ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তির বৈশিষ্ট্য


সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তির বৈশিষ্ট্য

সৌদি আরব, তুরস্ক এবং পাকিস্তান একে অপরের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে একটি যৌথ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তির মাধ্যমে তিনটি দেশ সম্মিলিত নিরাপত্তা জোরদার করতে, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়াতে এবং আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার জন্য প্রতিজ্ঞা করেছে।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) সৌদি আরবের মক্কার আল-সাফা প্রাসাদের মধ্যে অনুষ্ঠিত ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা শীর্ষ সম্মেলন’-এ সৌদি যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

সম্মেলনের শেষে প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়েছে যে, চুক্তির মাধ্যমে তিন দেশের সম্মিলিত নিরাপত্তা জোরদার, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা গভীরতর করা এবং অঞ্চল ও এর বাইরেও শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং সমৃদ্ধি প্রতিষ্ঠার অভিন্ন অঙ্গীকার প্রতিফলিত হয়েছে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, চুক্তির আওতায় বাহ্যিক হুমকির বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধ সক্ষমতা বাড়ানোর কাজ করা হবে। এ ছাড়া, প্রতিরক্ষার সব ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণের জন্য একটি কাঠামোও তৈরি করা হয়েছে।

চুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারায় বলা হয়েছে যে, সৌদি আরব, তুরস্ক বা পাকিস্তানের যেকোনো একটির বিরুদ্ধে সশস্ত্র হামলাকে তিন দেশের সবাইকে লক্ষ্য করে হামলা হিসেবে ধরা হবে এবং সে অনুযায়ী সম্মিলিত প্রতিক্রিয়ার ভিত্তি তৈরি হবে।

সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদের আমন্ত্রণে প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান এবং প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ সৌদি আরব সফর করেন। এরপর তাদের মধ্যে মক্কার আল-সাফা প্রাসাদে এই শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে তিন দেশের নেতারা সৌদি আরব, তুরস্ক এবং পাকিস্তানের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক, পারস্পরিক কৌশলগত স্বার্থ এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা করেন।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

যৌথ বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে যে, এই চুক্তিটি দীর্ঘ ঐতিহাসিক সম্পর্ক, ইসলামী সংহতির বন্ধন এবং অভিন্ন কৌশলগত স্বার্থের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা সহযোগিতা তিন দেশের বিদ্যমান প্রতিরক্ষা সহযোগিতাকে আরও শক্তিশালী করবে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নতুন মাত্রা যোগ করবে।

তথ্যসূত্র: গালফ নিউজ

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইতালি যাওয়ার পথে লিবিয়ায় বন্দি মাদারীপুরের যু বক, মু ক্তি পণ দিয়েও মেলেনি সন্ধান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:১৪ পি.এম


ইতালি যাওয়ার পথে লিবিয়ায় বন্দি মাদারীপুরের যু বক, মু ক্তি পণ দিয়েও মেলেনি সন্ধান

মাদারীপুরের যুবক রাজীব মীর ইতালি যাওয়ার পথে প্রথমে লিবিয়ায় বন্দি হন। তাকে পরে নির্যাতন করে একটি মাফিয়াচক্র এবং মুক্তিপণ হিসেবে লাখ লাখ টাকা আদায় করে। এর পর থেকে দেড় বছর ধরে যুবকের কোনো খোঁজ নেই। আদরের সন্তানের কোনো খবর না পেয়ে পরিবার দিশেহারা হয়ে পড়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, নিখোঁজ ছেলের ছবি নিয়ে মা শিল্পী বেগম বুকফাটা আর্তনাদ করছেন। পরিবারের অন্য সদস্যরাও জানেন না আদরের সন্তান কোথায় এবং কেমন আছে। প্রতিদিনই বাড়িতে চলছে আজাহারি এবং প্রতিবেশীরা ভিড় করে আসছেন।

স্বজনদের জানান, মানবপাচারকারী চক্রের সদস্য আরশেদ আলী হাওলাদারের ছেলে লোকমান হাওলাদারের প্রলোভনে পড়ে রাজীব মীর। সে সদর উপজেলার হোগলপাতিয়া গ্রামের খবির মীরের ছেলে। দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়াকালীন সরাসরি ইতালি নিয়ে যাওয়ার শর্তে দালালের সাথে চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী, ২০ লাখ টাকা লোকমান ও তার চক্রের হাতে তুলে দিয়ে রাজীবকে ২০২৩ সালের ৪ আগস্ট লিবিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে বন্দি করে নির্যাতন করে পরিবার থেকে মুক্তিপণের আরও সাড়ে ১৬ লাখ টাকা আদায় করে মাফিয়ারা।

এরপরও মানবপাচারচক্রের সদস্যরা দাবি করে আরও ২০ লাখ টাকা। সেই চাহিদা অনুযায়ী টাকা না দেয়ায় দেড় বছর ধরে রাজীবের কোনো খোঁজ নেই। এ ঘটনার ফলে, দালালদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির পাশাপাশি নিখোঁজ যুবকের সন্ধান পেতে সরকারের সহযোগিতা চেয়েছেন পরিবার।

নিখোঁজ যুবকের মা শিল্পী বেগম গত ১১ জুলাই লোকমান হাওলাদারসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে সদর মডেল থানায় মানবপাচার আইনে মামলা দায়ের করেছেন। পরে পুলিশ লোকমান ও তার মেয়ে সেতু আক্তারকে গ্রেফতার করে। বর্তমানে তারা দুজনই কারাগারে রয়েছেন।

শিল্পী বেগম বলেন, 'আমার ছেলের কোন সন্ধান পাচ্ছি না দেড় বছর ধরে। দালালরাও কোন সঠিক উত্তর দিচ্ছে না। একদিকে লাখ লাখ খুইয়ে দিশেহারা, অন্যদিকে নিখোঁজ ছেলের জন্য আমি পাগল হয়ে যাচ্ছি। আমি ও আমার পরিবার সরকারের কাছে সহযোগিতা চাই। আমার ছেলের সন্ধান চাই। দালালের বিচার চাই।'

প্রতিবেশী সৈকত হাওলাদার বলেন, 'এলাকার যুবকদের প্রলোভন দেখিয়ে দালালরা লিবিয়ায় আটকে নির্যাতন চালায়। পরে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। এই দালালদের দৃশ্যমান বিচার হলে অবৈধপথে ইতালি যাত্রা কমে যাবে। আমরা সবাই এর প্রতিকার চাই।'

মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ জানান, মানবপাচার প্রতিরোধে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে মনিটরিং সেল খোলা হয়েছে। সেখান থেকে সরাসরি বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এর ফলে দ্রুতই অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বানরের তাণ্ডবে দিশেহারা কৃষক, বিপাকে জীবন-জীবিকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:২৫ পি.এম


বানরের তাণ্ডবে দিশেহারা কৃষক, বিপাকে জীবন-জীবিকা

নেপালে কৃষকদের জন্য বড় সংকটে পরিণত হয়েছে বানরের উৎপাত।

ফসল রক্ষায়, কৃষকরা প্রতিদিন ভোর থেকে স্লিংশট, লাঠি, কুকুর ও ঘরোয়া শব্দকামান নিয়ে মাঠে পাহারা দিচ্ছেন গ্রামবাসীরা।

তবে নানা চেষ্টা করেও বানরের আক্রমণ ঠেকানো যাচ্ছে না। এর ফলে কৃষকদের ফসলের পাশাপাশি জীবিকা হুমকির মুখে পড়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, গ্রাম থেকে তরুণরা শহর ও বিদেশে চলে যাওয়ার কারণে কৃষিকাজ এবং ফসল পাহারার জন্য পর্যাপ্ত মানুষ নেই। এই সুযোগে বানরের দল আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।

গত মাসে, পূর্ব নেপালের একটি গ্রামীণ পৌরসভা বানর তাড়াতে তিন দিনের জন্য স্কুল ও সরকারি কার্যালয় বন্ধ রেখে শত শত বাসিন্দাকে নিয়ে অভিযান চালায়। কিন্তু কয়েক দিনের মধ্যেই বানরগুলো আবার ফিরে আসে।

পূর্ব নেপালের আইনপ্রণেতা ধুর্বা রাইয়ের দাবি, প্রায় এক দশক আগে গ্রামবাসীদের আগ্নেয়াস্ত্র জব্দ করার পর থেকে পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। তার মতে, আগে এসব অস্ত্র ব্যবহার করে কৃষকরা ফসল ও গবাদিপশু রক্ষা করতেন, কিন্তু এখন সেই প্রতিরোধ না থাকায় বানরগুলো আরও সাহসী হয়ে উঠেছে।

এদিকে, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও কৃষকদের জীবন-জীবিকার মধ্যে ভারসাম্য কীভাবে রক্ষা করা হবে, তা নিয়ে নেপালের পার্লামেন্টেও আলোচনা চলছে।

দোলাখা জেলার ধর্মঘর গ্রামের ৭১ বছর বয়সী কৃষক দেবাকা কার্কি জানান, মাত্র কয়েক মিনিটের জন্য মাঠ ছেড়ে যাওয়ার সুযোগে বানরের একটি দল তার কয়েক মাসের পরিশ্রমে ফলানো ফসল নষ্ট করে দেয়।

কাজের সন্ধানে ছেলেরা কাঠমান্ডুতে চলে যাওয়ায় তিনি ও তার স্বামী একাই কৃষিকাজ সামলাচ্ছেন।

স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ সালে ধর্মঘর গ্রামের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৮০০। বর্তমানে তা কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৫০ জনে।

কমিউনিটি ফরেস্টের প্রধান গণেশ কার্কি বলেন, অধিকাংশ পরিবার শহর বা বিদেশে চলে যাওয়ায় পরিত্যক্ত বাড়িঘর ও জমি বানরের বিস্তারের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করেছে।

এদিকে ৭৩ বছর বয়সী কৃষক কৃষ্ণ বাহাদুর খাডকা গত বছর বানরের হামলায় গুরুতর আহত হন। তিনি জানান, একদল বানর তাকে মাটিতে ফেলে পিঠে কামড় দেয়। এতে তিনি প্রায় চার মাস শয্যাশায়ী ছিলেন।

তার ভাষায়, আশপাশের মানুষ এসে বানরগুলোকে তাড়িয়ে না দিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারত।

ক্রমবর্ধমান এই সংকট মোকাবিলায় কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের দাবি জানিয়েছেন নেপালের কৃষকরা।

সূত্র: এপি

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ নির্মাণ হবে: আমিনুল হক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৩০ পি.এম


প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ নির্মাণ হবে: আমিনুল হক

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ নির্মাণ করা হবে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ বানানো হবে।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) বিকেলে গাজীপুরের পুর্ব চান্দরা স্পোর্টিং ক্লাব মাঠে বাংলাদেশ টেপ বল ক্রিকেট বোর্ড (BTCB) কর্তৃক আয়োজিত বাংলাদেশ ক্রিকেট লীগ (BCL)-এর ফাইনাল খেলা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই কথাগুলো বলেছেন।

অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ ইশরাক হোসেন, গাজীপুর ১ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ মজিবুর রহমান। কালিয়াকৈর পৌর বিএনপি সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মোঃ সাইজুদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে ফাইনাল খেলাটি উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবীর খান।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ টেপ বল ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি সারোয়ার হোসেন আকুল, ক্রীড়া সংশ্লিষ্ট সংগঠনের সদস্যরা এবং স্থানীয় অর্ধশতাধিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেখ হাসিনার সঙ্গে দেশে ফিরতে চান সাকিব, সব মামলার বিচার মোকাবিলায় প্রস্তুত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৩৮ পি.এম


শেখ হাসিনার সঙ্গে দেশে ফিরতে চান সাকিব, সব মামলার বিচার মোকাবিলায় প্রস্তুত

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসান জানিয়েছেন, যদি সরকার নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দেয়, তাহলে তিনি দেশে ফিরে নিজের বিরুদ্ধে থাকা সব মামলার বিচার মোকাবিলা করতে প্রস্তুত। তবে, সরকার যদি নিরাপত্তা দিতে না পারে, তাহলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গেই দেশে ফেরার চেষ্টা করবেন তিনি।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সাকিব বলেছেন, তিনি এখনই দেশে ফিরে আসতে চান। তবে, যদি তা সম্ভব না হয়, সে ক্ষেত্রে আগামী ডিসেম্বরে দেশে ফেরার ঘোষণা দেওয়া শেখ হাসিনার সঙ্গে ফেরার চেষ্টা করবেন।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘অধিনায়ক’ হিসেবে উল্লেখ করে সাকিব বলেন, 'অধিনায়ক যা বলেন, আমরা তাই অনুসরণ করি। আমি মনে করি, তারা ভালো সিদ্ধান্ত নেবেন, আর আমরা তাদের নির্দেশনা মেনে চলব।'

বর্তমানে শ্রীলঙ্কায় লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ (এলপিএল) খেলছেন সাকিব। তিনি সেখান থেকেই ফোনে রয়টার্সকে জানান, সরকার যদি তাকে ক্লিয়ারেন্স দেয় এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করে, তাহলে দেশে ফিরে আদালতের বিচারসহ প্রয়োজনীয় সব আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে তিনি সম্পূর্ণ প্রস্তুত।

সাকিব বলেন, 'আমি জানি, আমি কোনো অন্যায় করিনি।' গত দুই বছর বিদেশে কাটানোর অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি বলেছেন, এটাই ছিল তার সবচেয়ে বিস্তারিত বক্তব্য।

এর আগে রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা জানিয়েছিলেন, তিনি এবং আওয়ামী লীগের অন্যান্য নেতারা আগামী ডিসেম্বরে স্বেচ্ছায় বাংলাদেশে ফিরবেন। সেই প্রেক্ষাপটেই সাকিব নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন।

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর ২০২৪ সালে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে শেখ হাসিনা ভারতে আশ্রয় নেন। এরপর তার ঘনিষ্ঠ অনেক নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন ফৌজদারি মামলা হয়। একইভাবে সাকিব আল হাসানের বিরুদ্ধেও একাধিক মামলা আছে। এসব কারণে গত দুই বছর তিনি দেশের বাইরে অবস্থান করছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%