ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ডিবি কার্যালয়ে জোর করে ঘোষণা আদায়ের অভিযোগে দেশজুড়ে সমালোচনা


ডিবি কার্যালয়ে জোর করে ঘোষণা আদায়ের অভিযোগে দেশজুড়ে সমালোচনা

জুলাই ডিবি কার্যালয়ে সকল ধরনের কর্মসূচি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম। কিন্তু তার বক্তব্যের পর সন্দেহ এবং সমালোচনার ঝড় উঠেছে। অন্য সমন্বয়করা অভিযোগ করেছেন যে, জোর করে এ ঘোষণা আদায় করা হয়েছে, এবং এর প্রতিক্রিয়ায় তারা সারা দেশে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

পাঁচ সমন্বয়কের পর, ২৮ জুলাই ভোরে আরেক সমন্বয়ক নুসরাত তাবাসসুমকেও গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সরকার পক্ষ থেকে জানানো হয়, নিরাপত্তার কারণে তাদের গোয়েন্দা হেফাজতে রাখা হয়েছে। দিবাগত রাতে ডিবি হেফাজতে ভিডিও বার্তা প্রদান করেন সমন্বয়করা। ভিডিওতে নাহিদ ইসলামকে লিখিত বক্তব্য পাঠ করতে দেখা যায়, যেখানে তিনি সব ধরনের কর্মসূচি প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করেন।

সেদিনের ভীতিকর অভিজ্ঞতার কথা সময় সংবাদকে জানাচ্ছিলেন আটক থাকা সমন্বয়করা। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক আবু বাকের মজুমদার বললেন, ‘হাত আর চোখ বেঁধে নিয়ে গিয়ে ঝুলিয়ে মারধর করা হয়। আমাকে প্রায় ৪ ঘণ্টা ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল। কখনও কখনও নিচে নামিয়ে মারধর করা হয়।’

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া জানালেন, ‘ডিবি অফিস থেকে চাপ দিয়ে ভিডিও বার্তা বের করে। যদিও আমরা জানতাম না যে, ওই ভিডিও বার্তাটা মিডিয়াতে দেখানো হবে। তবে তাদের মূল লক্ষ্য ছিল যে, যেকোনোভাবে আন্দোলনটি স্থগিত করা।’

এদিকে, সমন্বয়কদের জিম্মি করে এমন বক্তব্য দেয়া হয়েছে বলেও সেই সময় প্রচার করেন অন্য সমন্বয়করা। তখন ফ্যাসিবাদবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা ঘোষণা দেন, তারা নতুন করে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি জাহিদুল ইসলাম জানালেন, তাদের মধ্যে সিদ্ধান্ত ছিল যে, সমন্বয়কদের মধ্যে ১০০ জনকে গ্রেফতার করা হলেও যেন পরবর্তী পর্যায়গুলো প্রস্তুত থাকে। ওই সময় আন্দোলন সারা দেশে এমনভাবে ছড়িয়ে গিয়েছিল যে, কেউ এসে আন্দোলন স্থগিত ঘোষণা করলেও তারা বুঝতেন, আন্দোলন বন্ধ হবে না।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবিদুল ইসলাম খান বললেন, সেই সময় তাদের আর পেছনে ফিরে যাওয়ার সুযোগ ছিল না। কারণ যদি হাসিনা কোনোভাবে বেঁচে যেতে পারেন, তবে তাদের মৃত্যু শতভাগ নিশ্চিত। এমনকি তাদের লাশও পাওয়া যেত না।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

২৮ জুলাই সব অংশীজনের সঙ্গে পরামর্শ করে ঢাকার ৮টি স্থানে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেন সমন্বয়ক আব্দুল কাদের। এদিন আন্দোলন ঘিরে সহিংসতার কারণে ১৪৭ মৃত্যুর তথ্য দেন তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। ৫ আগস্টে ক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা ডিবি কার্যালয়ের বাইরে লিখে দেন হারুনের ভাতের হোটেল।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এক্সপ্রেসওয়েতে দুর্ঘটনায় নারীর দুই পা থেঁতলে গেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:২৭ এম


এক্সপ্রেসওয়েতে দুর্ঘটনায় নারীর দুই পা থেঁতলে গেল

মুন্সীগঞ্জে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে রাস্তা পারাপারের সময় অজ্ঞাতনামা গাড়ির চাপায় গুরুতর আহত হয়েছেন এক নারী। ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, দুর্ঘটনায় তার দুই পা থেঁতলে গেছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকাল ৬টা ৩৫ মিনিটের দিকে শ্রীনগর উপজেলার ষোলঘর এলাকায় ঢাকামুখী লেনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, খবর পেয়ে শ্রীনগর ফায়ার স্টেশনের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে গুরুতর আহত নারীকে উদ্ধার করে শ্রীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়।

তিনি আরও জানিয়ে বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রাস্তা পারাপারের সময় অজ্ঞাতনামা গাড়ির চাপায় ওই নারী আহত হয়েছেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তার নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এক্সপ্রেসওয়ের মতো ব্যস্ত সড়ক পারাপারের সময় সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। যেখানে ফুটওভার ব্রিজ বা আন্ডারপাস রয়েছে, সেগুলো ব্যবহার করেই সড়ক পারাপার করা উচিত।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১৪ হাজার ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ী আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:১৩ পি.এম


১৪ হাজার ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ী আটক

গাজীপুরের শ্রীপুরের মাদক ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম (২৭) কে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। পরে তার ভাড়া বাসার কক্ষে ১৪ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা এবং মাদক বিক্রির নগদ ৫৩ হাজার ৩00 টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে শ্রীপুর পৌরসভার কেওয়া পশ্চিম খণ্ডের (প্রশিকা মোড়ের) এলাকার ভাড়া বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত জাহাঙ্গীর আলম তেলিহাটি ইউনিয়নের মুলাইদ গ্রামের নান্নু মিয়া ওরফে লাল মিয়ার ছেলে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, জাহাঙ্গীর আলম দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসা করে আসছে। সে একাধিকবার গ্রেপ্তার হলেও কারাভোগ করার পর জামিনে বের হয়ে আবার মাদক ব্যবসা শুরু করে। এলাকায় সে মাদক সম্রাট হিসেবে পরিচিত।

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম জানান, বিশ্বস্ত সোর্সের তথ্যের ভিত্তিতে কেওয়া পশ্চিম খণ্ডের (প্রশিকা মোড়ের) দক্ষিণ পাশে সাইজুদ্দিনের মালিকানাধীন পাঁচ তলা বিল্ডিংয়ের চতুর্থ তলায় পুলিশ অভিযান চালায়। পরে দক্ষিণ পাশের ফ্ল্যাটের উত্তর পূর্ব কোণের বেডরুম থেকে জাহাঙ্গীরকে আটক করা হয়। এরপর তার ঘর তল্লাশি করে কালো রঙের ব্যাগে রাখা ১৪ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা এবং মাদক বিক্রির নগদ ৫৩ হাজার ৩00 টাকা উদ্ধার করা হয়। জাহাঙ্গীর এলাকার চিহ্নিত মাদক সম্রাট। তার বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা ছাড়াও বিভিন্ন মামলা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর দিবাগত রাতে কেওয়া পশ্চিম খণ্ড (পিয়ার আলী কলেজ) এলাকায় একটি মাদক উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। পরে মাদক সম্রাট জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে ও তার সহযোগীরা পুলিশের ওপর হামলা চালালে তিন পুলিশ সদস্য আহত হন। সেই সময় হামলাকারীরা পুলিশের গাড়ি ভেঙে দিয়ে দুই আসামিকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। সম্প্রতি জাহাঙ্গীর কারাগার থেকে জামিনে ছাড়া পেয়ে এলাকায় ফিরে এসে আবার মাদক ব্যবসা শুরু করে। পরে বিশ্বস্ত সোর্সের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।

ওসি জানান, মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে জাহাঙ্গীরকে গাজীপুর আদালতে পাঠানো হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শ্বশুরবাড়ির ধানের গোলায় লুকিয়ে থাকা হত্যামামলার আসামি গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:১৬ পি.এম


শ্বশুরবাড়ির ধানের গোলায় লুকিয়ে থাকা হত্যামামলার আসামি গ্রেপ্তার

মাদারীপুরে শ্বশুরবাড়ির ধানের গোলায় লুকিয়ে থাকা অবস্থায় পুলিশ হত্যামামলার একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে।

রোববার (২৬ জুলাই) রাজৈর উপজেলা থেকে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তার হওয়া মুন্টু হোসেন (৫০) কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার তারাগুনিয়া থানা মোড় এলাকার বাসিন্দা বলে জানা যায়। গত ২৩ জুলাই রাত ৯টার দিকে উপজেলার তেকালা গ্রামের মাঠে এক চা বিক্রেতা সামিরুল শাহ (৬০) মুন্টুর ছুরিকাঘাতে নিহত হন। সামিরুল তেকালা পশ্চিমপাড়া গ্রামের বাসিন্দা, তার আদি বাড়ি মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায়, কিন্তু তিনি দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে এই গ্রামে বসবাস করছিলেন।

ঘটনার পর, শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাতে সামিরুলের বড় ছেলে আবু সাঈদ বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় অজ্ঞাতনামা আসামির বিরুদ্ধে হত্যার মামলা দায়ের করেন। মামলায় মুন্টু হোসেন প্রধান আসামি ছিলেন। ঘটনার পর থেকেই মুন্টু পলাতক ছিলেন। তবে পুলিশ তৎপরতা থামায়নি। তথ্যপ্রযুক্তির সাহায্যে রোববার দুপুরে তাকে তার শ্বশুরবাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেলে কুষ্টিয়া আদালতে জবানবন্দিতে মুন্টু হত্যার ঘটনা কবুল করেন। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

পুলিশের তথ্যমতে, জবানবন্দিতে মুন্টু জানিয়েছেন, তিনি সামিরুলের কাছে কয়েক লাখ টাকা পাওনা ছিলেন। সেই টাকা ফেরত দিতে তিনি অস্বীকৃতি জানান। এ কারণে কৌশলে বাড়ি থেকে ডেকে সামিরুলকে হত্যা করেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হত্যার পর মুন্টু রাতেই ফোন বন্ধ করে মেহেরপুরের গাংনীতে এক আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নেন। সেখান থেকে কুষ্টিয়া সদর উপজেলায় অন্য একটি আত্মীয়ের বাড়িতে চলে যান। এর পর মুন্টু নতুন একটি সিম কিনে রাজৈর উপজেলায় তার শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নেন। সেখান থেকে নতুন সিমের মাধ্যমে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

প্রযুক্তির সহায়তায় কুষ্টিয়া পুলিশ রাজৈর থানার পুলিশের সহযোগিতায় মুন্টুর শ্বশুরবাড়িতে যায়। এ সময় মুন্টু ওই বাড়ির উঠানে রাখা ধানের গোলার ভেতর শুয়ে ছিলেন। তল্লাশি চালিয়ে পুলিশ গোলার ভেতর থেকে মুন্টুকে গ্রেপ্তার করে দৌলতপুর থানায় নিয়ে যায়। সেখান থেকে পরে মুন্টুকে কুষ্টিয়া আদালতে পাঠানো হয়।

দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মুন্টু মোবাইলে তার এক আত্মীয়ের বাড়িতে বৈঠক করার কথা বলে সামিরুলকে ডেকে নেন। তারপর রাতে তাকে নিয়ে তেকালা মাঠে সড়কের পাশে একটি মাচায় বসে সামান্য বিশ্রাম করেন। জায়গাটি নির্জন ছিল এবং আশপাশে কোনো বসতবাড়ি নেই।

তিনি বলেন, গল্প করতে করতে একসময় সামিরুলের ঘুম এসে যায়। তিনি মাচায় শুয়ে পড়লে সুযোগ বুঝে মুন্টু ছুরি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে তাকে হত্যা করেন। হত্যার পর ছুরিটি ঘটনাস্থল থেকে পাশের একটি ঝোপে ফেলে দেন। মুন্টুর দেখানো জায়গা থেকেই রোববার রাতে সেই ছুরিও উদ্ধার করা হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে মা ও মেয়ের আত্মহত্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:২১ পি.এম


ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে মা ও মেয়ের আত্মহত্যা

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার কারণে লোকলজ্জার ভয়ে ঠেকা একটি স্কুলছাত্রী (১৪) এবং তার মা (৩৫) আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার প্রেক্ষাপটে অভিযুক্ত গৌর চন্দ্র রায়কে দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার মোস্তফাপুর ইউনিয়নের কালিরহাট বাজারে একটি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অঞ্চলের সর্বস্তরের জনগণের উদ্যোগে আয়োজনকৃত সংবাদ সম্মেলনে পাঁচ শতাধিক নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন। তারা অভিযুক্তের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং কঠোর শাস্তির দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নিহত ছবি রানীর স্বামী এবং স্কুলছাত্রীর বাবা রিপেন চন্দ্র রায়। তিনি অভিযোগ করেছেন, গত ১৯ জুন তার স্কুলপড়ুয়া মেয়েকে নিয়ে এক যুবক গৌর চন্দ্র রায় ঢাকায় পালিয়ে যায়। এই ঘটনা সম্পর্কে থানায় অভিযোগ করার পর পুলিশ ২৬ জুন দুজনকে উদ্ধার করে তাদের পরিবারে ফিরিয়ে দেয়।

রিপেন চন্দ্র রায় আরও দাবি করেন, পরবর্তীতে মেয়ের সাথে যোগাযোগ করতে না পেয়ে গৌর চন্দ্র রায় তাদের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন। এর ফলস্বরূপ লোকলজ্জা এবং মানসিক চাপে গত ১৫ জুলাই তার স্ত্রী ও মেয়ে নিজেদের বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।

তিনি আরো অভিযোগ করেন, ঘটনার প্রকৃত কারণ আড়াল করতে তার শ্যালক উজ্জ্বল চন্দ্র রায়সহ কিছু আত্মীয় এটিকে আত্মহত্যা না বলে হত্যাকাণ্ড হিসেবে প্রচার করছেন। এতে তাদের পরিবার আরও বেশি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। তিনি প্রশাসন ও গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করেন যেন প্রকৃত ঘটনা উদঘাটিত হয় এবং মূল অভিযুক্তকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হয়।

অন্যদিকে নিহত ছবি রানীর ভাই উজ্জ্বল চন্দ্র রায় অভিযোগ করেন, রিপেন চন্দ্র রায়ের সঙ্গে একই গ্রামের একটি বিধবা নারীর সম্পর্ক ছিল। এই কারণে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। তার দাবি, পরিকল্পিতভাবে তার বোন ও ভাগনিকে হত্যা করে ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে সাজানো হয়েছে।

এদিকে ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত গৌর চন্দ্র রায় বলেছেন, ভিডিওটি একটি ভুয়া (ফেক) আইডি থেকে প্রকাশিত হয়েছে। তবে তার কাছে থাকা ব্যক্তিগত ভিডিও কীভাবে বাইরে এলো, এই বিষয়টি তিনি স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করতে পারেননি।

পার্বতীপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল ওয়াদুদ জানিয়েছেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মা-মেয়ের মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এছাড়া আত্মহত্যার পেছনে কোনোরকম প্ররোচনা, ব্ল্যাকমেইলিং বা অন্য কোনো অপরাধমূলক কারণ রয়েছে কি না, সেটির তদন্তও গুরুত্বের সাথে করা হচ্ছে। তদন্তের ফলস্বরূপ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%