১০:০৩ পি.এম
জলফড়িং এজেন্সি নামে পরিচিত একটি অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সির বিরুদ্ধে ভ্রমণ প্যাকেজ ও টিকিট বুকিংয়ের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একাধিক ব্যক্তি এবং ভ্রমণসংশ্লিষ্ট সংগঠন এই অভিযোগ তুলে সতর্কবার্তা প্রদান করেছে।
অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন যে, অগ্রিম টাকা গ্রহণ করার পর গ্রাহকদের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। অনেককে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্লক করার ঘটনাও ঘটেছে।
ভ্রমণসংশ্লিষ্ট সংগঠন ক্যাপসক্যানের (Capscan) ১৪ অক্টোবরের একটি পোস্টে এজেন্সিটির বিরুদ্ধে ২১ হাজার টাকা আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে। পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে, টাকা লেনদেনের আগে এজেন্সির তথ্য যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
আরও পড়ুন: সরকার সৃজনশীল শিল্পকে মূলধারার অর্থনীতি ও সফট পাওয়ার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চায়: অর্থমন্ত্রী
ফেসবুকের একটি গ্রুপে ১ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত একটি পোস্টে এক শিক্ষার্থী অভিযোগ করেছেন যে, জলফড়িং এজেন্সি সাজেকে ট্যুর প্যাকেজ বুকিংয়ের কথা বলে তার কাছ থেকে ১০ হাজার ১৩৫ টাকা নিয়েছে। পরে তাকে ব্লক করে দেওয়া হয়।
এছাড়া ‘ফ্রড অ্যালার্ট বিডি’ নামে একটি পেজে প্রকাশিত পোস্টে ছয় বন্ধুর সুন্দরবন ভ্রমণের বুকিং বাবদ ২৪ হাজার টাকা অগ্রিম বিকাশ করার পর এজেন্সিটির বিরুদ্ধে যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে। পোস্টে সংশ্লিষ্ট ফেসবুক পেজের লিংক এবং লেনদেনের স্ক্রিনশটও প্রকাশ করা হয়েছে।
‘জলফড়িং ট্রাভেলার্স’ নামে একটি পেজেও পর্যটকদের সতর্ক করে বলা হয়েছে যে, জনপ্রিয় পর্যটন স্পটের ছবি ব্যবহার করে আকর্ষণীয় প্যাকেজ ও টিকিটের অফার দেওয়া হচ্ছে। পরে হোয়াটসঅ্যাপসহ বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগ করে অগ্রিম টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। টাকা পাঠানোর পর যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়া বা নম্বর ব্লক করার অভিযোগও ভুক্তভোগীরা তুলেছেন।
এ ধরনের প্রতারণা এড়াতে ভ্রমণসংশ্লিষ্ট পেজগুলো থেকে প্রতিষ্ঠানের অফিসের ঠিকানা, বৈধতা ও নিবন্ধনের তথ্য, আগের কার্যক্রম এবং গ্রাহকদের অভিজ্ঞতা যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ নম্বর নিশ্চিত করে ব্যাংক বা প্রাতিষ্ঠানিক পেমেন্ট মাধ্যমে টাকা লেনদেনের বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: আগস্টে ইইউতে বাংলাদেশের ডেনিম রপ্তানি ১২.৭১% বেড়ে ১৩৪.০৮ মিলিয়ন ইউরো
প্রতারণার শিকার হলে লেনদেনের পরিচিতি নম্বর (ট্রানজেকশন আইডি), পেমেন্টের রসিদ, হোয়াটসঅ্যাপ কথোপকথন, ফোন নম্বর এবং পোস্টের স্ক্রিনশটসহ প্রমাণ সংরক্ষণ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে জলফড়িং এজেন্সির ফেসবুক পেজে প্রদত্ত নাম্বারে ফোন করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়। তাই তাদের বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন