বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৬:০১ পি.এম
মাগুরা পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাকের হোসেনকে হত্যার ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা এই প্রতিবাদে অংশগ্রহণ করেন। তারা হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় মাগুরা সরকারি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে। পরে শহরের মধুমিতা সিনেমা হলের সামনে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সদস্য মো: কুতুব উদ্দিন, পৌর বিএনপি’র সভাপতি মাসুদ হাসান খান কিজিল, যুবদলের সভাপতি ওয়াশিকুর রহমান কল্লোল, সিনিয়র সহসভাপতি মো: আমিরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ আহমেদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক গোলাম জাহিদ, সদস্য সচিব আব্দুর রহিম, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মারুফ হোসেন এবং অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। সমাবেশে নেতাকর্মীরা সাকের হোসেন হত্যার বিচার এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
বক্তারা সমাবেশে বলেন, যদি দ্রুত সময়ের মধ্যে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা না হয়, তবে তারা কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলার হুঁশিয়ারি দেন। বক্তারা প্রশাসনের প্রতি অবিলম্বে হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িতদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।
এদিকে, নিহত যুবদল নেতা সাকের হোসেনের স্ত্রী শারমিন নাহার মাগুরা সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন দুইজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে। মাগুরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মো: আব্দুল্লাহ আল মামুন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
উল্লেখ্য, বুধবার ভোর ৬টার দিকে মাগুরা বাস টার্মিনালের রয়েল এক্সপ্রেস কাউন্টার থেকে যুবদল নেতা সাকের হোসেনের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ সময় তার মাথার পেছনে একটি ছিদ্র দেখা যায়। ময়নাতদন্ত শেষে তার মাথা থেকে একটি গুলি বের করা হয়। মাগুরার পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন জানান, মামলার তদন্ত চলছে এবং দ্রুতই মূল রহস্য উদ্ঘাটন সম্ভব হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কওমি ঘরানার সাতটি সমমনা ইসলামী রাজনৈতিক দল জামায়াতে ইসলামীকে বাদ দিয়ে নতুন রাজনৈতিক দল গঠন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারা ‘সমমনা ইসলামী দল’ নামে অভিন্ন ব্যানারে একসঙ্গে কার্যক্রম পরিচালনার নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। নেতারা ঐকমত্যে পৌঁছেছেন যে, বর্তমানে বিএনপি বা জামায়াতে ইসলামীর মতো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জোটবদ্ধ থাকা দলগুলোও এই ঐক্যপ্রক্রিয়ায় যুক্ত হয়ে একসঙ্গে কাজ করবে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাজধানীর খিলগাঁওয়ে মাখযানুল উলুম মাদরাসায় অনুষ্ঠিত সাত দলের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক শেষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এই সিদ্ধান্তগুলো জানানো হয়। বৈঠকে সাত দলের ঐক্যপ্রক্রিয়া, অভিন্ন ব্যানারে কার্যক্রম পরিচালনা এবং পরবর্তী কর্মপন্থাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সাতটি দল পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধভাবে কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। তারা নতুন কোনো রাজনৈতিক দল গঠন না করে ‘সমমনা ইসলামী দল’ নামটি অভিন্ন ব্যানার হিসেবে ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে দলগুলো নিজেদের স্বতন্ত্র পরিচয় বজায় রাখবে।
এছাড়া আগামী ৫ ডিসেম্বর পরবর্তী বৈঠক আয়োজনের বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। বর্তমানে বিএনপি বা জামায়াতে ইসলামীর মতো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জোটবদ্ধ থাকা দলগুলোও এই ঐক্যপ্রক্রিয়ায় যুক্ত হয়ে একসঙ্গে কাজ করবে বলে নেতারা ঐকমত্য প্রকাশ করেন। সংশ্লিষ্ট দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা ও সমঝোতার ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব মাওলানা সাজিদুর রহমান, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নায়েবে আমীর মাওলানা আব্দুল আউয়াল, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা বাহাউদ্দীন জাকারিয়া, খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির মাওলানা সাখাওয়াত হোসেন, মাওলানা আহমদ আলী কাসেমি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মাওলানা মুসা বিন ইযহার, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী, সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি সুলতান মহিউদ্দিন, ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুল কাদির এবং মহাসচিব মুফতি শাখাওয়াত হোসেন রাজীসহ সংশ্লিষ্ট দলগুলোর অন্যান্য নেতারা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মুম্বাই পুলিশ বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফের গাড়ির ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনায় নতুন চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছে। তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে যে, এই হামলাটি ছিল সুপরিকল্পিত। টাইগার ছাড়াও, সালমান খান, আমির খান এবং রণবীর কাপুরের বাড়ির ওপরও নজরদারি চালানো হয়েছিল অভিযুক্ত শুটারদের দ্বারা। এ ঘটনায় বর্তমানে ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুলিশের দাবি, লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের সঙ্গে যুক্ত শুটাররা প্রথমে অন্যান্য তারকাদের ওপর হামলা করার পরিকল্পনা করেছিল। তবে নিরাপত্তার কারণে তারা শেষ পর্যন্ত টাইগারকে সহজ লক্ষ্য হিসেবে বেছে নেয়। হামলার আগে প্রায় এক মাস ধরে মুম্বাইয়ে অবস্থান করে তারা অভিনেতাদের বাড়ি এবং টাইগারের ফুটবল খেলার মাঠের ওপর নজর রাখে।
তদন্তে আরও জানা গেছে, হামলায় ব্যবহৃত পিস্তল এবং কার্তুজ সরবরাহের জন্য একাধিক ব্যক্তি জড়িত ছিল। অমৃতসর থেকে সংগ্রহ করা অস্ত্র গোপন স্থানে রেখে পরে অন্যদের মাধ্যমে মুম্বাইয়ে পৌঁছানো হয়। পুলিশ জানিয়েছে, হামলার প্রস্তুতি এবং অস্ত্র পরিবহণ নিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে এনক্রিপ্টেড অ্যাপের মাধ্যমে যোগাযোগ হয়েছিল। অস্ত্র সরবরাহ, আশ্রয় এবং যাতায়াতের ব্যবস্থা করার অভিযোগে আরও কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১৮ অক্টোবর মুম্বাইয়ের জুহু এলাকায় ফুটবল খেলা শেষে বের হওয়ার সময় টাইগার শ্রফের গাড়ির দিকে সাত রাউন্ড গুলি ছোড়ে দুর্বৃত্তরা। এরপর হামলাকারীরা মোটরসাইকেলে পালিয়ে যায়। তদন্তকারীদের ধারণা, এই ঘটনা একটি সংগঠিত অপরাধচক্রের পরিকল্পনার অংশ। তবে হামলার পেছনের সব তথ্য নিশ্চিত করতে তদন্ত এখনও চলছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিজয়া দশমীর দিন দেবীর কপালে সিঁদুর দিতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে মৃত্যু ঘটেছে তন্নি দে (২০) নামের এক নববধূর। এই ঘটনা ঘটে বুধবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় সাতক্ষীরার তালা উপজেলার কুমিরা বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন সার্বজনীন প্রতিমা বিসর্জনস্থলে।
মৃত তন্নি দে কুমিরা গ্রামের মহাদেব দের একমাত্র কন্যা। প্রায় চার মাস আগে যশোরের কেশবপুর উপজেলার এক যুবকের সঙ্গে তার বিবাহ সম্পন্ন হয়েছিল। বিয়ের পর বাবার বাড়িতে এটিই ছিল তার প্রথম দুর্গোৎসব উদযাপন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বিজয়া দশমীর সন্ধ্যায় তন্নি তার ননদের সঙ্গে প্রতিমা বিসর্জনস্থলে গিয়েছিলেন। সেখানে অন্যান্য নারীদের সঙ্গে তিনি সিঁদুর খেলা ও প্রতিমার কপালে সিঁদুর দেওয়ার আনন্দের মধ্যে ছিলেন। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি হঠাৎ করে বুকে তীব্র ব্যথা অনুভব করেন এবং মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হয়। পরে দ্রুত সাতক্ষীরা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
আরো পড়ুন
মাদারীপুরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ২ পক্ষের সংঘর্ষ, নিহত ১
তালা উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক নারায়ণ মজুমদার এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
পাটকেলঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফাজ্জল হোসেন জানিয়েছেন, বিসর্জনস্থলে নববধূর আকস্মিক মৃত্যুর খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তন্নি হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ বা সন্দেহ না থাকায়, লিখিত আবেদনের ভিত্তিতে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী শাবানা আজমি তাঁর ধর্মীয় পরিচয়, বিশ্বাস এবং ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেছেন। মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ ও বেড়ে ওঠার পরও তিনি নিয়মিত নামাজ পড়েন না বলে জানিয়েছেন। তাঁর মতে, ধর্ম একটি ব্যক্তিগত বিষয় এবং যদি কেউ ধর্ম পালন করে মানসিক শান্তি পায়, তাহলে তাতে আপত্তির কিছু নেই।
সম্প্রতি আইআইএমইউএন-এর ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত এক আলোচনায় শাবানা ধর্মের সঙ্গে নিজের সম্পর্ক নিয়ে কথা বলেন। তিনি জানান, তাঁর বাবা বিখ্যাত কবি ও গীতিকার কাইফি আজমি ছিলেন একজন নাস্তিক। অন্যদিকে, মা শওকত আজমি কিছু ধর্মীয় রীতিনীতি অনুসরণ করলেও ধর্ম পালনের ক্ষেত্রে খুব বেশি কঠোর ছিলেন না। পারিবারিক পরিবেশ তাঁর ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে ওঠার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
শাবানা বলেন, দৈনন্দিন কথাবার্তায় মাঝে মাঝে ‘মাশাআল্লাহ’ ও ‘ইনশাআল্লাহ’ শব্দগুলো ব্যবহার করেন। তবে তাঁর স্বামী, গীতিকার ও চিত্রনাট্যকার জাভেদ আখতার এসব শব্দ ব্যবহারের কারণ জানতে চান। জাভেদ নিজেকে প্রকাশ্যে নাস্তিক হিসেবে পরিচয় দেন। শাবানার মতে, এসব শব্দ তাঁর ভাষা ও সংস্কৃতির অংশ হিসেবেই স্বাভাবিকভাবে চলে আসে।
অভিনেত্রী উল্লেখ করেন যে, ধর্ম নিয়ে দুজনের দৃষ্টিভঙ্গি এক নয়। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, জাভেদ ধর্মের বিষয়ে অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে নাস্তিকতার অবস্থান তুলে ধরেন। তবে শাবানা মনে করেন, যদি কেউ ধর্ম পালন করে শান্তি পায়, তাহলে তাঁকে সেই স্বাধীনতা দেওয়া উচিত। অন্যের বিশ্বাসে অকারণে আঘাত করার প্রয়োজন নেই। অন্যদিকে, জাভেদের যুক্তি হলো, ধর্মবিশ্বাসীদের কথায় একজন নাস্তিকও আঘাত পেতে পারেন এবং তাঁর অনুভূতি প্রকাশের অধিকার রয়েছে।
নিজের মুসলিম পরিচয় সম্পর্কে শাবানা বলেন, ঈদ, উর্দু ভাষা এবং মুসলিম সংস্কৃতির প্রতি তাঁর ভালো লাগা রয়েছে। তবে তাঁরা নিয়মিত নামাজ পড়েন না এবং ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের সঙ্গেও তাঁদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নেই। ঈশ্বরের অস্তিত্বের ধারণা নিয়েও তিনি বিশেষভাবে ভাবেননি বলে জানান।
শাবানার মতে, ধর্ম ব্যক্তির নিজস্ব বিশ্বাসের বিষয়। রাষ্ট্রের এ ক্ষেত্রে হস্তক্ষেপ করা উচিত নয়। কেউ প্রার্থনা করে স্বস্তি পেলে, তাতে তাঁর কোনো আপত্তি নেই। ধর্মীয় বিশ্বাস এবং ব্যক্তিস্বাধীনতা নিয়ে অভিনেত্রীর এই বক্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ