শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:১১ পি.এম
টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) স্মার্ট ক্যাম্পাসের বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের ২০২৩–২৪ শিক্ষাবর্ষের তিন শিক্ষার্থীর উদ্যোগে MIFARE DESFire EV3 প্রযুক্তিনির্ভর স্মার্ট স্টুডেন্ট আইডি কার্ড সিস্টেম সফলভাবে ডেভেলপ ও বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
এই স্মার্ট কার্ড, যা উচ্চ নিরাপত্তাসম্পন্ন, শিক্ষার্থীদের পরিচয়পত্র হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি ডিজিটাল অথেনটিকেশন এবং ক্যাশলেস লেনদেনের সুবিধা প্রদান করবে। প্রকল্পের অংশ হিসেবে একটি পিওএস (POS) মেশিন এবং আধুনিক ডায়নামিক ওয়েব পোর্টালও তৈরি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়ায় শিক্ষার্থীরা স্টুডেন্ট আইডি কার্ড ব্যবহার করে নগদ অর্থ ছাড়াই পেমেন্ট সম্পন্ন করতে পারবেন।
প্রকল্পটির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় লাইব্রেরি থেকে বই ইস্যু ও ফেরত, মেডিকেল সেন্টারে টপ-আপ ও চেক-ইন, ডিজিটাল উপস্থিতি, আবাসিক হলে প্রবেশ এবং খাবারের টোকেন ক্রয়সহ বিভিন্ন সেবাকে একই স্মার্ট কার্ডের আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রকল্পটির ব্যাকএন্ড লিড হিসেবে কাজ করেছেন নূর মাহমুদ উল আলম তাসিন, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট ও ইউআই/ইউএক্স ডিজাইন লিড হিসেবে মো. তাহের শেখ এবং হার্ডওয়্যার লিড হিসেবে অনিমেষ বড়ুয়া মুগ্ধ।
প্রকল্পের প্রিন্সিপাল ইনভেস্টিগেটর ছিলেন অধ্যাপক ড. এএসএম দেলোয়ার হোসাইন এবং কো-ইনভেস্টিগেটর ছিলেন অধ্যাপক ড. মতিউর রহমান ও অধ্যাপক ড. মেহেদী হাসান তালুকদার।
সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট ও ইউআই/ইউএক্স লিড মো. তাহের শেখের বাড়ি সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার খাগা গ্রামে। তিনি ২০২০ সালে এসএসসি এবং ২০২২ সালে ময়মনসিংহ সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। বর্তমানে তিনি সিএসই বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।
নিজের উদ্ভাবন সম্পর্কে তাহের শেখ আরটিভিকে বলেন, "যেকোনো সমস্যাই নতুন সমাধানের পথ দেখায়। আমাদের ক্যাফেটেরিয়ায় লাঞ্চ টাইমে টোকেনের জন্য নগদ টাকা দেওয়া ও খুচরা ফেরত নেওয়ার কারণে প্রতিদিন দীর্ঘ লাইন তৈরি হতো। তখনই মনে হয়েছে, প্রযুক্তির মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। শিক্ষকদের সহযোগিতায় আমরা সিএসই ল্যাবেই POS মেশিন থেকে শুরু করে পুরো ক্যাশলেস সিস্টেম নিজেরাই তৈরি করেছি। আমাদের লক্ষ্য শুধু স্মার্ট পেমেন্ট নয়, একই কার্ডের মাধ্যমে হলের টোকেন, লাইব্রেরি, মেডিকেল সেন্টার ও উপস্থিতিসহ একটি পূর্ণাঙ্গ স্মার্ট ক্যাম্পাস গড়ে তোলা।"
ব্যাকএন্ড লিড নূর মাহমুদ উল আলম তাসিনের বাড়ি রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার বালিয়াঘাট্টা গ্রামে। তিনি ২০২১ সালে হরিমোহন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ২০২৩ সালে নিউ গভর্নমেন্ট ডিগ্রি কলেজ, রাজশাহী থেকে এইচএসসি পাস করেন। বর্তমানে তিনিও সিএসই বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।
তাসিন বলেন, "প্রকল্পের শুরুটা ছিল বেশ চ্যালেঞ্জিং। প্রথমে ড. মতিউর রহমান স্যারের পরামর্শে আমরা আইডিয়াটি আইসিটি ডিভিশনে পাঠাই, কিন্তু নতুন কম্পিউটার ইকুইপমেন্ট কেনার বাজেট না থাকায় সেটি অনুমোদন পায়নি। পরে স্যার নিজস্ব অর্থায়নে একটি প্রোটোটাইপ তৈরির সুযোগ দেন। সেই প্রোটোটাইপ উপাচার্যের কাছে উপস্থাপনের পর চূড়ান্ত বাস্তবায়নের জন্য অর্থায়ন পাওয়া যায়।"
হার্ডওয়্যার লিড অনিমেষ বরুয়া মুগ্ধের বাড়ি চট্টগ্রামে। ২০২৩ সালে এইচএসসি পাস করে তিনি মাভাবিপ্রবির সিএসই বিভাগে ভর্তি হন।
মুগ্ধ বলেন, "প্রথম বর্ষে ক্যাফেটেরিয়ায় প্রতিদিন টোকেনের জন্য বিপুল পরিমাণ কাগজের অপচয় দেখে এই প্রকল্পের ভাবনা আসে। শুরুতে লক্ষ্য ছিল একটি ক্যাশলেস পেমেন্ট সিস্টেম তৈরি করা, পরে হলের টোকেন ব্যবস্থাও এতে যুক্ত করার পরিকল্পনা করি। তখনই বুঝতে পারি, এসব সেবার জন্য একটি কেন্দ্রীয় ডিজিটাল ব্যাকবোন প্রয়োজন—আর সেটিই আমরা তৈরি করেছি।"
তিনি আরও বলেন, "এই প্রকল্পের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো এর স্কেলেবিলিটি। ভবিষ্যতে নতুন শিক্ষার্থীরা সহজেই এতে নতুন ফিচার যুক্ত করতে পারবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিচ্ছিন্ন ডিজিটাল সিস্টেম একটি কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্মে পরিচালিত হবে। হার্ডওয়্যার লিড হিসেবে আমি হার্ডওয়্যার ডিজাইন, থ্রিডি মডেলিং এবং সফটওয়্যার–হার্ডওয়্যার ইন্টারফেসিংয়ের কাজ করেছি।"
উল্লেখ্য, গত ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের ১ নম্বর সভাকক্ষে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম, প্রো-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনিছুর রহমানকে সঙ্গে নিয়ে স্মার্ট স্টুডেন্ট আইডি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এ সময় ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের মাঝে স্মার্ট কার্ড বিতরণ করা হয়। একই অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরোনো ওয়ার্ডপ্রেসভিত্তিক ওয়েবসাইটের পরিবর্তে সম্পূর্ণ ডায়নামিক নতুন ওয়েব পোর্টালেরও উদ্বোধন করা হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়া ৫৯ বছর বয়সী স্বপন চন্দ্র দাস নামের এক কয়েদির মৃত্যু ঘটেছে।
শনিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এর আগে, বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়ার পর স্বপনকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছিল।
কারারক্ষী আমিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, স্বপন চন্দ্র দাস ২৩ সেপ্টেম্বর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে কারা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে তার মৃত্যু ঘটে।
তিনি আরও জানান, স্বপন চন্দ্র দাস কেন্দ্রীয় কারাগারে কয়েদি হিসেবে ছিলেন, যার কয়েদি নম্বর ২০৭/এ। তিনি নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার কাশিপুর এলাকার সুধীর চন্দ্র দাসের ছেলে। তবে, কোন মামলায় তিনি কারাবন্দি ছিলেন সে বিষয়ে কারারক্ষী আমিরুল কোনো তথ্য জানাতে পারেননি।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) হাবিবুর রহমান জানিয়েছেন, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি কারা কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
অটিজম এবং প্রতিবন্ধিতা নিয়ে বসবাসকারী ব্যক্তিদের শুধুমাত্র সহায়তার গ্রহীতা হিসেবে নয়, বরং শিক্ষা, কর্মসংস্থান, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও সমাজের সক্রিয় অংশীদার হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের উচ্চপর্যায়ের সপ্তাহের সাইডলাইনে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অটিজম বিষয়ক আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।
প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, অটিজমে আক্রান্ত ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তি ও সহায়তা নিশ্চিত করার জন্য জাতীয় ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করা, প্রমাণভিত্তিক সমাধান গ্রহণ, দক্ষ জনবল উন্নয়ন এবং উদ্ভাবন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি অপরিহার্য।
আন্তর্জাতিক সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, এ ধরনের উদ্যোগগুলো টেকসই জাতীয় সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হতে হবে। একই সঙ্গে অটিজমে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য উপযুক্ত সুযোগ নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় একটি মহিলা মাদরাসার ছাদে খেলার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ৫ ছাত্রী দগ্ধ হয়েছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে ফতুল্লা থানাধীন কাশিপুর হাজীপাড়া এলাকায় মালেহা মহিলা মাদরাসার ছাদে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
দগ্ধ ছাত্রীরা হলো জিদনী (১৪), লামিয়া (১৩), সুমাইয়া (১৩), আসিয়া (১২) ও আতিয়া (১১)। বর্তমানে তারা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. সুলতান মাহমুদ শিকদার।
বিস্তারিত আসছে...
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পর্ষদ সিন্ডিকেটে নতুন তিন সদস্য মনোনীত করা হয়েছে। মনোনীত তিন সদস্য হলেন অধ্যাপক ড. শামসুজ্জামান মিলকী, অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম এবং অধ্যাপক ড. মো. শাহাদাৎ হোসেন।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১১তম সিন্ডিকেট সভায় তাদের নতুন সদস্য হিসেবে মনোনীত করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিন্ডিকেট সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এম. শরীফুল করীম।
জানা গেছে, নতুন তিনজনকে দুটি ক্যাটাগরিতে সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। ডিন ক্যাটাগরিতে মনোনীত হয়েছেন কলা ও মানবিক অনুষদের ডিন এবং বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. শামসুজ্জামান মিলকী এবং সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম।
অধ্যাপক ক্যাটাগরিতে রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. শাহাদাৎ হোসেনকে সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।
এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এম. শরীফুল করীম মন্তব্য করেন, পূর্বে অধ্যাপক ক্যাটাগরিতে সিন্ডিকেট সদস্য ছিলেন মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক আমজাদ হোসেন সরকার। তিনি বর্তমানে উপ-উপাচার্যের দায়িত্ব গ্রহণ করায়, তার স্থলাভিষিক্ত হিসেবে অধ্যাপক ক্যাটাগরিতে রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শাহাদাৎ হোসেনকে সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, আজকের সিন্ডিকেট সভায় ডিন ক্যাটাগরিতে দুজনকে নির্বাচিত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে কলা ও মানবিক অনুষদের ডিন এবং বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. শামসুজ্জামান মিলকী এবং সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ