বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৮:০৯ পি.এম
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানকে দেখতে হাসপাতালে গিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকেলে, তিনি রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হওয়া মঈন খানের শারীরিক অবস্থার খোঁজ খবর নেন।
এ সময় চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ড. মঈন খানের অবস্থা কিছুটা সংকটাপন্ন। বর্তমানে তার মাল্টি ডিসিপ্লিনারি ট্রিটমেন্ট চলছে। তিনি দলের নেতাকর্মীসহ দেশের জনগণের কাছে দোয়া চেয়েছেন।
হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলামসহ অন্যান্যরা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
প্রতিবারের মতো এবারও দুর্গাপূজার আনন্দে মেতে উঠেছিলেন টালিউডের অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। তিনি কেনাকাটা, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা এবং পূজামণ্ডপে উৎসবের মুহূর্তগুলো ভাগাভাগি করেছেন অনুরাগীদের সঙ্গে। কিন্তু এসব আনন্দের মাঝেই তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নতুন কৌতূহল তৈরি হয়েছে। টালিপাড়ায় কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে, ডিসেম্বর মাসে বিয়ের সানাই বাজতে পারে মিমির জীবনে। যদি গুঞ্জনটি সত্যি হয়, তাহলে এটি হতে পারে অভিনেত্রীর অবিবাহিত জীবনের শেষ দুর্গাপূজা।
টালিউডে মিমির বিয়ের সানাইয়ের সুর বাজতে শুরু করলেও, বিয়ের আলোচনা একপাশে রেখে পূজার দিনগুলো তিনি নিজের মতো করে উপভোগ করেছেন। নবমীর রাতে গাঢ় গোলাপি বেনারসি ও নীল ব্লাউজে সাবেকি সাজে ধুনুচি নাচে মেতে উঠেছিলেন তিনি। ঢাকের তালে সোহম মজুমদার ও অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়সহ বন্ধুদের সঙ্গে নাচতে দেখা গেছে তাকে।
হাসি, আড্ডা এবং উৎসবের মুহূর্তগুলো তার পূজার আনন্দকে জমিয়ে তুলেছিল। পূজার আনন্দকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে নায়িকা অভিনীত নতুন সিনেমা ‘এম্পারর ভার্সেস শরৎচন্দ্র’-এর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি।
তবে আনন্দের মুহূর্তগুলো যতই রঙিন হোক না কেন, ভক্তদের মনে যে প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে তা হলো, সত্যিই কি ডিসেম্বরে বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন মিমি চক্রবর্তী?
এ তথ্য সত্যি নাকি এটি শুধুমাত্র টালিপাড়ার জল্পনা, তা নিয়ে এখনও নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তাই অভিনেত্রীর জীবনে নতুন অধ্যায়ের খবর জানতে মিমির আনুষ্ঠানিক ঘোষণার জন্য অপেক্ষা করছেন ভক্তরা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের পূর্ব মাকাহাটি গ্রামে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে, যেখানে গুলি ও ককটেল হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় প্রাণ বাঁচাতে গিয়ে সাইফুল হাওলাদার (২১) নামের এক যুবকের ডান হাতের তিনটি আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এছাড়া, আবু সাঈদ সৈয়াল (৬৫) নামের এক বৃদ্ধ গুলিতে আহত হন। হৃদয় (২২) নামের আরেক যুবক মারধরের শিকার হন। বৃহস্পতিবার ভোর ৪টার দিকে এই ঘটনাটি ঘটে।
আহতদের মধ্যে সাইফুল ও আবু সাঈদকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মুহুর্মুহু ককটেল বিস্ফোরণ ও গুলির শব্দে পুরো গ্রামে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সদর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মিল্টন মল্লিক, মুন্না ও আল-আমিন নামের তিনজনকে আটক করেছে।
স্থানীয়দের মতে, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় প্রভাবশালী রহিম আলী মোল্লা ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. আওলাদ হোসেন মোল্লার কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। অভিযোগ রয়েছে, বুধবার রাতে রহিম আলী মোল্লার সমর্থক মিল্টন মল্লিকের নেতৃত্বে আওলাদ মোল্লার কর্মী-সমর্থকদের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে এলোপাতাড়ি গুলি ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।
এ সময় পালাতে গিয়ে সাইফুল হাওলাদারের ডান হাতে ককটেল লাগে, ফলে তার ডান হাতের তিনটি আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। গুলিবিদ্ধ হয়ে আবু সাঈদ সৈয়াল এবং মারধরের শিকার হয়ে হৃদয় আহত হন। স্থানীয়দের অভিযোগ, হামলাকারীরা একটি মসজিদেও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। রহিম আলী মোল্লার সমর্থক মিল্টন মল্লিক ভাড়াটে লোকজন নিয়ে এ হামলার নেতৃত্ব দেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
আহত সাইফুল হাওলাদারের মা পেয়ার বেগম জানান, ভোর ৪টার দিকে রহিম মোল্লার সমর্থক মিল্টন মল্লিক তার দলবল নিয়ে ছোট ছেলের বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়েন। এ সময় মুহুর্মুহু ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। ভয়ে তার ছেলে পালানোর চেষ্টা করলে তাকে লক্ষ্য করে ককটেল ছোড়া হয়। প্রাণ বাঁচাতে গিয়ে ওই ককটেলের আঘাতে তার ছেলের ডান হাতের তিনটি আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তসলিম উদ্দিন জানান, এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ইতিমধ্যে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আকিজ গ্রুপ জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আগ্রহী ব্যক্তিরা আগামী ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
পদের নাম: অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার
বিভাগ: আইটি সাপোর্ট
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা: কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিএসসি
অন্যান্য যোগ্যতা হিসেবে হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত সমস্যাগুলি, সিসিটিভি, বায়োমেট্রিক ডিভাইস এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার ত্রুটি নির্ণয় ও সমাধানে দক্ষতা থাকতে হবে।
অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ১ থেকে ২ বছর
চাকরির ধরন: ফুলটাইম
কর্মক্ষেত্র: অফিসে
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়)
বয়সসীমা: ২০ থেকে ২৫ বছর
কর্মস্থল: ঢাকা
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে
অন্যান্য সুবিধার মধ্যে প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুইটি, দুপুরের খাবার সুবিধা, বছরে ২টি উৎসব বোনাস, প্রিভিলেজ লিভ (ছুটির সুবিধা) এবং হাসপাতালে ভর্তিকালীন সহায়তা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
আবেদন যেভাবে: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম মন্তব্য করেছেন যে, বট ও গুপ্ত শুধু জামায়াত-শিবির বা আওয়ামী লীগে নয়, বিএনপিতেও বিদ্যমান।
তিনি বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে বগুড়ার মমইন কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত ‘বগুড়ার উন্নয়ন সম্ভাবনা, সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই মন্তব্য করেন।
প্রতিমন্ত্রী এ সময় বলেন, প্রধানমন্ত্রী গোপালগঞ্জ ও বগুড়াকে আলাদাভাবে দেখছেন না। সরকার দেশের সব অঞ্চলকে সমান উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে বিশ্বাসী। তাই বগুড়ার উন্নয়নে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হওয়ায় দেশের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, এবারের দুর্গোৎসবে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। প্রধানমন্ত্রী ঢাকার বাইরে তিনটি অঞ্চলে দুর্গাপূজা পরিদর্শনে গেছেন, যা একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ। বিগত নির্বাচনে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ বিএনপির প্রতি আস্থা রেখে ভোট দিয়েছেন। সেই আস্থার প্রতিফলন হিসেবে সারা দেশে ১ হাজার ২০০টি পূজামণ্ডপ বেড়েছে। বিএনপি নেতাকর্মীদের পাশাপাশি প্রশাসনও পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করেছে।
বগুড়ার উন্নয়ন প্রসঙ্গে মীর শাহে আলম বলেন, বগুড়া একটি কৃষি ও খাদ্য উদ্বৃত্ত জেলা। বর্তমান সরকারের বয়স মাত্র সাত মাস। প্রধানমন্ত্রী সমতাভিত্তিক উন্নয়নে বিশ্বাস করেন। বগুড়ার জন্য অতিরিক্ত কিছু চাওয়া হচ্ছে না; বরং বিগত সময়ে যে উন্নয়ন ঘাটতি তৈরি হয়েছে, তা পূরণ করতে চাওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, গত ২০ বছর বগুড়ার মানুষ উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। ফখরুদ্দীন-মঈন উদ্দিনের সরকারও ছিল ভয়াবহ। বিগত আওয়ামী লীগ সরকার উত্তরাঞ্চলের মানুষকে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধোঁকা দিয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
বগুড়ার উন্নয়ন পরিকল্পনার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বগুড়া-সিরাজগঞ্জ রেলপথ, বিমানবন্দর, সিটি করপোরেশন, স্পোর্টস ভিলেজ, সড়ক উন্নয়ন, পৌরসভার উন্নয়ন, বগুড়া ওয়াসা এবং বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠাসহ বিভিন্ন প্রকল্পের কথা তুলে ধরেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ