ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হঠাৎ স্কুলের সামনে সংঘর্ষ, ৯৯৯-এ খবর পেয়ে পুলিশ


হঠাৎ স্কুলের সামনে সংঘর্ষ, ৯৯৯-এ খবর পেয়ে পুলিশ

পূর্ব বিরোধকে কেন্দ্র করে গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে দুই পক্ষের লোকজন মারামারিতে জড়িয়ে পড়ে। এই পরিস্থিতিতে বিদ্যালয়ের ভেতরে আটকা পড়েন শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীরা। পরে খবর পেয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাদেরকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে যাওয়ার ব্যবস্থা করে।

এই ঘটনা ঘটে বুধবার (১ জুলাই) বিকেলে সুনামগঞ্জ-সিলেট সড়কের আহসানমারা সেতুর উত্তরপাড়ে সদর উপজেলার কাঠইর ইউনিয়নের জগজীবনপুর গ্রামে।

সংঘর্ষে জড়িত সন্দেহে পুলিশ সাত জনকে আটক করেছে, এমনটি জানিয়েছেন সদর মডেল থানার ওসি রতন শেখ।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জগজীবনপুর গ্রামের মাওলানা গোষ্ঠীর কাসেম আলী লোকজনের সাথে দ্বন্দ্ব রয়েছে একই গ্রামের বাদশা গোষ্ঠীর দুলাল মিয়ার লোকজনের। কাসেম আলী ও দুলাল মিয়ার লোকজনের মধ্যে দীর্ঘ দিন ধরে বিরোধ ও মামলা মোকদ্দমা চলছে। পূর্ব বিরোধের প্রেক্ষিতে বুধবার বিকেল ৪টার দিকে দুই পক্ষের লোকজন গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এক পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বিদ্যালয় ভবনের ছাদে অবস্থান নেয়।

এই সময় বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা সংঘর্ষের ঘটনাটি সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা সহকারী শিক্ষক সমিতির সভাপতি হারুনুর রশিদকে জানান। শিক্ষক হারুনুর রশিদ ৯৯৯ ফোন করার পরামর্শ দেন এবং বিষয়টি তিনি নিজে সদর থানার পুলিশকে জানান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে আটকে পড়া শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করে নিরাপদে বাড়ি যাওয়ার ব্যবস্থা করে পুলিশ।

সংঘর্ষে উভয় পক্ষের বেশ কয়েক জন আহত হয়েছে বলেও জানা গেছে। তবে আহত এবং পুলিশের হাতে আটককৃতদের নাম জানা যায়নি।

জগজীবনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা জয়শ্রী ভট্টাচার্য্য বলেন, গ্রামের দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে অনেক দিন ধরে বিরোধ চলছে। হঠাৎ করে বিকেলে স্কুলের সামনে মারামারি শুরু হয়। আমরা ৯৯৯ ফোন দিলে পুলিশ স্কুলে আসে এবং পরিস্থিতি শান্ত হয়।

আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা

সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন শেখ জানান, গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্বে দুই পক্ষের মারামারিতে অনেকে আহত হয়েছে। স্কুলের ক্লাস চলাকালীন বিদ্যালয়ের সামনেই মারামারি ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর শতাধিক শিশু ও শিক্ষককে উদ্ধার করে। ঘটনাস্থল থেকে ৭ জনকে আটক করা হয়েছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পুলিশের হাত এড়াতে কচুরিপানার মধ্যে সাড়ে তিন ঘণ্টা আত্মগোপন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৩৯ পি.এম


পুলিশের হাত এড়াতে কচুরিপানার মধ্যে সাড়ে তিন ঘণ্টা আত্মগোপন

একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে (দোকান) চুরি করতে গিয়ে এলাকাবাসীর ধাওয়া খেয়ে প্রাণ বাঁচাতে খালের কচুরিপানার মধ্যে সাড়ে তিনঘণ্টা নাক বের করে লুকিয়ে থেকেও শেষরক্ষা হয়নি এক চোরের। গ্রামবাসীর প্রাণপণ চেষ্টায় অবশেষে খালের কচুরিপানার মধ্যে লুকিয়ে থাকা চোরকে আটক করা হয়েছে।

ঘটনাটি বরিশালের গৌরনদী উপজেলার মাহিলাড়া ইউনিয়নের পূর্ব শরিফাবাদ গ্রামের। আটক চোর সুজন হাওলাদার (৩২) পাশের হাপানিয়া গ্রামের জলিল হাওলাদারের ছেলে।

 

বুধবার সকালে ওই গ্রামের বাসিন্দা সজিব হাওলাদার জানান, মঙ্গলবার দিনগত রাত ৩টার দিকে গ্রামের ইউনুস হাওলাদারের দোকানের টিনের বেড়া কেটে চুরি করতে ঢুকে এক চোর। দোকানের মালামাল চুরি করার সময় স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে ডাকচিৎকার শুরু করে। একপর্যায়ে পালিয়ে বাঁচতে দোকানের পাশে খালের কচুরিপানার মধ্যে ঝাঁপ দেয় ওই চোর। পরবর্তীতে সাড়ে তিনঘণ্টা তল্লাশি চালিয়ে বুধবার (পহেলা জুলাই) ভোর সাড়ে ছয়টার দিকে কচুরিপানার মধ্যে নাক বের করা অবস্থায় চোরকে আটক করা হয়।

 

 

তিনি আরও জানান, দীর্ঘক্ষণ পানিতে থাকার কারনে চোর সুজন অসুস্থ হয়ে পড়েছে। তাই তার চিকিৎসার জন্য স্থানীয় ইউপি সদস্য ও তার (সুজন) বড় ভাইয়ের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।

 

 

গৌরনদী মডেল থানার ওসি তারিক হাসান রাসেল জানিয়েছেন, এ বিষয়ে এখনও কেউ থানা পুলিশকে অবগত করেননি। চোরের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনায় লড়াইয়ে বিশ্বখ্যাত ৫ এভিয়েশন কোম্পানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৪৫ পি.এম


শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনায় লড়াইয়ে বিশ্বখ্যাত ৫ এভিয়েশন কোম্পানি

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের (এইচএসআইএ) তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনার দায়িত্ব পেতে বিশ্বের পাঁচটি শীর্ষস্থানীয় বিমানবন্দর সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান প্রতিযোগিতায় নেমেছে, যা বাংলাদেশের বিমান পরিবহন খাতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এটি আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে ওঠার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের লক্ষ্যের প্রতি ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক আস্থারই প্রতিফলন।

স্বাধীনতার পর এই প্রথমবারের মতো বিশ্বখ্যাত বিমানবন্দর সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং খাতে প্রবেশ করতে চাইছে। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) তৃতীয় টার্মিনালে যাত্রী গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের জন্য দ্বিতীয় অপারেটর নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরই এই আগ্রহ দেখা গেছে।

আলোচনার সঙ্গে যুক্ত বেবিচকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন যে, যাত্রীসেবা সম্পর্কিত গ্রাউন্ড সার্ভিসের জন্য দ্বিতীয় একজন অপারেটর নিয়োগ করা হবে। তবে নতুন টার্মিনালের কার্গো হ্যান্ডলিং বা পণ্য ওঠানো-নামানোর দায়িত্ব এককভাবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের হাতেই থাকবে।

ওই কর্মকর্তা বলেন, দ্বিতীয় হ্যান্ডলারের কাজ শুধু যাত্রী ও গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং কার্যক্রমের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে। কার্গো হ্যান্ডলিংয়ের দায়িত্ব এককভাবে বিমানের কাছেই থাকছে।

আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে যুক্তরাজ্যের মেনজিস এভিয়েশন, সুইজারল্যান্ডের সুইসপোর্ট, তুরস্কের চেলেবি এভিয়েশন হোল্ডিং, সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) এমিরেটস গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ডনাটা এবং সিঙ্গাপুরের স্যাটস। এই সবগুলোই বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত বিমানবন্দর সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান।

বেবিচকের সাবেক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) মুহাম্মদ মাফিদুর রহমান বলেন, একসঙ্গে এতগুলো আন্তর্জাতিক এভিয়েশন কোম্পানির আগ্রহ দেখানোর ঘটনা বাংলাদেশে বিরল। এটি দক্ষিণ এশিয়ার এভিয়েশন খাতে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান কৌশলগত গুরুত্বকেই প্রমাণ করে।

কূটনৈতিক তৎপরতায় আস্থার প্রতিফলন
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে যুক্তরাজ্য, সুইজারল্যান্ড, তুরস্ক এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূতরা বাংলাদেশের এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে পৃথকভাবে বৈঠক করেছেন। সেখানে তারা নিজ নিজ দেশের কোম্পানির আগ্রহের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন।

মাফিদুর রহমান বলেন, এই কূটনৈতিক তৎপরতা প্রমাণ করে, বাংলাদেশের সম্প্রসারণশীল এভিয়েশন বাজারকে বিশ্ব কতটা বাণিজ্যিক গুরুত্ব দিচ্ছে এবং দেশের দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনার ওপর আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের কতটা আস্থা রয়েছে।

একটি যুগান্তকারী সংস্কার
তৃতীয় টার্মিনালের এই সিদ্ধান্তটি একটি বড় ধরনের নীতিগত পরিবর্তনকে নির্দেশ করে। কারণ, গত কয়েক দশক ধরে যাত্রী গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের একক দায়িত্ব ছিল বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ওপর। এখন সেখানে প্রতিযোগিতা তৈরি হচ্ছে।

বিদেশি এয়ারলাইন্সগুলো দীর্ঘদিন ধরেই এই খাতে আরও বেশি প্রতিযোগিতার দাবি জানিয়ে আসছিল। তাদের মতে, এর ফলে সেবার মান উন্নত হবে, উড়োজাহাজ প্রস্তুত করার সময় কমবে এবং বাংলাদেশের বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক মানের সমপর্যায়ে পৌঁছাবে।

নভোএয়ারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং এয়ারলাইন অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (এওএবি) সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, আমি মনে করি, বিষয়টি আরও গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা দরকার, এমনকি এটি পরের ধাপে করা হলেও চলতো। তবে আপাতত যাত্রী সেবা হ্যান্ডলিংয়ে অন্তত প্রতিযোগিতা শুরু হচ্ছে দেখে আমি আনন্দিত।

বিশিষ্ট এভিয়েশন উদ্যোক্তা এবং টাস এভিয়েশন গ্রুপের চেয়ারম্যান কে এম মুজিবুল হকও এই বৈশ্বিক আগ্রহকে একটি ইতিবাচক দিক বলে মনে করছেন।

তিনি বলেন, কার্গো ভিলেজ এবং গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং-উভয় কার্যক্রমই আন্তর্জাতিকভাবে অভিজ্ঞ অপারেটরদের দ্বারা পরিচালিত হওয়া উচিত।

বেবিচকের সাবেক চেয়ারম্যান মাফিদুর রহমানও মনে করেন, টার্মিনালের উন্নত কার্গো সিস্টেমের সর্বোচ্চ সুফল পেতে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের সহায়তা নেওয়া যেতে পারে।

তিনি বলেন, যেসব যন্ত্রপাতি বসানো হয়েছে তা অত্যন্ত আধুনিক এবং এগুলো পরিচালনার জন্য অভিজ্ঞ অপারেটরের প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, শুরুতেই বিমানের পাশাপাশি একজন অভিজ্ঞ আন্তর্জাতিক অপারেটর কাজ করলে ভালো হতো। এতে করে পুরোপুরি স্থানীয়ভাবে পরিচালনার আগে আমাদের জনবল কাজগুলো শিখে নিতে পারত।

তবে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, হতাশ হওয়ার কিছু নেই। দক্ষ পেশাদারদের সঠিকভাবে কাজে লাগানো গেলে এভিয়েশন খাত নতুন গতি পাবে।

বিমানের আত্মবিশ্বাস
বিমানের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) বোসরা ইসলাম জানান, বিমান ইতোমধ্যেই প্রয়োজনীয় গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং যন্ত্রপাতি সংগ্রহ করেছে এবং তৃতীয় টার্মিনালের জন্য আরও ১ হাজারের বেশি অতিরিক্ত কর্মী নিয়োগ করেছে।

তিনি বলেন, আমরা তৃতীয় টার্মিনালে যাত্রী ও কার্গো হ্যান্ডলিং কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত।

তিনি আরও জানান, বিমান কার্গো হ্যান্ডলিং ব্যবস্থার বিষয়ে জাপানি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে কাজ করছে। তবে দ্বিতীয় যাত্রী গ্রাউন্ড হ্যান্ডলার নিয়োগের বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক চিঠি তারা পাননি।

চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরের পর জাপান এয়ারপোর্ট টার্মিনাল কোম্পানি, সুমিতোমো কর্পোরেশন, নিপ্পন কোয়েই এবং নারিতা ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট কর্পোরেশন সমন্বয়ে গঠিত একটি জাপানি কনসোর্টিয়াম হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব নেবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আফগানিস্তান পাকিস্তানে পাল্টা হামলা চালিয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৪৮ পি.এম


আফগানিস্তান পাকিস্তানে পাল্টা হামলা চালিয়েছে

আফগানিস্তান পাকিস্তান সীমান্তে পাল্টা হামলা চালিয়েছে। সম্প্রতি পাকিস্তানের বিমান হামলায় আফগানিস্তানের অভ্যন্তরে ব্যাপক বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার জেরে আফগান বাহিনী ড্রোন হামলা করেছে। এটি জানানো হয়েছে আল জাজিরার প্রতিবেদনে।

এবং প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, তালেবান কর্তৃপক্ষ আফগানিস্তান জানিয়েছে, তারা পাকিস্তান সীমান্তবর্তী কিছু লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলা চালিয়েছে। এদিকে পাকিস্তান জানিয়েছে, তাদের বাহিনী দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ বেলুচিস্তানে চারটি ড্রোন ভূপাতিত করেছে। সেইসাথে ইসলামাবাদ ভবিষ্যতে যেকোনো ধরনের উসকানির বিরুদ্ধে উপযুক্ত জবাব দেওয়ার জন্য হুশিয়ারি উচ্চারণ করেছে।

সম্প্রতি প্রতিবেশী এই দুই দেশের মধ্যে হামলা পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটেছে। প্রাণঘাতী সংঘর্ষের পর গত বছরের অক্টোবরে দুই দেশ একটি যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছিল। কিছুমাস তুলনামূলক শান্ত থাকার পর আবারও উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।

গত রোববার (২৮ জুন) আফগানিস্তানে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে ভয়াবহ বিমান হামলা চালানো হয়। হামলার পর তালেবান সরকার পাল্টা জবাব দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে। কয়েকদিনের মধ্যেই আফগান বাহিনী ড্রোন হামলা চালিয়েছে।

পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী জানায়, আফগান তালেবান বাহিনী বেলুচিস্তানের সীমান্ত দিয়ে চারটি সাধারণ ড্রোন ছুঁড়েছে, পাকিস্তানের শক্তিশালী বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তাৎক্ষণিকভাবে এই শত্রুভাবাপন্ন আকাশযানগুলো শনাক্ত করেছে।

তাদের আরও দাবি, ‘আফগান তালেবান যদি পাকিস্তানকে উস্কানি দিতে থাকে, তবে তারা এর উপযুক্ত জবাব পাবে, যার জন্য তাদের চরম মূল্য দিতে হবে।’

অপরদিকে, আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় তাদের ওয়েবসাইটে জানায়, তারা বেলুচিস্তান এবং উত্তর-পশ্চিম খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে ‘বিমান হামলা’ চালিয়েছে, যাতে আইএসআইএল (আইএসআইএস)-এর এক সহযোগী সংগঠনের সদস্যরা হতাহত হয়েছে।

তালেবানদের সামরিক বাহিনীতে কোনো যুদ্ধবিমান নেই এবং তাদের কাছে একটি কার্যকর বিমান বাহিনীও নেই, কিন্তু তারা পাকিস্তানের সাথে লড়াইয়ে ছোট ড্রোন ব্যবহার করেছে, মূলত সীমান্ত অঞ্চলে হামলা চালানোর জন্য।

২০২১ সালে তালেবানরা কাবুলের ক্ষমতা দখল করার পর থেকেই পাকিস্তান-আফগানিস্তান সম্পর্ক উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। ফেব্রুয়ারি মাস থেকে সীমান্ত-সংলগ্ন লড়াইয়ে শত শত মানুষ প্রাণ হারিয়েছে, যখন পাকিস্তান আফগান ভূখণ্ডের ভেতরে বিমান হামলা চালিয়েছে এবং আফগানিস্তান প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়েছে।

করাচিতে গত সপ্তাহে এক প্রাণঘাতী হামলার পর পাকিস্তান পূর্ব আফগানিস্তানে হামলা চালায়, যাতে অনেক মানুষের প্রাণহানি ঘটে। ইসলামাবাদ জানিয়েছে, তারা জঙ্গিদের লক্ষ্য করে হামলা করেছে, কিন্তু আফগান সরকার বলেছে যে, এতে অন্তত ৩৬ জন বেসামরিক নাগরিক হতাহত হয়েছে।

পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে যে, আফগানিস্তান তাদের ভূখণ্ডে পাকিস্তান বিরোধী সন্ত্রাসীদের আশ্রয় দিচ্ছে। তবে, তালেবান সরকার এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে আসছে। তারা উল্টো অভিযোগ করছে, ইসলামাবাদ বিনা উসকানিতে আফগান ভূখণ্ডে হামলা চালিয়ে বেসামরিক নাগরিকদের হত্যা করছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নৌপথে যাত্রীসেবার মানোন্নয়নে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিলেন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৫৪ পি.এম


নৌপথে যাত্রীসেবার মানোন্নয়নে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিলেন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান নৌপথে যাত্রীসেবার মানোন্নয়নে ফেরিঘাটের অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি ফেরিঘাট এলাকায় সার্বক্ষণিক নজরদারি নিশ্চিত করতে দ্রুত সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, নিরাপত্তা ব্যবস্থার আরও উন্নয়ন এবং সেবার মান বৃদ্ধি করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন ।

বুধবার দুপুরে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ আরিচা-দৌলতদিয়া ফেরিঘাট পরিদর্শনকালে এ নির্দেশনা দেন। 

পরিদর্শনকালে তিনি ফেরি চলাচল, যানবাহন ও যাত্রী ব্যবস্থাপনা, ঘাটের সার্বিক অবকাঠামো, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।

প্রতিমন্ত্রী ঘাট এলাকায় উপস্থিত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং ঈদসহ বিভিন্ন উৎসব মৌসুম ও স্বাভাবিক সময়ে যাত্রী ও যানবাহনের নির্বিঘ্ন পারাপার নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও সমন্বয় জোরদারের নির্দেশনা দেন। 

তিনি বলেন, দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের যাতায়াত ও পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে আরিচা-দৌলতদিয়া নৌপথ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই এই নৌপথে নিরাপদ, নিরবচ্ছিন্ন ও মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

পরিদর্শনের সময় প্রতিমন্ত্রী ফেরির আধুনিকায়ন কার্যক্রম, ঘাটের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং যাত্রীসেবার মানোন্নয়নে গৃহীত উদ্যোগসমূহ পর্যালোচনা করেন।  

এ সময় স্থানীয় একটি গণমাধ্যমে প্রচারিত প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আরিচা ফেরিঘাটে রডের পরিবর্তে বাঁশ ব্যবহারের অভিযোগের বিষয়টি তিনি গুরুত্বসহকারে সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। 

সংশ্লিষ্টরা জানান, ফেরিঘাটের এ অ্যাপ্রোচরোড অস্থায়ীভাবে নির্মাণ করা হয়। রাস্তাটির প্রকৌশল ডিজাইনেও বাঁশ দিয়ে তৈরির বিষয়টি রয়েছে। এটি একটি অস্থায়ী রাস্তা, যা প্রতি দুই-তিন মাস অন্তর পরিবর্তিত হয়ে থাকে। প্রচলিত নিয়মও সেটা । বিগত ১৯৬৩ সাল থেকেই  এটি একটি প্রচলিত পদ্ধতি হিসেবে স্বীকৃত আছে। এখানেও সেভাবে কাজ করা হয়েছে ।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যমে প্রকাশিত যেকোনো অভিযোগ সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে এবং প্রয়োজনে তাৎক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণ করে। তিনি নির্মাণকাজে গুণগত মান, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন।

তিনি আরও বলেন, যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন, নিরাপদ নৌ-চলাচল এবং সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের যথাযথ বাস্তবায়নে কোনো ধরনের অবহেলা বা অনিয়ম বরদাশত করা হবে না।

জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী দক্ষ, আধুনিক, নিরাপদ ও স্বচ্ছ নৌপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করে যাত্রীসেবা আরও উন্নত, নিরাপদ, আধুনিক ও জনবান্ধব করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সব ধরনের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করেন। 

এ সময় বিআইডব্লিউটিএ ও বিআইডব্লিউটিসি-সহ সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। 

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%