ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নভেম্বর থেকে বাংলা কিউআরে ব্যক্তিপর্যায়ে টাকা পাঠানো যাবে; খরচ কমবে, মিলবে প্রণোদনা


নভেম্বর থেকে বাংলা কিউআরে ব্যক্তিপর্যায়ে টাকা পাঠানো যাবে; খরচ কমবে, মিলবে প্রণোদনা

বাংলা কিউআর ব্যবহার করে আগামী নভেম্বর মাস থেকে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি (পিটুপি) লেনদেনের সুযোগ তৈরি হবে। এই সেবার মাধ্যমে একজন গ্রাহক অন্য গ্রাহকের বাংলা কিউআর কোড স্ক্যান করে অথবা সংশ্লিষ্ট মোবাইল অ্যাপে ছবি আপলোড করে টাকা আদান-প্রদান করতে সক্ষম হবেন।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান। এ সময় সরকারি মুখপাত্রসহ পেমেন্ট সিস্টেম ডিপার্টমেন্টের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান উল্লেখ করেন, দেশে বাংলা কিউআর কোডের মাধ্যমে ডিজিটাল লেনদেনের পরিমাণ দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাত্র ৯০ দিনের ব্যবধানে এই পদ্ধতিতে লেনদেনের আর্থিক পরিমাণ প্রায় পাঁচ গুণ বেড়ে গেছে। একই সময়ে লেনদেনের সংখ্যা বেড়েছে সাড়ে তিন গুণ। এই পরিস্থিতিতে মার্চেন্টদের খরচ কমানো, তাৎক্ষণিক অর্থ জমা এবং গ্রাহকদের লেনদেনকে আরও সহজ করার জন্য নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

আরও পড়ুন: সরকারি কর্মচারীদের ভাতা নির্ধারণে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি

আরিফ হোসেন খান আরও জানান, গত জুন মাসে বাংলা কিউআরের মাধ্যমে প্রতিদিন গড়ে এক লাখ লেনদেন সম্পন্ন হতো, যার আর্থিক পরিমাণ ছিল প্রায় ২৮ কোটি টাকা। বর্তমানে দৈনিক গড় লেনদেন বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় সাড়ে তিন লাখে, এবং প্রতিদিনের লেনদেনের পরিমাণ বেড়ে হয়েছে প্রায় ১৪৩ কোটি ৫৪ লাখ টাকা।

বর্তমানে দেশের ব্যাংক ও মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) গ্রাহকরা অ্যাপের মাধ্যমে প্রায় ৩৯ লাখ মার্চেন্ট প্রতিষ্ঠানে বাংলা কিউআর স্ক্যান করে অর্থ পরিশোধের সুযোগ পাচ্ছেন।

দেশে ক্যাশলেস লেনদেনের পরিধি বাড়ানো এবং ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থাকে আরও সহজ করতে গত ১ জুলাই থেকে সব ধরনের নিজস্ব কিউআরের পরিবর্তে সর্বজনীন বাংলা কিউআর ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বাংলা কিউআরভিত্তিক লেনদেনকে উৎসাহিত করতে আগামী ১ অক্টোবর থেকে কিছু নতুন সিদ্ধান্ত কার্যকর হতে যাচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে মার্চেন্টদের হিসাবে তাৎক্ষণিক অর্থ জমা, লেনদেনের খরচ কমানো এবং আর্থিক প্রণোদনা।

আরও পড়ুন: বিশ্ববাজারে সোনার দাম বেড়ে গেল, বিনিয়োগকারীদের নজর ফেডারেল রিজার্ভের সিদ্ধান্তে

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, বাংলা কিউআরের মাধ্যমে পরিশোধ করা অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে মার্চেন্টদের হিসাবে জমা হবে। পাশাপাশি অ্যাকোয়ারার প্রতিষ্ঠানের জন্য নির্ধারিত সর্বনিম্ন ১ শতাংশ মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট রেট (এমডিআর) তুলে দেওয়া হয়েছে। ইস্যুইং প্রতিষ্ঠানের ইন্টারচেঞ্জ ফি (আইআরএফ) শূন্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এই পরিবর্তনের ফলে মার্চেন্টদের কিউআরভিত্তিক লেনদেনের খরচ কমবে। একই সঙ্গে ব্যাংক ও এমএফএস প্রতিষ্ঠানগুলো বিনা খরচে অথবা কম খরচে এ সেবা প্রদান করতে সক্ষম হবে।

এছাড়া মার্চেন্ট পয়েন্টে দুই হাজার টাকা পর্যন্ত বাংলা কিউআর লেনদেনের বিপরীতে অ্যাকোয়ারিং প্রতিষ্ঠানকে শূন্য দশমিক ১০ শতাংশ এবং ইস্যুইং প্রতিষ্ঠানকে শূন্য দশমিক ২০ শতাংশ হারে প্রণোদনা প্রদান করবে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলা কিউআর ব্যবহারের পরিধি বাড়াতে আগামী ১ নভেম্বর থেকে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তির (পিটুপি) লেনদেনও শুরু হতে যাচ্ছে। এই ব্যবস্থায় একজন গ্রাহক অন্য গ্রাহকের কিউআর কোড স্ক্যান করে অথবা অ্যাপে কিউআর কোডের ছবি আপলোড করে আন্তঃপ্রতিষ্ঠান অর্থ স্থানান্তর করতে পারবেন।

আরও পড়ুন: কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও সামাজিক সুরক্ষা জোরদার সরকারের অর্থনৈতিক সংস্কারের প্রধান লক্ষ্য: ড. তিতুমীর

অন্যদিকে, লেনদেন ব্যর্থ হলে দ্রুত অর্থ ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থাও জোরদার করা হচ্ছে। লেনদেন সংক্রান্ত অভিযোগ ও বিরোধ দ্রুত এবং স্বচ্ছতার সঙ্গে নিষ্পত্তি করতে গত ২৭ সেপ্টেম্বর নির্দেশিকা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলা কিউআর লেনদেন সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ থাকলে গ্রাহকরা বাংলাদেশ ব্যাংকের হটলাইন ১৬২৩৬ নম্বরে যোগাযোগ করতে পারবেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অভিযানের জন্য সব সময় প্রস্তুত পুলিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:১২ পি.এম


আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অভিযানের জন্য সব সময় প্রস্তুত পুলিশ

পুলিশ সদর দপ্তর জানিয়েছে যে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে যেকোনো ধরনের অভিযানের জন্য তারা সব সময় প্রস্তুত রয়েছে। যৌথবাহিনীর অভিযান পরিচালনার জন্য নির্দেশনা পেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) পুলিশ সদর দপ্তরের মুখপাত্র এইচএম শাহাদাত হোসাইন এ তথ্য প্রকাশ করেন।

তিনি জানান, গত মার্চ মাস থেকে পুলিশ অবৈধ অস্ত্র ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এই অভিযানগুলো অব্যাহত রয়েছে।

পুলিশের মুখপাত্র আরও বলেন, যৌথবাহিনীর অভিযান পরিচালনার ক্ষেত্রেও পুলিশ প্রস্তুত। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে নির্দেশনা পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের বিরুদ্ধে ১০ শিক্ষক-কর্মকর্তাকে শোকজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:১৩ পি.এম


মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের বিরুদ্ধে ১০ শিক্ষক-কর্মকর্তাকে শোকজ

মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর দেশের বিভিন্ন মাদরাসার ১০ শিক্ষক-কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) জারি করা পৃথক প্রজ্ঞাপন এবং কারণ দর্শানোর নোটিশে তাদের এমপিও স্থগিত, ইনডেক্স কর্তনসহ প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে কিনা, তা জানার জন্য বলা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের তিন কার্যদিবসের মধ্যে জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অধিদপ্তরের সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের গোপালনগর মহিলা আলিম মাদরাসার ইবতেদায়ী শিক্ষক মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের বিরুদ্ধে সহকর্মী খাইরুল ইসলামকে মারধরের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে।

তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, তিনি খাইরুল ইসলামকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও মারধর করেছেন। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৬’-এর ১৮.২ (ক) অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

একই ঘটনায় মাদরাসাটির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. শাহ আলমের বিরুদ্ধেও কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনে তার যোগসাজশ এবং দায়িত্ব পালনে অদক্ষতা ও অযোগ্যতার অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য জানতে চাওয়া হয়েছে অধিদপ্তর থেকে।

এছাড়া, কুমিল্লার দাউদকান্দি মদিনাতুল উলুম ইসলামিয়া কামিল মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. রুহুল আমীনের বিরুদ্ধেও শোকজ করা হয়েছে। হাইকোর্টের নির্দেশ ও সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে ব্যর্থতার অভিযোগে তাকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এ বিষয়ে জবাব দিতে বলা হয়েছে।

ভোলার চরফ্যাশনের দক্ষিণ চরআইচা রাব্বানিয়া আলিম মাদরাসার উপাধ্যক্ষ মো. জাকির হোসেনের নিয়োগের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগের তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তার এমপিও স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বিধি লঙ্ঘন হয়েছিল কিনা, তা যাচাই করছে অধিদপ্তর।

নীলফামারীর জলঢাকার গোলনা ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার সহকারী অধ্যাপক মাহবুবুর রহমানের নিয়োগ নিয়েও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। অধিদপ্তরের নথি অনুযায়ী, ১৯৯০ সালে তার নিয়োগ তৎকালীন এমপিও জনবল কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না। এই কারণে প্রথম এমপিওভুক্তি থেকে ২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত সরকারি অর্থে নেওয়া বেতন-ভাতা ফেরত দেওয়ার পাশাপাশি তার এমপিও বাতিলের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

একই মাদরাসার প্রভাষক হোসাইন আহমেদের বিরুদ্ধে জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব গ্রহণ এবং সরকারি কাগজপত্র জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে। তদন্তে এসব অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে অধিদপ্তরের নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে। তার এমপিও স্থগিতের পাশাপাশি ফৌজদারি মামলা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, জাল শিক্ষক নিবন্ধন সনদ ব্যবহার করে এমপিও নেওয়ার অভিযোগে গাজীপুর ও ময়মনসিংহের তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) প্রতিবেদনে তাদের নিবন্ধন সনদ ভুয়া হিসেবে শনাক্ত হওয়ার পর অধিদপ্তর থেকে ইনডেক্স কর্তনের বিষয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

গাজীপুরের কাপাসিয়ার বিবাদীয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসার ইবতেদায়ী শিক্ষক মো. আফজাল হোসেনের ১৬তম নিবন্ধন এবং একই প্রতিষ্ঠানের সহকারী শিক্ষক লুৎফুন নাহারের ১৩তম নিবন্ধন সনদ নিয়ে আপত্তি রয়েছে। সনদ ভুয়া প্রমাণিত হওয়ায় তাদের এমপিও ইনডেক্স কেন কর্তন করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।

ময়মনসিংহের ত্রিশালের বীররামপুর জান্নাতুল উলুম আলিম মাদরাসার ইবতেদায়ী প্রধান শামিমা নাছরিনের ৬ষ্ঠ শিক্ষক নিবন্ধন সনদও ভুয়া হিসেবে শনাক্ত হয়েছে বলে এনটিআরসিএর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তার ইনডেক্স কেন কর্তন করা হবে না, নোটিশে তা জানতে চেয়েছে অধিদপ্তর।

নোটিশে সংশ্লিষ্টদের অভিযোগের বিষয়ে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব পাওয়ার পর নথিপত্র ও তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাস্তার পাশে শিয়ালের জটলা, কাছে যেতেই সানাউল্লাহর চোখ কপালে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:১৩ পি.এম


রাস্তার পাশে শিয়ালের জটলা, কাছে যেতেই সানাউল্লাহর চোখ কপালে

কুষ্টিয়ার সড়কের পাশে খড় দিয়ে ঢাকা অবস্থায় একটি অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহের বিভিন্ন অংশে শিয়ালের কামড়ের চিহ্ন লক্ষ্য করা গেছে।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে দৌলতপুর উপজেলার পিয়ারপুর ইউনিয়নের কামালপুর সাতবিল মাঠ এলাকার সড়কের পাশে এই মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় কৃষক সানাউল্লাহ সকালে মাঠে কাজ করতে যাওয়ার সময় নির্জন সড়কের পাশে কয়েকটি শিয়ালকে একটি বস্তু ঘিরে টানাটানি করতে দেখেন। তিনি কাছে এগিয়ে গেলে শিয়ালগুলো সরে যায়। এরপর তিনি দেখতে পান, ঘাস ও খড় দিয়ে ঢাকা অবস্থায় সেখানে এক ব্যক্তির মরদেহ পড়ে রয়েছে। মরদেহটির একাংশ শিয়ালের দ্বারা ক্ষতবিক্ষত হয়েছে।

সানাউল্লাহ বিষয়টি দেখে চিৎকার করলে আশপাশের মাঠে কাজ করা অন্য কৃষকরা সেখানে ছুটে আসেন। পরে, খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে জড়ো হন।

এরপর দৌলতপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরদেহটি উদ্ধার করে। নিহতের পরিচয় ও মৃত্যুর কারণ শনাক্ত করতে ঝিনাইদহ থেকে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ক্রাইমসিন টিমকে ঘটনাস্থলে ডাকা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, এটি হত্যা কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান বলেন, মরদেহটি আনুমানিক দুই থেকে তিন দিনের পুরোনো। মরদেহের মুখমণ্ডলসহ শরীরের কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পরিচয় শনাক্তের জন্য কাজ চলছে। এজন্য ঝিনাইদহ থেকে সিআইডির ক্রাইমসিন টিম আসছে।

এ বিষয়ে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দেলোয়ার হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, শিয়ালের টানাটানিতে মরদেহটি খড়ের বাইরে বেরিয়ে আসে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। পরে তারা মরদেহটি দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। নিহতের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

তিনি আরও বলেন, পরিচয় শনাক্তসহ পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাগুরার ৫০৬ কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিলের ঘটনায় মন্ত্রীর ফোন, জিএম বরখাস্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:১৪ পি.এম


মাগুরার ৫০৬ কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিলের ঘটনায় মন্ত্রীর ফোন, জিএম বরখাস্ত

মাগুরার এক গ্রাহকের নামে ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের জন্য ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকার বিল এসেছে। এই ঘটনার পর মাগুরা পল্লী বিদ্যুতের মহাব্যবস্থাপককে (জিএম) তাৎক্ষণিকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ওই গ্রাহককে ফোন করে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

জানা গেছে, মাগুরা সদর উপজেলার মঘি ইউনিয়নের কেচুয়াডুবি গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক শহীদুল ইসলামের স্ত্রী আলেয়া খাতুনের নামে সেপ্টেম্বর মাসের এই ভৌতিক বিলটি ইস্যু করা হয়।

বিলের কপিতে দেখা যায়, এক মাসে ওই গ্রাহকের বিদ্যুৎ ব্যবহার হয়েছে মাত্র ২৩৫ ইউনিট। এই বিদ্যুত খরচের বিপরীতে ডিমান্ড চার্জ হিসেবে ৪৮২ কোটি ৬৯ লাখ ৬৩ হাজার ৪২২ টাকা দেখানো হয়েছে। এর সঙ্গে ২৪ কোটি ১৩ লাখ ৪৮ হাজার ১৭১ টাকা ভ্যাট এবং ১০ টাকা মিটার ভাড়া যোগ করে মোট বিল দাঁড়িয়েছে ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকা। নির্ধারিত সময়ে বিল পরিশোধ না করলে বিলম্ব মাশুলসহ তা বেড়ে দাঁড়াবে ৫৩০ কোটি ৯৬ লাখ ৫৯ হাজার ৭৬৪ টাকা।

প্রকৃতপক্ষে, ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুতের বিপরীতে গ্রাহকের বিল হওয়ার কথা ছিল মাত্র ১ হাজার ৯৬৩ টাকা। বিলম্ব মাশুলসহ যার পরিমাণ দাঁড়ায় ২ হাজার ৫৬ টাকা।

গত ১০ সেপ্টেম্বর ইস্যু করা বিলটির পরিশোধের শেষ তারিখ ছিল ২৯ সেপ্টেম্বর। বিলটিতে গ্রাহকের শ্রেণি উল্লেখ করা হয়েছে ‘এলটি-এ (আবাসিক)’।

এ বিষয়ে গ্রাহক মোছা. আলেয়া খাতুন বলেন, "এটা শুধু ভুতুড়ে বিল নয়, আজগুবিও। বিদ্যুৎ বিভাগের খামখেয়ালিপনার কারণে গ্রাহকের দুশ্চিন্তা ও ভোগান্তি বাড়ছে। এ ধরনের ভুলের প্রতিকার হওয়া জরুরি।"

শালিখা উপজেলার চুকিনগরে অবস্থিত মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আড়পাড়া জোনাল অফিসে গিয়ে ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মো. রেজাউল করিমের কাছে জানতে চাইলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।

তিনি জানান, গ্রাহকের মিটার পরিবর্তন হওয়ার কারণে ভুলবশত মিটারের সিল নম্বরের ডিজিটগুলো ডিমান্ড চার্জের ঘরে পোস্টিং হয়ে যাওয়ায় এই অস্বাভাবিক বিলটি তৈরি হয়েছে। বিলটি সংশোধন করে গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এই দায়িত্বহীন ভুলের পেছনে যাদের সম্পৃক্ততা রয়েছে, তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মো. মহিতুল ইসলাম বলেন, "টাইপিং মিসটেকের কারণে এমনটি হয়েছে। আজ বিলটি সংশোধন করে দেয়া হয়েছে, উক্ত গ্রাহক বিলও পরিশোধ করেছেন। এ ভুলের সাথে যারা জড়িত, তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%