বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:৫২ পি.এম
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) অক্টোবর মাসের জন্য ফার্নেস অয়েলের ভোক্তা পর্যায়ের দাম পুনর্নির্ধারণ করেছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) কর্তৃক সরবরাহিত ফার্নেস অয়েলের দাম প্রতি লিটারে ১১ টাকা ৯২ পয়সা বৃদ্ধি পেয়ে ১০৮ টাকা ৭৮ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিইআরসি বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) এক বার্তায় এই তথ্য জানায়। নতুন নির্ধারিত দাম ৩০ সেপ্টেম্বর রাত ১২টা থেকে কার্যকর হবে।
বার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন আইন, ২০০৩-এর ৩৪(৪) ও ৩৪(৬) ধারার আওতায় বিপিসি এবং তেল বিপণন কোম্পানিগুলোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে গণশুনানি ও বিস্তারিত পর্যালোচনার পর ফার্নেস অয়েলের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখের বিইআরসির আদেশে বিপিসি সরবরাহকৃত ফার্নেস অয়েলের ভোক্তাপর্যায়ের দাম, বিপিসির মজুতকরণ ও সরবরাহ চার্জ, তেল বিপণন কোম্পানিগুলোর বিপণন চার্জ এবং সমন্বিত পরিবহন ভাড়া পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছিল। ওই আদেশে প্রয়োজন অনুযায়ী প্রতি তিন মাস পর পর ফার্নেস অয়েলের দাম সমন্বয়ের সুযোগ রাখা হয়েছিল।
ফার্নেস অয়েলের মূল্য সমন্বয়ের জন্য বিইআরসি গত ১৫ মার্চ একটি কমিটি গঠন করে। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে আমদানিকৃত পরিশোধিত ফার্নেস অয়েলের প্লাটস রেট, সেপ্টেম্বর মাসের অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের (ক্রুড) সিআইএফ মূল্য এবং মার্কিন ডলারের বিনিময় হারের পরিবর্তন বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
কমিশন জানিয়েছে, এসব বিষয় পর্যালোচনা করে অক্টোবর ২০২৬ মাসের জন্য ফার্নেস অয়েলের মূল্য প্রতি লিটার ১০৮ টাকা ৭৮ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। বিপিসি সরবরাহকৃত ফার্নেস অয়েলের এই সমন্বয়কৃত মূল্যহার ৩০ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত ১২টা থেকে কার্যকর হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাজ্যভিত্তিক শিক্ষা সাময়িকী টাইমস হায়ার এডুকেশেন ‘ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাঙ্কিং ২০২৭’ প্রকাশ করেছে। এই র্যাঙ্কিংয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) শীর্ষ এক হাজার বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় স্থান পায়নি।
তবে, দেশের এই দুটি বিশ্ববিদ্যালয়কে অতিক্রম করে তিনটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় (মোট ৪টি) ৮০০ থেকে ১০০০-এর মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত এই তালিকায় বিশ্বের সেরা ১০০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো- অ্যামেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় এবং নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি।
এছাড়া, ১০০০ থেকে ১২০০-এর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি, গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, আইইউবিএটি, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।
শিক্ষার মান, শিক্ষার্থী-শিক্ষকের অনুপাত, গবেষণার মান, সাইটেশন, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন সূচকের ভিত্তিতে বিশ্বের ১১৮টি দেশের ২ হাজার ২৯৭টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে এবারের র্যাঙ্কিং সম্পন্ন করেছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক শিক্ষা সাময়িকী ‘টাইমস হায়ার এডুকেশন’।
এবারের র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়, দ্বিতীয় স্থানে ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (এমআইটি) এবং যৌথভাবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রিন্সটন ও স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়।
এছাড়া, মর্যাদাপূর্ণ এই র্যাঙ্কিং তালিকায় সেরা ১০০০ এর মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের ৪০টি এবং পাকিস্তানের ২২টি বিশ্ববিদ্যালয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
তালিকায় ভারতের মধ্যে শীর্ষ হিসেবে ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্সের অবস্থান ২৫৪তম। আর পাকিস্তানের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে কায়েদ এ আজম ইউনিভার্সিটির অবস্থান ৫৫১ থেকে ৬০০-এর মধ্যে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাজ্যভিত্তিক বিশ্বখ্যাত শিক্ষা সাময়িকী ‘টাইমস হায়ার এডুকেশন’ (টিএইচই)-এর ‘ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাংকিং-২০২৭’-এ বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শীর্ষস্থানটি যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি) ধরে রেখেছে। এবারের র্যাংকিংয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টি ১০০১ থেকে ১২০০-এর মধ্যে অবস্থান করছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত তালিকায় বিশ্বের ১১৮টি দেশ ও অঞ্চলের ২ হাজার ২৯৭টি বিশ্ববিদ্যালয় স্থান পেয়েছে।
যবিপ্রবির বিভিন্ন সূচকের ফল বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, শিক্ষাদানে বিশ্ববিদ্যালয়টির স্কোর ১৫.৬, গবেষণা পরিবেশে ১৩.৭, গবেষণার মানে ৭০.৬, শিল্প-সম্পৃক্ততায় ২১.২ এবং আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গিতে ৪৫.৯। গবেষণার মান সূচকে যবিপ্রবির স্কোর ৭০.৬। আগেরবারের তুলনায় শিক্ষাদান, গবেষণা পরিবেশ ও শিল্প-সম্পৃক্ততায় যবিপ্রবির স্কোর বৃদ্ধি পেয়েছে।
দেশের অন্যান্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ১২০১ থেকে ১৪০০-এর মধ্যে অবস্থান করছে। ফলে এবারের তালিকায় যবিপ্রবি দেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শীর্ষে রয়েছে।
সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ৮০১ থেকে ১০০০-এর মধ্যে রয়েছে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি। ১০০১ থেকে ১২০০-এর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি (আইইউবিএটি), যবিপ্রবি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। গতবার ৮০১ থেকে ১০০০-এর মধ্যে থাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবার ১০০১ থেকে ১২০০-এর মধ্যে অবস্থান করছে।
এবারের র্যাংকিংয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষাদান, গবেষণা পরিবেশ, গবেষণার মান, আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি ও শিল্প-সম্পৃক্ততা এই পাঁচটি ক্ষেত্রে মোট ১৮টি সূচকের মাধ্যমে মূল্যায়ন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সরবরাহ করা তথ্য, গবেষণা প্রকাশনা ও সাইটেশন, অ্যাকাডেমিক সুনাম, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ও শিক্ষক এবং শিল্পের সঙ্গে সম্পৃক্ততাসহ বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণ করে এ র্যাংকিং তৈরি করা হয়েছে। ২০২৭ সালের সংস্করণে আগের তুলনায় আরও বিস্তারিতভাবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবস্থান দেখাতে নতুন ও ছোট পরিসরের অবস্থান-ধাপও যুক্ত করেছে টিএইচই।
যবিপ্রবি কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফারুক হাসান মন্তব্য করেছেন, সারা দেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে যবিপ্রবি শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করায় তারা অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। তিনি বলেন, "এ অর্জন শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। সুশৃঙ্খল আর্থিক ব্যবস্থাপনা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক অগ্রগতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।"
যবিপ্রবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান বলেছেন, এই অর্জন যবিপ্রবির অ্যাকাডেমিক ও গবেষণাভিত্তিক অগ্রযাত্রার গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি। তিনি উল্লেখ করেন, "শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের গবেষণা, উদ্ভাবন ও অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমে ধারাবাহিক উৎকর্ষের প্রতিফলন এ সাফল্য। ভবিষ্যতে গবেষণার পরিধি আরও বিস্তৃত করা এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যবিপ্রবির অবস্থান শক্তিশালী করার জন্য কাজ করা হবে।"
যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর বলেন, এ অর্জন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো একক ব্যক্তি বা বিভাগের নয়; এটি যবিপ্রবি পরিবারের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। তিনি বলেন, "ভবিষ্যতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যবিপ্রবিকে আরও ভালো অবস্থানে নিতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
একসময় আমেরিকার প্রায় প্রতিটি পকেট, কয়েনের জার কিংবা শিশুর পিগি ব্যাংকে দেখা যেত ছোট্ট এক সেন্টের মুদ্রা—পেনি। এই ছোট্ট মুদ্রাটি ছিল দোকানের কাউন্টারে খুচরা ফেরত, ছোটখাটো কেনাকাটা কিংবা সঞ্চয়ের প্রথম ধাপের অংশ। তবে ২৩৪ বছরের দীর্ঘ পথ পেরিয়ে এখন সেই পরিচিত পেনি বিদায়ের পথে।
মার্কিন সিনেটে পেনি তৈরির আনুষ্ঠানিক সমাপ্তির বিল পাস হয়েছে। এই বিল, যা ‘কমন সেন্টস অ্যাক্ট’ নামে পরিচিত, এখন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্বাক্ষরের জন্য অপেক্ষা করছে। যদি বিলটি আইনে পরিণত হয়, তাহলে নতুন পেনি তৈরির বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ হয়ে যাবে। তবে পেনির ইতিহাস আজকের নয়।
১৭৯২ সালে ‘কয়েনেজ অ্যাক্ট’-এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে এক সেন্টের মুদ্রা তৈরির অনুমোদন দেওয়া হয়। এরপর ১৭৯৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের টাকশাল প্রথম পেনি তৈরি করে। সেই সময়ের পেনি ছিল বর্তমান মুদ্রার তুলনায় বড় এবং মূলত তামা দিয়ে তৈরি। পরবর্তীতে পেনি আমেরিকার ইতিহাসের নানা অধ্যায়ের নীরব সাক্ষী হয়ে থেকেছে।
১৯০৯ সালে মুদ্রাটিতে প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকনের ছবি যুক্ত করা হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তামার চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় ১৯৪৩ সালে পেনির একটি সংস্করণ তামার পরিবর্তে ইস্পাত দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে এর ধাতব উপাদানও পরিবর্তিত হয়েছে।
দীর্ঘ এই যাত্রার পর ২০২৫ সালের ১২ নভেম্বর ফিলাডেলফিয়া টাকশালে প্রচলনের জন্য শেষ পেনিটি তৈরি করা হয়। এর মাধ্যমে প্রচলিত পেনির নিয়মিত উৎপাদনের দীর্ঘ ইতিহাসের অবসান ঘটে। তবে মানুষের হাতে থাকা পেনিগুলো এখনো বৈধ মুদ্রা হিসেবে থাকবে এবং সেগুলো দিয়ে লেনদেন করা যাবে।
পেনি তৈরির খরচই মূলত এর বিদায়ের অন্যতম বড় কারণ। মার্কিন টাকশালের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৪ সালে একটি পেনি তৈরি করতে প্রায় ৩ দশমিক ৬৯ সেন্ট খরচ হয়েছে। অথচ মুদ্রাটির মূল্য মাত্র ১ সেন্ট। একই বছরে প্রায় ৩২০ কোটি পেনি তৈরি করা হয়েছিল। এর পাশাপাশি সময়ের সঙ্গে নগদ অর্থের ব্যবহারও কমেছে।
কার্ড, মোবাইল পেমেন্ট ও অন্যান্য ডিজিটাল লেনদেনের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির কারণে এক সেন্টের মতো ছোট মূল্যমানের মুদ্রার ব্যবহার আগের তুলনায় অনেক কমেছে। পেনি সরবরাহ ধীরে ধীরে কমে গেলে নগদ লেনদেনে নতুন নিয়ম চালু হতে পারে।
‘কমন সেন্টস অ্যাক্ট’-এ মোট বিলের অঙ্ক কাছের পাঁচ সেন্টে সমন্বয়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। কোনো মোট বিলের শেষ অঙ্ক ১, ২, ৬ বা ৭ হলে তা নিচের পাঁচ সেন্টে নামিয়ে নেওয়া হবে।
আর শেষ অঙ্ক ৩, ৪, ৮ বা ৯ হলে তা ওপরের পাঁচ সেন্টে নেওয়া হবে। এই নিয়ম শুধু নগদ লেনদেনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। কার্ড বা ডিজিটাল পেমেন্টের ক্ষেত্রে আগের মতোই নির্দিষ্ট সেন্ট পর্যন্ত সঠিক মূল্য পরিশোধ করা যাবে।
অর্থাৎ, আমেরিকার পকেট থেকে পেনি হয়তো ধীরে ধীরে হারিয়ে যাবে। কিন্তু দোকানের কাউন্টারে খুচরা হিসেবে পাওয়া সেই ছোট্ট কয়েন, শিশুর পিগি ব্যাংকে জমিয়ে রাখা প্রথম সঞ্চয় কিংবা পুরোনো কয়েনের জারে পড়ে থাকা এক সেন্ট—এসব স্মৃতির সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ২৩৪ বছরের ইতিহাস সহজে মুছে যাওয়ার নয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারে ৬১১ জন প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার, যা ৪৯তম বিসিএস (বিশেষ) পরীক্ষার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) ২৭ নভেম্বর ২০২৫ তারিখের সুপারিশের ভিত্তিতে ৬১১ জন প্রার্থীকে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের প্রবেশ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
এই ৬১১ জনকে জাতীয় বেতনস্কেল, ২০২৬ অনুযায়ী ৪৪,০০০-১,০৫,৯০০ টাকা বেতনক্রমে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ