ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইতিহাসে পুনরায় ফিরে এসেছে এক দফার দাবি


ইতিহাসে পুনরায় ফিরে এসেছে এক দফার দাবি

ইতিহাসে এক দফার দাবি বারবার ফিরে এসেছে। ২০২৪ সালের ৩ আগস্ট (৩৪ জুলাই) উচ্চারিত হয়েছিল স্বৈরাচার পতনের এক দফা। সেদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ জড়ো হন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। এখানে থেকেই তৎকালীন ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম সরকারের পতনের এক দফা ঘোষণা করেন। একইসঙ্গে সঙ্গে এসেছে অসহযোগ আন্দোলনের ঘোষণাও।

তবে একদিকে যখন সরকারের পক্ষ থেকে আলোচনার আহ্বান জানানো হচ্ছিল, অন্যদিকে প্রতিরোধের হুমকিও ছিল; কিন্তু ছাত্র-জনতাকে রাজপথ থেকে সরাতে কোনোটিই পারেনি। ২০২৪ সালের ক্যালেন্ডারে তখনও যেন রক্তাক্ত জুলাইয়ের দিন গণনা চলছিল। আন্দোলনকারীদের কাছে সেটি ছিল ৩৪ জুলাই। কারফিউ, গুলি কিংবা ভয়; কিছুই তরুণদের থামাতে পারেনি। দেশের নানা প্রান্ত থেকে মানুষ আসেন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। সেদিন শহীদ মিনার চত্বর পরিণত হয়েছিল জনসমুদ্রে। চারদিকে কেবল একটি স্লোগান ছিল, ‘রক্তের সঙ্গে কোনো আপস নয়’।

লাল-সবুজের পতাকা হাতে, মাথায় কিংবা বুকে ধারণ করে, মৃত্যুভয় উপেক্ষা করে মানুষ রাজপথে নেমে আসে। তাদের লক্ষ্য একটাই ছিল; সরকার পতন। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সেই বিশাল সমাবেশ থেকেই নাহিদ ইসলাম সরকারের পতনের এক দফা ঘোষণা করেন। তিনি মন্তব্য করেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের জীবনের নিরাপত্তা ও সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা এক দফার সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছি। এই সরকার কোনোভাবেই আর এক মিনিটও ক্ষমতায় থাকার বৈধতা রাখে না।’

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

সমন্বয়কের জনসমাবেশে দেখা যায় নতুন করে উজ্জীবিত হতে থাকে ছাত্র-জনতা। একই মঞ্চ থেকে দেয়া হয় অসহযোগ আন্দোলনের ঘোষণা। সাবেক সমন্বয়ক ও এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, ১৬ জুলাই এক দফা ঘোষণা করা হলে সেটা সফল হতো না। অনেকেই ২ আগস্ট রাতেই ভিডিও বার্তার মাধ্যমে এক দফা ঘোষণার পরামর্শ দিয়েছিলেন। তবে আমাদের সিদ্ধান্ত ছিল, দীর্ঘদিন বন্দি থাকার পর জনতার সামনে উপস্থিত হয়েই এই ঘোষণা দিতে হবে। কারণ মানুষকে জীবন বাজি রেখে রাজপথে নামার আহ্বান জানাতে হলে সেই সাহস নিজেদেরও প্রচ্ছন্নভাবে দেখাতে হতো। তাই জনতার মাঝখান থেকেই নাহিদ ইসলাম এক দফা ঘোষণা দেন এবং একইসঙ্গে অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেয়া হয়।

এদিকে এত প্রাণহানির পরেও সেদিন সরকারের পক্ষ থেকে আলোচনা আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি কঠোর অবস্থানেরও বার্তা দেয়া হয়। সেই সময় শেখ হাসিনা বলেন, ‘গণভবনের দরজা খোলা। যথাযথ তদন্ত করে তাদের বিচার হবে।’ কিন্তু ছাত্র-জনতা রাজপথ ছাড়তে প্রস্তুত ছিল না। বরং সরকারের পতনের লক্ষ্য সামনে রেখে আন্দোলন আরও সংগঠিত হতে থাকে। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির বলেন, আগস্টের শুরু থেকেই এক দফা নিয়ে আলোচনা চলছিল। ৩ আগস্ট শহীদ মিনারের কর্মসূচিতে আমাদের সংগঠনেরও একজন প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সবচেয়ে বড় সাফল্য ছিল জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করা। বর্তমান সরকার এরই মধ্যে ঘোষণা দিয়েছে, বাংলাদেশে আর গুম-খুনের সংস্কৃতি ফিরতে দেয়া হবে না।

২০২৪ সালের সেদিন একদিকে ছিল জনতার উত্তাল সমাবেশ, অন্যদিকে হামলা, ভাঙচুর ও সংঘর্ষ। একদিকে আলোচনার আহ্বান ছিল, অন্যদিকে বন্দুকের মুখোমুখি ঘটনা। সেই দিনেও প্রাণ হারিয়েছেন অনেকে। যে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার মাথা নত না করার শিক্ষা দেয়, সেই শহীদ মিনার থেকেই ২০২৪ সালের ৩ আগস্ট ঘোষণা করা হয়েছিল স্বৈরাচার পতনের এক দফা। সেদিন পুরো বাংলাদেশ স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয়, স্বৈরশাসকের পতন ছাড়া আর কোনো পথ খোলা নেই। সেই ঘোষণার মধ্য দিয়েই শুরু হয় 'রক্তিম জুলাই'য়ের চূড়ান্ত অধ্যায়ের কাউন্টডাউন।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভাঙ্গায় আগুনের শিকার তিনটি দোকান হয়ে গেছে পুড়ে ছাই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:১৬ পি.এম


ভাঙ্গায় আগুনের শিকার তিনটি দোকান হয়ে গেছে পুড়ে ছাই

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় আগুনের ফলে তিনটি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। রবিবার (২ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার সময় উপজেলার আলগি ইউনিয়নের হরিরহাট বাজারে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

হরিরহাট বণিক সমিতির সভাপতি মো. মোস্তফা মাতুব্বর জানান, রাত ১০ টার দিকে হঠাৎ করেই বাজারে অগ্নিকাণ্ড সংঘটিত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। বাজারের ব্যবসায়ী হাশেম মিয়া, আজিজ মুন্সী ও পরেশের দোকান আগুনে সম্পূর্ণরূপে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। পুড়ে যাওয়া দোকানগুলোর মধ্যে মুদি এবং কাঁচামালের দোকানও অন্তর্ভুক্ত ছিল।

তিনি আরও বলেন, স্থানীয়দের তরফ থেকে আগুন নেভানোর চেষ্টা করা হয়, তবে অগ্নি লেলিহান শিখা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় মালামালসহ দোকানগুলো পুড়ে যায়। পরে স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।

ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়া হলেও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে আসার পূর্বেই তিনটি দোকান সম্পূর্ণভাবে পুড়ে গেছে। অগ্নিকাণ্ডের কারণে প্রাথমিকভাবে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে, কি কারণে বা কোথা থেকে আগুন লেগেছিল, তা এখনো জানা যায়নি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাগরে মাছ শিকারে জেলেরা নিরাপত্তাহীন, ট্রলারডুবিতে প্রা ণ হা নি বাড়ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:১৮ পি.এম


সাগরে মাছ শিকারে জেলেরা নিরাপত্তাহীন, ট্রলারডুবিতে প্রা ণ হা নি বাড়ছে

গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার বৈধ অনুমতি নেই। ফিটনেস সনদও নেই। তবুও বছরের পর বছর ধরে শত শত ট্রলার বঙ্গোপসাগরে ছুটে যাচ্ছে। অধিকাংশ ট্রলারে লাইফ জ্যাকেট, লাইফবয়া বা জরুরি যোগাযোগের ব্যবস্থা নেই। অনেক সময় জেলেদের কাছে আবহাওয়ার সতর্কবার্তাও পৌঁছায় না। এর ফলে একের পর এক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারাচ্ছেন জেলেরা। তবে এই ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্রযাত্রা থামছে না।

জীবিকার তাগিদে প্রতিদিন শত শত মাছ ধরার ট্রলার উত্তাল বঙ্গোপসাগর পেরিয়ে গভীর সমুদ্রে যাচ্ছে। কিন্তু এসব ট্রলারের একটি বড় অংশেরই নেই ফিটনেস সনদ। অনেক ট্রলারের আবার গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার বৈধ লাইসেন্স নেই। তবুও বছরের পর বছর ধরে এই ঝুঁকিপূর্ণ কার্যক্রম একইভাবে চলছে।

শুধুমাত্র লাইসেন্স ও ফিটনেসের অভাব নয়, নিরাপত্তা ব্যবস্থা অত্যন্ত দুর্বল। মাঝারি আকারের অনেক ট্রলারও গভীর সমুদ্রে চলে যাচ্ছে। অথচ অধিকাংশ ট্রলারে পর্যাপ্ত লাইফ জ্যাকেট, লাইফবয়া, জরুরি উদ্ধার সরঞ্জাম কিংবা আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা নেই। এর ফলে বৈরী আবহাওয়ার সময় জেলেদের জীবন রক্ষার সুযোগ খুবই কম থাকে।

প্রায়শই ঝড় বা দুর্যেগে মাছ ধরার ট্রলার দুর্ঘটনাগ্রস্ত হচ্ছে। গত এক মাসে বঙ্গোপসাগরে ঝড়ের ফলে অন্তত ১০টি ট্রলার ডুবে গেছে। এতে ৫০ জনেরও বেশি জেলে নিখোঁজ হয়েছেন। অনেকেই কয়েকদিন সাগরে ভেসে থেকে অলৌকিকভাবে প্রাণে ফিরলেও এখনো কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন।

৭ এবং ১৫ জুলাই কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতে ভেসে এসেছে দুই জেলের মরদেহ। প্রতি বছরই ট্রলারডুবির ঘটনায় বহু জেলে নিখোঁজ হন এবং যাদের অনেকের কোনো খোঁজ পাওয়া যায় না। জেলেদের অভিযোগ, বেশি লাভের আশায় অনেক ট্রলার মালিক নির্ধারিত সীমার বাইরেও মাছ ধরতে ট্রলার পাঠান। কিন্তু সেই ঝুঁকির পুরো দায় নিতে হয় জেলেদের। প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা সরঞ্জাম ছাড়া তাদের গভীর সমুদ্রে পাঠানো হয়। নিয়মিত তদারকির অভাবে বছরের পর বছর ধরে এসব অনিয়ম চলতেই থাকে।

জেলেরা জানান, ঝড়ে অনেক ট্রলার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। সমুদ্রে গেলে তারা অনেক সময় হঠাৎ করেই বৈরী আবহওয়ার মুখে পড়ে। অনেক সময় আগাম কোনো সতর্ক সংকেতও পাওয়া যায় না। ঢেউ অস্বাভাবিকভাবে বড় হয়ে গেলেই বোঝা যায় আবহাওয়া খারাপ হয়েছে। এক জেলে বলেন, 'আমরা সমুদ্রে থাকি, কিন্তু কোম্পানি আমাদের কোনো জ্যাকেট বা নিরাপত্তা সরঞ্জাম দেয় না। বাতাস উঠলেই বুঝতে পারি বিপদ হয়েছে।'

বিশেষজ্ঞদের মতে, জেলেদের প্রাণহানি কমাতে আধুনিক নৌ-নিরাপত্তা ব্যবস্থা, স্যাটেলাইটভিত্তিক যোগাযোগ এবং দ্রুত আবহাওয়ার সতর্কবার্তা পৌঁছে দেয়ার কার্যকর ব্যবস্থা প্রয়োজন। পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষক অধ্যাপক ড. এম. লোকমান আলী বলেন, 'সরকারের উচিত জেলেদের পর্যাপ্ত নৌ-নিরাপত্তা ব্যবস্থার আওতায় আনা, প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম দেয়া এবং নিবন্ধনের মাধ্যমে তাদের কার্যক্রম শৃঙ্খলার মধ্যে নিয়ে আসা।'

মৎস্য বিভাগ জানায়, ১০ থেকে ৪০ মিটার গভীরতার সামুদ্রিক এলাকায় মাছ ধরার জন্য ট্রলার পরিচালনার নির্দেশনা রয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য নিয়মিত নজরদারি এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। পটুয়াখালী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিজন কুমার নন্দী বলেন, 'যারা অনুমতিপত্র ছাড়া মাছ ধরতে যায়, তাদের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আমরা তাদের আইনের আওতায় আনছি এবং অনুমতিপত্রের আওতায় আনাতেও চেষ্টা করছি।'

জেলায় মাত্র এক হাজার ট্রলারের সমুদ্রে মাছ ধরার অনুমতিপত্র রয়েছে। অথচ বাস্তবে ১০ হাজারের বেশি ট্রলার সাগরে যায়। কিন্তু এত বড় এই জেলে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এখনো কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়াম সংস্কারের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ১৩৭ কোটি টাকার বরাদ্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:২৭ পি.এম


খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়াম সংস্কারের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ১৩৭ কোটি টাকার বরাদ্দ

খুলনা, ৩ আগস্ট, ২০২৬ : বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড-বিসিবি’র পরিচালক ও খুলনা মহানগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল আলম তুহিন জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়াম সংস্কার করার জন্য এবং আন্তর্জাতিক মানের ভেন্যু হিসেবে গড়ে তুলতে ১৩৭ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন। তিনি আশাবাদ প্রকাশ করেছেন যে, আগামী বছর থেকে এ স্টেডিয়ামে বিপিএলসহ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের আয়োজন করা সম্ভব হবে।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে জানা যায়, গতকাল রোববার বিএনপি কার্যালয়ে বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির পক্ষ থেকে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এই বক্তব্য দিয়েছেন। এ সময় খুলনা মহানগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল আলম তুহিন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড-বিসিবি’র পরিচালক নির্বাচিত হওয়ায় ফুলেল শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন।

এ সময় উন্নয়ন কমিটির নেতৃবৃন্দ ঠাঁইয়ের উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে খুলনা বিভাগীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামটি অব্যবস্থাপনায় ভয়াবহ অবস্থায় রয়েছে। অনেকদিন ধরে এটি অব্যবহৃত এবং জরাজীর্ণ হয়ে পড়ার কারণে আন্তর্জাতিক ভেন্যুর মর্যাদা হারিয়েছে। তারা উল্লেখ করেন, এই স্টেডিয়ামটি দ্রুত সংস্কার করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আয়োজনের মাধ্যমে খুলনাবাসীসহ ক্রীড়ামোদিদের প্রত্যাশা পূরণ করতে হবে। উন্নয়ন কমিটির নেতৃবৃন্দ বিসিবি পরিচালক হিসেবে তার সাফল্য কামনা করেন।

বিসিবি পরিচালক মো. শফিকুল আলম তুহিন আরো জানান, খুলনার উন্নয়নের জন্য বন্ধ থাকা শিল্প কলকারখানা পুনরায় চালু করতে হবে এবং অসমাপ্ত প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে উন্নয়ন কমিটির আন্দোলন সংগ্রামে তিনি পাশে থেকে কাজ করবেন। তিনি তার দায়িত্ব পালনকালে খুলনাবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন।

সাক্ষাৎকালে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সভাপতি শেখ আশরাফ উজ জামান, মহাসচিব এড. শেখ হাফিজুর রহমান হাফিজ, সিনিয়র সহ সভাপতি মো. নিজাম উর রহমান লালু, সহ-সভাপতি অধ্যাপক মো. আবুল বাসার, মিজানুর রহমান বাবু, মো. খলিলুর রহমান, অর্থ সম্পাদক শেখ গোলাম সরোয়ার, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. হায়দার আলী, মৎস্য ও বন বিষয়ক সম্পাদক এস এম মুর্শিদুর রহমান লিটন, এড. এস এম মারুফ আহমেদ, বিএনপি নেতা ও সাবেক কাউন্সিলর মো. হাফিজুর রহমান মনি ও কে এম হুমায়ুন কবীর, ক্রীড়া সংগঠক একরামুল কবীর মিল্টন, মো. আজিম উর রহমান মুরাদ প্রমুখ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিমানবন্দরে চাকরির জন্য আকর্ষণীয় বেতন, আবেদন করা যাবে এইচএসসি পাসে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৩১ পি.এম


বিমানবন্দরে চাকরির জন্য আকর্ষণীয় বেতন, আবেদন করা যাবে এইচএসসি পাসে

জনবল নিয়োগের জন্য অ্যাস্ট্রা এয়ারওয়েজ লিমিটেড একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি ‘প্যাসেঞ্জারের সার্ভিস এজেন্ট’ পদে জনবল নিয়োগ দিচ্ছে। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনের মাধ্যমে আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম হচ্ছে: অ্যাস্ট্রা এয়ারওয়েজ লিমিটেড। পদের নাম: প্যাসেঞ্জার সার্ভিস এজেন্ট। পদের সংখ্যা নির্ধারিত নয়।

শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে এসএসসি অথবা এইচএসসি পাস হতে হবে। অন্যান্য যোগ্যতা: প্রার্থীরা শারীরিকভাবে সুঠাম দেহের অধিকারী হতে হবে। প্রার্থীর দৃষ্টিশক্তি ৬/৬ থাকতে হবে। অভিজ্ঞতা: যেকোনো প্রতিষ্ঠানে লোডার হিসেবে অভিজ্ঞ প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

বেতনের পরিমাণ হলো ১৬,০০০ টাকা (মাসিক)। চাকরির ধরন হবে ফুলটাইম।

কর্মক্ষেত্র হবে বিমানবন্দরে। প্রার্থীর ধরন শুধুমাত্র পুরুষ। বয়সসীমা হবে ১৮ থেকে ২৮ বছর।

কর্মস্থল: চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ঢাকা, সিলেট। কোম্পানির প্রয়োজন অনুযায়ী দেশের ভেতরে যেকোনো বিমানবন্দরে স্থানান্তরিত করা হতে পারে।

সুযোগ-সুবিধাসমূহ: প্রবেশন পিরিয়ড শেষ হলে বছরে দুটি উৎসব ভাতা প্রদান করা হবে। এছাড়া কোম্পানির নিয়ম অনুযায়ী অন্যান্য সব সুবিধা প্রদান করা হবে।

আবেদনের প্রক্রিয়া: আগ্রহী প্রার্থীরা বিডি জবসের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের সময়সীমা: আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ৩১ আগস্ট, ২০২৬ ইং তারিখ পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%