রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৫১ পি.এম
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫ সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ও নির্দেশনা প্রদান করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয় জানায়, চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ কোনো প্রার্থী যদি আগামী ১ অক্টোবরের মধ্যে নিয়োগপত্র না পান, তবে তাদের নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। যথাযথ যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করার পর পর্যায়ক্রমে তাদের নিয়োগপত্র বিতরণ করা হবে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫ বিষয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।
বৈঠকের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
মন্ত্রণালয়ের পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী ১ অক্টোবরের মধ্যে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ কোনো প্রার্থী যদি নিয়োগপত্র না পান, তবে যথাযথ পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করে দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের নিয়োগপত্র পর্যায়ক্রমে পাঠানো হবে।
বৈঠকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে পুলিশি ভেরিফিকেশন বা ভেটিংকে একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
এ কারণে নিয়োগপত্র পাওয়া বা ভেরিফিকেশন সংক্রান্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা বিভিন্ন গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অসত্য বা বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিষয়ে প্রার্থীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ যেকোনো মাধ্যমে প্রচারিত অসত্য তথ্যে বিভ্রান্ত না হয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক তথ্যের ওপর নির্ভর করতে হবে।
শিক্ষামন্ত্রী বৈঠকে শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের মেধা ও সৃজনশীলতার বিকাশ এবং মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার তাগিদ দেন।
বৈঠকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব জেসমিন নাহার, অতিরিক্ত সচিব মনোয়ারা ইশরাত, অতিরিক্ত সচিব মোখলেসুর রহমান, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম ক্রীড়াঙ্গনকে রাজনীতিমুক্ত করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৭১ সালের পর রাজনীতির অনুপ্রবেশের কারণে ক্রীড়ার মান হ্রাস পেতে শুরু করেছে। এর ফলে ঢাকার খেলার মাঠে ক্লাব ফুটবলের অংশগ্রহণও কমে গেছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে মোহামেডান সমর্থক দলের কেন্দ্রীয় কমিটি আয়োজিত একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
স্পিকার বলেন, "মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব আমার কাছে নিখাঁদ আবেগ ও ভালোবাসার আরেক নাম।" তিনি আরও বলেন, "সময় এগিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে খেলাধুলার প্রতি মানুষের আগ্রহ অনেকাংশে কমে গেলেও ১৯৬৭ সালে মোহামেডান ক্লাবে যখন আমি খেলতাম, তখন ফুটবলের প্রতি জনমানুষের আবেগ ছিল অন্যরকম।"
তিনি উল্লেখ করেন, "মোহামেডানে খেলা ছিল অনেক সম্মানের।" স্বাধীনতার আগে ভিক্টোরিয়া স্পোর্টিং ক্লাব ও মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব ছিল অত্যন্ত জনপ্রিয়। তবে, তিনি বলেন, "মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবে বাঙালি খেলোয়াড় থাকায় সমর্থকদের সংখ্যা বেশি ছিল।" ক্লাব ফুটবল থেকে শুরু করে জাতীয় দলে খেলার জন্য পাকিস্তানের খেলোয়াড়দের সাথে বাঙালি খেলোয়াড়দের প্রতিযোগিতা করতে হত।
এ সময় স্পিকার তরুণদের মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত করার জন্য খেলাধুলার গুরুত্ব সম্পর্কে আলোচনা করেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের অতীত সাফল্য এবং স্পিকারের খেলোয়াড়ি জীবনের তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। অতিথিদের ক্রেস্ট প্রদান, উত্তরীয় পরিধান এবং ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে অতিথিরা ক্রীড়াকে শুধুমাত্র বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে না ভেবে, তরুণদের মাদক ও সন্ত্রাস থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
মোহামেডান সমর্থক দলের সাধারণ সম্পাদক এফ. এম রফিক উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগ এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব, মোহামেডান সমর্থক দলের ভাইস চেয়ারম্যান মো. হাতেম, সংসদ সদস্য ও মোহামেডান সমর্থক দলের উপদেষ্টা কমিটির সদস্য সচিব খাইরুল কবীর খোকন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম এবং মোহামেডান সমর্থক দলের সভাপতি এস এম আলমগীর আবুল।
অনুষ্ঠানে ক্লাবের আমন্ত্রিত সদস্যবৃন্দ, জাতীয় পর্যায়ের ক্রীড়াবিদ, সংসদ সদস্য ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি এবং অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার প্রেক্ষাপটে ধনী ব্যক্তিদের ভোগব্যয় অব্যাহত রয়েছে। বরং, দৈনন্দিন খরচের জন্য অনেকে তাদের বিনিয়োগের অর্থ তুলে নিচ্ছেন। জেপিমরগ্যান চেজ ইনস্টিটিউটের একটি সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, ২০১৫ সালে বিনিয়োগ হিসাব থেকে ব্যাংকের চলতি হিসাবে অর্থ স্থানান্তরের হার ছিল ২ দশমিক ৪ শতাংশ। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিলের মধ্যে এই হার বেড়ে ৮ দশমিক ২ শতাংশে পৌঁছেছে।
উচ্চ আয়ের মানুষের মধ্যে এই প্রবণতা আরও বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ২০১৫ সালে সবচেয়ে বেশি আয় করা ১০ শতাংশ মানুষের মধ্যে ৬ দশমিক ৬ শতাংশ বিনিয়োগ থেকে অর্থ তুলে খরচ করতেন। ২০২৬ সালে এই হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ দশমিক ৩ শতাংশে। গবেষণায় দেখা গেছে, বেশি বয়সী এবং বেশি আয়ের ব্যক্তিরা বিনিয়োগের অর্থ খরচে ব্যবহার করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি সক্রিয়।
মার্কিন অর্থনীতিতে ধনী মানুষের ভোগব্যয়ের প্রভাবও বৃদ্ধি পাচ্ছে। মুডিজ অ্যানালিটিকসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম তিন মাসে সবচেয়ে বেশি আয় করা ১০ শতাংশ মানুষ দেশের মোট ভোগব্যয়ের ৪৫ দশমিক ৫ শতাংশের জন্য দায়ী। সবচেয়ে বেশি আয় করা ২০ শতাংশের অংশ প্রায় ৬০ শতাংশ। একই সময়ে ৫৫ বছর বা তার বেশি বয়সী মানুষের অংশ ছিল মোট ভোগব্যয়ের ৪৬ শতাংশ।
বিনিয়োগের অর্থের ওপর নির্ভরতা বাড়ার পেছনে শেয়ারবাজারে দীর্ঘ সময়ের মূল্যবৃদ্ধিও একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকে মার্কিন পরিবার এবং অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের মোট সম্পদের নিট মূল্য ১২ দশমিক ৮ ট্রিলিয়ন ডলার বেড়ে ১৯৫ দশমিক ৯ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এই বৃদ্ধির বড় একটি অংশ এসেছে শেয়ারমূল্য বৃদ্ধির কারণে।
তবে, এই প্রবণতার সঙ্গে কিছু ঝুঁকিও রয়েছে। শেয়ারবাজারে বড় ধরনের দরপতন হলে বিনিয়োগ থেকে অর্থ তুলে খরচ করার প্রবণতা কমে যেতে পারে। ২০২২ সালে বাজারে বড় পতনের সময় এমন পরিস্থিতি দেখা গিয়েছিল। ফলে, মার্কিন অর্থনীতিতে ভোগব্যয় এখন আগের তুলনায় আর্থিক বাজারের ওঠানামার ওপর অধিক নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে বলে গবেষণায় ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
সূত্র: দ্য ইউএসএ টুডে
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মানি প্ল্যান্ট গাছের জনপ্রিয়তা ঘরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করার জন্য ইনডোর প্ল্যান্ট হিসেবে উল্লেখযোগ্য। বসার ঘরের কোণ, পড়ার টেবিল কিংবা ব্যালকনি, কম যত্নে এই গাছটি বেড়ে ওঠে। তবে কখনও কি ভেবে দেখেছেন, কেন এই গাছের নাম ‘মানি প্ল্যান্ট’? সত্যিই কি এই গাছ বাড়িতে থাকলে বাড়ে ধন-সম্পত্তি, নাকি নামটির পেছনে রয়েছে অন্য কোনো কারণ?
মানি প্ল্যান্টের বৈজ্ঞানিক নাম ‘Epipremnum aureum’। যদিও বিশ্বজুড়ে এটি ‘মানি প্ল্যান্ট’ নামেই অধিক পরিচিত। এই নামের সঙ্গে ইতিহাস, লোকবিশ্বাস এবং গাছটির বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্যের সম্পর্ক রয়েছে বলে ধারণা করা হয়।
মানি প্ল্যান্ট নামকরণের সবচেয়ে প্রচলিত গল্পটি চীনা লোককথার সঙ্গে যুক্ত। কথিত আছে, এক দরিদ্র ব্যক্তি আর্থিক উন্নতির জন্য ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করছিলেন। সেই সময় তিনি বনে একটি বিশেষ ধরনের গাছ খুঁজে পান। গাছটি বাড়িতে এনে যত্ন নেওয়ার পর সেটি দ্রুত বেড়ে ওঠে। পরে গাছটির চারা ও ফলন বিক্রি করে তিনি অর্থ উপার্জন করতে শুরু করেন। ধীরে ধীরে তাঁর আর্থিক অবস্থারও উন্নতি ঘটে। এই গল্প থেকেই চীনা সংস্কৃতিতে গাছটি সমৃদ্ধি ও সৌভাগ্যের প্রতীক হিসেবে পরিচিতি পায় বলে প্রচলিত রয়েছে।
চীনা ফেংশুই এবং ভারতীয় বাস্তুশাস্ত্রেও মানি প্ল্যান্টকে শুভ বলে মনে করা হয়। ফেংশুইয়ের বিশ্বাস অনুযায়ী, এর গোলাকার ও মসৃণ পাতা অনেকটা মুদ্রার মতো দেখতে হওয়ায় এটি অর্থ ও সমৃদ্ধির প্রতীক। বাড়ির দক্ষিণ-পূর্ব দিকে এই গাছ রাখলে ইতিবাচক শক্তি ও আর্থিক সমৃদ্ধি বাড়ে এমন বিশ্বাসও রয়েছে।
অন্যদিকে, বাস্তু মতে মানি প্ল্যান্ট ঘরের নেতিবাচক শক্তি দূর করে সুখ-সমৃদ্ধি বজায় রাখতে সাহায্য করে বলে মনে করা হয়।
তবে এসব ধারণা মূলত লোকবিশ্বাস ও প্রচলিত সংস্কৃতির অংশ। বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে মানি প্ল্যান্টের নাম ‘মানি প্ল্যান্ট’ হওয়ার পেছনে অর্থবৃদ্ধির কোনো প্রমাণ নেই। বরং গাছটির দ্রুত বৃদ্ধি, সহজে বংশবিস্তার এবং কম যত্নে টিকে থাকার ক্ষমতাই এর জনপ্রিয়তার অন্যতম কারণ।
অল্প আলো, সীমিত জল ও কম পরিচর্যাতেও মানি প্ল্যান্ট বেশ ভালোভাবে বেড়ে উঠতে পারে। তাই ‘মানি প্ল্যান্ট’ নামটি শুনে ঘরে টাকা আসার নিশ্চয়তা না থাকলেও, ঘরের সৌন্দর্য ও সবুজ পরিবেশ বাড়াতে এই গাছের জুড়ি মেলা ভার।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে বড় অঙ্কের অর্থের প্রস্তাব থাকা সত্ত্বেও নিউজিল্যান্ডের সাদা বলের অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার জাতীয় দলের দায়িত্বকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। অ্যাডিলেড স্ট্রাইকার্সের কাছ থেকে দুই বছরের জন্য প্রায় ১০ লাখ ডলারের প্রস্তাব পেয়েও ৩৪ বছর বয়সী এই অলরাউন্ডার তা ফিরিয়ে দিয়েছেন।
স্যান্টনারের সামনে রয়েছে একটি ব্যস্ত আন্তর্জাতিক সূচি। আগামী ২২ অক্টোবর থেকে ঘরের মাঠে ভারতের বিপক্ষে তিন সংস্করণের সিরিজ শুরু করবে নিউজিল্যান্ড। এরপর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে চার টেস্টের সিরিজও রয়েছে। স্যান্টনার কেন্দ্রীয় চুক্তি ও অধিনায়কত্বের দায়িত্ব ধরে রাখার পরিকল্পনাও করেছেন। আগামী বছর নিউজিল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও তিনি খেলতে চান। সুযোগ পেলে নেতৃত্ব দেওয়ার ইচ্ছাও রয়েছে তার।
নিউজিল্যান্ডের কোচ রব ওয়াল্টার স্যান্টনারের সিদ্ধান্তকে তার ব্যক্তিত্ব ও দলপ্রেমের প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন। পুরো প্রক্রিয়ার সময় স্যান্টনারের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছিলেন তিনি।
নিউজিল্যান্ড হেরাল্ডকে ওয়াল্টার বলেন, "আমার কাছে এটা একজন মানুষের চরিত্রের মাপকাঠি। অন্য কাউকে বিচার করার জন্য নয়, তবে মিচের ক্ষেত্রে দলকে সবার আগে রাখার বিষয়টি তার চরিত্রই তুলে ধরে।"
স্যান্টনারের কাছে নিউজিল্যান্ডের অধিনায়কত্বের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন ওয়াল্টার। তার মতে, দেশের নেতৃত্ব দেওয়া স্যান্টনারের কাছে বিশেষ কিছু। সামনে থাকা টেস্ট সিরিজগুলোতেও দলের হয়ে খেলার প্রবল ইচ্ছা রয়েছে তার।
ওয়াল্টার বলেন, "দেশের অধিনায়কত্ব তার কাছে কী অর্থ বহন করে, সেটা আমি জানি। সামনে যে টেস্টগুলো আছে, সেগুলোর অংশ হওয়ার ইচ্ছাটাও তার প্রবল। তাই বিষয়টি কারও কাছে অবাক করার মতো হলেও আমার কাছে নয়।"
জাতীয় দলের প্রতি স্যান্টনারের এই অগ্রাধিকার নতুন নয়। এর আগেও তিনি কেন্দ্রীয় চুক্তি ও নেতৃত্বের দায়িত্ব ধরে রাখার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। একই সঙ্গে দেশের মাটিতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া আগামী বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে প্রস্তুত থাকতে চান তিনি। তাই দীর্ঘ মেয়াদে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে ব্যস্ত থাকার জন্য কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে সরে যাওয়ার পথ বেছে নেননি।
তবে নিউজিল্যান্ডের সব ক্রিকেটার একই পথ অনুসরণ করছেন না। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পাশাপাশি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে খেলার সুযোগ ধরে রাখতে ভিন্ন ধরনের চুক্তি বেছে নিয়েছেন ফিন অ্যালেন, টিম সেইফার্ট, লকি ফার্গুসন, মার্ক চ্যাপম্যান ও অ্যাডাম মিলনের মতো ক্রিকেটাররা। ডেভন কনওয়ে ও ফার্গুসনও নমনীয় চুক্তির ব্যবস্থায় গেছেন।
অর্থাৎ নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেটে এখন জাতীয় দলকে অগ্রাধিকার দিয়ে কেন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকা এবং তুলনামূলক বেশি ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট খেলার দুই ধরনের পথ খোলা রয়েছে।
ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের বিস্তারকে নেতিবাচকভাবে দেখছেন না ওয়াল্টার। তিনি মনে করেন, বিশ্বের বিভিন্ন লিগে নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেটারদের সুযোগ পাওয়া তাদের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিরই অংশ।
ওয়াল্টারের ভাষায়, "আমাদের খেলোয়াড়রা যখন স্বীকৃতি পায়, আমি খুশি হই। ক্রিকেট যেদিকে এগোচ্ছে, এটা তারই বাস্তবতা।"
তবে সবকিছুর ওপরে জাতীয় দলের হয়ে খেলার আগ্রহ ধরে রাখাকেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন নিউজিল্যান্ডের কোচ। তার মতে, ক্রিকেটারদের দেশের হয়ে খেলার ক্ষুধা ধরে রাখতে হবে এবং এমন পরিবেশ তৈরি করতে হবে, যেখানে তারা নিউজিল্যান্ডকে নিজেদের ঘর মনে করে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ