ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ঘুরে দেখলেন হুইপ জিকে গউছ


নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ঘুরে দেখলেন হুইপ জিকে গউছ

হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য হুইপ আলহাজ জিকে গউছ খোয়াই নদীর ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেছেন।

আজ শুক্রবার বিকেল আড়াইটায় সদর উপজেলার লস্করপির ইউনিয়নের কালিগন্জ নদী ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেন তিনি।

এই সময় জেলা প্রশাসক ড. জিএম সরফরাজ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সায়েদুল ইসলাম, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এনামুল হক, এডভোকেট নুরুল ইসলাম, শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি গোলাম কিবরিয়া চৌধুরী বেলাল, হবিগঞ্জ জেলা যুবদলের সদস্য সচিব সফিকুর রহমান সিতু, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগনসহ আরো অনেক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

এ সময় জিকে গউছ উল্লেখ করেন, আগামীকাল থেকেই ভাঙা বাঁধ মেরামতের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। তিনি বলেন, বাঁধ মেরামতে কোনো ধরনের অনিয়ম দুর্নীতি সহ্য করা হবে না। যদি কেউ দলের প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করেন, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সড়কমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের পরিবহন মন্ত্রীর বৈঠক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৫২ পি.এম


সড়কমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের পরিবহন মন্ত্রীর বৈঠক

সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম লন্ডনে যুক্তরাজ্যের পরিবহন বিষয়ক মন্ত্রী হেইডি আলেকজান্ডারের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) লন্ডনে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকের শুরুতে শেখ রবিউল আলম বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আন্তরিক শুভেচ্ছা যুক্তরাজ্যের পরিবহন মন্ত্রীর কাছে পৌঁছে দেন।

বৈঠকে শেখ রবিউল আলম বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান সরকার জনগণের বিপুল সমর্থনে একটি অবাধ, সুষ্ঠু, অংশগ্রহণমূলক ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে এবং গণতন্ত্র, সুশাসন, জবাবদিহিতা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় দৃঢ়ভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ।

তিনি আরও বলেন, যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘদিনের অবস্থান তাঁকে সুশাসন, প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা এবং আধুনিক রাষ্ট্র পরিচালনা সম্পর্কে মূল্যবান অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ করে দিয়েছে, যা বাংলাদেশের উন্নয়ন ও সংস্কার কার্যক্রমে ইতিবাচকভাবে প্রতিফলিত হচ্ছে।

তিনি বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় উন্নীত করতে বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

মন্ত্রী বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক, বন্ধুত্বপূর্ণ ও বহুমাত্রিক সম্পর্কের কথা তুলে ধরে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি আন্তর্জাতিক জাহাজে কর্মরত বাংলাদেশি নাবিকদের জন্য ওকেটিবি এবং অন্যান্য ট্রানজিট ও নাবিক-সংক্রান্ত ভিসা দ্রুত ও সহজতর করার ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা কামনা করেন।

বাংলাদেশের জাহাজ নির্মাণ, সামুদ্রিক প্রকৌশল, বন্দর উন্নয়ন, সামুদ্রিক পরিবহন ব্যবস্থা এবং বন্দরভিত্তিক শিল্পে অধিকতর ব্রিটিশ বিনিয়োগ, যৌথ উদ্যোগ, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণের আহ্বানও জানান তিনি। একইসঙ্গে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

নৌপরিবহন মন্ত্রী উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকার জাহাজ পুনর্ব্যবহার শিল্পে আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করতে হংকং আন্তর্জাতিক কনভেনশন বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বর্তমানে দেশের ৪২টি জাহাজ পুনর্ব্যবহার ইয়ার্ডের মধ্যে ২৭টি আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়েছে এবং অবশিষ্ট ইয়ার্ডগুলোকে পর্যায়ক্রমে ওই মানদণ্ডে উন্নীত করার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সমুদ্র চলাচল সংস্থার (আইএমও) জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাস-সংক্রান্ত বৈশ্বিক উদ্যোগকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করে। যদিও বাংলাদেশ বৈশ্বিক গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের প্রধান উৎস নয়, তবুও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি, সবুজ প্রবৃদ্ধি এবং টেকসই সামুদ্রিক পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

বৈঠক শেষে বাংলাদেশের সড়ক, রেলপথ ও নৌপরিবহন মন্ত্রী যুক্তরাজ্যের পরিবহন মন্ত্রীকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের জন্য আন্তরিক আমন্ত্রণ জানান।

উভয় পক্ষই সড়ক, নৌ ও রেলপথ পরিবহন, বন্দর উন্নয়ন, বাণিজ্য এবং বিনিয়োগসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিদ্যমান সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে একযোগে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আর্জেন্টিনার পক্ষেই নেতানিয়াহু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৫৫ পি.এম


আর্জেন্টিনার পক্ষেই নেতানিয়াহু

আসন্ন ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে সমর্থনের কথা জানিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। এছাড়া, ইসরায়েলপন্থী অবস্থানের কারণে তিনি আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেকে বারবার প্রশংসায় ভাসিয়েছেন। এই তথ্যটি ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম আই২৪ নিউজের এক প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে।

সম্প্রতি, একটি পডকাস্ট সাক্ষাৎকারে ফুটবল কিংবদন্তি লিওনেল মেসির চেয়ে আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলের বন্দনাতেই তিনি বেশি মুখর ছিলেন। নেতানিয়াহু ইসরায়েলের প্রতি অটল সমর্থনের কারণ হিসেবে মিলেকে আর্জেন্টিনার ‘আসল সুপারস্টার’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। যখন ইসরায়েল ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার সম্পর্ক গভীর হচ্ছে, তখনই ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্য সামনে এল। সম্প্রতি, দেশ দুটি ‘আইজ্যাক অ্যাকর্ডস’ ঘোষণা করেছে, যার লক্ষ্য হলো কৌশলগত, কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ করা।

‘মোজো পডকাস্ট’–এ কথা বলার সময় بেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বেশ ফুরফুরে মেজাজেই ছিলেন। সেখানে বিশ্বকাপ এবং এই প্রতিযোগিতায় কোন দলকে সমর্থন করছেন, তা নিয়ে তিনি কথা বলেন। যখন সঞ্চালক প্রশ্ন করেন, তিনি বিশ্বকাপে কাকে সমর্থন করছেন, তখন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী জানান, তিনি আর্জেন্টিনার দিকে কড়া নজর রাখছেন। সঞ্চালক তাৎক্ষণিকভাবে লিওনেল মেসির নাম উল্লেখ করেন, কিন্তু নেতানিয়াহু প্রথমেই অন্য একটি কারণ সামনে আনেন—আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলে।

তিনি আর্জেন্টাইন নেতার প্রশংসা করে বলেন, ‘মিলে ইসরায়েলের একজন বড় বন্ধু।’ নেতানিয়াহু স্বীকার করেন যে তারা দুজন অর্থনৈতিক বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করতে বেশ পছন্দ করেন। কিন্তু আলাপের পরের অংশে তিনি আর্জেন্টিনার ক্রীড়া শক্তির কথাও স্বীকার করেন। তিনি জানান, দেশটির একটি ‘খুব ভালো দল’ এবং একজন ‘বিশেষভাবে অভিজ্ঞ’ খেলোয়াড় রয়েছে, যা দিয়ে তিনি স্পষ্টভাবে লিওনেল মেসিকে বুঝিয়েছেন।

যখন সঞ্চালক উল্লেখ করেন যে, মেসি প্রায় দুই দশক ধরে সর্বোচ্চ পর্যায়ে খেলছেন এবং নেতানিয়াহু নিজেকে তার সঙ্গে মেলাতে পারেন কি না, তখন প্রধানমন্ত্রী একটি ম্যাচের জন্য মেসির ইসরায়েল সফরের সময় তার সঙ্গে সাক্ষাতের স্মৃতিচারণ করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মশার কামড়ের চুলকানি কমাতে যা করবেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৫৯ পি.এম


মশার কামড়ের চুলকানি কমাতে যা করবেন

বর্ষা এলেই বেড়ে যায় মশার উপদ্রব। মশার কামড়ের পর অসহ্য চুলকানি, জ্বালাপোড়া এবং অস্বস্তি শুরু হয়। কারো ক্ষেত্রে এই সমস্যা কয়েক ঘণ্টা, আবার কারো ক্ষেত্রে কয়েক দিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। এই সমস্যার কারণ এবং কীভাবে দ্রুত আরাম পাওয়া যাবে, তা জানিয়ে রাখা জরুরি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, যখন মশা কামড়ায়, তখন শুধুমাত্র রক্ত খায় না, ত্বকের ভেতরে নিজের লালাও প্রবেশ করায়। এই লালার কিছু উপাদান শরীরের জন্য ক্ষতিকর হিসেবে শনাক্ত হয়। ফলে শরীর থেকে একটি বিশেষ রাসায়নিক পদার্থ বের হয়, যার কারণে কামড়ের জায়গায় লালচে ভাব, ফোলাভাব, জ্বালা এবং চুলকানি শুরু হয়।

বর্ষাকালে বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকছে, যার ফলে এই চুলকানি দীর্ঘ সময় স্থায়ী হতে পারে। ঘাম হলে অস্বস্তি বাড়ে। অনেকেই বারবার চুলকাতে থাকেন, যা ত্বকের ক্ষতিসাধনের পাশাপাশি সংক্রমণের ঝুঁকিও বাড়াতে পারে।

চুলকানি কমানোর জন্য কিছু সহজ উপায় রয়েছে:

ঠান্ডা সেঁক প্রয়োগ করুন। পরিষ্কার কাপড়ে বরফ জড়িয়ে বা ঠান্ডা ভেজা কাপড় খানিকক্ষণ কামড়ের জায়গায় রেখে দিন। এর ফলে ফোলাভাব এবং চুলকানি অনেকটা কমে যাবে।

আপনি প্রাকৃতিক তেলও ব্যবহার করতে পারেন। ইউক্যালিপটাস, নারকেল, জলপাই বা পুদিনার তেল সাময়িকভাবে আরাম প্রদান করতে পারে। এই তেলগুলি ত্বককে আর্দ্র রাখার পাশাপাশি প্রদাহবিরোধী হিসেবে কাজ করে।

চুলকানো থেকে বিরত থাকাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বারবার চুলকালে ত্বকের ক্ষতি হতে পারে। এতে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে এবং ফোলাভাব আরও বেশি বৃদ্ধি পেতে পারে।

মশার কামড় থেকে বাঁচার জন্য কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। ঘরের আশপাশে কোথাও পানি জমতে দেবেন না। বিকেলের পর জানালা ও দরজা বন্ধ রাখুন। নিয়মিত মশারি ব্যবহার করুন। বাইরে গেলে ফুলহাতা পোশাক পরিধান করুন এবং প্রয়োজন হলে মশা প্রতিরোধে ব্যবহৃত ক্রিম ব্যবহার করুন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্ষাকালে মশার উপদ্রব থেকে বাঁচতে ছোট ছোট সতর্কতা নেওয়া সবচেয়ে কার্যকর। এই পদক্ষেপগুলি মশার কামড় কমাবে এবং ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগের ঝুঁকিও অনেকটা কমাতে সক্ষম।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর ১০ পদক্ষেপ,অঞ্চল : চট্টগ্রাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:০৬ পি.এম


দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর ১০ পদক্ষেপ,অঞ্চল : চট্টগ্রাম

চলমান টানা ভারী বর্ষণ ও আকস্মিক বন্যার ফলে সৃষ্ট চট্টগ্রাম অঞ্চলের দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্দেশিত ১০টি পদক্ষেপের কথা জানিয়েছেন তাঁর উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।

তিনি উল্লেখ করেছেন, সংকটের এই সময়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।

আজ দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন এক ফেসবুক পোস্টে ‘চট্টগ্রাম অঞ্চলে দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর গৃহীত ১০টি উদ্যোগ’ শিরোনামে এই পদক্ষেপগুলোর বিস্তারিত ব্যাখ্যা করেন।

তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশনায় দুর্যোগকবলিত এলাকার পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক তদারকি করা হচ্ছে। দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে বিএনপির সকল পর্যায়ের নেতা-কর্মীকে মাঠপর্যায়ে সক্রিয়ভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের সর্বোচ্চ সহায়তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ, দ্রুত উদ্ধার ও পুনর্বাসন কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি এবং সংসদ সদস্যদের সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশিত ১০টি প্রধান উদ্যোগ হলোÑ ১. প্রধানমন্ত্রী নিজে সার্বক্ষণিকভাবে দুর্যোগকবলিত এলাকার খবর নিচ্ছেন এবং মনিটরিং করাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে নিয়মিতভাবে ডিসি, ইউএনও এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট সবার সাথে যোগাযোগ রেখে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।

২. চট্টগ্রাম বিভাগের দুর্যোগকবলিত এলাকায় ইতোমধ্যে ১ হাজার ৫৭টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু করা হয়েছে, যেখানে ১২ হাজারের বেশি মানুষ আশ্রয় গ্রহণ করেছেন।

৩. জেনারেল রিলিফ (জিআর) কর্মসূচির আওতায় ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙ্গামিটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানÑ এই ৫টি জেলার জন্য ২ কোটি ১৫ লাখ টাকা নগদ অনুদান এবং ৩ হাজার ৪৫০ মেট্রিক টন চাল দুর্গতদের কাছে দ্রুততম সময়ে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

৪. সরকারের নির্দেশনায় দুর্গত এলাকাগুলোতে নিরাপদ খাবার পানি, স্যানিটেশন ব্যবস্থা, স্বাস্থ্যসেবা, শিশুখাদ্য এবং তিন বেলা খাবার সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে।

৫. জরুরি পরিস্থিতি বিবেচনায় পাহাড়ি এলাকায় উদ্ধার কার্যক্রম গতিশীল করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি প্রয়োজনবোধে সেনাবাহিনীও মোতায়েন করা হয়েছে।

৬. প্রধানমন্ত্রী সহায়তার বার্তা পৌঁছে দিতে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জনপ্রতিনিধিবৃন্দ প্লাবিত অঞ্চল পরিদর্শন করছেন এবং সশরীরে দুর্গত এলাকায় উপস্থিত থেকে মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন।

৭. দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে রাষ্ট্র পরিচালনাকারী দলের বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মী এবং সহযোগী সংগঠনগুলি মাঠে নেমেছে। একই সাথে সরকারের প্রশাসন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সেনাবাহিনী এবং কোস্টগার্ড মাঠপর্যায় থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত একযোগে কাজ করছে।

৮. ভারী বর্ষণ, বন্যা ও ভূমিধস পরিস্থিতির কারণে দুর্গত এলাকার চলমান এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষাগুলি স্থগিত করা হয়েছে।

৯. এই দুর্যোগে হতাহতদের পরিবারের সদস্যদের জন্য সমবেদনা জানাতে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ নেতা-কর্মীদের সাথে মিলিত হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের বাড়ি বাড়ি পরিদর্শন করছেন।

১০. টানা ভারী বর্ষণে পানিতে তলিয়ে যাওয়া চট্টগ্রাম-দোহাজারী রেলপথের জলাবদ্ধতা কমাতে সেটি ৫ ফুট উঁচু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ৪৭ কিলোমিটার রেলপথের উচ্চতা বৃদ্ধি করার কাজের দরপত্র প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে থাকা বাসিন্দাদের জন্য নিরাপদ স্থানে স্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থা করবে সরকার।

ফেসবুক পোস্টের শেষের দিকে মাহদী আমিন আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি সরকারের দ্রুত সিদ্ধান্ত, মানবিক প্রয়াস ও সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা খুব দ্রুত এই দুর্যোগ কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হব, ইনশাআল্লাহ। প্রধানমন্ত্রী এই সংকটে গভীর ভালোবাসা ও দায়বদ্ধতা নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে আছেন এবং জনগণের সরকার সবসময় আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%