মোঃ জাহিদ মিয়া পলাশ(নরসিংদী) প্রতিনিধি
বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৭:০০ পি.এম
নরসিংদীর সদর উপজেলার আলোকবালী ইউনিয়ন বিএনপির ৩৬ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। বুধবার সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবু সালেহ চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক মো. ইকবাল হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
নবগঠিত কমিটিতে আব্দুল কাইয়ুম সরকারকে আহ্বায়ক, মো. নায়েব আলী মেম্বারকে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এবং মো. জয়নাল আবেদীন সরকারকে সদস্য সচিব করা হয়েছে।
কমিটির যুগ্ম আহ্বায়করা হলেন— ডা. মো. কামরুজ্জামান কালু, মো. সাইদুর রহমান মোমেন, হাজী মোরশেদ মিয়া, হাজী আব্দুল মালেক মেম্বার, আব্দুর রশিদ মেম্বার, মিজান মিয়া, হাজী সামসু মিয়া, খলিলুর রহমান কমল, আব্দুল ওহাব মিয়া, আব্দুল হাফিজ মিয়া, আব্দুল মান্নান মেম্বার, খোকা মিয়া, রেজন মিয়া, শহীদ মিয়া, জব্বার মিয়া, আব্দুল কাদির মিয়া ও নাসির উদ্দিন।
সদস্যরা হলো, রুবেল আহম্মেদ, রমজান মেম্বার, বাদশা মিয়া, ফিরোজ মিয়া, হানিফ মিয়া, আবুল হোসেন, দুদুল তালুকদার, জিলু মিয়া, আব্দুল মান্নান মিয়া, শিতল মিয়া, হানিফ মিয়া, পিয়ারা বেগম, মিনা বেগম, সমিয়ারা বেগম, শাহানাজ পারভীন ও বিলকিস বেগম।
দীর্ঘদিন পর আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দেয়ায় উচ্ছাস্বিত তৃণমূল বিএনপির নেতাকর্মীরা।
আলোকবালী ইউনিয়ন বিএনপির নবনির্বাচিত আহ্বায়ক আব্দুল কাইয়ুম সরকার বলেন, নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা দেয়ায় আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, জেলা বিএনপির সভাপতি ও সদর আসনের সংসদ সদস্য খায়রুল কবির খোকন ও মহিলা সংসদ সদস্য এড শিরীন সুলতানার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। নতুন কমিটির মাধ্যমে আলোকবালী ইউনিয়নে বিএনপিকে আরও সুসংগঠিত করতে কাজ করা হবে। তৃণমূলের নেতাকর্মী ও ত্যাগীদের সঙ্গে নিয়ে সাংগঠনিক কার্যক্রমকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি এলাকায় শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
উগান্ডার বিরোধীদলীয় নেতা, কিজা বেসিগে, রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার শুনানির সময় আদালতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে অজ্ঞান হয়ে যান।
বেসিগে, যিনি ৭০ বছর বয়সী, ২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে কারাগারে রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ আনা হয়েছে, কিন্তু তিনি এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। গত মাসে তার প্রধান আইনজীবীকেও গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতের শুনানির সময়, বেসিগে রাষ্ট্র নিয়োজিত আইনজীবীর মাধ্যমে নিজের মামলা পরিচালনার বিরোধিতা করেন।
এ সময় হঠাৎ করে তিনি অসুস্থ হয়ে মাটিতে পড়ে যান। পরে কারারক্ষীরা তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান।
তার স্ত্রী জানিয়েছেন, বেসিগে কিছু সময় অচেতন ছিলেন। তিনি কথা বলতে পারছিলেন না এবং তার কোন ব্যথার প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছিলেন না।
কিজা বেসিগে দীর্ঘদিন ধরে প্রেসিডেন্ট ইয়োওয়েরি মুসেভেনির বিরোধিতা করে আসছেন। তিনি সম্পূর্ণরূপে চারবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে মুসেভেনির বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। ২০২৪ সালে তাকে কেনিয়া থেকে আটক করে উগান্ডায় ফিরিয়ে আনা হয়। এরপর থেকে তিনি ও তার সহযোগী, ওবেইদ লুতালে, কারাগারে রয়েছেন।
সরকারের অভিযোগ, তারা প্রেসিডেন্ট মুসেভেনির সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছিলেন। তবে বেসিগে ও লুতালে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। উগান্ডায় রাষ্ট্রদ্রোহের সর্বোচ্চ শাস্তি হলো মৃত্যুদণ্ড।
বেসিগের স্ত্রী জানিয়েছেন, শুরুতে তাকে চিকিৎসা করার অনুমতি দেওয়া হয়নি। পরে হাসপাতালে তার সঙ্গে দেখা করার অনুমতি দেওয়া হয়।
প্রথমে বেসিগেকে সরকারি মুলাগো ন্যাশনাল রেফারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে তিনি সেখানে চিকিৎসা নিতে অস্বীকৃতি জানান। পরবর্তীতে, তাকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তার চিকিৎসা চলছে। হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানো হয়েছে এবং সেখানে সশস্ত্র নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন রয়েছে।
এদিকে, বেসিগের প্রধান আইনজীবী এরিয়াস লুকওয়াগো গত মাসে সেনাবাহিনীর হাতে আটক হয়ে কারাগারে রয়েছেন। আরেক আইনজীবী, কেনিয়ার রাজনীতিবিদ মার্থা কারুয়াকে বেসিগের আইনি সহায়তার জন্য উগান্ডায় প্রবেশ করতে বাধা দেওয়া হয়েছে।
অসুস্থতার কারণে, বেসিগেকে মুক্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছে তার পরিবার, বিরোধী দল ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো। বুধবার (২৯ জুলাই), তার ছেলে অ্যাডাম আম্পা প্রেসিডেন্ট মুসেভেনি ও সেনাপ্রধান জেনারেল মুহুজি কাইনেরুগাবার কাছে মানবিক কারণে বাবাকে মুক্তি দেওয়ার আবেদন জানান।
আটকের পর এর আগেও কয়েকবার বেসিগেকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে আটক অবস্থায় অনশন করার পর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চলতি বছরের শুরুতেও তাকে অল্প সময়ের জন্য চিকিৎসা নিতে হয়েছিল।
বিরোধীদলীয় নেতা, ববি ওয়াইন, বলেছেন, গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় বেসিগেকে আদালতে হাজির করা তার মৌলিক অধিকারের লঙ্ঘন। কিজা বেসিগে একসময় প্রেসিডেন্ট মুসেভেনির ব্যক্তিগত চিকিৎসক ছিলেন। তবে ১৯৯৯ সালে তাদের সম্পর্কের অবনতি হলে তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় হন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তিনি তুলনামূলকভাবে কম সক্রিয় ছিলেন এবং ২০২১ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নেননি। সূত্র: রয়টার্স
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় ছাত্রশক্তির ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা কর্তৃক আয়োজিত আলোচনা সভায় সৃষ্ট হট্টগোলের ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছে, যা সংগঠনটির নেতারা জানিয়েছেন।
এর আগে, ২৬ জুলাই জাতীয় ছাত্রশক্তির দপ্তর সম্পাদক মাহফুজুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় শৃঙ্খলা কমিটি। কমিটিকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলেও এখনো চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন জমা পড়েনি।
সংগঠনের সূত্রে জানা গেছে, হবিগঞ্জ ও সিলেটে এনসিপি নেতাদের ওপর হামলার ঘটনায় সংগঠনের নেতাকর্মীরা ব্যস্ত থাকায় নির্ধারিত ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। বর্তমানে সরেজমিনে না গিয়ে ফোনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের (স্টেকহোল্ডারদের) সঙ্গে কথা বলে চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রস্তুতের কাজ অব্যাহত রয়েছে। পরবর্তী সিদ্ধান্তের পর বিস্তারিত জানানো হবে। ঘটনার দিনের পরিস্থিতির পূর্ণাঙ্গ তদন্তের লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি জাহিদ আহসান ও সাধারণ সম্পাদক আবু বাকের মজুমদারের অনুমোদনে গঠিত তিন সদস্যের কমিটিতে রয়েছেন হাসিব আল ইসলাম, মাহফুজুর রহমান ও শাবাব হোসেন মেহের।
ইবি শাখা ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক ফুয়াদ হাসান জানান, ঘটনার পরপরই প্রাথমিকভাবে সংশ্লিষ্টতা চিহ্নিত হওয়ায় এনসিপির এক নেতাকে শোকজ করা হয়েছে। তবে কেন্দ্র থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে কেউ আসেননি। এনসিপির শোকজ নোটিশের জবাব পাওয়ার পর হয়তো সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
প্রসঙ্গত, গত ২৬ জুলাই দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় আয়োজিত ‘বর্ষা বিপ্লবের স্মৃতিচারণ ও নতুন রাজনৈতিক ধারা বিনির্মাণ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় ছাত্রশক্তির নবগঠিত কমিটিকে কেন্দ্র করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা হট্টগোল সৃষ্টি করেন। এ সময় ইবি শাখা ছাত্রশক্তির নবগঠিত কমিটির আহ্বায়ক ফুয়াদ হাসানের সভাপতিত্বে ও সদস্যসচিব ইফতেহার উদ্দীনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেন। এর পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদ ও সারোয়ার তুষার এবং যুগ্ম মুখ্য সংগঠক ডা. মাহমুদা আলম মিতু। প্রধান বক্তা ছিলেন জাতীয় ছাত্রশক্তির সভাপতি জাহিদ আহসান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার শৈলজুড়া গ্রামে একই পরিবারের দুই ভাইয়ের, শ্রাবণ সরকার (৮) ও স্বরূপ সরকার (৬), মৃত্যু হয়েছে পানিতে ডুবে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে এই দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, দুপুরের সময়ে তারা বাড়ির পাশের মাঠে খেলা করছিলো। এ সময় তাদের খেলনার বল খালের মধ্যে পড়ে যায়। বলটি আনতে গিয়ে শ্রাবণ পানিতে ডুবে যায়। এরপর শ্রাবণকে বাঁচাতে গিয়ে স্বরূপও পানির গভীরে তলিয়ে যায়। স্থানীয় মানুষজন ঘটনাটি দেখে দ্রুত তাদের উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতালে দায়িত্বরত চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন। শায়েস্তাগঞ্জ থানার পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। শায়েস্তাগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ইরফান উদ্দিন গণমাধ্যমে বলেন, "খেলা করার সময়ে ফুটবল খালে পড়ে গেলে বল আনতে গিয়ে দুই ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে। বর্তমান তাদের মৃতদেহ বাড়িতে রাখা হয়েছে।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) প্রেমঘটিত একটি ঘটনার কেন্দ্রবিন্দুতে শিবির ও রাকসুসংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ ওঠেছে। লাইব্রেরিতে ঢুকে শিক্ষার্থীদের উপর হামলার প্রতিবাদে, এবং দোষীদের বিচারের দাবিতে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি পালন করলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষার্থী। এই কর্মসূচিতে সংহতি প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুর ১টা থেকে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি শুরু হয়। এটির আয়োজন করা হয়েছে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা এবং বিচার দাবি করার উদ্দেশ্যে।
জানা গেছে, গত ২৭ জুলাই রাকসু ভবনে হামলার ঘটনার পর, শিবির ও রাকসুসংশ্লিষ্টরা লাইব্রেরিতে ঢুকে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মারধর করেন। সেই হামলার প্রতিবাদে, মানববন্ধনের পাশাপাশি, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করা হচ্ছে। এই কর্মসূচি তিন দিনব্যাপী চলবে। কর্মসূচির শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর একটি স্মারকলিপি জমা দেওয়া হবে।
কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে সংহতি জানানোর সময়, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবির হাসান হিমেল মন্তব্য করেন, "আমরা বুধবার মানববন্ধনের পাশাপাশি আজ সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে এ গণস্বাক্ষর কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছি এবং শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে স্বাক্ষর সংগ্রহ করেছি, যা সরাসরি উপাচার্য বরাবর প্রদান করা হবে।"
তিনি আরও বলেন, "আগামী ২ আগস্ট আমাদের রাবি ক্যাম্পাসে রুহুল কবির রিজভী আসার কথা রয়েছে। ওই পরিস্থিতিতে এবারের হামলা ঘটানোর জন্য শিবির এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটাতে পারে।"
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, "রাকসুর কাজ হলো শিক্ষার্থীদের সেবায় নিয়োজিত থাকা। কিন্তু রাকসু নেতাকর্মীরা এই দায়িত্ব ভুলে শিবিরের সঙ্গে লাইব্রেরিতে হামলা চালিয়েছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করে। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা গতকাল মানববন্ধন করেছি এবং আজ সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি পালন করেছি। আমরা চাই, এ হামলায় জড়িত রাকসু ও শিবিরের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করুক।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ