মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৪৮ পি.এম
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান ইশরাত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যার দ্রুত বিচার ও শিক্ষার্থীদের উত্থাপিত ৪ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মৌন মিছিল আয়োজন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
মিছিলটি মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বর থেকে শুরু হয়।
মিছিলে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা কালো ব্যাজ ধারণ করেন। গোলচত্বর থেকে পায়ে হেঁটে আইন ও ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদ প্রদক্ষিণ করে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক হয়ে দক্ষিণ মোড় পর্যন্ত যান। এরপর পুনরায় গোলচত্বরে ফিরে এসে মৌন মিছিলটি শেষ হয়।
মিছিল শেষে বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী ফারহা খানম বলেন, "অপ্রতিম হত্যার শোক পালন এবং হত্যার দ্রুত বিচার নিশ্চিতের দাবিতে আমরা মৌন মিছিল করেছি। শুরু থেকেই আমরা ৪ দফা দাবি জানিয়ে আসছি। এসব দাবি বাস্তবায়নের জন্যই আজ আমরা এখানে জড়ো হয়েছি। আমরা চাই, প্রশাসন দ্রুত অপ্রতিম হত্যার বিচার নিশ্চিত করার পাশাপাশি আমাদের ৪ দফা দাবি বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।"
এর আগে, গত ১৮ সেপ্টেম্বর মায়ের আইফোন নিয়ে ছবি তুলতে গিয়ে নিখোঁজ হয় অপ্রতিম। পরের দিন ১৯ সেপ্টেম্বর কোটবাড়ি এলাকার পশ্চিম সানন্দা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ২০ সেপ্টেম্বর বাসার পাশে গন্ধমতিতে জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয়। দাফনের পরই অপ্রতিম হত্যার বিচার ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা ৪ দফা দাবি উত্থাপন করেন।
শিক্ষার্থীদের ঘোষিত ৪ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে, অপ্রতিম হত্যার সঙ্গে জড়িত আসামিদের গ্রেপ্তার করে ৬০ দিনের মধ্যে বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন ও ফাঁসি কার্যকর করা; কুমিল্লার পুলিশ সুপার, আদর্শ সদর ও সদর দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের (ওসি) দায় স্বীকার করে প্রত্যাহার করা; কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার জন্য স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি প্রতিষ্ঠা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে প্রয়োজনীয় দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া; নিখোঁজ ব্যক্তিদের নিরাপত্তার জন্য তাৎক্ষণিক রেসপন্স ইউনিট গঠন করা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে, উপজেলা সদরের কলেজ মোড় থেকে পূর্বভাগ ইউনিয়নের ভুবন পর্যন্ত ৯ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কের নির্মাণকাজ তিন বছর পেরিয়ে গেলেও শেষ হয়নি। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অবহেলার কারণে সড়কটি বন্ধ থাকায় সেখানে সৃষ্টি হয়েছে খানাখন্দ ও কাদা। এর ফলে দুর্ভোগে পড়েছেন নাসিরনগর সদর, গোকর্ণ, পূর্বভাগ ও হরিপুর ইউনিয়নের প্রায় ৮০ হাজার মানুষ।
দুর্ভোগের কারণে গত ৯ আগস্ট স্থানীয় বাসিন্দা সৈয়দ মৌলুদ সড়কটির সংস্কারের দাবি জানিয়ে মাইকিং করেন। তার সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।
সূত্রে জানা গেছে, ১৮ কোটি টাকা ব্যয়ে সড়কটির সংস্কারকাজের কার্যাদেশ ২০২৩ সালের ২২ নভেম্বর দেওয়া হয়। কাজ শেষ করার নির্ধারিত সময়সীমা ছিল ২০২৫ সালের ২৮ মার্চ। পরবর্তীতে ২০২৬ সালের ৪ মে পর্যন্ত সময় বাড়ানো হলেও কাজ এখনও সম্পন্ন হয়নি। বর্তমানে ঠিকাদার তৃতীয় দফায় সময় বাড়ানোর আবেদন করেছেন, যা ২০২৭ সালের ৪ মে পর্যন্ত।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কলেজ মোড় থেকে ফুলপুর পর্যন্ত প্রায় ৩ কিলোমিটার সড়কে কার্পেটিং করা হয়েছে। কিছু অংশে ম্যাকাডাম ও ঢালাই করা হলেও অধিকাংশ সড়ক ভাঙাচোরা, খানাখন্দ ও কাদায় ভরা অবস্থায় রয়েছে। বিশেষ করে চৈয়ারকুড়ি বাজারের পর প্রায় ৬ কিলোমিটার অংশের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ।
এখন পর্যন্ত কাজের অগ্রগতি ৬৫ শতাংশ এবং ঠিকাদার ৯ কোটি ১৮ লাখ টাকা বিল তুলেছেন।
ঠিকাদার খায়রুল হাসান জানান, বর্ষার কারণে জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কার্পেটিংয়ের কাজ বন্ধ থাকে। তিনি দাবি করেন, সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে কাজ পুনরায় শুরু হবে। বন বিভাগের গাছ কাটতে দেরি হওয়ায় কাজ বুঝে পেতেও বিলম্ব হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
এদিকে এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী আবদুল মমিন ঠিকাদারের অবহেলাকে সড়কের দুরবস্থার জন্য দায়ী করেছেন। তিনি গণমাধ্যমকে জানান, নতুন করে সময় বাড়ানোর আবেদন করা হয়েছে এবং আশা প্রকাশ করেন যে, এবার দ্রুত কাজ শেষ হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মিসিসিপির যুক্তরাষ্ট্রে ১৮ বছর বয়সী কৃষ্ণাঙ্গ কিশোর নোলান ওয়েলসের মৃত্যুর ঘটনায় কাউকে অপরাধী হিসেবে অভিযুক্ত করার মতো যথেষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি। গ্র্যান্ড জুরি তদন্ত শেষে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ না আনার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
স্থানীয় জেলা অ্যাটর্নি অ্যাঞ্জেল মায়ার্স ম্যাকইলরাথ সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) এক ভিডিও বার্তায় এই তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি জানান, গ্র্যান্ড জুরি ‘নো ট্রু বিল’ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর মানে হলো, কাউকে কোনো অপরাধে অভিযুক্ত করার জন্য পর্যাপ্ত প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
নোলান ওয়েলস ৪ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে বন্ধুদের সঙ্গে মিসিসিপির হর্ন আইল্যান্ডে ছিলেন। ওই দিন বিকেলে তাকে শেষবার দেখা যায়। দুই দিন পর, ৬ জুলাই, দ্বীপটির উত্তর-পশ্চিম প্রান্ত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নোলানের মৃত্যু নিয়ে কয়েক মাস ধরে বিভিন্ন প্রশ্ন ও জল্পনা চলছিল। বিশেষ করে, তার কৃষ্ণাঙ্গ পরিচয়ের কারণে ঘটনাটিতে বর্ণগত কোনো বিষয় ছিল কি না, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
তবে জেলা অ্যাটর্নি মায়ার্স ম্যাকইলরাথ বলেন, নোলানের নিখোঁজ হওয়া বা মৃত্যুর পেছনে বর্ণগত কোনো উদ্দেশ্য ছিল—এমন কোনো প্রমাণ নেই। তিনি আরও বলেন, নোলানের বন্ধুরা তাকে ভালোবাসতেন এবং নোলানও তাদের ভালোবাসতেন। ওই দিন নোলান নিজেই দ্বীপে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন এবং এর বিপরীত কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
গ্র্যান্ড জুরির প্রকাশিত আংশিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, তদন্তে ১৩২টি তলব জারি করা হয় এবং ৪৩ জনের বক্তব্য নেওয়া হয়। আরও সাতজনকে গ্র্যান্ড জুরির সামনে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।
গ্র্যান্ড জুরিতে জ্যাকসন কাউন্টির বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ২৩ জন নাগরিক ছিলেন। তাদের বয়স ২৭ থেকে ৬৮ বছরের মধ্যে ছিল। সদস্যদের মধ্যে ১৩ জন পুরুষ ও ১০ জন নারী ছিলেন।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গ্র্যান্ড জুরি হর্ন আইল্যান্ডে ২০২৬ সালের ৪ জুলাই যাতায়াত করা ব্যক্তিদের কারও বিরুদ্ধে নোলানের মৃত্যুর সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো অপরাধের বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পায়নি।
তদন্তে আরও বলা হয়েছে, হর্ন আইল্যান্ডে নৌকা ও পানিতে মানুষের একসঙ্গে সময় কাটানো একটি সাধারণ ঘটনা। একই নৌকায় সবাই দ্বীপে আসা বা ফিরে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। তাই নোলানের বন্ধুরা আগে চলে যাওয়ার পর তার আলাদা নৌকায় ফেরার বিষয়টিকে অস্বাভাবিক বা সন্দেহজনক মনে হয়নি তদন্তকারীদের কাছে।
গ্র্যান্ড জুরির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নোলানকে শেষবার দেখার দিন তার সঙ্গে কারও শারীরিক সংঘর্ষ বা তর্ক হয়েছিল—এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
যেখানে তার মরদেহ পাওয়া গেছে, যে অবস্থায় এবং যে সময়ে তা পাওয়া গেছে, তা পানিতে ডুবে মৃত্যুর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে নোলানের পরিবার ও তাদের আইনজীবী এর আগে তার ডুবে মৃত্যুর ধারণা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। পরিবারের পক্ষ থেকে করা স্বাধীন ময়নাতদন্তে তার মৃত্যুর কারণ ও ধরন ‘অনির্ধারিত’ বলে উল্লেখ করা হয়।
গ্র্যান্ড জুরির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজ্যের প্রধান চিকিৎসা পরীক্ষক এবং পরিবারের পক্ষে নিয়োগ করা একজন ফরেনসিক চিকিৎসক—দুজনই নোলানের মৃত্যুর কারণ ও ধরন অনির্ধারিত বলে মত দিয়েছেন। তবে তারা দুর্ঘটনাজনিত পানিতে ডুবে যাওয়ার সম্ভাবনাও পুরোপুরি বাদ দেননি।
নোলানের পরিবারের আইনজীবী ও নাগরিক অধিকারকর্মী বেন ক্রাম্প এর আগে তার মৃত্যুর ঘটনায় বর্ণগত বিষয় জড়িত থাকতে পারে বলে প্রশ্ন তুলেছিলেন। কারণ, ওই দিন দ্বীপে থাকা অল্প কয়েকজন কৃষ্ণাঙ্গ মানুষের মধ্যে নোলান একজন ছিলেন।
তবে জেলা অ্যাটর্নি সোমবার ক্রাম্প ও তার দলের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, নোলানের বিরুদ্ধে কোনো অপরাধ সংঘটিত হয়েছে—এমন প্রমাণ তারা পাননি বলে আগে তার কার্যালয়কে জানিয়েছিল ক্রাম্পের দল।
অন্যদিকে ক্রাম্প এক বিবৃতিতে বলেন, গ্র্যান্ড জুরির কাউকে অভিযুক্ত না করার সিদ্ধান্ত নোলানের মৃত্যু কীভাবে হয়েছে, সেই প্রশ্নের উত্তর দেয় না।
তার ভাষ্য, নোলানের মৃত্যুর বিষয়ে নথি, প্রমাণ ও স্বাধীন তদন্তের ভিত্তিতে স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়ার অধিকার জনগণের রয়েছে। কাউকে অভিযুক্ত না করার সিদ্ধান্তের পরও এ বিষয়ে আরও প্রশ্নের সুযোগ থাকা উচিত বলে তিনি মন্তব্য করেন।
নোলানের শেষকৃত্য ২০ জুলাই অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে শত শত মানুষ অংশ নেন।
সেদিন নোলানের মা ক্রিস্টিন ওয়েলস-ওন্সলি ছেলেকে স্মরণ করে বলেন, তার অনুপস্থিতি এমন এক শূন্যতা তৈরি করেছে, যা কখনও পূরণ হওয়ার নয়। তিনি নোলানের মতো অন্যদের জীবনেও আলো ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান।
গ্র্যান্ড জুরির সিদ্ধান্তের পরও নোলান ওয়েলস কীভাবে মারা গেলেন, তা নিয়ে তার পরিবার ও আইনজীবীরা আরও তথ্য ও স্বাধীন তদন্তের দাবি জানিয়ে আসছেন।
সূত্র: এনবিসি নিউজ
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে বাসে আগুন ও ককটেল হামলার সঙ্গে জড়িতদের পরিচয় বের হয়ে আসবে, এমন মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) তিনি উল্লেখ করেন, বিএনপিকে সরকার পরিচালনার ক্ষেত্রে ১১ দলীয় জোট এবং আওয়ামী লীগ, এই দুই বিরোধী দলের চাপ সামলাতে হচ্ছে। বর্তমানে বিএনপি একটি চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি রয়েছে।
রাশেদ খান আরও বলেন, এই বিরোধীদল আগামী ডিসেম্বর থেকে কর্মসূচি গ্রহণের পরিকল্পনা করছে, যা আওয়ামী লীগের সঙ্গে সমন্বিত। তিনি উল্লেখ করেন, শেখ হাসিনাও ডিসেম্বরে ফিরে আসতে চান।
তিনি অভিযোগ করেন, জামায়াত, এনসিপি এবং আওয়ামী লীগ একত্রিত হয়ে দেশকে অশান্ত করার জন্য বাস ও ট্রেনে আগুন দিচ্ছে এবং ককটেল ফোটাচ্ছে।
রাশেদ খান বলেন, এনসিপির একজন নেতা স্বীকার করেছেন যে, আওয়ামী লীগ ও জামায়াত মিলে আগুন সন্ত্রাসের পথ বেছে নিয়েছে। একই দলের একজন নেতা দাবি করেছেন, ১১ দলের দাবি মেনে নেওয়া হলে ককটেল হামলা বন্ধ হয়ে যাবে।
তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, যারা নির্বাচিত সরকারকে ব্যর্থ করতে চায়, তারা কি অপরাধ করছে না?
জুলাই মাসে বিএনপি এবং এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের ব্যাপক গ্রেপ্তারের দাবি করেন রাশেদ খান। তিনি বলেন, সাত মাসের সরকারের বিরুদ্ধে লংমার্চ কর্মসূচি স্বাভাবিক নয়। লংমার্চের নামে পিকনিক স্টাইলে ছবি তুলে ভিডিও করে ফেসবুকে পোস্ট করা হচ্ছে।
জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে রাশেদ খান বলেন, বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট চলছে। সরকার জনগণের পাশে থাকার চেষ্টা করছে ভর্তুকি দিয়ে। আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে সরকার জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি করতে বাধ্য হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সরকারের নেওয়া উদ্যোগের ফলে আগামী দুই বছরের মধ্যে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট থাকবে না।
আওয়ামী লীগকে পুনরুদ্ধারের জন্য অনেকে সক্রিয় বলেও মন্তব্য করেন রাশেদ খান। তিনি বলেন, চুক্তি থাকা সত্ত্বেও আদানি কখনো বিদ্যুৎ দিচ্ছে, আবার কখনো দিচ্ছে না।
প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের অপতৎপরতা ও অসৌজন্যতা নিয়ে তিনি অভিযোগ করেন। বিদেশে তারা দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করছে বলে মন্তব্য করেন রাশেদ খান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
লক্ষ্মীপুরের চারটি জুয়েলারি দোকান থেকে গ্রাহকদের দেখানোর উদ্দেশ্যে নেওয়া প্রায় ২২ ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে পালিয়ে যাওয়া ব্যবসায়ী রণজিত পালকে ঢাকায় আটক করেছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, আটককৃত ব্যবসায়ীর কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে নেওয়া স্বর্ণালংকারগুলোও।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন লক্ষ্মীপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওসি আলমগীর হোসেন এবং জেলা বাজুসের সভাপতি সমীর কর্মকার। এর আগে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাতে ঢাকায় অভিযান চালিয়ে রণজিত পালকে আটক করা হয়।
আটক রণজিত পাল লক্ষ্মীপুর বাজারের স্বর্ণকার সড়কের পাল শিল্পালয়ের মালিক। তিনি পরিবারসহ শহরের শাঁখারিপাড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। তার বাড়ি শরীয়তপুর জেলায় অবস্থিত।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, রণজিত প্রায় ৩০ বছর ধরে লক্ষ্মীপুর বাজারে সোনার ব্যবসা করে আসছেন। দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক সম্পর্কের কারণে অন্যান্য সোনা ব্যবসায়ীরা তাকে গহনা প্রদান করতেন। তিনি বিভিন্ন দোকান থেকে গহনা নিয়ে গ্রাহকদের দেখাতেন এবং বিক্রিও করতেন।
সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত লক্ষ্মীপুর বাজারের চারটি জুয়েলারি দোকান থেকে একইভাবে গ্রাহকদের দেখানোর কথা বলে প্রায় ২২ ভরি স্বর্ণালংকার সংগ্রহ করেন রণজিত। পরে গহনাগুলো ফেরত না দিয়ে তিনি নিখোঁজ হয়ে যান। সন্ধ্যা পর্যন্ত তার নিজস্ব দোকান খোলা থাকলেও তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। এমনকি শাঁখারিপাড়ার ভাড়া বাসাতেও তার কোনো সন্ধান মেলেনি। পরে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে ধারণা তৈরি হয় যে, তিনি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে পালিয়ে গেছেন।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা হলেন তমা শিল্পালয়ের পলাশ কুরী, বণিক শিল্পালয়ের সাগর বণিক, পুনম শিল্পালয়ের ঝুটন কুরী এবং শিবানী শিল্পালয়ের অসীম কর।
তমা শিল্পালয়ের মালিক পলাশ কুরী বলেন, সোনা নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় রণজিতের বিরুদ্ধে আমি লিখিত অভিযোগ করেছি। পুলিশ তাকে আটক করেছে।
লক্ষ্মীপুর জেলা বাজুসের সভাপতি সমীর কর্মকার জানান, বিভিন্ন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ২২ ভরি সোনা নিয়ে পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তিকে ঢাকা থেকে আটক করেছে লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশ। পুরো সোনাসহ তাকে আটক করা হয়েছে। এজন্য আমরা জেলা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞ।
লক্ষ্মীপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওসি আলমগীর হোসেন বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ঢাকা থেকে আটক করা হয়েছে এবং তাকে লক্ষ্মীপুরে নিয়ে আসা হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ