়মের মাধ্যমে নির্ধারণ করেছে সরকার।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ‘সমগ্র বাংলাদেশে টিসিবির উপকারভোগী নির্বাচন এবং ভর্তুকি/সাশ্রয়ীমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রয় কার্যক্রম বাস্তবায়ন নির্দেশিকা-২০২৬’ জারি করেছে।
পূর্বে শুধুমাত্র ‘নিম্ন আয়ের মানুষ’ বলা হলেও, নতুন এই নির্দেশিকায় সুবিধাভোগীদের তালিকা ও যোগ্যতা সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
কারা পাবেন টিসিবির কার্ড
নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, টিসিবির কার্ডধারী হওয়ার জন্য যোগ্যতা অর্জন করবেন—হতদরিদ্র পরিবার, নিম্ন আয়ের ব্যক্তি, ভূমিহীন, কৃষিশ্রমিক, দিনমজুর, চা-শ্রমিক, চাতালশ্রমিক, কারখানার শ্রমিক এবং উপার্জনে অক্ষম ব্যক্তিরা।
অগ্রাধিকার: বিধবা, তালাকপ্রাপ্ত, স্বামী পরিত্যক্তা ও অসচ্ছল বয়স্ক নারীপ্রধান পরিবার এবং যেসব দুস্থ পরিবারে শিশু বা প্রতিবন্ধী সদস্য রয়েছে, তাদের বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
শর্তাবলি: একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তি উপকারভোগী হতে পারবেন না। আবেদনকারীকে সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশন, পৌরসভা বা ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে। এছাড়াও, কার্ডের জন্য উপকারভোগীর জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), প্রযোজ্য ক্ষেত্রে স্বামী বা স্ত্রীর এনআইডি এবং নিবন্ধিত সচল মোবাইল নম্বর আবশ্যক।
কতটুকু ও কী কী পণ্য মিলবে
টিসিবির ফ্যামিলি কার্ডধারী প্রতিটি পরিবার নিয়মিতভাবে ২ লিটার ভোজ্যতেল (প্রতি লিটার ১০০ টাকা), মসুর ডাল ২ কেজি (প্রতি কেজি ৬০ টাকা), চিনি ১ কেজি (প্রতি কেজি ৭০ টাকা) এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ সাপেক্ষে ৫ কেজি চাল পাবে।
পবিত্র রমজান ও ঈদুল আজহা উপলক্ষে সাধারণ মানুষের জন্য ভ্রাম্যমাণ ট্রাকসেলের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করার সুযোগ থাকবে টিসিবির। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ২ লাখ টন ভোজ্যতেল, ২ লাখ ২০ হাজার টন মসুর ডাল ও ১ লাখ ১০ হাজার টন চিনি বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
ডিলারের দোকানে সিসিটিভি ও মাঠে কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করার জন্য প্রতিটি স্তরে মনিটরিং কমিটি ও নতুন শর্ত যুক্ত করা হয়েছে—
১. নিরাপত্তা ও জালিয়াতি রোধে ডিলারকে তার নিজস্ব দোকানে বাধ্যতামূলক সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে এবং সামনে স্পষ্ট মূল্যতালিকা টাঙাতে হবে।
২. জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসককে সভাপতি এবং স্থানীয় সংসদ সদস্যদের উপদেষ্টা করে কমিটি গঠন করা হবে, যেখানে পুলিশ সুপার, ইউএনও, মেয়র, খাদ্য ও সমাজসেবা কর্মকর্তারা অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায় এবং বিক্রয়কেন্দ্র মনিটরিংয়ে থাকবে ‘ট্যাগ টিম’।
৩. সব উপকারভোগীর তথ্য ‘টিসিবি সেবা অ্যাপ’-এর মাধ্যমে সেন্ট্রাল ডেটাবেইসে সংরক্ষণ করা হবে।
উল্লেখযোগ্য যে, সম্প্রতি অনিয়মের অভিযোগে ভুয়া প্রক্রিয়ায় সংগৃহীত প্রায় ৫৯ লাখ কার্ড বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। এসব কার্ড নতুন ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রকৃত সুবিধাভোগীদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। বিগত অর্থবছরে টিসিবিকে ২,৭০০ কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হলেও, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে তা কমে ২,৪০০ কোটি টাকা হতে পারে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ