প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
বর্ষা এলেই বেড়ে যায় মশার উপদ্রব। মশার কামড়ের পর অসহ্য চুলকানি, জ্বালাপোড়া এবং অস্বস্তি শুরু হয়। কারো ক্ষেত্রে এই সমস্যা কয়েক ঘণ্টা, আবার কারো ক্ষেত্রে কয়েক দিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। এই সমস্যার কারণ এবং কীভাবে দ্রুত আরাম পাওয়া যাবে, তা জানিয়ে রাখা জরুরি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, যখন মশা কামড়ায়, তখন শুধুমাত্র রক্ত খায় না, ত্বকের ভেতরে নিজের লালাও প্রবেশ করায়। এই লালার কিছু উপাদান শরীরের জন্য ক্ষতিকর হিসেবে শনাক্ত হয়। ফলে শরীর থেকে একটি বিশেষ রাসায়নিক পদার্থ বের হয়, যার কারণে কামড়ের জায়গায় লালচে ভাব, ফোলাভাব, জ্বালা এবং চুলকানি শুরু হয়।
বর্ষাকালে বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকছে, যার ফলে এই চুলকানি দীর্ঘ সময় স্থায়ী হতে পারে। ঘাম হলে অস্বস্তি বাড়ে। অনেকেই বারবার চুলকাতে থাকেন, যা ত্বকের ক্ষতিসাধনের পাশাপাশি সংক্রমণের ঝুঁকিও বাড়াতে পারে।
চুলকানি কমানোর জন্য কিছু সহজ উপায় রয়েছে:
ঠান্ডা সেঁক প্রয়োগ করুন। পরিষ্কার কাপড়ে বরফ জড়িয়ে বা ঠান্ডা ভেজা কাপড় খানিকক্ষণ কামড়ের জায়গায় রেখে দিন। এর ফলে ফোলাভাব এবং চুলকানি অনেকটা কমে যাবে।
আপনি প্রাকৃতিক তেলও ব্যবহার করতে পারেন। ইউক্যালিপটাস, নারকেল, জলপাই বা পুদিনার তেল সাময়িকভাবে আরাম প্রদান করতে পারে। এই তেলগুলি ত্বককে আর্দ্র রাখার পাশাপাশি প্রদাহবিরোধী হিসেবে কাজ করে।
চুলকানো থেকে বিরত থাকাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বারবার চুলকালে ত্বকের ক্ষতি হতে পারে। এতে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে এবং ফোলাভাব আরও বেশি বৃদ্ধি পেতে পারে।
মশার কামড় থেকে বাঁচার জন্য কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। ঘরের আশপাশে কোথাও পানি জমতে দেবেন না। বিকেলের পর জানালা ও দরজা বন্ধ রাখুন। নিয়মিত মশারি ব্যবহার করুন। বাইরে গেলে ফুলহাতা পোশাক পরিধান করুন এবং প্রয়োজন হলে মশা প্রতিরোধে ব্যবহৃত ক্রিম ব্যবহার করুন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্ষাকালে মশার উপদ্রব থেকে বাঁচতে ছোট ছোট সতর্কতা নেওয়া সবচেয়ে কার্যকর। এই পদক্ষেপগুলি মশার কামড় কমাবে এবং ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগের ঝুঁকিও অনেকটা কমাতে সক্ষম।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন