ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনায় লড়াইয়ে বিশ্বখ্যাত ৫ এভিয়েশন কোম্পানি


শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনায় লড়াইয়ে বিশ্বখ্যাত ৫ এভিয়েশন কোম্পানি

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের (এইচএসআইএ) তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনার দায়িত্ব পেতে বিশ্বের পাঁচটি শীর্ষস্থানীয় বিমানবন্দর সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান প্রতিযোগিতায় নেমেছে, যা বাংলাদেশের বিমান পরিবহন খাতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এটি আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে ওঠার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের লক্ষ্যের প্রতি ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক আস্থারই প্রতিফলন।

স্বাধীনতার পর এই প্রথমবারের মতো বিশ্বখ্যাত বিমানবন্দর সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং খাতে প্রবেশ করতে চাইছে। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) তৃতীয় টার্মিনালে যাত্রী গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের জন্য দ্বিতীয় অপারেটর নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরই এই আগ্রহ দেখা গেছে।

আলোচনার সঙ্গে যুক্ত বেবিচকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন যে, যাত্রীসেবা সম্পর্কিত গ্রাউন্ড সার্ভিসের জন্য দ্বিতীয় একজন অপারেটর নিয়োগ করা হবে। তবে নতুন টার্মিনালের কার্গো হ্যান্ডলিং বা পণ্য ওঠানো-নামানোর দায়িত্ব এককভাবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের হাতেই থাকবে।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

ওই কর্মকর্তা বলেন, দ্বিতীয় হ্যান্ডলারের কাজ শুধু যাত্রী ও গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং কার্যক্রমের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে। কার্গো হ্যান্ডলিংয়ের দায়িত্ব এককভাবে বিমানের কাছেই থাকছে।

আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে যুক্তরাজ্যের মেনজিস এভিয়েশন, সুইজারল্যান্ডের সুইসপোর্ট, তুরস্কের চেলেবি এভিয়েশন হোল্ডিং, সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) এমিরেটস গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ডনাটা এবং সিঙ্গাপুরের স্যাটস। এই সবগুলোই বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত বিমানবন্দর সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান।

বেবিচকের সাবেক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) মুহাম্মদ মাফিদুর রহমান বলেন, একসঙ্গে এতগুলো আন্তর্জাতিক এভিয়েশন কোম্পানির আগ্রহ দেখানোর ঘটনা বাংলাদেশে বিরল। এটি দক্ষিণ এশিয়ার এভিয়েশন খাতে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান কৌশলগত গুরুত্বকেই প্রমাণ করে।

কূটনৈতিক তৎপরতায় আস্থার প্রতিফলন
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে যুক্তরাজ্য, সুইজারল্যান্ড, তুরস্ক এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূতরা বাংলাদেশের এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে পৃথকভাবে বৈঠক করেছেন। সেখানে তারা নিজ নিজ দেশের কোম্পানির আগ্রহের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

মাফিদুর রহমান বলেন, এই কূটনৈতিক তৎপরতা প্রমাণ করে, বাংলাদেশের সম্প্রসারণশীল এভিয়েশন বাজারকে বিশ্ব কতটা বাণিজ্যিক গুরুত্ব দিচ্ছে এবং দেশের দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনার ওপর আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের কতটা আস্থা রয়েছে।

একটি যুগান্তকারী সংস্কার
তৃতীয় টার্মিনালের এই সিদ্ধান্তটি একটি বড় ধরনের নীতিগত পরিবর্তনকে নির্দেশ করে। কারণ, গত কয়েক দশক ধরে যাত্রী গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের একক দায়িত্ব ছিল বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ওপর। এখন সেখানে প্রতিযোগিতা তৈরি হচ্ছে।

বিদেশি এয়ারলাইন্সগুলো দীর্ঘদিন ধরেই এই খাতে আরও বেশি প্রতিযোগিতার দাবি জানিয়ে আসছিল। তাদের মতে, এর ফলে সেবার মান উন্নত হবে, উড়োজাহাজ প্রস্তুত করার সময় কমবে এবং বাংলাদেশের বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক মানের সমপর্যায়ে পৌঁছাবে।

নভোএয়ারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং এয়ারলাইন অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (এওএবি) সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন: ক্ষমা চাইলেন ‘পাপের লাশ বাংলাদেশে আসুক চাই না’ বলা এমপি রতন

তিনি বলেন, আমি মনে করি, বিষয়টি আরও গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা দরকার, এমনকি এটি পরের ধাপে করা হলেও চলতো। তবে আপাতত যাত্রী সেবা হ্যান্ডলিংয়ে অন্তত প্রতিযোগিতা শুরু হচ্ছে দেখে আমি আনন্দিত।

বিশিষ্ট এভিয়েশন উদ্যোক্তা এবং টাস এভিয়েশন গ্রুপের চেয়ারম্যান কে এম মুজিবুল হকও এই বৈশ্বিক আগ্রহকে একটি ইতিবাচক দিক বলে মনে করছেন।

তিনি বলেন, কার্গো ভিলেজ এবং গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং-উভয় কার্যক্রমই আন্তর্জাতিকভাবে অভিজ্ঞ অপারেটরদের দ্বারা পরিচালিত হওয়া উচিত।

বেবিচকের সাবেক চেয়ারম্যান মাফিদুর রহমানও মনে করেন, টার্মিনালের উন্নত কার্গো সিস্টেমের সর্বোচ্চ সুফল পেতে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের সহায়তা নেওয়া যেতে পারে।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

তিনি বলেন, যেসব যন্ত্রপাতি বসানো হয়েছে তা অত্যন্ত আধুনিক এবং এগুলো পরিচালনার জন্য অভিজ্ঞ অপারেটরের প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, শুরুতেই বিমানের পাশাপাশি একজন অভিজ্ঞ আন্তর্জাতিক অপারেটর কাজ করলে ভালো হতো। এতে করে পুরোপুরি স্থানীয়ভাবে পরিচালনার আগে আমাদের জনবল কাজগুলো শিখে নিতে পারত।

তবে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, হতাশ হওয়ার কিছু নেই। দক্ষ পেশাদারদের সঠিকভাবে কাজে লাগানো গেলে এভিয়েশন খাত নতুন গতি পাবে।

বিমানের আত্মবিশ্বাস
বিমানের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) বোসরা ইসলাম জানান, বিমান ইতোমধ্যেই প্রয়োজনীয় গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং যন্ত্রপাতি সংগ্রহ করেছে এবং তৃতীয় টার্মিনালের জন্য আরও ১ হাজারের বেশি অতিরিক্ত কর্মী নিয়োগ করেছে।

আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত

তিনি বলেন, আমরা তৃতীয় টার্মিনালে যাত্রী ও কার্গো হ্যান্ডলিং কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত।

তিনি আরও জানান, বিমান কার্গো হ্যান্ডলিং ব্যবস্থার বিষয়ে জাপানি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে কাজ করছে। তবে দ্বিতীয় যাত্রী গ্রাউন্ড হ্যান্ডলার নিয়োগের বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক চিঠি তারা পাননি।

চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরের পর জাপান এয়ারপোর্ট টার্মিনাল কোম্পানি, সুমিতোমো কর্পোরেশন, নিপ্পন কোয়েই এবং নারিতা ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট কর্পোরেশন সমন্বয়ে গঠিত একটি জাপানি কনসোর্টিয়াম হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব নেবে।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে মৃত্যু বেড়ে ৪, হাসপাতালে ভর্তি ১৮৫১ জন

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আফগানিস্তান পাকিস্তানে পাল্টা হামলা চালিয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৪৮ পি.এম


আফগানিস্তান পাকিস্তানে পাল্টা হামলা চালিয়েছে

আফগানিস্তান পাকিস্তান সীমান্তে পাল্টা হামলা চালিয়েছে। সম্প্রতি পাকিস্তানের বিমান হামলায় আফগানিস্তানের অভ্যন্তরে ব্যাপক বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার জেরে আফগান বাহিনী ড্রোন হামলা করেছে। এটি জানানো হয়েছে আল জাজিরার প্রতিবেদনে।

এবং প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, তালেবান কর্তৃপক্ষ আফগানিস্তান জানিয়েছে, তারা পাকিস্তান সীমান্তবর্তী কিছু লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলা চালিয়েছে। এদিকে পাকিস্তান জানিয়েছে, তাদের বাহিনী দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ বেলুচিস্তানে চারটি ড্রোন ভূপাতিত করেছে। সেইসাথে ইসলামাবাদ ভবিষ্যতে যেকোনো ধরনের উসকানির বিরুদ্ধে উপযুক্ত জবাব দেওয়ার জন্য হুশিয়ারি উচ্চারণ করেছে।

সম্প্রতি প্রতিবেশী এই দুই দেশের মধ্যে হামলা পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটেছে। প্রাণঘাতী সংঘর্ষের পর গত বছরের অক্টোবরে দুই দেশ একটি যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছিল। কিছুমাস তুলনামূলক শান্ত থাকার পর আবারও উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।

গত রোববার (২৮ জুন) আফগানিস্তানে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে ভয়াবহ বিমান হামলা চালানো হয়। হামলার পর তালেবান সরকার পাল্টা জবাব দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে। কয়েকদিনের মধ্যেই আফগান বাহিনী ড্রোন হামলা চালিয়েছে।

পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী জানায়, আফগান তালেবান বাহিনী বেলুচিস্তানের সীমান্ত দিয়ে চারটি সাধারণ ড্রোন ছুঁড়েছে, পাকিস্তানের শক্তিশালী বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তাৎক্ষণিকভাবে এই শত্রুভাবাপন্ন আকাশযানগুলো শনাক্ত করেছে।

তাদের আরও দাবি, ‘আফগান তালেবান যদি পাকিস্তানকে উস্কানি দিতে থাকে, তবে তারা এর উপযুক্ত জবাব পাবে, যার জন্য তাদের চরম মূল্য দিতে হবে।’

অপরদিকে, আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় তাদের ওয়েবসাইটে জানায়, তারা বেলুচিস্তান এবং উত্তর-পশ্চিম খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে ‘বিমান হামলা’ চালিয়েছে, যাতে আইএসআইএল (আইএসআইএস)-এর এক সহযোগী সংগঠনের সদস্যরা হতাহত হয়েছে।

তালেবানদের সামরিক বাহিনীতে কোনো যুদ্ধবিমান নেই এবং তাদের কাছে একটি কার্যকর বিমান বাহিনীও নেই, কিন্তু তারা পাকিস্তানের সাথে লড়াইয়ে ছোট ড্রোন ব্যবহার করেছে, মূলত সীমান্ত অঞ্চলে হামলা চালানোর জন্য।

২০২১ সালে তালেবানরা কাবুলের ক্ষমতা দখল করার পর থেকেই পাকিস্তান-আফগানিস্তান সম্পর্ক উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। ফেব্রুয়ারি মাস থেকে সীমান্ত-সংলগ্ন লড়াইয়ে শত শত মানুষ প্রাণ হারিয়েছে, যখন পাকিস্তান আফগান ভূখণ্ডের ভেতরে বিমান হামলা চালিয়েছে এবং আফগানিস্তান প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়েছে।

করাচিতে গত সপ্তাহে এক প্রাণঘাতী হামলার পর পাকিস্তান পূর্ব আফগানিস্তানে হামলা চালায়, যাতে অনেক মানুষের প্রাণহানি ঘটে। ইসলামাবাদ জানিয়েছে, তারা জঙ্গিদের লক্ষ্য করে হামলা করেছে, কিন্তু আফগান সরকার বলেছে যে, এতে অন্তত ৩৬ জন বেসামরিক নাগরিক হতাহত হয়েছে।

পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে যে, আফগানিস্তান তাদের ভূখণ্ডে পাকিস্তান বিরোধী সন্ত্রাসীদের আশ্রয় দিচ্ছে। তবে, তালেবান সরকার এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে আসছে। তারা উল্টো অভিযোগ করছে, ইসলামাবাদ বিনা উসকানিতে আফগান ভূখণ্ডে হামলা চালিয়ে বেসামরিক নাগরিকদের হত্যা করছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নৌপথে যাত্রীসেবার মানোন্নয়নে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিলেন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৫৪ পি.এম


নৌপথে যাত্রীসেবার মানোন্নয়নে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিলেন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান নৌপথে যাত্রীসেবার মানোন্নয়নে ফেরিঘাটের অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি ফেরিঘাট এলাকায় সার্বক্ষণিক নজরদারি নিশ্চিত করতে দ্রুত সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, নিরাপত্তা ব্যবস্থার আরও উন্নয়ন এবং সেবার মান বৃদ্ধি করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন ।

বুধবার দুপুরে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ আরিচা-দৌলতদিয়া ফেরিঘাট পরিদর্শনকালে এ নির্দেশনা দেন। 

পরিদর্শনকালে তিনি ফেরি চলাচল, যানবাহন ও যাত্রী ব্যবস্থাপনা, ঘাটের সার্বিক অবকাঠামো, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।

প্রতিমন্ত্রী ঘাট এলাকায় উপস্থিত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং ঈদসহ বিভিন্ন উৎসব মৌসুম ও স্বাভাবিক সময়ে যাত্রী ও যানবাহনের নির্বিঘ্ন পারাপার নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও সমন্বয় জোরদারের নির্দেশনা দেন। 

তিনি বলেন, দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের যাতায়াত ও পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে আরিচা-দৌলতদিয়া নৌপথ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই এই নৌপথে নিরাপদ, নিরবচ্ছিন্ন ও মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

পরিদর্শনের সময় প্রতিমন্ত্রী ফেরির আধুনিকায়ন কার্যক্রম, ঘাটের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং যাত্রীসেবার মানোন্নয়নে গৃহীত উদ্যোগসমূহ পর্যালোচনা করেন।  

এ সময় স্থানীয় একটি গণমাধ্যমে প্রচারিত প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আরিচা ফেরিঘাটে রডের পরিবর্তে বাঁশ ব্যবহারের অভিযোগের বিষয়টি তিনি গুরুত্বসহকারে সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। 

সংশ্লিষ্টরা জানান, ফেরিঘাটের এ অ্যাপ্রোচরোড অস্থায়ীভাবে নির্মাণ করা হয়। রাস্তাটির প্রকৌশল ডিজাইনেও বাঁশ দিয়ে তৈরির বিষয়টি রয়েছে। এটি একটি অস্থায়ী রাস্তা, যা প্রতি দুই-তিন মাস অন্তর পরিবর্তিত হয়ে থাকে। প্রচলিত নিয়মও সেটা । বিগত ১৯৬৩ সাল থেকেই  এটি একটি প্রচলিত পদ্ধতি হিসেবে স্বীকৃত আছে। এখানেও সেভাবে কাজ করা হয়েছে ।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যমে প্রকাশিত যেকোনো অভিযোগ সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে এবং প্রয়োজনে তাৎক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণ করে। তিনি নির্মাণকাজে গুণগত মান, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন।

তিনি আরও বলেন, যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন, নিরাপদ নৌ-চলাচল এবং সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের যথাযথ বাস্তবায়নে কোনো ধরনের অবহেলা বা অনিয়ম বরদাশত করা হবে না।

জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী দক্ষ, আধুনিক, নিরাপদ ও স্বচ্ছ নৌপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করে যাত্রীসেবা আরও উন্নত, নিরাপদ, আধুনিক ও জনবান্ধব করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সব ধরনের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করেন। 

এ সময় বিআইডব্লিউটিএ ও বিআইডব্লিউটিসি-সহ সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। 

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রথমার্ধে ইংল্যান্ডকে চাপে রেখে এগিয়ে কঙ্গো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৫৮ পি.এম


প্রথমার্ধে ইংল্যান্ডকে চাপে রেখে এগিয়ে কঙ্গো

নকআউটপর্বের প্রথম দিনেই অঘটনের শিকার হয়েছিল জার্মানি এবং নেদারল্যান্ডস। এবার একই ধরনের হুমকির মুখোমুখি ইংল্যান্ডও। কঙ্গোর বিপক্ষে পিছিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করেছে হ্যারি কেইন-জুড বেলিংহামরা।

আটলান্টায় ম্যাচের শুরু থেকেই ভয়ডরহীন ফুটবল খেলে আসছে কঙ্গো। আর সেটাতেই ফলাফল এসেছে। অষ্টম মিনিটে একটি দারুণ গোলের মাধ্যমে ইংল্যান্ডকে স্তব্ধ করে দেয় আফ্রিকার এই দলটি। ডি-বক্সের বাঁ দিক থেকে দারুণ এক ডান পায়ের শটে বল জালে জড়িয়ে কঙ্গোকে লিড এনে দেন ব্রায়ান সিপেঙ্গা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাত পোহালেই শুরু হচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:০৩ পি.এম


রাত পোহালেই শুরু হচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা

রাত পোহালেই অভিন্ন প্রশ্নপত্রে শুরু হচ্ছে ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল ১০টায় বাংলা প্রথম পত্রের মাধ্যমে এ পরীক্ষা শুরু হবে।

পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে অনুষ্ঠিত হওয়া এ পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী। সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা থেকে শুরু করে পরীক্ষার্থীদের জন্য একাধিক কঠোর নির্দেশনাও এরইমধ্যে জারি করেছে শিক্ষা বোর্ড।

 

এদিকে কেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে সাধারণ মানুষের প্রবেশও নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

 

এ বছরের এইচএসসি ও সমমানের লিখিত পরীক্ষা চলবে ২ জুলাই থেকে ৮ আগস্ট পর্যন্ত। ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করতে হবে ১৫ আগস্টের মধ্যে। ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড এরইমধ্যে পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করেছে।

 

নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী সকাল ১০টায় শুরু হওয়া পরীক্ষা চলবে বেলা ১টা পর্যন্ত। দ্বিতীয় শিফটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বেলা ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই পরীক্ষাকক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে।

 

এ বছর নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী ফরম পূরণ করেছেন। এর মধ্যে নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষার্থী ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন এবং মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষার্থী ২ লাখ ৮৬৯ জন। গত বছরের তুলনায় এবার পরীক্ষার্থী বেড়েছে ১৯ হাজার ৪৭২ জন।

 

পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এবারের পরীক্ষায় নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অভিন্ন প্রশ্নপত্র ব্যবহার করা হবে। আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড জানিয়েছে, সব শিক্ষা বোর্ডে একই প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়া হবে এবং প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। একই সঙ্গে সব বোর্ডে একই মানদণ্ডে উত্তরপত্র মূল্যায়ন নিশ্চিত করাও বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন শিক্ষাবিদরা।

 

 

এবার সারা দেশে ২ হাজার ৯৯৭টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ১৪৫টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যার ৪০টিই রাজধানী ঢাকায়।

 

সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে কেন্দ্র পরিচালনা, প্রশ্নপত্র বিতরণ, উত্তরপত্র সংরক্ষণ, পরীক্ষার্থী প্রবেশ, কক্ষ ব্যবস্থাপনা, ক্যালকুলেটর ব্যবহার, শৌচাগার তল্লাশি এবং ডিজিটাল নজরদারিসহ মোট ৩৫টি নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা বোর্ডগুলো।

 

নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিটি পরীক্ষাকক্ষে প্রতি ২০ জন পরীক্ষার্থীর জন্য একজন করে কক্ষপরিদর্শক দায়িত্ব পালন করবেন। তবে কোনো কক্ষে দুইজনের কম কক্ষপরিদর্শক রাখা যাবে না। বসার ক্ষেত্রেও নির্ধারণ করা হয়েছে নির্দিষ্ট মানদণ্ড। পাঁচ ফুট বাই ছয় ফুট বেঞ্চে দুজন এবং চার ফুট বেঞ্চে একজন পরীক্ষার্থী বসতে পারবেন।

 

 

প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একাধিক স্তরের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পরীক্ষা শুরুর তিন দিন আগে ট্রেজারি বা থানা লকারে সংরক্ষিত প্রশ্নপত্র সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে যাচাই করতে হবে। পরীক্ষার দিন ট্যাগ অফিসার ও পুলিশের পাহারায় প্রশ্নপত্র কেন্দ্রে পৌঁছানো হবে। পরে মোবাইলের মাধ্যমে নির্ধারিত সেট কোড পাওয়ার পরই প্রশ্নপত্র খোলা যাবে। নির্ধারিত সেটের বাইরে কোনো প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়া হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড কমিটি সূত্রে জানা যায় প্রশ্নফাঁসের কোনো সুযোগ নেই। সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা আয়োজনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। যদি প্রশ্নফাঁসের মতো কোনো ঘটনা ঘটে, তাহলে সারা দেশে ওই দিনের পরীক্ষা স্থগিত করে পরে নতুন করে পরীক্ষা নেয়া হবে।

 

শিক্ষা বোর্ড পরীক্ষার্থীদের জন্য বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছে। এগুলো হলো—

 

১. পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষাকক্ষে উপস্থিত হয়ে আসন গ্রহণ করতে হবে।

২. প্রথমে বহুনির্বাচনী (এমসিকিউ) এবং পরে সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

৩. ৩০ নম্বরের এমসিকিউ পরীক্ষার জন্য সময় ৩০ মিনিট এবং ৭০ নম্বরের সৃজনশীল পরীক্ষার জন্য সময় ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট নির্ধারণ করা হয়েছে।

৪. ব্যবহারিক বিষয়সংবলিত পরীক্ষার ক্ষেত্রে ২৫ নম্বরের এমসিকিউ পরীক্ষার জন্য সময় ২৫ মিনিট এবং ৫০ নম্বরের সৃজনশীল পরীক্ষার জন্য সময় ২ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট।

৫. পরীক্ষা বিরতিহীনভাবে চলবে। এমসিকিউ ও সৃজনশীল অংশের মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না।

৬. সকাল ১০টার পরীক্ষার ক্ষেত্রে সকাল সাড়ে ৯টায় অলিখিত উত্তরপত্র ও ওএমআর শিট বিতরণ করা হবে। সকাল ১০টায় এমসিকিউ প্রশ্নপত্র দেওয়া হবে। সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে ওএমআর শিট সংগ্রহ করে সৃজনশীল প্রশ্নপত্র বিতরণ করা হবে। তবে ২৫ নম্বরের এমসিকিউ পরীক্ষার ক্ষেত্রে এ সময় হবে সকাল ১০টা ২৫ মিনিট।

৭. বিকেল ২টার পরীক্ষার ক্ষেত্রে বেলা ১টা ৩০ মিনিটে অলিখিত উত্তরপত্র ও ওএমআর শিট বিতরণ করা হবে। বেলা ২টায় এমসিকিউ প্রশ্নপত্র এবং বেলা ২টা ৩০ মিনিটে ওএমআর শিট সংগ্রহ করে সৃজনশীল প্রশ্নপত্র বিতরণ করা হবে। ২৫ নম্বরের এমসিকিউ পরীক্ষার ক্ষেত্রে এ সময় হবে বেলা ২টা ২৫ মিনিট।

৮. প্রশ্নপত্রে উল্লেখিত সময় অনুযায়ী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

৯. প্রত্যেক পরীক্ষার্থীকে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানপ্রধানের কাছ থেকে অন্তত সাত দিন আগে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে হবে।

১০. উত্তরপত্রের ওএমআর অংশে রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বিষয় কোডসহ সব তথ্য সঠিকভাবে লিখে নির্ধারিত বৃত্ত ভরাট করতে হবে। উত্তরপত্রের মার্জিনে লেখা বা উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবে না।

১১. তত্ত্বীয়, বহুনির্বাচনী এবং ব্যবহারিক—প্রযোজ্য ক্ষেত্রে প্রতিটি অংশে পৃথকভাবে পাস করতে হবে।

১২. শুধু রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও প্রবেশপত্রে উল্লেখিত বিষয়গুলোর পরীক্ষায় অংশ নেওয়া যাবে। অন্য কোনো বিষয়ের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা যাবে না।

১৩. পরীক্ষার্থীরা কাঁটাযুক্ত (নন-প্রোগ্রামেবল) হাতঘড়ি ব্যবহার করতে পারবেন।

১৪. শিক্ষা বোর্ড অনুমোদিত সাধারণ নন-প্রোগ্রামেবল সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে। প্রোগ্রামিং ক্যালকুলেটর ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। Education

১৫. পরীক্ষাকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছাড়া অন্য কেউ মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না। কোনো পরীক্ষার্থীও পরীক্ষাকেন্দ্রে মোবাইল ফোন আনতে পারবেন না।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%