বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:১৩ পি.এম
মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর দেশের বিভিন্ন মাদরাসার ১০ শিক্ষক-কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) জারি করা পৃথক প্রজ্ঞাপন এবং কারণ দর্শানোর নোটিশে তাদের এমপিও স্থগিত, ইনডেক্স কর্তনসহ প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে কিনা, তা জানার জন্য বলা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের তিন কার্যদিবসের মধ্যে জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অধিদপ্তরের সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের গোপালনগর মহিলা আলিম মাদরাসার ইবতেদায়ী শিক্ষক মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের বিরুদ্ধে সহকর্মী খাইরুল ইসলামকে মারধরের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে।
তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, তিনি খাইরুল ইসলামকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও মারধর করেছেন। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৬’-এর ১৮.২ (ক) অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
একই ঘটনায় মাদরাসাটির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. শাহ আলমের বিরুদ্ধেও কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনে তার যোগসাজশ এবং দায়িত্ব পালনে অদক্ষতা ও অযোগ্যতার অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য জানতে চাওয়া হয়েছে অধিদপ্তর থেকে।
এছাড়া, কুমিল্লার দাউদকান্দি মদিনাতুল উলুম ইসলামিয়া কামিল মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. রুহুল আমীনের বিরুদ্ধেও শোকজ করা হয়েছে। হাইকোর্টের নির্দেশ ও সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে ব্যর্থতার অভিযোগে তাকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এ বিষয়ে জবাব দিতে বলা হয়েছে।
ভোলার চরফ্যাশনের দক্ষিণ চরআইচা রাব্বানিয়া আলিম মাদরাসার উপাধ্যক্ষ মো. জাকির হোসেনের নিয়োগের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগের তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তার এমপিও স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বিধি লঙ্ঘন হয়েছিল কিনা, তা যাচাই করছে অধিদপ্তর।
নীলফামারীর জলঢাকার গোলনা ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার সহকারী অধ্যাপক মাহবুবুর রহমানের নিয়োগ নিয়েও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। অধিদপ্তরের নথি অনুযায়ী, ১৯৯০ সালে তার নিয়োগ তৎকালীন এমপিও জনবল কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না। এই কারণে প্রথম এমপিওভুক্তি থেকে ২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত সরকারি অর্থে নেওয়া বেতন-ভাতা ফেরত দেওয়ার পাশাপাশি তার এমপিও বাতিলের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
একই মাদরাসার প্রভাষক হোসাইন আহমেদের বিরুদ্ধে জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব গ্রহণ এবং সরকারি কাগজপত্র জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে। তদন্তে এসব অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে অধিদপ্তরের নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে। তার এমপিও স্থগিতের পাশাপাশি ফৌজদারি মামলা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, জাল শিক্ষক নিবন্ধন সনদ ব্যবহার করে এমপিও নেওয়ার অভিযোগে গাজীপুর ও ময়মনসিংহের তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) প্রতিবেদনে তাদের নিবন্ধন সনদ ভুয়া হিসেবে শনাক্ত হওয়ার পর অধিদপ্তর থেকে ইনডেক্স কর্তনের বিষয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
গাজীপুরের কাপাসিয়ার বিবাদীয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসার ইবতেদায়ী শিক্ষক মো. আফজাল হোসেনের ১৬তম নিবন্ধন এবং একই প্রতিষ্ঠানের সহকারী শিক্ষক লুৎফুন নাহারের ১৩তম নিবন্ধন সনদ নিয়ে আপত্তি রয়েছে। সনদ ভুয়া প্রমাণিত হওয়ায় তাদের এমপিও ইনডেক্স কেন কর্তন করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।
ময়মনসিংহের ত্রিশালের বীররামপুর জান্নাতুল উলুম আলিম মাদরাসার ইবতেদায়ী প্রধান শামিমা নাছরিনের ৬ষ্ঠ শিক্ষক নিবন্ধন সনদও ভুয়া হিসেবে শনাক্ত হয়েছে বলে এনটিআরসিএর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তার ইনডেক্স কেন কর্তন করা হবে না, নোটিশে তা জানতে চেয়েছে অধিদপ্তর।
নোটিশে সংশ্লিষ্টদের অভিযোগের বিষয়ে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব পাওয়ার পর নথিপত্র ও তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কুষ্টিয়ার সড়কের পাশে খড় দিয়ে ঢাকা অবস্থায় একটি অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহের বিভিন্ন অংশে শিয়ালের কামড়ের চিহ্ন লক্ষ্য করা গেছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে দৌলতপুর উপজেলার পিয়ারপুর ইউনিয়নের কামালপুর সাতবিল মাঠ এলাকার সড়কের পাশে এই মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় কৃষক সানাউল্লাহ সকালে মাঠে কাজ করতে যাওয়ার সময় নির্জন সড়কের পাশে কয়েকটি শিয়ালকে একটি বস্তু ঘিরে টানাটানি করতে দেখেন। তিনি কাছে এগিয়ে গেলে শিয়ালগুলো সরে যায়। এরপর তিনি দেখতে পান, ঘাস ও খড় দিয়ে ঢাকা অবস্থায় সেখানে এক ব্যক্তির মরদেহ পড়ে রয়েছে। মরদেহটির একাংশ শিয়ালের দ্বারা ক্ষতবিক্ষত হয়েছে।
সানাউল্লাহ বিষয়টি দেখে চিৎকার করলে আশপাশের মাঠে কাজ করা অন্য কৃষকরা সেখানে ছুটে আসেন। পরে, খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে জড়ো হন।
এরপর দৌলতপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরদেহটি উদ্ধার করে। নিহতের পরিচয় ও মৃত্যুর কারণ শনাক্ত করতে ঝিনাইদহ থেকে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ক্রাইমসিন টিমকে ঘটনাস্থলে ডাকা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, এটি হত্যা কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান বলেন, মরদেহটি আনুমানিক দুই থেকে তিন দিনের পুরোনো। মরদেহের মুখমণ্ডলসহ শরীরের কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পরিচয় শনাক্তের জন্য কাজ চলছে। এজন্য ঝিনাইদহ থেকে সিআইডির ক্রাইমসিন টিম আসছে।
এ বিষয়ে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দেলোয়ার হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, শিয়ালের টানাটানিতে মরদেহটি খড়ের বাইরে বেরিয়ে আসে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। পরে তারা মরদেহটি দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। নিহতের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
তিনি আরও বলেন, পরিচয় শনাক্তসহ পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মাগুরার এক গ্রাহকের নামে ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের জন্য ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকার বিল এসেছে। এই ঘটনার পর মাগুরা পল্লী বিদ্যুতের মহাব্যবস্থাপককে (জিএম) তাৎক্ষণিকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ওই গ্রাহককে ফোন করে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
জানা গেছে, মাগুরা সদর উপজেলার মঘি ইউনিয়নের কেচুয়াডুবি গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক শহীদুল ইসলামের স্ত্রী আলেয়া খাতুনের নামে সেপ্টেম্বর মাসের এই ভৌতিক বিলটি ইস্যু করা হয়।
বিলের কপিতে দেখা যায়, এক মাসে ওই গ্রাহকের বিদ্যুৎ ব্যবহার হয়েছে মাত্র ২৩৫ ইউনিট। এই বিদ্যুত খরচের বিপরীতে ডিমান্ড চার্জ হিসেবে ৪৮২ কোটি ৬৯ লাখ ৬৩ হাজার ৪২২ টাকা দেখানো হয়েছে। এর সঙ্গে ২৪ কোটি ১৩ লাখ ৪৮ হাজার ১৭১ টাকা ভ্যাট এবং ১০ টাকা মিটার ভাড়া যোগ করে মোট বিল দাঁড়িয়েছে ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকা। নির্ধারিত সময়ে বিল পরিশোধ না করলে বিলম্ব মাশুলসহ তা বেড়ে দাঁড়াবে ৫৩০ কোটি ৯৬ লাখ ৫৯ হাজার ৭৬৪ টাকা।
প্রকৃতপক্ষে, ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুতের বিপরীতে গ্রাহকের বিল হওয়ার কথা ছিল মাত্র ১ হাজার ৯৬৩ টাকা। বিলম্ব মাশুলসহ যার পরিমাণ দাঁড়ায় ২ হাজার ৫৬ টাকা।
গত ১০ সেপ্টেম্বর ইস্যু করা বিলটির পরিশোধের শেষ তারিখ ছিল ২৯ সেপ্টেম্বর। বিলটিতে গ্রাহকের শ্রেণি উল্লেখ করা হয়েছে ‘এলটি-এ (আবাসিক)’।
এ বিষয়ে গ্রাহক মোছা. আলেয়া খাতুন বলেন, "এটা শুধু ভুতুড়ে বিল নয়, আজগুবিও। বিদ্যুৎ বিভাগের খামখেয়ালিপনার কারণে গ্রাহকের দুশ্চিন্তা ও ভোগান্তি বাড়ছে। এ ধরনের ভুলের প্রতিকার হওয়া জরুরি।"
শালিখা উপজেলার চুকিনগরে অবস্থিত মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আড়পাড়া জোনাল অফিসে গিয়ে ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মো. রেজাউল করিমের কাছে জানতে চাইলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।
তিনি জানান, গ্রাহকের মিটার পরিবর্তন হওয়ার কারণে ভুলবশত মিটারের সিল নম্বরের ডিজিটগুলো ডিমান্ড চার্জের ঘরে পোস্টিং হয়ে যাওয়ায় এই অস্বাভাবিক বিলটি তৈরি হয়েছে। বিলটি সংশোধন করে গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এই দায়িত্বহীন ভুলের পেছনে যাদের সম্পৃক্ততা রয়েছে, তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মো. মহিতুল ইসলাম বলেন, "টাইপিং মিসটেকের কারণে এমনটি হয়েছে। আজ বিলটি সংশোধন করে দেয়া হয়েছে, উক্ত গ্রাহক বিলও পরিশোধ করেছেন। এ ভুলের সাথে যারা জড়িত, তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার একটি আদালত সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ৫ নভেম্বর নতুন দিন ধার্য করেছে। তদন্ত সংস্থার জন্য এটি ১৩০ বারের মতো প্রতিবেদন দাখিলের সময় প্রাপ্তির ঘটনা।
মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) নির্ধারিত ছিল। তবে তদন্ত সংস্থা প্রতিবেদন দাখিল না করায় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম নতুন দিন ধার্য করেন।
শেরেবাংলা নগর থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় খুন হন সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি। সাগর মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক ছিলেন এবং রুনি এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ছিলেন। নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
গত ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্তের দায়িত্ব র্যাব (তৎকালীন) থেকে সরিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে গঠিত একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্সের মাধ্যমে তদন্তের নির্দেশ দেয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের সুইজারল্যান্ড দূতাবাসে ড্রাইভার পদে জনবল নিয়োগের জন্য আবেদন গ্রহণ করা হবে। আগ্রহী এবং যোগ্য প্রার্থীরা পূর্ণকালীন এই পদে আবেদন করার সুযোগ পাবেন। যদিও কর্মস্থল ঢাকা, তবে প্রয়োজনে দেশের বিভিন্ন স্থানে ফিল্ড ভিজিট করতে হবে।
দূতাবাসের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রার্থীদের যত দ্রুত সম্ভব পদটিতে যোগদান করতে হবে। বিশেষ করে নারী প্রার্থীদের আবেদন করার জন্য উৎসাহিত করা হয়েছে।
পদের বিবরণ
পদের নাম: ড্রাইভার
চাকরির ধরন: ফুলটাইম
কর্মস্থল: ঢাকা, প্রয়োজনে বিভিন্ন জেলায় ফিল্ড ভিজিট
চুক্তির মেয়াদ: ৬ মাস; পরিস্থিতি অনুযায়ী নবায়নযোগ্য
দায়িত্ব
ড্রাইভারকে দূতাবাসের গাড়ি চালানোর পাশাপাশি ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যাতায়াতে সহায়তা করতে হবে। প্রয়োজনে মোটরসাইকেল ও সুরক্ষিত (আর্মড) যানবাহন চালানোর দায়িত্বও পালন করতে হবে।
এছাড়া, বিমানবন্দর থেকে কর্মকর্তা বা অতিথিদের আনা-নেওয়া, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও পণ্য পৌঁছে দেওয়া এবং প্রয়োজন অনুযায়ী দূতাবাসের অন্যান্য কাজে সহায়তা করারও প্রয়োজন রয়েছে।
গাড়ির দৈনন্দিন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও সরঞ্জাম ঠিক রাখা, সময়মতো সার্ভিসিং নিশ্চিত করা এবং গাড়ির কোনো ত্রুটি বা ক্ষতি হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে জানানোও ড্রাইভারের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে।
ফিল্ড ভিজিটের পূর্বে গাড়ির প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও সরঞ্জাম পরীক্ষা করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী জ্বালানি নেওয়ার দায়িত্বও পালন করতে হবে। প্রয়োজনে রিসেপশনে সহায়তা করতে হবে।
যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা
শিক্ষাগত যোগ্যতা: বাংলাদেশ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি বা সমমান পাস হতে হবে।
অভিজ্ঞতা: ড্রাইভিংয়ে কমপক্ষে ৫ বছরের অভিজ্ঞতা এবং বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকা আবশ্যক। দূতাবাস, আন্তর্জাতিক সংস্থা, জাতিসংঘের সংস্থা বা স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে কাজের অভিজ্ঞতা থাকলে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
অন্যান্য যোগ্যতা
প্রার্থীকে বাংলা ও ইংরেজিতে ভালো থেকে মাঝারি পর্যায়ের কথা বলা ও লেখার দক্ষতা থাকতে হবে। ট্রাফিক আইন সম্পর্কে ভালো ধারণা, সময়ানুবর্তিতা, দায়িত্বশীলতা ও পেশাদার আচরণ প্রয়োজন।
গাড়ির সাধারণ যান্ত্রিক ত্রুটি শনাক্ত ও জরুরি পরিস্থিতিতে প্রাথমিকভাবে সামাল দেওয়ার মতো জ্ঞান থাকা আবশ্যক। একা এবং ছোট দলের সঙ্গে কাজ করার সক্ষমতা থাকা প্রয়োজন।
এছাড়া, কূটনৈতিক পরিবেশে গোপনীয়তা রক্ষা ও পেশাদার আচরণ বজায় রাখতে হবে। মাইক্রোসফট এক্সেল ও আউটলুক ব্যবহারে মৌলিক দক্ষতা থাকলে তা অতিরিক্ত যোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হবে।
বেতন ও সুযোগ-সুবিধা
সুইজারল্যান্ড দূতাবাসের নীতিমালা অনুযায়ী প্রতিযোগিতামূলক বেতন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হবে।
আবেদন যেভাবে
আগ্রহী প্রার্থীদের সুইজারল্যান্ডের ফেডারেল ডিপার্টমেন্ট অব ফরেন অ্যাফেয়ার্সের ( FDFA ) নির্ধারিত আবেদন ফরম ডাউনলোড করে পূরণ করতে হবে। আবেদনপত্রের সঙ্গে একটি মোটিভেশন লেটার এবং থাকলে সুপারিশপত্র সংযুক্ত করতে হবে।
আবেদনপত্র ই-মেইলে পাঠাতে হবে—
[email protected]
আবেদনের শেষ সময়
৮ অক্টোবর ২০২৬। শুধুমাত্র বাছাই করা প্রার্থীদের মূল্যায়ন পরীক্ষার জন্য যোগাযোগ করা হবে।
সুইজারল্যান্ড দূতাবাসের চাকরির বিজ্ঞপ্তি ও আবেদন ফরম দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ