মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৫০ পি.এম
ফিফার কার্যক্রম ও পরিচালনব্যবস্থা নিয়ে স্বাধীন পর্যালোচনার প্রস্তাব দিয়েছেন সংস্থাটির সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। তিনি বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটিতে সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার ওপর নিজের আগ্রহও প্রকাশ করেছেন।
একটি চিঠিতে, যা ফিফা কাউন্সিলের সদস্য এবং ২১১টি সদস্যসংস্থার কাছে পাঠানো হয়েছে, ইনফান্তিনো জানান যে, স্বাধীন একটি পর্যালোচনা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ফিফার কার্যক্রমে সম্ভাব্য উন্নয়নের বিষয়ে সুপারিশ নেওয়া হবে। তিনি আগামী মাসে কাউন্সিলের বৈঠকের আগে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়াকে আরও শক্তিশালী করার উপায় নিয়ে মতামত নেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছেন।
এই পর্যালোচনার মধ্যে ফিফা সভাপতির ভূমিকা, বড় কৌশলগত উদ্যোগে স্বচ্ছতা ও অংশগ্রহণ বাড়ানো এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করার বাস্তবসম্মত উপায়গুলো খতিয়ে দেখা হবে।
সম্প্রতি, ‘ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ’ (এফএফই) প্রস্তাব নিয়ে ইনফান্তিনো চাপের মুখে পড়েন। এই প্রস্তাবে বিশ্বকাপসহ ফিফার বিভিন্ন প্রতিযোগিতার বাণিজ্যিক স্বত্বে বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের অংশীদারত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। তবে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর ব্যাপক নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে ফিফা।
চিঠিতে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে ইনফান্তিনো লিখেছেন, ‘গত কয়েক সপ্তাহে আপনাদের উদ্দেশে লেখার আগে আমি সময় নিয়ে সবার কথা শুনেছি।’
তিনি কনফেডারেশন, সদস্যসংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে পরামর্শপ্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।
এফএফই প্রস্তাবের পক্ষে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে ইনফান্তিনো দাবি করেন যে, এতে খেলাধুলাসংক্রান্ত সিদ্ধান্তে ফিফার নিয়ন্ত্রণ বা কর্তৃত্ব ছেড়ে দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা ছিল না। তাঁর ভাষ্য, ফিফার নির্ধারিত প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার আগেই প্রস্তাবটি জনসমক্ষে চলে আসে।
কাউন্সিল ও সদস্যসংস্থাগুলোর কাছে পূর্ণাঙ্গভাবে উপস্থাপনের আগেই বিষয়টি প্রকাশিত হওয়ায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে এবং এমন ধারণা সৃষ্টি হয়েছে যে সিদ্ধান্ত আগেই নেওয়া হয়ে গেছে। তবে ইনফান্তিনোর দাবি, বাস্তবে এমন কিছু হয়নি।
ফিফা সভাপতি আরও বলেন, ‘গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া, স্বাধীনতা ও ক্রীড়াসংক্রান্ত কর্তৃত্ব কখনো বিক্রির জন্য ছিল না। এখনো নয়, ভবিষ্যতেও হবে না।’
এফএফই প্রস্তাব বাতিল হলেও ফুটবলে বিনিয়োগ বাড়ানোর লক্ষ্য থেকে সরে আসছেন না ইনফান্তিনো। তিনি জানিয়েছেন যে, সদস্যসংস্থাগুলোর উন্নয়ন ও সংহতি সহায়তা বাড়াতে ফিফার সম্পদ টেকসইভাবে বৃদ্ধির পথ খোঁজা অব্যাহত থাকবে।
ইনফান্তিনোর ভাষায়, ‘আমাদের উচ্চাকাঙ্ক্ষা বদলাচ্ছে না; বদলাচ্ছে বড় ধারণাগুলো যেভাবে তৈরি, যাচাই ও চূড়ান্ত করা হয়, সেই প্রক্রিয়া।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে লোকালয়ে প্রবেশ করে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ৯ জনকে কামড়ে আহত করা সেই শিয়ালের মাথা গবেষণাগারে পাঠানো হয়েছে। শিয়ালটির শরীরে জলাতঙ্কের জীবাণু উপস্থিত ছিল কি না, তা নিশ্চিত করার জন্য নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সুন্দরগঞ্জ উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. কেএম ইফতেখারুল ইসলাম। তিনি জানান, উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের উদ্যোগে শিয়ালের মাথা থেকে নমুনা সংগ্রহ করে কেন্দ্রীয় রোগ অনুসন্ধান গবেষণাগারে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার বেলকা ইউনিয়নের তালুক বেলকা ও জিগাবাড়ী এলাকায় শিয়ালটি আচমকা লোকালয়ে ঢুকে পড়ে। এরপর এটি পথচারী ও বাড়ির আশপাশে অবস্থানরত মানুষের ওপর একের পর এক হামলা চালায়। শিয়ালের কামড়ে শিশু, নারী ও পুরুষসহ ৯ জন আহত হন।
পরে স্থানীয়রা শিয়ালটিকে ধরে মেরে একটি নির্জন স্থানে ফেলে রাখেন। খবর পেয়ে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে শিয়ালটির মাথা সংগ্রহ করেন। এরপর বাকি অংশ মাটিতে পুঁতে রাখা হয়।
আহতদের মধ্যে তালুক বেলকা গ্রামের নিলি বেগম (৪০), সাদেক হোসেন (৭০), আফরুজা বেগম (৩৭) ও শাওন মিয়া (৬) রয়েছেন। জিগাবাড়ী গ্রামের আহতদের মধ্যে আছেন রাবেয়া বেগম (৩৮), তার ছেলে রাকিবুল হাসান (১৩), এনামুল হক (২৬), আয়শা আক্তার (৩) ও হাসান মিয়া (৭)।
শিয়ালের হামলায় আহতদের সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা প্রদান করা হয়। সেখানে প্রয়োজনীয় চিকিৎসার পাশাপাশি তাদের জলাতঙ্ক প্রতিরোধী ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। পরে আহতদের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে গাইবান্ধার সিভিল সার্জন ডা. রফিকুজ্জামানের নেতৃত্বে একটি চিকিৎসক দল বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের পরিদর্শন করে।
এদিকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আহত ৯ জনকে নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে নিলি বেগমকে সাড়ে ৭ হাজার টাকা এবং বাকি আটজনকে ৪ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছে।
বেলকা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাওলানা মো. ইব্রাহিম খলিলুল্লাহ বলেন, শিয়ালটিকে মেরে একটি নির্জন স্থানে ফেলে রাখা হয়েছিল। পরে রাতে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের লোকজন এসে সেটির মাথা কেটে নিয়ে যান। বাকি অংশ মাটিতে পুঁতে রাখা হয়েছে।
নমুনা সংগ্রহকারী কর্মকর্তা ও উপজেলা ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মো. মোজাম্মেল হক জানান, স্থানীয়দের সহযোগিতায় শিয়ালটিকে খুঁজে বের করা হয়। পরে এর মাথা কেটে নেওয়া হয় এবং বাকি অংশ মাটিতে পুঁতে রাখা হয়। এ সময় বেলকা ইউনিয়নের ভ্যাকসিনেটর, এআই টেকনিশিয়ান ও স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. কেএম ইফতেখারুল ইসলাম বলেন, শিয়ালটির কাটা মাথা থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। শিয়ালটির শরীরে জলাতঙ্কের জীবাণু ছিল কি না, সেটি নিশ্চিত হওয়াই এই পরীক্ষার উদ্দেশ্য।
তিনি আরও জানান, শিয়ালের কামড়ে আহত ৯ জনকেই ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে এবং বর্তমানে তাদের শারীরিক কোনো সমস্যা নেই।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জ্বালানি তেলের দাম প্রতি লিটার ২০ টাকা বৃদ্ধি পাওয়ার পর মহানগর ও দূরপাল্লার বাসের ভাড়া কিলোমিটারপ্রতি ১৭ পয়সা বৃদ্ধি করা হয়েছে।
সরকারের পক্ষ থেকে ২০ সেপ্টেম্বর রাতে ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রোল ও অকটেনের দাম বাড়ানোর পর মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
এর আগে, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) দূরপাল্লার পথে কিলোমিটারপ্রতি ২০ পয়সা এবং রাজধানীসহ শহরে ১৮ পয়সা বৃদ্ধির প্রস্তাব করে। এই প্রস্তাবটি সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।
বিস্তারিত আসছে...
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান ইশরাত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যার দ্রুত বিচার ও শিক্ষার্থীদের উত্থাপিত ৪ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মৌন মিছিল আয়োজন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
মিছিলটি মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বর থেকে শুরু হয়।
মিছিলে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা কালো ব্যাজ ধারণ করেন। গোলচত্বর থেকে পায়ে হেঁটে আইন ও ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদ প্রদক্ষিণ করে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক হয়ে দক্ষিণ মোড় পর্যন্ত যান। এরপর পুনরায় গোলচত্বরে ফিরে এসে মৌন মিছিলটি শেষ হয়।
মিছিল শেষে বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী ফারহা খানম বলেন, "অপ্রতিম হত্যার শোক পালন এবং হত্যার দ্রুত বিচার নিশ্চিতের দাবিতে আমরা মৌন মিছিল করেছি। শুরু থেকেই আমরা ৪ দফা দাবি জানিয়ে আসছি। এসব দাবি বাস্তবায়নের জন্যই আজ আমরা এখানে জড়ো হয়েছি। আমরা চাই, প্রশাসন দ্রুত অপ্রতিম হত্যার বিচার নিশ্চিত করার পাশাপাশি আমাদের ৪ দফা দাবি বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।"
এর আগে, গত ১৮ সেপ্টেম্বর মায়ের আইফোন নিয়ে ছবি তুলতে গিয়ে নিখোঁজ হয় অপ্রতিম। পরের দিন ১৯ সেপ্টেম্বর কোটবাড়ি এলাকার পশ্চিম সানন্দা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ২০ সেপ্টেম্বর বাসার পাশে গন্ধমতিতে জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয়। দাফনের পরই অপ্রতিম হত্যার বিচার ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা ৪ দফা দাবি উত্থাপন করেন।
শিক্ষার্থীদের ঘোষিত ৪ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে, অপ্রতিম হত্যার সঙ্গে জড়িত আসামিদের গ্রেপ্তার করে ৬০ দিনের মধ্যে বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন ও ফাঁসি কার্যকর করা; কুমিল্লার পুলিশ সুপার, আদর্শ সদর ও সদর দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের (ওসি) দায় স্বীকার করে প্রত্যাহার করা; কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার জন্য স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি প্রতিষ্ঠা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে প্রয়োজনীয় দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া; নিখোঁজ ব্যক্তিদের নিরাপত্তার জন্য তাৎক্ষণিক রেসপন্স ইউনিট গঠন করা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে, উপজেলা সদরের কলেজ মোড় থেকে পূর্বভাগ ইউনিয়নের ভুবন পর্যন্ত ৯ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কের নির্মাণকাজ তিন বছর পেরিয়ে গেলেও শেষ হয়নি। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অবহেলার কারণে সড়কটি বন্ধ থাকায় সেখানে সৃষ্টি হয়েছে খানাখন্দ ও কাদা। এর ফলে দুর্ভোগে পড়েছেন নাসিরনগর সদর, গোকর্ণ, পূর্বভাগ ও হরিপুর ইউনিয়নের প্রায় ৮০ হাজার মানুষ।
দুর্ভোগের কারণে গত ৯ আগস্ট স্থানীয় বাসিন্দা সৈয়দ মৌলুদ সড়কটির সংস্কারের দাবি জানিয়ে মাইকিং করেন। তার সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।
সূত্রে জানা গেছে, ১৮ কোটি টাকা ব্যয়ে সড়কটির সংস্কারকাজের কার্যাদেশ ২০২৩ সালের ২২ নভেম্বর দেওয়া হয়। কাজ শেষ করার নির্ধারিত সময়সীমা ছিল ২০২৫ সালের ২৮ মার্চ। পরবর্তীতে ২০২৬ সালের ৪ মে পর্যন্ত সময় বাড়ানো হলেও কাজ এখনও সম্পন্ন হয়নি। বর্তমানে ঠিকাদার তৃতীয় দফায় সময় বাড়ানোর আবেদন করেছেন, যা ২০২৭ সালের ৪ মে পর্যন্ত।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কলেজ মোড় থেকে ফুলপুর পর্যন্ত প্রায় ৩ কিলোমিটার সড়কে কার্পেটিং করা হয়েছে। কিছু অংশে ম্যাকাডাম ও ঢালাই করা হলেও অধিকাংশ সড়ক ভাঙাচোরা, খানাখন্দ ও কাদায় ভরা অবস্থায় রয়েছে। বিশেষ করে চৈয়ারকুড়ি বাজারের পর প্রায় ৬ কিলোমিটার অংশের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ।
এখন পর্যন্ত কাজের অগ্রগতি ৬৫ শতাংশ এবং ঠিকাদার ৯ কোটি ১৮ লাখ টাকা বিল তুলেছেন।
ঠিকাদার খায়রুল হাসান জানান, বর্ষার কারণে জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কার্পেটিংয়ের কাজ বন্ধ থাকে। তিনি দাবি করেন, সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে কাজ পুনরায় শুরু হবে। বন বিভাগের গাছ কাটতে দেরি হওয়ায় কাজ বুঝে পেতেও বিলম্ব হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
এদিকে এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী আবদুল মমিন ঠিকাদারের অবহেলাকে সড়কের দুরবস্থার জন্য দায়ী করেছেন। তিনি গণমাধ্যমকে জানান, নতুন করে সময় বাড়ানোর আবেদন করা হয়েছে এবং আশা প্রকাশ করেন যে, এবার দ্রুত কাজ শেষ হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ