রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:০৬ পি.এম
গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হাম উপসর্গে তিন শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। একই সময়ে নতুন করে সন্দেহ ও নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন এক হাজার ৯৮ জন।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৪৩ জন। ১৫ মার্চ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট হামরোগীর সংখ্যা এখন এক লাখ ৬৪ হাজার ১৪৮ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ৫৫ জন। ১৫ মার্চ থেকে ৬ আগস্ট পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর মোট সংখ্যা ১৯ হাজার ৬৯৬ জন। এই সময়ের মধ্যে হাম উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক লাখ ৪৪ হাজার ১৬৮ জন।
একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে এক লাখ ৩৮ হাজার ৭৭২ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাম উপসর্গে মোট ৮৯৪ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি এবং ১৫ মার্চ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ১০০ জনের মৃত্যু হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, রাষ্ট্র মালিকানাধীন ৬ ব্যাংকের খেলাপি ঋণের পরিমাণ বর্তমানে প্রায় দেড় লাখ কোটি টাকা।
এই তথ্যটি তিনি রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আলীমের প্রশ্নের জবাবে প্রদান করেন।
সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আলীম জানতে চান, দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর বর্তমান খেলাপি ঋণের পরিমাণ কত এবং ব্যাংকভিত্তিক হিসাব কী?
অর্থমন্ত্রী তার জবাবে উল্লেখ করেন, রাষ্ট্র-মালিকানাধীন ৬টি ব্যাংক (অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসি, বেসিক ব্যাংক পিএলসি, জনতা ব্যাংক পিএলসি, রূপালী ব্যাংক পিএলসি এবং সোনালী ব্যাংক পিএলসি) এর ৩০ জুন ২০২৬ তারিখের ভিত্তিতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১ লাখ ৪৭ হাজার ৭৭৬ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। এই ব্যাংকগুলোর মধ্যে জনতা ব্যাংক পিএলসিতে সর্বাধিক খেলাপি ঋণ রয়েছে।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আরও জানান, অগ্রণী ব্যাংক পিএলসির খেলাপি ঋণের পরিমাণ ২৯০২৯.৬৭ কোটি টাকা, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসির খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৮৮৮.৭৯ কোটি টাকা, বেসিক ব্যাংক পিএলসির খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৮১৩১.০৯ কোটি টাকা, জনতা ব্যাংক পিএলসির খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৭৫৩৯৬.৬৭ কোটি টাকা, রূপালী ব্যাংক পিএলসির খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১৯২৮১.৭৪ কোটি টাকা এবং সোনালী ব্যাংক পিএলসির খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১৫০৪৮.৩৯ কোটি টাকা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর বনানী থানা এলাকার এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের উপরে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির হত্যার রহস্য উদঘাটনের পাশাপাশি তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে বনানী থানার পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে বাসচালক সোহেল রানা (৪১), সুপারভাইজার সাজু ওরফে লিমন (২৬), এবং হেলপার মো. মনির হোসেন (১৯) অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
বনানী থানার সূত্রে জানা যায়, গত ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ সকাল আনুমানিক ৮টা ৪৫ মিনিটে বনানী থানাধীন এয়ারপোর্টগামী এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের স্টেডিয়াম সংলগ্ন এলাকায় অজ্ঞাতপরিচয় এক পুরুষের মৃতদেহ পড়ে থাকার খবর পাওয়া যায়। খবর পেয়ে বনানী থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। নিহতের মুখ ও দুই হাতে স্কচটেপ পেঁচানো ছিল এবং গলায় কালো দাগ দেখা যায়। পরে সুরতহাল সম্পন্ন করে মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়।
নিহতের ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে তথ্যপ্রযুক্তির সাহায্যে তার পরিচয় শনাক্ত করা হয়। নিহতের নাম ইসমাইল হোসেন (৪৯) বলে জানা যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা থানায় এসে মরদেহের ছবি দেখে তাকে শনাক্ত করেন। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে বাদী হয়ে বনানী থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্তে জানা যায়, ইসমাইল হোসেন জামালপুরের নিজ গ্রাম থেকে জমি বিক্রি করে প্রায় ৫ লাখ টাকা নিয়ে গাজীপুরের কাশিমপুরে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন। তার ছেলে হাসান জিরানী বাসস্ট্যান্ডে বাবার জন্য অপেক্ষা করলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পান।
ঘটনার পর বনানী থানার পুলিশ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের বিভিন্ন সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে পর্যালোচনা শুরু করে। ফুটেজ বিশ্লেষণের মাধ্যমে একটি যাত্রীবাহী বাসের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে বাসটি শনাক্ত করা হয়। পরে জামালপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ।
অভিযানকালে মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে ‘রাজ ক্লাসিক’ নামের একটি যাত্রীবাহী বাস জব্দ করা হয়। একইসঙ্গে বাসের সুপারভাইজার সাজু ওরফে লিমন এবং হেলপার মো. মনির হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে পৃথক অভিযান পরিচালনা করে চালক সোহেল রানাকেও গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। তারা জানায়, গত ৪ সেপ্টেম্বর ভোর আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে জামালপুরের দিকপাইত বাসস্ট্যান্ড থেকে ইসমাইলকে যাত্রী হিসেবে বাসে তোলা হয়। পরে বাসের বিভিন্ন স্থানে যাত্রী ওঠানামা করতে থাকে। একপর্যায়ে সুপারভাইজার সাজু ওরফে লিমন ভিকটিমের কাছে ভাড়া চাইলে ইসমাইল লুঙ্গির কোচর থেকে টাকা বের করে ভাড়া পরিশোধ করেন। এ সময় সুপারভাইজার ধারণা করেন, তার কাছে আরও টাকা রয়েছে। বিষয়টি বাসচালক সোহেল রানাকে জানালে সেও ইসমাইলের কাছে আরও টাকা থাকার কথা বলে। এরপর তারা ইসমাইলের কাছ থেকে টাকা নিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, চন্দ্রা বাসস্ট্যান্ডে ইসমাইলকে না নামিয়ে বাসের অন্যান্য যাত্রীদের গাজীপুরের বিভিন্ন স্থানে নামিয়ে দেওয়া হয়। পরে বাসের সুপারভাইজার ও হেলপার মিলে ইসমাইলের দুই হাত স্কচটেপ দিয়ে বেঁধে ফেলে এবং তার নাক-মুখ স্কচটেপ দিয়ে আটকে দেয়। এরপর গামছা দিয়ে গলায় পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে তার মৃত্যু নিশ্চিত করে।
পরবর্তীতে মরদেহ বাসে করে ঢাকায় নিয়ে আসে তারা। বিমানবন্দর এলাকা দিয়ে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে উঠে বনানীতে নেমে কাকলি মোড় হয়ে পুনরায় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে ওঠে। পরে কাকলি থেকে কুড়িলগামী অংশে ১৭৯ ও ১৮০ নম্বর পিলারের মধ্যবর্তী স্থানে ইসমাইলের মরদেহ ফেলে রেখে বাসটি কুড়িল বিশ্বরোড হয়ে মহাখালী বাস টার্মিনালে চলে যায়।
এ ঘটনায় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ‘রাজ ক্লাসিক’ পরিবহনের বাস, দুটি গামছা, বাসের রক্তমাখা দুটি সিট কভার এবং একটি ফিচার মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার সাজু ওরফে লিমনের বিরুদ্ধে দুটি ডাকাতি মামলা এবং সোহেলের বিরুদ্ধে দুটি ডাকাতি মামলা, দুটি মাদক মামলা ও দুইটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।
এই ঘটনায় বনানী থানায় হত্যা মামলা রুজু করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) বিতর্ক যেন শেষ হচ্ছে না। লডর্সে পরাজয়ের পর, কোচ এবং বেশ কিছু খেলোয়াড়কে ছাঁটাই করার পর, পাকিস্তান টিম ম্যানেজমেন্ট দলের সদস্যদের মোবাইল ফোন জব্দ করেছে।
পাকিস্তানি গণমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, এজবাস্টন টেস্ট শেষ না হওয়া পর্যন্ত ক্রিকেটারদের মোবাইল ফোন পিসিবির হেফাজতে থাকবে।
তবে, কোন কোন ক্রিকেটারের ফোন কেড়ে নেওয়া হয়েছে এবং কেন পিসিবি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সে সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও কিছু জানানো হয়নি।
আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, ম্যাচ চলাকালীন ড্রেসিংরুম ও প্লেয়ার্স অ্যান্ড ম্যাচ অফিসিয়ালস এরিয়ায় মোবাইল ফোন বা অন্য কোনো যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
আইসিসির ৪ নম্বর অনুচ্ছেদের (৪.১.১, ৪.১.২ এবং ৪.১.৩) বিধিনিষেধ অনুযায়ী, ইন্টারনেট ব্যবহার বা অন্য কোনো কারণে খেলোয়াড়দের মোবাইল, ল্যাপটপ কিংবা ল্যান্ডলাইন ফোন বহন ও ব্যবহার সম্পূর্ণভাবে বারণ।
পেশাদার ক্রিকেটে সাধারণত এই নিয়মগুলো কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়। কিন্তু পিসিবির এই পদক্ষেপ আইসিসির সাধারণ প্রটোকলের চেয়েও কঠোর।
কোনো ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে খেলোয়াড়দের কাছ থেকে সম্পূর্ণ ফোন কেড়ে নেওয়ার ঘটনা ক্রিকেট বিশ্বে একেবারেই নজিরবিহীন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চলতি মাসের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের জন্য বহুল প্রতীক্ষিত তফসিল ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। একইসঙ্গে, আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন না বলেও জানানো হয়েছে।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) আগারগাঁওয়ের নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আনোয়ারুল ইসলাম সরকার এসব তথ্য জানান।
তিনি উল্লেখ করেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের যে আবহ তৈরি হয়েছে, সেটির অংশ হিসেবে চলতি মাসের শেষের দিকে ইউপি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা সম্ভব হবে।
ইসি আনোয়ারুল ইসলাম সরকার আরও স্পষ্ট করেন, দেশের সব ইউপি নির্বাচন একসঙ্গে করা অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক দৃষ্টিকোণ থেকে বেশ চ্যালেঞ্জিং। তাই সরকারের ব্যয় সংকোচন নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ধাপে ধাপে সব ইউনিয়নে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
এছাড়া, নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সরাসরি অংশগ্রহণের বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনের কাছে যে দাবি জানানো হয়েছিল, সে বিষয়ে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। পাশাপাশি আসন্ন উপ-নির্বাচনগুলোতে প্রযুক্তি নির্ভর আধুনিক ব্যবস্থার প্রয়োগ এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোকে কঠোর নিরাপত্তার আওতায় আনার জন্য বেশ কিছু নতুন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।
শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ এবং শিক্ষার পরিবেশের দিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়ে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, আগামী নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাস শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়। যেহেতু বেশিরভাগ ক্ষেত্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় এবং শিক্ষকরাই মূলত ভোট গ্রহণকারী কর্মকর্তার (প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসার) দায়িত্ব পালন করেন, তাই শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার সময় বাদ দিয়ে পরীক্ষার আগে কিংবা পরেই ইউপি নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করা হবে।
একইসঙ্গে ভোটার স্থানান্তর প্রক্রিয়ার বিষয়ে বিভ্রান্তি দূর করে তিনি জানান, ভোটার স্থানান্তর একটি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ও রুটিন কাজ। অনেকে মনে করেন এই কাজটি কোনো বিশেষ উদ্দেশ্যে করা হয়, যা সঠিক নয়। ভুল বোঝাবুঝি এড়াতে এবং অনিয়ম রোধে ইসি নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে, যাতে সবাই নিয়মের মধ্যে থেকেই এই সুযোগ নিতে পারেন।
জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে এমন অভিযোগ তোলা হয়েছিল যে ইসি সরকারের তরফ থেকে কোনো ধরনের চাপে রয়েছে। এই দাবির বিষয়ে আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, নির্বাচন কমিশন সরকারের চাপে আছে, এমন ভিত্তিহীন দাবি তোলাই হচ্ছে মূলত কমিশনকে উল্টো চাপে রাখার একটি রাজনৈতিক কৌশল।
এদিকে আসন্ন উপ-নির্বাচনগুলোতে ভোটারদের ভোটদান প্রক্রিয়া সহজ ও আধুনিক করতে আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ভোটিং ব্যবস্থার বড় ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। পোস্টাল ব্যালট ভোটিংকে সাধারণ মানুষের কাছে আরও জনবান্ধব ও কার্যকর করে তোলাই ইসির মূল উদ্দেশ্য বলে জানান ইসি আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।
তিনি আরও জানান, আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা ও সব ধরনের কারচুপি রোধে নজিরবিহীন নিরাপত্তা জোরদার করা হচ্ছে। সব ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বসানোর ব্যবস্থা করা হবে। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের জন্য বডি ওর্ন ক্যামেরার সংখ্যা বহুগুণ বাড়ানো হবে এবং যেকোনো বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। সেইসঙ্গে ভোটকেন্দ্রগুলোর অবকাঠামোগত নানা সমস্যা সমাধানের কাজ দ্রুত গতিতে চলছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পর্যাপ্ত সদস্য মোতায়েন নিশ্চিত করে সার্বিকভাবে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে কমিশন বদ্ধপরিকর।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ