রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:০৪ পি.এম
মেহেরপুরের গাংনীতে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে পরপর দুইটি টাইম বোমাসদৃশ বস্তু বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এই বিস্ফোরণের ফলে ওই এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সমাবেশের প্রস্তুতির সময় এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরিত বস্তুর আলামত দেখে অনেকে এটিকে টাইম বোমা হিসেবে চিহ্নিত করছেন।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গাংনীর বিএনপি কার্যালয়ের পাশে নেতাকর্মীরা সমাবেশের জন্য জড়ো হচ্ছিলেন। ঠিক তখনই বিকট শব্দে দুটি বিস্ফোরণ ঘটে। এতে আশপাশের লোকজন আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। বিএনপির নেতাকর্মীরা দাবি করেছেন, বিস্ফোরণের পর সাদা ধোঁয়া দেখা গেছে।
এরপর আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে এসে ইলেকট্রিক সার্কিটসহ বিস্ফোরিত বস্তুর অন্যান্য আলামত দেখতে পান।
খবর পেয়ে গাংনী থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে এসে বিস্ফোরিত বস্তুর আলামত জব্দ করে।
বিস্ফোরণের ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, সড়কের পাশে কয়েকটি দেবদারু গাছ ছিল। একই সময়ে গাছের উপরে একটি এবং মাটিতে আরেকটি বিস্ফোরণ ঘটে।
গাংনী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আউয়াল অভিযোগ করেছেন, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সমাবেশ বানচাল করার উদ্দেশ্যে দুর্বৃত্তরা এই বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে।
এদিকে, বিকেল চারটার দিকে বাঁশবাড়িয়া বাজারের পাশে প্রধান সড়কের ওপর শোভাযাত্রার জন্য নেতাকর্মীরা জড়ো হয়েছিলেন। এর পার্শ্ববর্তী আনসার-ভিডিপি ক্লাবের কাছ থেকে পুলিশ অবিস্ফোরিত আরেকটি টাইম বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধার করেছে। এই বস্তু বিস্ফোরিত বোমাসদৃশ বস্তুর সঙ্গে মিলে যাচ্ছে। পুলিশ দুটি ঘটনার মধ্যে সম্পর্ক খুঁজে পাচ্ছে।
গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাদ্দিস মোরশেদ চৌধুরী জানিয়েছেন, ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন এবং এর সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে পুলিশ দ্বারা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) শাখা শিবিরের এক নেতার দ্বারা ছাত্রদল কর্মীর চড় মারার ঘটনা ঘটার পর জামায়াত-শিবির ও বিএনপি-ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনার পর ক্যাম্পাসে দিনব্যাপী উত্তেজনা বিরাজ করেছে। এই উত্তেজনার মধ্যেই নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ নতুন ২৮ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করেছে, যা আগামী তিন মাসের জন্য কার্যকর হবে।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দিনভর চলমান উত্তেজনার মধ্যে রাতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়লী আসিফ ইনান স্বাক্ষরিত একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই কমিটি প্রকাশ করা হয়।
কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের সাবেক শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান হাফিজকে মনোনীত করা হয়েছে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সাংগঠনিক কার্যক্রম ও রাজনৈতিক সক্রিয়তা বিবেচনায় পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হবে।
কমিটির অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন- যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মামুন-অর-রশিদ, আলী শ্রাবণ, তরিকুল ইসলাম তরুণ, রতন কুমার রায়, সামিউল ইসলাম, শাহিন আলম, মামুন রানা, সাব্বির আহমেদ আকিফ, রাব্বি হোসেন, নাছিম হাসান নাঈম, রাসেল আলী, রাকিবুল ইসলাম, সোহানুর রহমান, মেসবাহুল ইসলাম, নাবিল আহমেদ ইমন, মো. সাদিদ খান সাদি, হুসাইন তুষার, অনিক কুমার, সোহাগ শেখ, তানভীর হাসান, রাব্বি হাসান, আকিব মাসুদ, পিয়াস মুস্তাকিম, সাগর আহম্মেদ, মো. রাকিব হোসেন, শাহরিয়ার হিমেল ও পাভেল মোল্লা।
ক্যাম্পাসের সূত্রে জানা যায়, শনিবার দুপুর পৌনে ২টার দিকে পরীক্ষা শেষে কাজী জুহায়ের হলের খাবার খেতে আসেন। তিনি হলের গেট পেরিয়ে করিডোরে পৌঁছালে অভিযুক্ত আলীনুর হঠাৎ এসে জুহায়েরকে চড় মারেন এবং গালিগালাজ করেন। পরে অন্যান্য শিক্ষার্থীরা পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করলেও অভিযুক্ত আলীনূর তাদের সঙ্গেও খারাপ আচরণ করে। এরপর সে হলের ২১৭ নম্বর কক্ষে চলে যায়। এ ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজও প্রকাশিত হয়েছে। এর পরপরই শিবিরের নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে উত্তেজিত হয়ে আলীনূরের কক্ষ ভাঙতে যায়। এ সময় তারা রুমের জানালার গ্লাস ভাঙচুর করে। পরে প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা এসে তাদের সরিয়ে নেয়। এরপর প্রক্টরিয়াল বডি ও পুলিশ প্রশাসনের সহায়তায় অভিযুক্তকে হল থেকে উদ্ধার করে প্রক্টর অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়। একইদিনে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে শাখা ছাত্রদল ক্যাম্পাসের প্রধান ফটকে তালা দিয়ে লাঠিসোটা নিয়ে বিক্ষোভ করে এবং জিয়া মোড়ে লাঠিসোঁটা নিয়ে অবস্থান নেয় শিবিরের নেতাকর্মীরা।
বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে কুষ্টিয়া-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করে প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নেয় ছাত্রদল ও বহিরাগত বিএনপির নেতাকর্মীরা। এ সময় অনেকের হাতে দেশীয় অস্ত্র রামদা, ছুরি ও হাতুড়ি দেখা যায়। পরে সেখানে স্থানীয় জামায়াত নেতাকর্মীদের সঙ্গে বিএনপি-ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ ও র্যাব মোতায়েন করা হয়।
এক পর্যায়ে উভয়পক্ষকে নিয়ে প্রক্টর অফিসে আলোচনায় বসে প্রক্টরিয়াল বডি। এ সময় তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। পরে শহীদ জিয়াউর রহমান হলের দুজন ছাত্রের মধ্যে সংঘটিত ঘটনার তদন্তের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেন।
কুষ্টিয়া জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) ফয়সাল মাহমুদ সংঘর্ষের বিষয়ে বলেন, "এখানে দুপক্ষের মধ্যে একটা ইস্যুকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে। আমরা পুলিশ এসে বিষয়টা দুপক্ষের সঙ্গে কথা বলে এবং অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে বর্তমানে একটা স্বাভাবিক পরিস্থিতি বিরাজ করিয়েছি। তার পরও আমরা আমাদের অবস্থান এখানে রেখেছি, যাতে পরে আর উত্তপ্ত না হয়।"
এ বিষয়ে সংঘর্ষের পরিপ্রেক্ষিতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর বলেন, "ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলেছি। এই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ছাড়াও বহিরাগত প্রবেশ নিষিদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ব্যাংক তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য জামানতবিহীন সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা ঋণের একটি বিশেষ কর্মসূচি শুরু করতে যাচ্ছে, যা তৃণমূল পর্যায়ে উদ্যোক্তা তৈরি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে পরিচালিত হবে।
এই বিশেষ কর্মসূচির আওতায় নির্বাচিত উদ্যোক্তাদের জন্য ব্যাংক ঋণের মাধ্যমে সহায়তার অর্ধেক প্রদান করা হবে, বাকি অর্ধেক অনুদান হিসেবে দেওয়া হবে। কৃষি থেকে প্রযুক্তিভিত্তিক উদ্যোগ পর্যন্ত, বাস্তবসম্মত ব্যবসায়িক পরিকল্পনা থাকলে ২৮ বছর বয়সী তরুণরা এই সুযোগ গ্রহণ করতে পারবেন।
‘উদ্যোগ: উপজেলা ভিত্তিক তরুণ উদ্যোক্তা অনুসন্ধান, চিহ্নিতকরণ ও অর্থায়ন কর্মসূচি’ এর মাধ্যমে এই সুবিধা প্রদান করা হবে।
গত বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান, সহকারী মুখপাত্র মো. শাহরিয়ার সিদ্দিকীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এতে উল্লেখ করা হয়, প্রয়োজনীয়তার ভিত্তিতে নির্বাচিত প্রত্যেক উদ্যোক্তা সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা পেতে পারবেন। এই সহায়তা প্যাকেজের অর্ধেক ব্যাংক ঋণ হিসেবে এবং বাকি অর্ধেক অনুদান হিসেবে দেওয়া হবে।
যেসব খাতে মিলবে সহায়তা
কৃষি, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, হস্তশিল্প, মৎস্য, গবাদি পশু পালন, পর্যটন, সেবাখাত এবং প্রযুক্তিভিত্তিক উদ্যোগসহ বিভিন্ন প্রস্তাবনা এই কর্মসূচির আওতায় বিবেচনা করা হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, অর্থায়নের পাশাপাশি নির্বাচিত উদ্যোক্তারা প্রশিক্ষণ, অভিজ্ঞ মেন্টরদের পরামর্শ, ব্যবসা নিবন্ধন ও ব্যবসায়িক পরিকল্পনা তৈরিতে সহায়তা এবং বাজার সংযোগের সুবিধা পাবেন। এই উদ্যোগ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে সহায়তা করবে।
কবে থেকে আবেদন
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে একটি সার্কুলার জারি করা হবে। নির্দিষ্ট ফরমে উপজেলার যে কোনো ব্যাংক শাখায় আবেদন জমা দেওয়া যাবে।
আবেদনের শেষ তারিখে যেসব বাংলাদেশি নাগরিকের বয়স সর্বোচ্চ ২৮ বছর এবং সংশ্লিষ্ট উপজেলায় বসবাস করছেন, তারা পূর্ব অভিজ্ঞতা ছাড়াই একটি বাস্তবসম্মত ব্যবসায়িক পরিকল্পনা নিয়ে আবেদনের সুযোগ পাবেন। আবেদন করার জন্য প্রার্থীদের এক মাস সময় দেওয়া হবে।
প্রথম ধাপে ৮ জেলায় কর্মসূচি
প্রাথমিকভাবে মানিকগঞ্জ, ফেনী, নওগাঁ, ঝিনাইদহ, ভোলা, হবিগঞ্জ, রংপুর ও নেত্রকোনাসহ ৮ জেলায় এই কর্মসূচি চালু করা হবে।
এটি ধীরে ধীরে ৬৪ উপজেলায় সম্প্রসারিত হবে, যেখানে প্রতি উপজেলা থেকে ১০ জন করে মোট ৬৪০ জন উদ্যোক্তা নির্বাচন করা হবে।
পরবর্তীকালে, সারা দেশে এই কর্মসূচি সম্প্রসারণ করে প্রতি বছর ৫ হাজার তরুণ উদ্যোক্তাকে সহায়তার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
সুদের হার কত, জামানত লাগবে কি
ঋণ অংশের জন্য গ্রাহক পর্যায়ে সুদের বা মুনাফার হার ৪ থেকে ৭ শতাংশের মধ্যে থাকবে এবং উদ্যোক্তাকে কোনো জামানত দিতে হবে না বলে বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে।
যদিও, যদি কোনো ঋণগ্রহীতা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ঋণ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হন, তবে অনুদানের অংশটি একটি সুদমুক্ত ঋণে পরিণত হবে। সেক্ষেত্রে, তিনি খেলাপি হিসেবে চিহ্নিত হবেন এবং ভবিষ্যতে অন্য যে কোনো ব্যাংক ঋণ পাওয়ার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।
৫০০ কোটি টাকার তহবিল
প্রাথমিকভাবে এই স্কিমের জন্য ৫০০ কোটি টাকার একটি তহবিল গঠন করা হয়েছে। এই তহবিলটি অনুদান ফান্ড হিসেবে ব্যবহারের জন্য ব্যাংকগুলোর করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) অ্যাকাউন্ট থেকে অর্থ সরবরাহ করা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাজমুজ্জামান ভূঁইয়া।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী তার শপথবাক্য পাঠ করান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন আপিল বিভাগের বিচারপতি এবং পিএসসির কর্মকর্তারা।
এর আগে, ২ সেপ্টেম্বর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একটি প্রজ্ঞাপনে অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাজমুজ্জামান ভূঁইয়াকে পিএসসির চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৩৮(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাজমুজ্জামান ভূঁইয়াকে জনস্বার্থে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের সভাপতি পদে নিয়োগ দিয়েছেন।
সংবিধানের ১৩৯(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, তিনি দায়িত্বভার গ্রহণের তারিখ থেকে পাঁচ বছর অথবা ৬৫ বছর বয়স পূর্ণ হওয়া—এর মধ্যে যেটি আগে ঘটে, সেই সময় পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের সভাপতি পদে বহাল থাকবেন।
সম্প্রতি অধ্যাপক মোবাশ্বের মোনেম পিএসসির চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, তিনি ১৮ আগস্ট পদত্যাগ করেন, ফলে চেয়ারম্যানের পদটি শূন্য হয়ে পড়ে।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ২০২৪ সালের অক্টোবরে অধ্যাপক মোবাশ্বের মোনেম পিএসসির চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ পেয়েছিলেন। ২০২৪ সালে গণ–অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় তৎকালীন পিএসসির চেয়ারম্যান মো. সোহরাব হোসাইনসহ কমিশনের ১২ জন সদস্য পদত্যাগ করেন। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক মোবাশ্বের মোনেমকে পিএসসির চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হাম উপসর্গে তিন শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। একই সময়ে নতুন করে সন্দেহ ও নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন এক হাজার ৯৮ জন।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৪৩ জন। ১৫ মার্চ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট হামরোগীর সংখ্যা এখন এক লাখ ৬৪ হাজার ১৪৮ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ৫৫ জন। ১৫ মার্চ থেকে ৬ আগস্ট পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর মোট সংখ্যা ১৯ হাজার ৬৯৬ জন। এই সময়ের মধ্যে হাম উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক লাখ ৪৪ হাজার ১৬৮ জন।
একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে এক লাখ ৩৮ হাজার ৭৭২ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাম উপসর্গে মোট ৮৯৪ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি এবং ১৫ মার্চ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ১০০ জনের মৃত্যু হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ