ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইসরাইলি সেনা নিহতের পর পশ্চিম তীরে বড় ধরনের সামরিক অভিযানের ঘোষণা নেতানিয়াহুর


ইসরাইলি সেনা নিহতের পর পশ্চিম তীরে বড় ধরনের সামরিক অভিযানের ঘোষণা নেতানিয়াহুর

ঢাকা, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬ : অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি বন্দুকধারীদের হামলায় দুই ইসরাইলি সেনা নিহত হওয়ার পর শুক্রবার সেখানে বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

আগামী মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ইসরাইলের নির্বাচন। এবারের নির্বাচনে নিরাপত্তা ইস্যু অন্যতম প্রধান আলোচ্য বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

আরও পড়ুন: এআইয়ের ঝুঁকি মোকাবিলায় যুক্তরাজ্যের আরও অর্থ বরাদ্দের ঘোষণা

নেতানিয়াহু ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য নির্বাচনে কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে রয়েছেন। নির্বাচনী প্রচারে তিনি ইসরাইলিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। হামলার ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এবং তার ডানপন্থী মিত্ররা পশ্চিম তীরে সশস্ত্র তৎপরতা দমনে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার অঙ্গীকার করেন।

নেতানিয়াহু জানান, অভিযানের প্রাথমিক পর্যায়ে হেবরনের বাসিন্দাদের বাড়িঘর থেকে সরিয়ে নেওয়া, বাড়িতে বাড়িতে তল্লাশি চালানো এবং ‘সন্ত্রাসী অবকাঠামো’ ধ্বংস করা হবে।

১৯৬৭ সালে পশ্চিম তীর দখলে নেওয়ার পর এত বড় পরিসরে অভিযান চালানোর ঘটনা ঘটেনি— এমন মাত্রার সামরিক অভিযানের হুমকিও দেন তিনি।

ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠন হামাস হামলার দায় স্বীকার না করলেও ঘটনাটিকে ‘বীরত্বপূর্ণ অভিযান’ হিসেবে অভিহিত করেছে।

আরও পড়ুন: ইতালির রোম ও মিলানে বিক্ষোভের জন্য কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা

একই সঙ্গে সংগঠনটি সমর্থকদের আরও হামলা চালানোর আহ্বান জানিয়েছে।

হেবরনে দায়িত্ব পালনরত এএফপির এক আলোকচিত্রী অন্য একটি কাজে যাওয়ার পথে ফারশ আল-হাওয়া চেকপোস্টে বন্দুকযুদ্ধ শুরু হতে দেখেন। তার বর্ণনা অনুযায়ী, পিস্তল ও স্বয়ংক্রিয় রাইফেলে সজ্জিত দুই ফিলিস্তিনি ব্যক্তির সঙ্গে ইসরাইলি সেনাদের বন্দুকযুদ্ধ হয়। একপর্যায়ে ইসরাইলি বাহিনীর গুলিতে ওই দুই হামলাকারী নিহত হন।

পরে ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানায়, জুডিয়া জংশন এলাকায় তাদের দুই সেনা ‘যুদ্ধে নিহত’ হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও তিন সেনা আহত হয়েছেন।

এক বিবৃতিতে নেতানিয়াহু সেনাদের প্রতিরোধের প্রশংসা করেন। তার দাবি, সেনারা ‘সম্ভাব্য বড় ধরনের একটি হামলা ঠেকিয়ে দিয়েছেন’। একই সঙ্গে তিনি পশ্চিম তীরে অবরুদ্ধ পরিস্থিতি বা কঠোর নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ আরোপের নির্দেশ দেন।

আরও পড়ুন: ওলেশকিতে মঙ্গলবার রাত ১টা থেকে যুদ্ধবিরতি পালন করবে ইউক্রেনের সেনাবাহিনী

পরে দিনের বেলায় হেবরন সফরকালে নেতানিয়াহু বলেন, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাটজ ও তিনি পশ্চিম তীরে বড় পরিসরে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) অভিযান চালানোর বিষয়টি বিবেচনা করছেন।

তিনি বলেন, ‘১৯৬৭ সালের যুদ্ধের পর থেকে এ ধরনের অভিযান চালানো হয়নি। আইডিএফ অভিযান পরিচালনায় প্রস্তুত। কখন তা শুরু হবে, সেই সময় আমরা নির্ধারণ করব। তবে অভিযান আসছে।’

নেতানিয়াহু জানান, প্রথম ধাপে ইসরাইলি বাহিনী সন্ত্রাসীদের আস্তানায় প্রবেশ করবে, বাসিন্দাদের সরিয়ে নেবে এবং বাড়ি বাড়ি গিয়ে সন্ত্রাসী অবকাঠামো ধ্বংস করবে।

এ ক্ষেত্রে পশ্চিম তীরের উত্তরাঞ্চলের শরণার্থীশিবিরগুলোতে আগে পরিচালিত অভিযানের আদলে পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় নতুন গতি আশা টোকিওর

২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ওই অঞ্চলে বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু হয়েছিল।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, সেই অভিযানে হাজার হাজার ফিলিস্তিনিকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত হতে হয়েছিল।

ইসরাইলি মানবাধিকার সংগঠন বিৎসেলেম আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি জরুরি চাপ প্রয়োগের আহ্বান জানিয়েছে, যাতে ইসরাইলের এই ‘সমষ্টিগত শাস্তি’ দেওয়ার পরিকল্পনা ও যুদ্ধাপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে— এমন কর্মকাণ্ড ঠেকানো যায়।

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের এক মুখপাত্রও পশ্চিম তীরে ইসরাইলের আরোপ করা বিভিন্ন বিধিনিষেধ ও অবরোধ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

আরও পড়ুন: ইউক্রেনের ওলেশকি শহরে যুদ্ধবিরতি কার্যকরে মেলানিয়ার মধ্যস্থতা

এসব পদক্ষেপ ফিলিস্তিনিদের জীবিকা ও দৈনন্দিন জীবনকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে বলে উল্লেখ করে তিনি সব পক্ষকে সহিংসতা বন্ধের আহ্বান জানান।

ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা হেবরন এলাকায় ‘সন্ত্রাসবিরোধী আক্রমণাত্মক অভিযান’ শুরু করেছে। এ সময় সন্দেহভাজন হামলাকারীদের বাড়িসহ বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

ইসরাইলের কট্টর ডানপন্থী অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোটরিচ, পরে জানান যে বিভিন্ন স্থাপনা ও ভবন গুঁড়িয়ে দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে।

তিনি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়েও দায়িত্ব পালন করছেন।

আরও পড়ুন: ক্রিপ্টোকারেন্সি কেলেঙ্কারির অভিযোগে আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্টের মামলা খারিজ

এলাকাটি থেকে প্রকাশিত এক ভিডিওতে স্মোটরিচ বলেন, ‘আমরা আমাদের শত্রুদের কাছে দ্ব্যর্থহীন বার্তা দিচ্ছি— ইহুদিদের ওপর হামলা করলে এর জন্য অত্যন্ত চড়া মূল্য দিতে হবে।’

এর আগে শুক্রবার তিনি গাজার মতোই পশ্চিম তীরে বড় আকারের সামরিক অভিযান চালানোর আহ্বান জানিয়েছিলেন।

স্মোটরিচ বলেন, ‘পরবর্তী সরকারে এটি হবে আমাদের দাবির ভিত্তিতে নেওয়া প্রথম পদক্ষেপগুলোর একটি, যা আমাদের বাস্তবায়ন করতে হবে।’

ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে ইসরাইলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ও কট্টর ডানপন্থী নেতা ইতামার বেন-গাভির পশ্চিম তীরে সীমিত স্বায়ত্তশাসন পরিচালনাকারী ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষকে বিলুপ্ত করার দাবি জানান।

ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের সদর দপ্তর রামাল্লায়।

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘জুডিয়া ও সামারিয়া অঞ্চলে এমন কোনো কর্তৃপক্ষ থাকতে পারে না, যারা হত্যায় উসকানি দেয়, হত্যার আহ্বান জানায় ও হত্যাকাণ্ডে সহায়তা করে।’

উল্লেখ্য, শুক্রবারের হামলার সঙ্গে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের কোনো সংশ্লিষ্টতা রয়েছে— এমন প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

বেন-গাভির ও স্মোটরিচ উভয়েই পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতি সম্প্রসারণের জোরালো সমর্থক। নেতানিয়াহুর সরকারের আমলে এসব বসতির বিস্তার ঘটেছে।

তবে আন্তর্জাতিক আইনে পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতি স্থাপনকে অবৈধ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরাইলে হামলা চালিয়েছিল হামাস। ওই হামলার পরই গাজায় যুদ্ধ শুরু হয়।

শুক্রবারের হামলাকে হামাস ‘আমাদের জনগণের বিরুদ্ধে চলমান অপরাধ ও নৃশংস হামলার স্বাভাবিক এবং বৈধ প্রতিক্রিয়া’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানে বড় ধরনের সামরিক অভিযান ফের শুরুর ইঙ্গিত যুক্তরাষ্ট্রের, বলছেন বিশেষজ্ঞরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৩৬ পি.এম


ইরানে বড় ধরনের সামরিক অভিযান ফের শুরুর ইঙ্গিত যুক্তরাষ্ট্রের, বলছেন বিশেষজ্ঞরা

ঢাকা, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬ : যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে বড় আকারের সামরিক অভিযান আবার শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে— এমন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই ভয়াবহ সংঘাতের সামরিক সমাধান কোনো পক্ষের জন্যই সম্ভব নয়।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের বাহিনী বাণিজ্যিক জাহাজে পাল্টাপাল্টি হামলার মধ্যে জড়িয়ে পড়েছে। ওয়াশিংটন ইরানের বন্দরগুলো অবরোধ কার্যকর রাখতে চায়। অন্যদিকে, ইরান গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীর ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে।

এএফপি সংবাদ সংস্থার খবর অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরের শুরুর পর থেকে কোনো পক্ষই স্থলভাগের লক্ষ্যবস্তুতে বড় ধরনের হামলা চালাতে পারেনি। তবে পরিস্থিতির পরিবর্তন শিগগিরই ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ব্রুকিংস ইনস্টিটিউটের পররাষ্ট্রনীতি কর্মসূচির পরিচালক সুজান ম্যালোনি জানান, "এখন আমার ধারণা, মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরপরই হামলা শুরুর সম্ভাবনা রয়েছে।" আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি কয়েকটি সম্ভাব্য ইঙ্গিত তুলে ধরেন, যার মধ্যে রয়েছে— মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত মার্কিন সামরিক সরঞ্জাম ও সেনা মোতায়েন, ওই অঞ্চলে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের জন্য সতর্কবার্তা জারি এবং ইসরাইলি বাহিনীকে উচ্চ সতর্কাবস্থায় রাখা।

ম্যালোনি আরও বলেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রকাশ্যে বলেছেন, মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে তিনি ইরানে হামলা চালাবেন না। তার ভাষায়, "এখন হামলা চালালে নির্বাচনে তার লাভ হবে বলে মনে হয় না।"

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরানবিরোধী যুদ্ধ দেশটিতে ব্যাপকভাবে অজনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে এই যুদ্ধের কারণে জ্বালানির দাম ব্যাপকভাবে বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। ফলে আসন্ন গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনে ট্রাম্পের রিপাবলিকান দলের জন্য এটি নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

ম্যালোনি বলেন, "মৌলিকভাবে বর্তমান পরিস্থিতি এভাবে চলতে পারে না।" তার মতে, যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ ইরানের ওপর চাপ আরও বাড়াচ্ছে। একই সঙ্গে অবরোধ কার্যকর রাখতে যুক্তরাষ্ট্রকে বিপুলসংখ্যক নৌবাহিনীর জাহাজ ও অন্যান্য সামরিক সম্পদ ব্যস্ত রাখতে হচ্ছে।

শুক্রবার ট্রাম্প বলেছেন, তেহরান কোনো চুক্তিতে না এলে যুক্তরাষ্ট্র আবারও "একটু এপিক ফিউরি" অভিযান চালাতে পারে। গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানের বিরুদ্ধে শুরু করা মার্কিন সামরিক অভিযানের নাম ছিল "এপিক ফিউরি"।

তবে নতুন করে হামলা চালানোর সম্ভাব্য সময় সম্পর্কে তিনি কোনো ইঙ্গিত দেননি। মিডল ইস্ট ইনস্টিটিউটের জ্যেষ্ঠ গবেষক জেসন ক্যাম্পবেল বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে এমন কিছু লক্ষণ দেখা গেছে, যা থেকে ধারণা করা যায়, যুক্তরাষ্ট্র আবারও হামলা চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে এমনও হতে পারে, যুক্তরাষ্ট্র আশঙ্কা করছে যে ইরান কিংবা ইয়েমেনভিত্তিক তাদের মিত্র হুতিরা নতুন করে হামলা চালাতে পারে।

ক্যাম্পবেল মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট মোতায়েনের পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেন। এটি সেখানে পৌঁছালে সাময়িকভাবে মার্কিন বিমানবাহী রণতরির নেতৃত্বাধীন আক্রমণকারী বহরের সংখ্যা তিনটিতে উন্নীত হতে পারে। এ ছাড়া ওই অঞ্চলে আরও একটি মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিট পাঠানোর সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলো ইরানের বিরুদ্ধে আগের হামলাগুলোর অনুরূপ কৌশলে শক্তি প্রদর্শন করেছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ইসরায়েল সফরে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

তবে নতুন করে হামলা কখন শুরু হতে পারে, সে বিষয়ে ক্যাম্পবেল বলেন, "এখানে সময় নির্ধারণ করা অসম্ভব।" তিনি আরও বলেন, ইরানকে আলোচনার টেবিলে আনতে শুধু চাপ সৃষ্টি করাই যদি উদ্দেশ্য হয়, তাহলে এ ধরনের ব্যাপক সামরিক পদক্ষেপের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

ক্যাম্পবেলের মতে, যুদ্ধের আগের পর্যায়ের তুলনায় এখন ট্রাম্পের সামরিক বিকল্প সীমিত হয়ে এসেছে। মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সম্ভাব্য স্থল অভিযান পরিচালনা করা আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।

ম্যালোনি বলেন, ইরানের অধিকাংশ প্রচলিত সামরিক স্থাপনা আগের হামলাগুলোতেই ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে নতুন সামরিক অভিযান চালানো হলে তা আরও বেশি করে বেসামরিক অবকাঠামো ও সাধারণ মানুষের ওপর প্রভাব ফেলে— এমন লক্ষ্যবস্তুতে হামলার দিকে গড়াতে পারে।

তবে তার মতে, এ ধরনের হামলা কিংবা অন্য কোনো সামরিক পদক্ষেপই সংঘাতের স্থায়ী সমাধান আনতে পারবে না। ম্যালোনি বলেন, "শুরু থেকেই এটি এমন একটি যুদ্ধ, যা কোনো পক্ষেরই আরও সংঘাত বাড়ানোর মাধ্যমে শেষ করা সম্ভব নয়।"

ক্যাম্পবেলও একই ধরনের মত প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, "যুদ্ধের প্রথম ৫০ দিনের মতো আবারও ইরানে হামলা চালালে দেশটির শাসকগোষ্ঠীর কৌশলগত অবস্থানে কীভাবে পরিবর্তন আসবে, তা আমি দেখতে পাচ্ছি না।"

তিনি আরও বলেন, ইরান ইতোমধ্যেই ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সহ্য করার সক্ষমতা দেখিয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো কিংবা বেসামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালানো হলেও দেশটির অবস্থানে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে— এমন সম্ভাবনা কম।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামের কিছু স্থানে বৃষ্টির সম্ভাবনা, সারাদেশে শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৩৬ পি.এম


চট্টগ্রামের কিছু স্থানে বৃষ্টির সম্ভাবনা, সারাদেশে শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে

ঢাকা, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬ : চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়ার সাথে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে, দেশের অন্যান্য স্থানে অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশের সাথে সারাদেশের আবহাওয়া মূলত শুষ্ক থাকতে পারে।

এছাড়া, সারাদেশে দিনের এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

আজ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

আবহাওয়ার সিনপটিক অবস্থা সম্পর্কে জানানো হয়েছে যে, পূর্ব-মধ্য এবং তৎসংলগ্ন দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়ে পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে।

এটি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘণীভূত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

গতকাল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা যৌথভাবে সন্দ্বীপ ও আমবাগানে ৩৫ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।

আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা তেঁতুলিয়ায় ১৭ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।

আজ ঢাকায় বাতাসের গতিবেগ পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৮ থেকে ১০ কি.মি.। ভোর ৬টায় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৬৮ শতাংশ।

আজ ভোর ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের কোথাও কোনো বৃষ্টিপাত হয়নি।

ঢাকায় আজ সূর্যাস্ত সন্ধ্যা ৫টা ২৫ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় ভোর ৬টায় হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রাম্পের নির্দেশে রিপাবলিকান প্রার্থী হারলে আলাস্কায় সিনেট নির্বাচনের ফলাফল অনুমোদন ঠেকাতে মামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৩৭ পি.এম


ট্রাম্পের নির্দেশে রিপাবলিকান প্রার্থী হারলে আলাস্কায় সিনেট নির্বাচনের ফলাফল অনুমোদন ঠেকাতে মামলা

ঢাকা, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬ : মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আলাস্কায় সিনেট নির্বাচনে ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান প্রার্থী পরাজিত হলে নির্বাচনের ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন ঠেকাতে বিচার বিভাগকে মামলা করার নির্দেশ দিয়েছেন। শুক্রবার তিনি এই তথ্য প্রকাশ করেন।

এই পদক্ষেপের ফলে আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্প পরাজিত হলে ফলাফল মেনে নেবেন কিনা, তা নিয়ে নতুন প্রশ্ন ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

ফ্লোরিডা সফরকালে ট্রাম্প মন্তব্য করেন, ‘আমিই বলেছিলাম, ‘এটা করো।’

আগামী ৩ নভেম্বরের নির্বাচনে আগাম ভোট দিতে ফ্লোরিডায় যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তার। এই নির্বাচনের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নির্ধারিত হবে। বর্তমানে কংগ্রেসের উভয় কক্ষই রিপাবলিকানদের অধীনে রয়েছে।

সম্ভাব্য নির্বাচনী ফল প্রকাশের পূর্বে তা চ্যালেঞ্জ করার জন্য একজন প্রেসিডেন্টের এই উদ্যোগ মধ্যবর্তী নির্বাচনকে ঘিরে নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেনের কাছে পরাজিত হওয়ার পর ট্রাম্প নির্বাচনের ফল উল্টে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন।

এবারও তিনি আসন্ন নির্বাচনের বৈধতা নিয়ে বারবার প্রশ্ন তুলেছেন। বিভিন্ন পূর্বাভাসে ডেমোক্র্যাটদের উল্লেখযোগ্য আসন লাভের সম্ভাবনার কথা বলা হচ্ছে।

প্রতিনিধি পরিষদে ডেমোক্র্যাটরা জয়ী হলে, ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে ব্যাপক ক্ষমতা প্রয়োগের যে প্রবণতা রয়েছে, তাতে প্রথমবারের মতো কার্যকর বাধা তৈরি করতে পারবে দলটি। এ ব্যাপারে ব্যাপক প্রত্যাশা রয়েছে।

সিনেটেও ডেমোক্র্যাটদের জয়ের সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তাদের জন্য রিপাবলিকানদের দখলে থাকা কয়েকটি আসনে জয়লাভ করা প্রয়োজন।

এসব আসনের মধ্যে আলাস্কাও রয়েছে। সেখানে বর্তমান রিপাবলিকান সিনেটর ড্যান সুলিভানের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী মেরি পেলটোলা।

বৃহস্পতিবার দায়ের করা মামলায় যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ অভিযোগ করেছে, আলাস্কার সিনেট নির্বাচনে ড্যান জে. সুলিভান জুনিয়র নামে স্বল্পপরিচিত আরেক প্রার্থীর উপস্থিতি ভোটারদের বিভ্রান্ত করার উদ্দেশ্যে নেওয়া একটি পরিকল্পিত কৌশল।

মামলায় বলা হয়েছে, ‘তার প্রার্থী হওয়ার একমাত্র উদ্দেশ্য হলো সিনেটর সুলিভানের পক্ষে পড়া ভোটের সংখ্যা কমিয়ে পেলটোলার নির্বাচনী প্রচারকে সুবিধা দেওয়া।’

ডেমোক্র্যাটরা এবং সুলিভান জুনিয়র নিজে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

সুলিভান জুনিয়র একজন নিবন্ধিত রিপাবলিকান।

মামলায় বিচার বিভাগের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছে, বর্তমান রিপাবলিকান সিনেটর পরাজিত হলে এবং তার সঙ্গে একই নামের অন্য প্রার্থী যত ভোট পেয়েছেন, পরাজয়ের ব্যবধান তার চেয়ে কম হলে নির্বাচনের ফল আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন স্থগিত রাখা হোক। এ সময়ের মধ্যে বিষয়টি তদন্ত করার দাবি জানানো হয়েছে।

মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্ল্যাঞ্চ বৃহস্পতিবার বলেছিলেন, মধ্যবর্তী নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করার কোনো প্রস্তুতি বিচার বিভাগের নেই।

হোয়াইট হাউস থেকে রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ থাকার দীর্ঘদিনের রীতি তিনি একাধিকবার ভঙ্গ করেছেন বলে সমালোচনা রয়েছে।

তবে তিনি এমন পদক্ষেপ নেওয়ার সম্ভাবনা পুরোপুরি নাকচ করেননি। পরিস্থিতিটিকে ‘চরম বিপর্যয়কর’ বলে উল্লেখ করে ব্ল্যাঞ্চ বলেন, ‘এমন কোনো পরিস্থিতিই কখনো তৈরি হবে না, যেখানে আমরা এ ধরনের পদক্ষেপ নেব না— এ কথা আমি বলতে পারি না।’

ডেমোক্র্যাটদের অভিযোগ, অঙ্গরাজ্য পরিচালিত নির্বাচনের ওপর কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর চেষ্টা ও নির্বাচনের ফলের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে বারবার প্রশ্ন তোলার মাধ্যমে ট্রাম্প প্রশাসন আগামী নভেম্বরের ভোটের ফল নিজেদের অনুকূলে নেওয়ার পথ খুঁজছে।

২০২৪ সালের নির্বাচনে ট্রাম্প আলাস্কায় ১৩ শতাংশ পয়েন্টের ব্যবধানে জয়ী হয়েছিলেন। তবে দেশজুড়ে রিপাবলিকান দল ও ট্রাম্পের প্রতি অসন্তোষ বাড়তে থাকায় সাবেক আদিবাসী বিচারক ও আলাস্কার স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সদস্য মেরি পেলটোলা এবার তাদের বিরুদ্ধে জোরালো প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলেছেন।

আলাস্কা যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল আয়তনের একটি অঙ্গরাজ্য। এর জনসংখ্যা প্রায় ৭ লাখ ৪০ হাজার।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নাইজেরিয়ায় প্রথম ইবোলা আক্রান্তের ভাইরাসের কেনিয়ার ভাইরাসের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ মিল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৩৭ পি.এম


নাইজেরিয়ায় প্রথম ইবোলা আক্রান্তের ভাইরাসের কেনিয়ার ভাইরাসের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ মিল

ঢাকা, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬ : নাইজেরিয়ায় প্রথমবারের মতো শনাক্ত হওয়া ইবোলা আক্রান্ত রোগীর শরীরে পাওয়া ভাইরাসের জিনগত গঠন কেনিয়ায় প্রথম শনাক্ত রোগীর ভাইরাসের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। শুক্রবার এই তথ্য প্রকাশ করেছেন নাইজেরিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রী, যা জিনগত পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে জানা গেছে।

মঙ্গলবার নাইজেরিয়ায় প্রথম ইবোলা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হওয়ার খবরটি জানানো হয়।

রোগীটি সুইজারল্যান্ডের আবুজায় অবস্থিত দূতাবাসের এক কর্মীর স্ত্রী। তিনি ৩ অক্টোবর উগান্ডা থেকে দেশে ফিরে আসার পর আক্রান্ত হন।

সুইজারল্যান্ডের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শুক্রবার জানায়, ওই নারী গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র (ডিআর কঙ্গো) সফর করেননি।

তবে উগান্ডা সরকারের পক্ষ থেকে আগের তথ্য ভিন্ন ইঙ্গিত প্রদান করেছিল। বর্তমানে ডিআর কঙ্গোতেই ইবোলার প্রাদুর্ভাবের কেন্দ্রস্থল অবস্থিত।

আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ ওই নারীর সংক্রমণের উৎস চিহ্নিত করার চেষ্টা করছে। আফ্রিকা সেন্টার্স ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (আফ্রিকা সিডিসি) পূর্বে ধারণা দিয়েছিল, বিমানবন্দরে কেনিয়ায় শনাক্ত প্রথম ইবোলা রোগীর সংস্পর্শে এসে তিনি আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারেন। ওই রোগীও একই দিনে উগান্ডা থেকে বিমানে যাত্রা করেছিলেন।

জিনগত বিশ্লেষণের ফলাফল তুলে ধরে নাইজেরিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রী মুহাম্মদ আলী পাতে সাংবাদিকদের বলেন, ‘নাইজেরিয়ার রোগীর ভাইরাসটি কেনিয়ায় শনাক্ত প্রথম রোগীর ভাইরাসের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত বলে মনে হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘কেনিয়ার ওই প্রথম রোগীর এমন কোনো ভ্রমণের প্রমাণ পাওয়া যায়নি, যা তার সঙ্গে নাইজেরিয়ার রোগীর সংযোগ প্রতিষ্ঠা করে। তবে ভাইরাস দুটির মধ্যে মিল পাওয়া যাচ্ছে।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টেও জানান, নাইজেরিয়ার রোগীর ভাইরাসটি কেনিয়ায় শনাক্ত ভাইরাসের সঙ্গে ‘অত্যন্ত সাদৃশ্যপূর্ণ’।

ডিআর কঙ্গো, উগান্ডা ও কেনিয়ার পর নাইজেরিয়া হলো আফ্রিকার চতুর্থ দেশ, যেখানে বান্দিবুগিও প্রজাতির ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শনাক্ত হয়েছে।

গত মে মাসে ডিআর কঙ্গোর উত্তর-পূর্বাঞ্চলে নতুন করে প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ার পর প্রাণঘাতী এই ভাইরাসজনিত রক্তক্ষরণজনিত রোগটি প্রতিবেশী উগান্ডায় ছড়িয়ে পড়ে।

উগান্ডায় প্রাদুর্ভাব আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ ঘোষণা করার আগে সেখানে ২০ জনের সংক্রমণ নিশ্চিত হয়েছিল। তাদের মধ্যে দুজনের মৃত্যু ঘটে। আগস্টে দেশটিতে প্রাদুর্ভাবের অবসান ঘোষণা করা হয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) ২০ অক্টোবর পর্যন্ত প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এই মহামারিতে নিশ্চিত আক্রান্তের সংখ্যা ৯ হাজার ৭০০ ছাড়িয়েছে। এ পর্যন্ত মারা গেছেন ৪ হাজার ৬৯০ জন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%