সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:৪৯ পি.এম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের (১ অক্টোবর) ফেনী সফরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা চূড়ান্ত করেছে প্রশাসন। সফরের জন্য সভাস্থলগুলোকে রেড, ইয়েলো ও হোয়াইট— এই তিনটি জোনে ভাগ করে নিরাপত্তা-ব্যবস্থা গঠন করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর সফরের দিন পরশুরাম ও ফুলগাজী উপজেলায় পুলিশের আড়াই হাজারের বেশি সদস্য মোতায়েন থাকবে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ফেনী সফরের জন্য চূড়ান্ত নিরাপত্তা সমন্বয় সভায় এসব তথ্য উপস্থাপন করা হয়।
সভায় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনীর (এসএসএফ) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল আলম মজনু, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহবুবউল করিম, পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদারসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সরকারি দপ্তরের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রশাসনের একটি সূত্র জানায়, পরশুরাম ও ফুলগাজীতে সভাস্থলে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রেড, ইয়েলো ও হোয়াইট— এই তিন জোনে নিরাপত্তার ব্যবস্থা সাজানো হবে। সর্বোচ্চ নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট এবং স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ) বৈঠক করেছে।
পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমনের দিন পরশুরাম ও ফুলগাজী উপজেলায় পুলিশের আড়াই হাজারের বেশি সদস্য মোতায়েন থাকবে। প্রয়োজন অনুযায়ী সব স্থানে পুলিশ সদস্যরা নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।
প্রধানমন্ত্রীর সফরে কতজন বিজিবি সদস্য মাঠে কাজ করবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফেনী ব্যাটালিয়ন (৪ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এম জিল্লুর রহমান বলেন, এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে সভা হয়েছে, সেখান থেকে তথ্য পাওয়া যাবে। পরবর্তীতে তিনি কোনো মন্তব্য না করেই কল কেটে দেন।
ফেনীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ আল আমিন সরকার বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তাবলয় থাকবে। নিরাপত্তায় এসএসএফ ছাড়াও পুলিশ, এসআরবি, বিজিবি, কোস্টগার্ডসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কাজ করবেন। তবে মোট কতজন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবেন, তা সুনির্দিষ্টভাবে জানাতে পারেননি তিনি।
জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, আগামী ১ অক্টোবর সকালে পরশুরামের ঘাটঘর এলাকায় মুহুরী নদীর তীরে একনেকে অনুমোদিত ১ হাজার ৫৪২ কোটি টাকা ব্যয়ের মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও পানি নিষ্কাশন প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। পরে তিনি জনসভাতে বক্তব্য রাখবেন। এরপর ফুলগাজীতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী একাধিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন। এর মধ্যে শুরুতে খালেদা জিয়া মহিলা কলেজে বৃক্ষরোপণ এবং পরশুরাম-ফুলগাজী-ছাগলনাইয়া উপজেলার সরকারি দপ্তরে স্থাপিত ৯৬২ দশমিক পাঁচ কিলোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সোলার প্যানেলের উদ্বোধন করবেন। পরে ফুলগাজীর জেলা পরিষদ ডাকবাংলোয় বিশ্রাম ও নামাজ আদায় করবেন তিনি।
সূত্র আরও জানায়, এরপর দুপুর ৩টা থেকে ৩টা ২০ মিনিটের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী ফুলগাজী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উপস্থিত হবেন। সেখানে তিনটি মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে ফ্যামিলি কার্ড, ইমাম ও পুরোহিতদের ভাতা, কৃষক কার্ড এবং দরিদ্র শিক্ষার্থী ও অসহায় মানুষের জন্য সহযোগিতা কার্যক্রমে অংশ নেবেন। পরে দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সুধী সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার পরিকল্পনা রয়েছে।
এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহবুবউল করিম বলেন, সভাস্থলে নিরাপত্তাব্যবস্থাকে তিনটি জোনে ভাগ করা হবে। এগুলো হলো— রেড, ইয়েলো ও হোয়াইট জোন। রেড জোনে প্রবেশের সুযোগ পাবেন যারা, তাদের জন্য বিশেষ সিকিউরিটি কার্ড দেওয়া হবে। ইয়েলো জোনের জন্য আলাদা কার্ড থাকবে। যারা এই কার্ড পাবেন, তারা কেবল ইয়েলো জোনে যেতে পারবেন। রেড ও ইয়েলো জোনের বাইরে যে এলাকা থাকবে, সেটি হোয়াইট জোন হিসেবে বিবেচিত হবে। এই জোনে সাধারণ মানুষ প্রবেশ করতে পারবেন।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী সম্ভাব্য সূচি অনুযায়ী সড়ক পথে পরশুরাম যাবেন। পরে ফেরার বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি।
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে আনুষঙ্গিক প্রস্তুতির কাজও শেষ পর্যায়ে রয়েছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর সফরকে সামনে রেখে পরশুরামের ঘাটঘর এলাকায় মুহুরী নদীর তীরে জনসভাস্থল প্রস্তুতির কাজ চলছে। একই সঙ্গে পরশুরাম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে অস্থায়ী হেলিপ্যাড তৈরির প্রস্তুতি চলছে। জনসভাস্থলে মঞ্চ, উদ্বোধনী ফলকের স্থানসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। জনসভায় অংশগ্রহণকারী মানুষের জন্য বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। সভাস্থলে পানির ট্যাংক ও পোর্টেবল টয়লেট স্থাপনসহ স্যানিটেশন ব্যবস্থা স্থাপন করছে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর। পাশাপাশি অনুষ্ঠানস্থল ও আশপাশের এলাকায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রমও চলছে।
সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক ও নিরাপদ রাখতে ফেনী-পরশুরাম প্রধান সড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অংশে মেরামত ও সংস্কার কাজ করছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। পাশাপাশি পরশুরাম-সুবার বাজার সড়কের জনসভাস্থলের আশপাশের এলাকাতেও প্রয়োজনীয় সংস্কার ও প্রস্তুতিমূলক কাজ করা হচ্ছে। একইভাবে ফুলগাজী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ চলছে।
এর আগে, গত ১৭ সেপ্টেম্বর ফেনী সফরে যাওয়ার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের। পরে তা স্থগিত করে ১ অক্টোবর সফরের তারিখ পুনর্নির্ধারণ করা হয়। এ নিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষ্যে জাতীয় পর্যায়ে গুণী শিক্ষক সম্মাননার সংখ্যা ১২ থেকে ১০০ জনে বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হচ্ছে।
এ সম্মাননার আওতায় প্রাথমিক থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায় পর্যন্ত বিভিন্ন স্তরের শিক্ষকরা অন্তর্ভুক্ত হবেন। আগামী ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে এই সম্মাননা প্রদান করা হবে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির সভায় প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদি আমিন এসব তথ্য জানান।
ড. মাহদি আমিন উল্লেখ করেন, দীর্ঘকাল ধরে জাতীয় পর্যায়ে ১২ জন শিক্ষককে গুণী শিক্ষক হিসেবে সম্মাননা প্রদান করা হয়ে আসছিল। তবে এ বছর প্রথমবারের মতো এই সংখ্যা ১০০ জনে উন্নীত করা হচ্ছে। প্রাথমিক থেকে তৃতীয় পর্যায় পর্যন্ত বিভিন্ন স্তরের শিক্ষকদের সম্মাননার আওতায় আনা হবে।
শিক্ষা উপদেষ্টা আরও বলেন, প্রাথমিক শিক্ষকদের পাশাপাশি মাধ্যমিক পর্যায়ের সাধারণ, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষকদেরও সম্মাননার জন্য বিবেচনা করা হবে। কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও এই সম্মাননার জন্য নির্বাচিত হবেন। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে চিকিৎসা, কৃষি, প্রকৌশল ও বিজ্ঞানসহ বিভিন্ন বিশেষায়িত শাখা থেকেও শিক্ষক নির্বাচন করা হবে।
তিনি জানান, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, স্কুল ও অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত শিক্ষকদের তালিকা নিয়ে জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির সভায় আলোচনা চলছে। সেখান থেকে চূড়ান্তভাবে গুণী শিক্ষক নির্বাচন করা হবে। শিক্ষক দিবসে গুণী শিক্ষকদের সম্মাননা দেওয়ার পরিধি বাড়ানোর উদ্যোগ প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা–সংক্রান্ত ভাবনার অংশ। শিক্ষার্থীদের গড়ে তোলার ক্ষেত্রে শিক্ষকদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তৈরিতে যারা কাজ করছেন, তাদের সম্মান ও মর্যাদা বৃদ্ধি করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি আরও জানান, আগামী ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষ্যে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হচ্ছে। সেখানে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে দিবসটি উদযাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।
সভায় শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদি আমিন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলসহ শিক্ষা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
গ্রাহকদের প্রায় সোয়া কোটি টাকা আত্মসাৎ ও ঋণ জালিয়াতির অভিযোগে নাটোরে সোনালী ব্যাংকের পাঁচ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্ত হওয়া পাঁচজনই ব্যাংকের প্রিন্সিপাল অফিসার পদমর্যাদার কর্মকর্তা।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তাদের বরখাস্তের আদেশ প্রদান করে। নাটোর সোনালী ব্যাংকের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) আহসান রেজা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
বরখাস্তকৃত কর্মকর্তাদের নাম হলো-এইচএম রোকনুজ্জামান, হাফিজুর রহমান, মনিরুজ্জামান, লিটন কুমার ও বিপুল পাল।
ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে লিটন কুমার ও বিপুল পালের বিরুদ্ধে গ্রাহকের অর্থ আত্মসাতের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। লিটন কুমার গ্রাহকদের প্রায় ৯২ লাখ ৭ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছেন এবং বিপুল পাল প্রায় ৩৫ লাখ ২৮ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এই দুই কর্মকর্তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারির জন্য সম্প্রতি ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। তারা নাটোর থেকে বদলি হয়ে সর্বশেষ নওগাঁ জেলায় কর্মরত ছিলেন। অপর তিন কর্মকর্তা এইচএম রোকনুজ্জামান, হাফিজুর রহমান ও মনিরুজ্জামান বিরুদ্ধে বিপুল অঙ্কের ভুয়া ঋণপত্র তৈরি ও অতিরিক্ত আমানত সৃষ্টির মাধ্যমে ঋণ জালিয়াতির অভিযোগ আনা হয়েছে। তারা নাটোরের বিভিন্ন শাখায় কর্মরত ছিলেন।
জানা যায়, নাটোরে কর্মরত থাকাকালীন অভিযুক্তরা বঙ্গবন্ধু পরিষদের নেতা হিসেবে প্রভাব বিস্তার করে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সোনালী ব্যাংকের নাটোর শাখার উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) আহসান রেজা বলেন, "গ্রাহকের অর্থ আত্মসাৎ ও ঋণ জালিয়াতির মতো গুরুতর অভিযোগে প্রধান কার্যালয় থেকে পাঁচ কর্মকর্তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে আরও তদন্ত চলছে।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান মন্তব্য করেছেন যে, জামায়াতের মতো মোনাফেক দল সারা পৃথিবীতে সৃষ্টি হয়নি। তিনি বলেন, "সাপকে বিশ্বাস করা যায়, কিন্তু জামায়াতকে নয়।" তিনি সকলকে সাবধান থাকার আহ্বান জানান।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মহানগর বিএনপি আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। এই সমাবেশের আয়োজন করা হয় আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনের নাশকতা, নৈরাজ্য এবং আগুন সন্ত্রাসের প্রতিবাদে।
মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান আরও বলেন, "বিএনপিকে ক্ষমতায় রাখতে চাইলে, তারেক রহমানকে ক্ষমতায় রাখতে চাইলে দলীয় নেতাকর্মীদের চাঁদাবাজি, ধান্দাবাজি, ক্ষমতার দাপট দেখানো বন্ধ করতে হবে।"
তিনি উল্লেখ করেন, "আমাদের কিছু ভুল যে হয় নাই দুই বছরে তা না। আমরা দুই বছর কিছু ভুল করেছি, মনে মনে তওবা করেন।" তিনি বলেন, "তারেক রহমান জিয়াউর রহমানের ছেলে, বেগম খালেদা জিয়ার ছেলে মানুষের সঙ্গে কোনো দিন প্রতারণা করতে পারেন না।" তিনি বাংলাদেশকে সমৃদ্ধ করার জন্য জিয়াউর রহমানের আদর্শ বাস্তবায়নে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান। এছাড়া বক্তব্য দেন স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম আজাদ, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু, যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন, আনোয়ার হোসেন আনু প্রমুখ। এর আগে বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে মহানগর বিএনপির নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে এসে জড়ো হন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা জেলা প্রশাসক (ডিসি) ফরিদা খানম বোরকা পরে উত্তরখান ইউনিয়ন ভূমি অফিস পরিদর্শন করেছেন, যাতে সাধারণ মানুষের সেবা কেমন হচ্ছে এবং সেখানে কোনো হয়রানি বা অনিয়ম হচ্ছে কি না, তা দেখা যায়।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) তিনি পরিচয় গোপন রেখে সাধারণ সেবাগ্রহীতার মতো ভূমি অফিসে যান। এ সময় তিনি নিজেও সেবা গ্রহণ করেন এবং সেখানে উপস্থিত মানুষের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি জানতে চান, ভূমিসেবা নিতে গিয়ে তারা কোনো সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন কি না।
পরে ডিসি ফরিদা খানম ভূমি অফিসের সার্বিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন যাতে সাধারণ মানুষ দ্রুত এবং হয়রানিমুক্তভাবে ভূমিসেবা পেতে পারে।
প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, মাঠপর্যায়ে সেবার প্রকৃত চিত্র জানতে এ ধরনের সরেজমিন পরিদর্শন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ