ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে চূড়ান্ত প্রস্তুতি, বৈঠকে ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ও ইসি সচিব


রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে চূড়ান্ত প্রস্তুতি, বৈঠকে ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ও ইসি সচিব

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিয়ে বৈঠকে বসেছেন ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এবং নির্বাচন কমিশনার (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সংসদ ভবনে সকাল ১১টায় ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের কার্যালয়ে বৈঠকে অংশ নিয়েছেন সংসদের চিফ হুইপসহ সংশ্লিষ্ট অনেকেই।

বৈঠকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সার্বিক ও চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, একাধিক প্রার্থী থাকলে আগামী ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদকক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিশুদের টিকা কমানোর নির্দেশ দিয়ে নতুন বিতর্কে ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:২০ পি.এম


শিশুদের টিকা কমানোর নির্দেশ দিয়ে নতুন বিতর্কে ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শিশুদের টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে নতুন পরিবর্তনের নির্দেশনা প্রদান করেছেন। সোমবার (১০ আগস্ট) স্বাক্ষর করা নির্বাহী আদেশে শিশুদের জন্য নিয়মিতভাবে সুপারিশ করা টিকার সংখ্যা ১৮ থেকে কমিয়ে ১১টি করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে হাম, মাম্পস ও রুবেলার সম্মিলিত এমএমআর টিকা আলাদা করে দেওয়ার প্রস্তাবও করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য বেরিয়ে এসেছে।

ট্রাম্প বলেছেন, কয়েক দশক আগে শিশুদের তুলনামূলকভাবে কম টিকা দেওয়া হত। অটিজমের হার বেড়ে যাওয়ার প্রসঙ্গ টেনে তিনি টিকার সংখ্যা কমানোর পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেছেন। তবে বহু গবেষণায়, বিশেষ করে এমএমআর টিকার সঙ্গে অটিজমের কোনো সম্পর্ক প্রমাণিত হয়নি। ২০১৯ সালে ডেনমার্কে ৬ লাখ ৫৭ হাজার ৪৬১ শিশুর ওপর একটি বড় গবেষণায়ও এমএমআর টিকার সঙ্গে অটিজমের সম্পর্কের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

নতুন নির্দেশনায় সব শিশুর জন্য হাম, মাম্পস, রুবেলা, ডিপথেরিয়া, ধনুষ্টংকার, হুপিং কাশি, পোলিও, হিমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা টাইপ বি, নিউমোকক্কাল রোগ, মানব প্যাপিলোমা ভাইরাস এবং জলবসন্তের টিকা রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

ট্রাম্পের নির্দেশনা অনুসারে, এমএমআর টিকা একসঙ্গে না দিয়ে হাম, মাম্পস ও রুবেলার জন্য আলাদা টিকা পৃথক সময়ে দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। ট্রাম্প দাবি করেছেন, একসঙ্গে এমএমআর টিকা দিলে ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তবে এ দাবির সমর্থনে তিনি কোনো নতুন বৈজ্ঞানিক প্রমাণ উপস্থাপন করেননি।

যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, এমএমআর টিকায় গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি খুবই কম। সংস্থাটি বলছে, এমএমআর টিকা নেওয়া হাম, মাম্পস বা রুবেলায় আক্রান্ত হওয়ার চেয়ে অনেক বেশি নিরাপদ। এমএমআর টিকাকে তিনটি আলাদা টিকায় ভাগ করার কোনও বৈজ্ঞানিক সুবিধার প্রমাণও পাওয়া যায়নি।

ট্রাম্পের এই উদ্যোগের বিরুদ্ধে শিশু চিকিৎসকদের সংগঠনসহ বেশ কয়েকজন চিকিৎসক ও রাজনীতিক সমালোচনা করেছেন। আমেরিকান একাডেমি অব পেডিয়াট্রিকসের সভাপতি অ্যান্ড্রু রাসিন এটিকে বিপজ্জনক হিসেবে মন্তব্য করেছেন। তার মতে, টিকা দেওয়ার দেরি করা বা বাদ দেওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে হাম ছড়িয়ে পড়ার পরিস্থিতিতে।

রিপাবলিকান সিনেটর ও চিকিৎসক বিল ক্যাসিডি ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছেন। তিনি বলেছেন, টিকা অত্যন্ত নিরাপদ ও কার্যকর এবং টিকার কারণে অটিজম হয় না।

এদিকে, ট্রাম্প প্রশাসনের স্বাস্থ্য ও মানবসেবা মন্ত্রী রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়র বলেছেন, এই পরিবর্তনের উদ্দেশ্য হচ্ছে টিকা বন্ধ করা নয়; বরং অভিভাবকদের আরও বেশি সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ দেওয়া।

অন্যদিকে, স্কুলে ভর্তি হওয়ার জন্য কোন টিকা বাধ্যতামূলক হবে, সে সিদ্ধান্ত মূলত যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্যগুলো নেয়। তাই প্রেসিডেন্টের এই নির্বাহী নির্দেশনা সরাসরি সব অঙ্গরাজ্যের টিকা-সংক্রান্ত নিয়ম পরিবর্তন করে না।

বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, টিকা নেওয়ার হার কমে গেলে হামসহ প্রতিরোধযোগ্য রোগ আবার বাড়তে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান টিকাদান নীতিতে শিশুদের বয়স ও রোগের ঝুঁকি অনুযায়ী টিকা দেওয়ার সময় নির্ধারণ করা হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সীমান্তে কৃষককে অপ/হরণ করলো বিএসএফ, জবাবে ২ ভারতীয়কে ধরে আনলো গ্রামবাসী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:৫৪ পি.এম


সীমান্তে কৃষককে অপ/হরণ করলো বিএসএফ, জবাবে ২ ভারতীয়কে ধরে আনলো গ্রামবাসী

মেহেরপুর সদর উপজেলার ইছাখালী সীমান্ত থেকে আব্দুল হান্নান (৬০) নামের এক কৃষককে ধরে নিয়ে গেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকালের এই ঘটনার প্রতিবাদ হিসেবে ভারতীয় দুই নাগরিককে আটক করে বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন বিজিবির কাছে হস্তান্তর করেছে সীমান্তের বাসিন্দারা। 

আটক দুই ভারতীয় নাগরিক হলেন, নদিয়া জেলার তেহট্ট থানার লাল বাজারের মনমোহন দাসের ছেলে শচীন দাস (৬৫) এবং একই গ্রামের কুঞ্জ বিশ্বাসের ছেলে নরতোন বিশ্বাস (৩৫)। 

বিএসএফের হাতে আটক বাংলাদেশি নাগরিক হলেন ইছাখালী মসজিদপাড়ার মৃত নুর বক্সের ছেলে আব্দুল হান্নান (৭০)।

স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সীমান্তে নিজের জমিতে কাজ করতে যায় আব্দুল হান্নান। সীমান্ত পিলার ১২৪/৩ এস নিকট থেকে বিএসএফ তাকে আটক করে। এসময় ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার তেহট্ট থানার অধীনস্ত ৫৬ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের নবচন্দ্রপুর ক্যাম্পের সদস্যরা তাকে আটক করে ক্যাম্পে নিয়ে যায়।

বাংলাদেশীকে ধরে নিয়ে যাওয়ার খবর পেয়ে প্রতিবাদ করতে সীমান্তে যায় এলাকার মানুষ। এসময় সীমান্ত পিলার ১২৩/৫-এস হতে আনুমানিক ১০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ইছাখালী গ্রামের এলাকা থেকে ভারতীয় নাগরিক শচীন দাস ও নরতোন বিশ্বাসকে আটক করে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়।

চুয়াডাঙ্গা ৬ বিজিবি ব্যাটালিয়িন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজমুল হাসান আটক ও পাল্টা আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, উদ্বুদ্ধ পরিস্থিতি নিরসনে বিজিবি কোম্পানী কমান্ডার পর্যায় পতাকা বৈঠকের প্রস্তুতি চলছে। পতাকা বৈঠকে বিষয়টির সমাধান হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ড্রোন হামলার পর লিবিয়ার তেল শোধনাগারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:০০ পি.এম


ড্রোন হামলার পর লিবিয়ার তেল শোধনাগারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলির পশ্চিমে জাওয়িয়ায় একটি বড় তেল শোধনাগারে ড্রোন হামলার পর ভয়াবহ আগুন লেগে গেছে। ১০ আগস্ট সোমবার রাতে, আগুনের কারণে ট্যাংকটি পুরোপুরি ধসে পড়েছে। তবে হামলাটি কারা পরিচালনা করেছে, তা এখনো জানা যায়নি বলেই কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

লিবিয়ার ন্যাশনাল অয়েল করপোরেশন (এনওসি) জানিয়েছে, হামলার শিকার হওয়া ট্যাংকটিতে প্রায় ৪৫ লাখ লিটার পেট্রোল সংরক্ষিত ছিল।

জাওয়িয়া শহরে অবস্থিত ট্যাংকটি শহরের দ্বিতীয় বৃহত্তম তেল শোধনাগারে অবস্থিত। শোধনাগারটির দৈনিক তেল পরিশোধনের সক্ষমতা ১ লাখ ২০ হাজার ব্যারেল।

এনওসি এক বিবৃতিতে জানায়, ব্রেগা অয়েল কোম্পানির মালিকানাধীন পেট্রোল সংরক্ষণ ট্যাংকটি সরাসরি হামলার লক্ষ্য হয়। হামলার পরে, ট্যাংকটিতে ভয়াবহ আগুন লাগার ফলে এক পর্যায়ে সেটি পুরোপুরি ধসে পড়ে।

ব্রেগা অয়েল কোম্পানি জানিয়েছে, আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে দমকলকর্মীরা কাজ করছেন, একই সাথে পাশের ট্যাংকগুলোতে পানি দিয়ে ঠান্ডা করা হচ্ছে, যাতে আগুন অন্য ট্যাংকে ছড়িয়ে পড়তে না পারে।

এনওসি জানায়, গত কয়েকদিন ধরে জাওয়িয়ার তেল স্থাপনাগুলোর ওপর এই ধরনের হামলা চলছে। সপ্তাহান্তে, একটি ন্যাফথা সংরক্ষণ ট্যাংক ও একটি পানি লবণমুক্তকরণ প্ল্যান্টে দুটি ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।

লিবিয়ার জরুরি সেবা সংস্থা ফেসবুকে জানিয়েছে, হামলায় এখনও পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে ধোঁয়ায় শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসা দিচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা।

এ ঘটনায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে এনওসি। একসঙ্গে তদন্তের আহ্বান জানিয়ে হামলার কারণ এবং এর সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে চাওয়া হয়েছে।

লিবিয়ার পার্লামেন্টের একটি কমিটিও হামলার নিন্দা জানিয়েছে এবং দেশটির গুরুত্বপূর্ণ তেল স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা আরও জোরদারের দাবি করছে।

হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের জ্বালানি ও প্রাকৃতিক সম্পদবিষয়ক কমিটি এক বিবৃতিতে বলছে, জাতীয় অর্থনীতির একটি ভিত্তি এবং তেল-গ্যাস খাতের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা জাওয়িয়া শোধনাগারে এই ‘অপরাধমূলক হামলার’ তারা তীব্র নিন্দা জানায়।

লিবিয়ায় আফ্রিকার সবচেয়ে বড় তেল মজুত রয়েছে। কিন্তু ২০১১ সালের পর, সাবেক নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফি ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে দেশটি রাজনৈতিক ও সামরিক সংঘাতে বিভক্ত হয়ে পড়েছে।

বর্তমানে, লিবিয়ায় দুটি সরকার ক্ষমতার জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। রাজধানী ত্রিপোলিভিত্তিক সরকারের নেতৃত্বে রয়েছেন জাতিসংঘ-স্বীকৃত প্রধানমন্ত্রী আবদুলহামিদ দবেইবাহ। অন্যদিকে, পূর্বাঞ্চলে সামরিক কমান্ডার খলিফা হাফতার দ্বারা সমর্থিত একটি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রশাসন রয়েছে।

ত্রিপোলিভিত্তিক সরকার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, নিরাপত্তা পরিস্থিতির সর্বশেষ অগ্রগতি পর্যালোচনা করতে প্রধানমন্ত্রী দবেইবাহ সোমবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, রাজধানীর কিছু সশস্ত্র গোষ্ঠীর প্রধানসহ গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাপ্তাই হ্রদে মাছ শিকার শুরু তিন মাস ১৫ দিন পর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:০৩ পি.এম


কাপ্তাই হ্রদে মাছ শিকার শুরু তিন মাস ১৫ দিন পর

তিন মাস ১৫ দিন বন্ধ থাকার পর দেশের সর্ববৃহৎ কৃত্রিম জলরাশি রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে আবারও মাছ শিকারে নেমেছেন হাজারো জেলে।

মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ও বংশবৃদ্ধির সুযোগ দিতে প্রতিবছর নির্দিষ্ট সময়ে হ্রদে মাছ ধরা বন্ধ রাখা হয়। জাল-নৌকা নিয়ে কাপ্তাই হ্রদে জেলেরা দীর্ঘ অপেক্ষার পর জীবিকার গতি ফিরে পেয়েছেন। এতে দীর্ঘদিন পর কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে হ্রদপাড়ে, যাতে স্বস্তি ফিরেছে জেলে পরিবারগুলোর মধ্যে। তবে কাঙ্ক্ষিত মাছ পাওয়ার ওপর নির্ভর করছে তাদের এই স্বস্তির স্থায়িত্ব কতটা দীর্ঘ হবে।

নিষেধাজ্ঞার দীর্ঘ অপেক্ষার পর কাপ্তাই হ্রদ আবারও ব্যস্ত হয়ে উঠেছে। ভোরের আলো উঠতেই নৌকা নিয়ে হ্রদের বিভিন্ন এলাকায় ছুটছেন জেলেরা। কারও হাতে জাল, কেউ নৌকায় মাছ ধরার সরঞ্জাম নিয়ে আবারও জীবিকার সন্ধানে হ্রদের বুকে ছুটছেন। তবে মাছের উৎপাদন ও প্রজনন ধরে রাখতে নিয়ম মেনে মাছ আহরণের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।

রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের এক আদেশে গত ২৪ এপ্রিল দিবাগত মধ্যরাত থেকে মাছ শিকার নিষিদ্ধ করে রাঙামাটি জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সোমবার মধ্যরাত থেকে আবারও মাছ শিকার উন্মুক্ত করা হয়। দীর্ঘ সময় মাছ শিকার বন্ধ থাকার কারণে জেলেরা আয়-রোজগার নিয়ে অনেকটাই অনিশ্চয়তার মধ্যে ছিলেন। এখন মাছ ধরার সুযোগ পাওয়ায় তাদের চোখে-মুখে স্বস্তির ছাপ।

ব্যবসায়ী আবদুল হালিম ভোলা ও আবদুস শুক্কুর জানিয়েছেন, প্রায় সাড়ে তিন মাস পর মাছ শিকারের নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়াতে আমরা খুশি। তবে সাম্প্রতিক ভারী বৃষ্টিপাত এবং পাহাড়ি ঢলের কারণে মাছের সুষ্ঠু প্রজননে কিছুটা ব্যাঘাত ঘটেছে। আজকে যে মাছ ধরা পড়েছে তা আকারে কিছুটা ছোট।

আর ১৫ দিন পর হলে মাছের সাইজ আরও বড় হতে পারত। রাঙামাটি বিএফডিসি ব্যবস্থাপক কমান্ডার মো. ফয়েজ আল করিম জানিয়েছেন, কাপ্তাই হ্রদে মাছ আহরণ শুরু হওয়ায় রাঙামাটির বিএফডিসির অবতরণ ঘাটে প্রথম দিনে প্রচুর পরিমাণ মাছ এসেছে। তবে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে মাছের আকার কিছুটা ছোট। তবুও রাঙামাটি কাপ্তাই হ্রদে মাছের সুষ্ঠু প্রাকৃতিক প্রজনন এবং বংশ বিস্তারের কারণে আগামী দিনে মাছের উৎপাদন সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

হ্রদের বিশাল জলরাশি রাঙামাটির অর্থনীতি এবং বিপুল সংখ্যক মানুষের জীবিকার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। আর দীর্ঘ নিষেধাজ্ঞার পর কাপ্তাই হ্রদে মাছ শিকার শুরু হওয়ায় একদিকে যেমন জেলেদের জীবিকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে, অন্যদিকে মাছের উৎপাদন ও প্রজনন ধরে রাখতে এবার প্রয়োজন নিয়ম মেনে মাছ আহরণ এবং কার্যকর নজরদারি। তাহলেই কাপ্তাই হ্রদ হতে পারে জেলেদের টেকসই জীবিকার অন্যতম প্রধান উৎস।

স্থানীয়রা মনে করেন, কাপ্তাই হ্রদ রাঙামাটির অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎস নয়, এটি পাহাড়ের হাজারো মানুষের জীবন-জীবিকার সঙ্গেও জড়িত। সুতরাং হ্রদকে বাঁচিয়ে রেখে মাছের উৎপাদন বাড়ানো এবং জেলেদের স্থায়ী জীবিকার সুযোগ তৈরি করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। এ কারণে তাদের প্রত্যাশা হচ্ছে সরকারী নজরদারি, জেলেদের সচেতনতা এবং সঠিক ব্যবস্থাপনার সমন্বয়ে কাপ্তাই হ্রদ হয়ে উঠবে আরো সমৃদ্ধ মৎস্যভাণ্ডার। আর এর সুফল পৌঁছাবে হ্রদপাড়ের হাজারো জেলে পরিবারের ঘরে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%