মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:০৭ পি.এম
নওগাঁর বদলগাছীতে সরকারি অর্পিত (ভিপি) জমির দখল নিয়ে সংঘর্ষের ফলে এক যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় তৈরি হওয়া হত্যা মামলায় বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। মামলায় ১৫ জন আসামির মধ্যে রাসেল রানা নামে স্থানীয় এক সাংবাদিকের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হলেও বাদী নিজেই তাকে চেনেন না বলে জানিয়েছেন।
এ ঘটনায় জেলা ও উপজেলাজুড়ে কর্মরত সংবাদকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বদলগাছী উপজেলার বালুভরা ইউনিয়নের বারাতৈল গ্রামের খোর্দ্দ ভূবন মৌজায় অবস্থিত প্রায় ১৪ বিঘা সরকারি ভিপি জমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এতদিন ধরে ওই জমিতে লিজ নিয়ে ফসল ফলিয়ে আসছিলেন স্থানীয় কয়েকজন কৃষক। চলতি বছর নিহত মাসুদ রানা, তার বাবা আফজাল হোসেন ও ভাই রিফাত হোসেন উক্ত জমি লিজের জন্য আবেদন করেন। তবে এ বছর প্রশাসন কোনো পক্ষকেই লিজ প্রদান করেনি।
লিজ না পেলেও পুরোনো অভ্যাসে একপক্ষ জমিতে ফসল আবাদ করতে গেলে তা নষ্ট করার অভিযোগ ওঠে। এর জেরে গত ১০ সেপ্টেম্বর সকালে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০-১২ জন আহত হন। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত মাসুদ রানাকে (৩৫) রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে ১৫ সেপ্টেম্বর সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
মাসুদ রানার মৃত্যুর পর ১৬ সেপ্টেম্বর রাতে তার ছোট ভাই রিফাত হোসেন বাদী হয়ে বদলগাছী থানায় ১৫ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন। এই মামলায় ১৫ নম্বর আসামি করা হয় দৈনিক ‘টাইমস টুডে’র নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি রাসেল রানাকে।
তবে মামলার বাদী রিফাত হোসেনের বক্তব্যে উন্মোচিত হয়েছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। বাদী স্পষ্ট জানান, তিনি ১৫ নম্বর আসামিকে চেনেন না। সংঘর্ষের ঘটনা স্মরণ করে তিনি বলেন, "আমার সামনেই আমার ভাইকে রাজা, জাহাঙ্গীর, কুদ্দুস ও ফটিক নামে চারজন মিলে মারধর করেছে। আমি সাংবাদিক রাসেল রানাকে চিনিই না।"
মামলায় এই সাংবাদিকের নাম কীভাবে এলো জানতে চাইলে তিনি জানান, মামলা করার সময় তাদের সঙ্গে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও তার চাচা উপস্থিত ছিলেন। তবে কে এই নাম দিয়েছে, তা তার জানা নেই।
সাংবাদিক রাসেল রানার দাবি, সংঘর্ষের সময় তিনি ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে নিজ বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। তিনি বলেন, "বালুভরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আল এমরানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় সংবাদ প্রকাশ করায় প্রতিহিংসাবশত চেয়ারম্যানের নির্দেশে তাকেই এই হত্যা মামলায় জড়ানো হয়েছে।"
তবে এ অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত বালুভরা ইউপি চেয়ারম্যান আল এমরান। তিনি জানান, জমি সংক্রান্ত মারামারির বিষয়ে অবগত থাকলেও কে কাকে আসামি করেছে তা তিনি জানেন না। এমনকি বাদীর সঙ্গে থানায় যাওয়ার বিষয়টিও তিনি অস্বীকার করেন।
বিষয়টি নিয়ে বদলগাছী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ রুহুল আমিন জানান, সংঘর্ষে মৃত্যুর ঘটনায় হত্যা মামলা হয়েছে এবং আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।
তদন্তের বিষয়ে ওসি আরও জানান, মামলাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত চলাকালে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে ওই সাংবাদিকের কোনো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সংশ্লিষ্টতা পাওয়া না গেলে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) থেকে তার নাম বাদ দেওয়া হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একটি ফ্লাইটে ১০০টিরও বেশি সোনার বার পাওয়া গেছে।
বাংলাদেশ বিমানের বিজি-৫৮৫ ফ্লাইটে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় অভিযান পরিচালনা করে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর সোনার বারগুলো জব্দ করেছে।
বিপুল পরিমাণ সোনার উদ্ধার হওয়ায় বিমানবন্দরে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং তল্লাশি ও অভিযান এখনও অব্যাহত রয়েছে।
কাস্টমস গোয়েন্দা সূত্র জানায়, জব্দকৃত সোনার পরিমাণ, ওজন এবং আনুমানিক মূল্য নির্ধারণের কাজ চলছে। একইসঙ্গে চালানটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ ঘটনায় বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
অপারেশনের পর স্বামী স্ত্রীকে হাসপাতালে রেখে দুই মাসের সন্তানকে নিয়ে বাড়ি চলে গিয়েছিলেন। সন্তানকে কাছে না পেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন স্ত্রী। মায়ের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে শিশুটিও কাঁদতে থাকে। পরে হাসপাতাল থেকে খবর পেয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে তার বাবার মাধ্যমেই মায়ের কাছে পাঠানোর ব্যবস্থা করেছে দিরাই থানা পুলিশ।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মায়ের কাছে শিশুটিকে নিয়ে পৌঁছান বাবা মো. নিপুন মিয়া (৩০)। এর আগে ভোরে হাসপাতালের পুরাতন ভবনের চতুর্থ তলার ৫ নম্বর ওয়ার্ড থেকে শিশুটিকে নিয়ে বাড়ি চলে যান তিনি। পরে দুপুরে সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার দুর্গম ভাটিয়াগাঁও গ্রাম থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করেন দিরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম।
নিপুন মিয়ার বাড়ি দিরাই উপজেলার জগদল ইউনিয়নের ভাটিয়াগাঁও গ্রামে। প্রায় ১২ বছর আগে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার বানর এলাকার মোছা. বিনা বেগমের সঙ্গে পারিবারিকভাবে তার বিয়ে হয়। তাদের চার সন্তান রয়েছে। বড় মেয়ের বয়স ৮ বছর, দ্বিতীয় সন্তান ছেলের বয়স ৬ বছর, তৃতীয় সন্তান মেয়ের বয়স ৫ বছর। তারা বাড়িতে দাদা ও চাচা-চাচির কাছে রয়েছে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক মাস আগে বিনা বেগমের পিত্তনালীতে পাথর ধরা পড়ে। ২০ দিন আগে তাকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আটদিন আগে অস্ত্রোপচার করে পিত্তনালীর পাথর অপসারণ করা হয়। চিকিৎসার খরচ স্বামীর দেওয়ার কথা থাকলেও দিনমজুর জামাতার পাশে দাঁড়াতে বিনার মা মিনারা বেগম দেড় লাখ টাকার জমি বিক্রি করেন।
ওই টাকা নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। বিনার অভিযোগ, তার স্বামী শাশুড়ির জমি বিক্রির টাকা নিজের কাছে রাখতে চেয়েছিলেন। এ নিয়ে কলহের জেরে অসুস্থ স্ত্রীকে হাসপাতালে রেখেই দুই মাসের শিশু মো. আতিকুলকে নিয়ে বাড়ি চলে যান নিপুন মিয়া।
সন্তান ও স্বামীকে হাসপাতালে না পেয়ে বিষয়টি হাসপাতালের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশকে জানান বিনা বেগম। পরে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, সোমবার ভোর ৫টার দিকে শিশু আতিকুলকে নিয়ে হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন নিপুন মিয়া ও তার মা রাজিয়া বেগম।
পরে বিষয়টি দিরাই থানা পুলিশকে জানানো হয়। ওসি মো. আমিনুল ইসলাম দুর্গম ভাটিয়াগাঁও গ্রামে গিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে শিশুটিকে উদ্ধার করেন। পরে নিপুন মিয়াকে বুঝিয়ে তার মাধ্যমেই শিশুটিকে আবার মায়ের কাছে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।
বিনা বেগম বলেন, ২০ দিন ধরে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন তিনি। চিকিৎসার জন্য তার মা দেড় লাখ টাকার জমি বিক্রি করেছেন। আট দিন আগে তার অস্ত্রোপচার হয়েছে, এতে ৮০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। স্বামী ওই টাকা নিজের কাছে রাখতে চাওয়ায় তাদের মধ্যে বিরোধ হয়। এর জেরে স্বামী তাকে না জানিয়ে ভোরে দুধের শিশুকে নিয়ে বাড়ি চলে যান। সন্তানকে কাছে না পেয়ে বুকে দুধ জমে ব্যথা শুরু হয় তার।
তিনি আরও জানান, তার স্বামী দিনমজুর। প্রায়ই তাকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য ও মারধর করেন। এরপরও স্বামী-সন্তানের কথা ভেবে তিনি সংসার করে আসছেন।
নিপুন মিয়া বলেন, স্ত্রীর সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়েছিল। মাথা গরম থাকায় ছেলেকে নিয়ে বাড়িতে চলে এসেছিলেন। ওসি বাড়িতে যাওয়ার পর আবার ছেলেকে নিয়ে তার মায়ের কাছে যাচ্ছেন।
দিরাই থানার ওসি মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, স্বামী-স্ত্রীর কলহের জেরে অসুস্থ স্ত্রীকে হাসপাতালে রেখে দুই মাসের শিশুকে নিয়ে বাড়ি চলে গিয়েছিলেন ওই ব্যক্তি। হাসপাতাল থেকে খবর পাওয়ার পর তার বাড়ি থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করে বাবাকে বুঝিয়ে আবার মায়ের কাছে পাঠানো হয়েছে।
ওসি বলেন, এত ছোট শিশু মাকে ছাড়া থাকতে পারে না। হাসপাতাল থেকেও জানানো হয়েছিল, সন্তান কাছে না থাকায় মা কষ্ট পাচ্ছেন। খবর পাওয়ার পর দ্রুত নৌকায় করে দুর্গম এলাকায় গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) ছয় তলা বিশিষ্ট বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রহুল আমিন হল ও বিজয় ২৪ হলে লিফটের অভাবের কারণে আবাসিক শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামায় ক্লান্তি ও সময়ের অপচয়ে ভুগছেন। এ কারণে দ্রুত লিফট স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন হলের শিক্ষার্থীরা।
বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রহুল আমিন হল ও বিজয় ২৪ হলের লিফট না থাকার কারণে শিক্ষার্থীরা ভোগান্তিতে পড়েছেন। আবাসিক শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ছয় তলার এই হলগুলোতে ওঠা-নামা করা তাদের জন্য প্রতিদিন একটি মানসিক ও শারীরিক যন্ত্রণায় পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে গরমের সময় ক্লাস শেষে ৬ তলায় উঠতে গিয়ে তাদের অনেক কষ্ট হয়।
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা ডিসিপ্লিনের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মো: নাঈম বিশ্বাস বলেন, "একবার নিচে নামলে আর ৫ম তলায় উঠতে ইচ্ছা হয় না। অনেক জরুরী প্রয়োজন থাকলেও শুধু এই সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামতে হয় বলেই নামতে ইচ্ছা হয় না। প্রতিদিন আমাদের চরম ভোগান্তির মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে, আমরা খুব দ্রুতই হলে লিফটের ব্যবস্থা চাই।"
নগর ও গ্রামীণ পরিকল্পনা (URP) ডিসিপ্লিনের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী দেবার্গ সাহা জানান, "বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রহুল আমিন হলটি প্রথমে চার তলা বিশিষ্ট ছিল পরবর্তীতে এটি ৬য় তলা করা হয়। যখন ভবনটি ছয় তলা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তখনই প্রশাসনের উচিত ছিল লিফটের সঠিক ব্যবস্থা রাখা। দিনে ক্লাস, খাওয়া দাওয়া ও টিউশন মিলিয়ে অন্তত ৪-৫ বার সিঁড়ি দিয়ে ওঠা-নামা করতে হয়, যা অত্যন্ত কষ্টকর। পরিকল্পনার অভাবেই আজ লিফট নেই। আমরা হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা এখানে জরুরি ভিত্তিতে লিফটের প্রয়োজনীয়তা বোধ করছি।"
এ বিষয়ে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা ডিসিপ্লিনের ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী ও বিজয় ২৪ হলের আবাসিক শিক্ষার্থী সুইটি দে বলেন, "আমাদের বিজয়-২৪ হলের ভবন ছয় তলা হওয়ায় লিফট না থাকাটা প্রতিদিনই একটি বড় ভোগান্তির বিষয়। বিশেষ করে ওপরের তলায় যারা থাকি, তাদের বারবার সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা করতে হয়। ক্লাস বা বাইরে থেকে হলে ফিরে অনেক সময় ক্লান্ত অবস্থায় কয়েক তলা সিঁড়ি ভেঙে রুমে উঠতে হয়। আবার ভারী ব্যাগ, বাজারের জিনিস বা ল্যাগেজ নিয়ে ওঠার সময় সমস্যাটা আরও বেশি হয়। অসুস্থ থাকা অবস্থায় বা জরুরি প্রয়োজনে দ্রুত নিচে নামার দরকার হলেও তখন সিঁড়ি ছাড়া কোনো বিকল্প থাকে না। লিফট থাকলে শুধু আমাদের দৈনন্দিন ওঠানামার কষ্ট কম হতো না পাশাপাশি সময়ও বাঁচত এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত চলাচল করা সহজ হতো। ছয় তলা ভবনে এতগুলো শিক্ষার্থী থাকায় আমাদের জন্য লিফট এখন খুবই প্রয়োজন।"
বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রহুল আমিন হলের প্রোভোস্ট প্রফেসর ড. শফিকুল ইসলাম বলেন, "হলে অবশ্যই লিফটের প্রয়োজন রয়েছে। বিশেষ করে ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলায় যেসব শিক্ষার্থী থাকেন, এই তীব্র গরমে দুপুরে ক্লাস শেষ করে হলে ফেরার পর তাদের ওপরের উঠতে অনেক কষ্ট হয়। শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে আমরা খুব দ্রুতই হলে লিফটের ব্যবস্থা করার চেষ্টা করবো।"
এ বিষয়ে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. হারুনুর রশীদ খান মন্তব্য করেন, "৬য় তলা এই হলগুলো লিফট ছাড়া কীভাবে নির্মাণ করা হলো, এটাই সবচেয়ে চিন্তার বিষয়। তবে বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রহুল আমিন হল ও বিজয় ২৪ হলে নিঃসন্দেহে লিফট দরকার।"
তিনি আরও বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান যে নিজস্ব বাজেট রয়েছে, তা দিয়ে হলের লিফট স্থাপন করা সম্ভব নয়। তাই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে খুব দ্রুতই আমরা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সাথে কথা বলব এবং লিফট স্থাপনের জন্য নতুন বাজেট বরাদ্দ চাইব।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশের বেকারত্ব কমাতে কারিগরি ও প্রযুক্তি শিক্ষার প্রসারে অধিকতর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বঙ্গভবনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন-এর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এই আহ্বান জানান।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস নির্মাণের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান আরও উন্নত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এ সময় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) রাষ্ট্রপতিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক একাডেমিক কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, "বৈশ্বিক অগ্রযাত্রার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হলে শিক্ষার্থীদের একাধিক ভাষায় দক্ষতা অর্জন প্রয়োজন।" এ লক্ষ্যে তিনি তৃতীয় ভাষা শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য রাষ্ট্রপতিকে আসন্ন সমাবর্তন অনুষ্ঠানে আচার্য (চ্যান্সেলর) হিসেবে উপস্থিত থাকার জন্য আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন এবং সমাবর্তনে উপস্থিত থাকার আশ্বাস দেন।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সংশ্লিষ্ট সচিবগণ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ও ট্রেজারার উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ