ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কে-পপ তারকা ইজে শুরু করলেন নতুন অধ্যায়, বিয়ে সিউলে সম্পন্ন


কে-পপ তারকা ইজে শুরু করলেন নতুন অধ্যায়, বিয়ে সিউলে সম্পন্ন

বিশ্বজুড়ে পরিচিতি, অস্কারজয়ী গান এবং সংগীতের সাফল্যের পর, কে-পপ তারকা ইজে এবার ব্যক্তিজীবনে একটি নতুন অধ্যায় শুরু করেছেন।

দীর্ঘদিনের প্রেমিক স্যাম কিমের সঙ্গে তিনি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে গত ১৭ অক্টোবর তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে।

ইজে ‘কে-পপ ডেমন হান্টার্স’–এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক পরিচিতি অর্জন করেন। অ্যানিমেশন চলচ্চিত্রের ‘গোল্ডেন’ গানের জন্য অস্কার জয়ের পরও তিনি আলোচনায় ছিলেন। এবার বিয়ের খবর দিয়ে ভক্তদের মধ্যে নতুন করে আগ্রহ সৃষ্টি করেছেন এই তারকা।

আরও পড়ুন: চলচ্চিত্র বিভাগের প্রধান ড্যান লিনকে ছাটাই করল নেটফ্লিক্স

সংবাদমাধ্যম ভোগ-এর একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইজের বিয়ের স্থানটি তার কাছে বিশেষ স্মৃতিবিজড়িত। ছোটবেলায় যেখানে তার দাদা-দাদি থাকতেন, সেই জায়গাতেই বিয়ের অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। শৈশবের অনেকটা সময় তিনি সেখানে কাটিয়েছেন।

বাড়ির বাগানে ঘুরে বেড়ানো কিংবা পেছনের পাহাড়ে দাদুর সঙ্গে হাঁটাহাঁটির স্মৃতিও ওই স্থানটির সঙ্গে জড়িয়ে আছে। এজন্য এমন একটি জায়গা বিয়ের জন্য বেছে নেওয়া তার কাছে আবেগের বিষয় ছিল।

বিয়ের সাজেও কোরীয় ঐতিহ্যকে প্রাধান্য দিয়েছেন ইজে ও স্যাম কিম। দুজনেই পরেছিলেন কোরিয়ার ঐতিহ্যবাহী বিয়ের পোশাক ‘হানবক’। কনের সাজে ইজের পরনে ছিল সবুজ ও সোনালি রঙের সূক্ষ্ম কারুকাজ করা হানবক, যার সঙ্গে ছিল গাঢ় লাল রঙের দীর্ঘ ও ঘেরওয়ালা স্কার্ট।

পোশাকটির উপরের অংশটি ‘ডাঙ্গুই’ নামে পরিচিত, যা ঐতিহ্যবাহী জ্যাকেটধর্মী পোশাক। অন্যদিকে, নিচের দীর্ঘ স্কার্টটির নাম ‘চিমা’। ঐতিহ্যবাহী পোশাকের রং ও নকশায় বিয়ের সাজে ফুটে উঠেছিল কোরীয় সংস্কৃতির স্বতন্ত্র সৌন্দর্য।

আরও পড়ুন: ‘হাজার বছর ধরে’র অভিনেত্রী টুনি বয়স কম দেখানোর গোপন কারণ জানালেন

আন্তর্জাতিক সংগীতাঙ্গনে সাফল্যের মধ্যেই ইজের জীবনে যুক্ত হলো নতুন এক অধ্যায়। শৈশবের স্মৃতিবিজড়িত স্থানে ঐতিহ্যবাহী সাজে বিয়ে—সব মিলিয়ে তার বিশেষ দিনটি হয়ে উঠেছে ব্যক্তিগত আবেগ ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক অনন্য মেলবন্ধন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুশাররাত জেবীনের মানবিকতার গল্পে কোকোর মরদেহ ফেরানোর উদ্যোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৫২ পি.এম


মুশাররাত জেবীনের মানবিকতার গল্পে কোকোর মরদেহ ফেরানোর উদ্যোগ

‘ম্যাডাম, আপনার এই সহযোগিতার কথা আমরা মনে রাখব। আমাদের চেয়ারপারসনও মনে রাখবেন।’ এই কথাগুলো মালয়েশিয়া বিএনপির কিছু নেতার মুখ থেকে বেরিয়েছিল। তাদের কৃতজ্ঞতার জবাব মুশাররাত জেবীনের কাছে এসেছিল মাত্র তিনটি শব্দে–‘এটা আমার দায়িত্ব।’

ঘটনাটি ঘটে ২০১৫ সালের ২৫ জানুয়ারি। রবিবার, মালয়েশিয়ায় সাপ্তাহিক ছুটির দিন। ছুটির দিনেও কুয়ালালামপুরের আকাশে ছড়িয়ে পড়ে বিষণ্নতা, প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটিতে হৃদয়বিদারক খবর আসে—বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো আর নেই।

আরো পড়ুন

ঢাকা বোর্ডে এসএসসিতে বৃত্তিপ্রাপ্তদের তালিকা প্রকাশ।

এক দিন আগে কোকো তার বাসায় বুকে ব্যথা অনুভব করেন। পরে অ্যাম্বুলেন্সে মালয়েশিয়ার একটি হাসপাতালে নেওয়ার পর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা যান। তখন তার বয়স ছিল মাত্র ৪৫ বছর। কোকোর মৃত্যুর খবরটি ছড়িয়ে পড়ার পর মালয়েশিয়া বিএনপির নেতাকর্মীরা মরদেহ দ্রুত দেশে পাঠানোর উদ্যোগ নেন। কিন্তু প্রথম বাধা ছিল—সেদিন সরকারি ছুটি। বাংলাদেশ হাইকমিশন বন্ধ ছিল, গেটে ঝুলছিল তালা। স্বাভাবিক নিয়মে পরবর্তী কর্মদিবস পর্যন্ত অপেক্ষা করলে মরদেহ দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া পিছিয়ে যেতে পারত। শোকাহত বিএনপি নেতাকর্মীরা তখন মালয়েশিয়াস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনের তৎকালীন প্রথম সচিব (শ্রম) মুশাররাত জেবীনের কাছে ছুটে যান।

বিষয়টির গুরুত্ব বুঝতে পেরে তিনি তৎক্ষণাৎ বাংলাদেশ হাইকমিশনারের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করেন। হাইকমিশনার তখন কুয়ালালামপুরের বাইরে অবস্থান করছিলেন। হেড অব চ্যান্সারি রইস হাসান সারওয়ারের সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে সেখান থেকেও সুস্পষ্ট কোনো নির্দেশনা পাওয়া যায়নি। ‘যা ভালো মনে হয় তা-ই করুন’ বলা হয় তাকে। মুশাররাত জেবীনের সামনে তখন একটি কঠিন বাস্তবতা ছিল।

আরো পড়ুন

দ্রুততম ফিফটির রেকর্ড গড়লেন জাওয়াদ

ছুটির দিনে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া হাইকমিশনের তালা খুলে দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া কতটা কঠিন, তা সেদিনই বুঝেছিলেন ২০তম ব্যাচের প্রশাসন ক্যাডারের এই নারী কর্মকর্তা। তার সামনে তখন দুটি পথ খোলা ছিল—এক, পরবর্তী কর্মদিবস পর্যন্ত অপেক্ষা করা, অথবা পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় নিজের দায়িত্ববোধ থেকে জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া।

একদিকে সরকারি বিধিবিধান, অন্যদিকে দেশে অপেক্ষমাণ একটি শোকাহত পরিবার ও দলীয় নেতাকর্মীরা। সেই পরিবারের একজন মা, তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, তার সন্তানের মৃত্যুশোকে মুহ্যমান। ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে খালেদা জিয়া তখন গুলশানের কার্যালয়ে অবস্থান করছিলেন এবং বিএনপির ডাকা অবরোধ কর্মসূচির নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন। এমন এক কঠিন সময়ে মুশাররাত জেবীন চাকরির বিধিবিধানের কথা না ভেবেই নিজের দায়িত্ববোধের পথটি বেছে নেন। তিনি কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের জন্য অপেক্ষা করেননি।

আরো পড়ুন

সতর্ক বিএনপির নেতাকর্মীরা

সকাল আনুমানিক ১০টা। দুজন স্টাফকে সঙ্গে নিয়ে তিনি নিজেই গাড়ি চালিয়ে হাইকমিশনে পৌঁছান। ছুটির দিনে ফোন করে অফিসের কক্ষ খোলার ব্যবস্থা করা হয়। এরপর শুরু হয় মরদেহ দেশে পাঠানোর প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা। ক্যাসকেড কম্পানির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও হাসপাতালের রিলিজ লেটার দ্রুত নিয়ে আসতে বলা হয়। একে একে সংগ্রহ করা হয় প্রয়োজনীয় নথি। তিনি নিজেই কম্পিউটারের সামনে বসে পড়েন। সম্পন্ন হয় মরদেহ দেশে পাঠানোর প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা। খুলে যায় কোকোর মরদেহ দেশে পাঠানোর জটিল প্রক্রিয়া। শোকার্ত নেতাকর্মীদের মধ্যে ফিরে আসে স্বস্তি।

তারা কৃতজ্ঞতা জানান মুশাররাত জেবীনকে। নেতাকর্মীরা তখন এই কর্মকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, ‘ম্যাডাম, আপনার এই সহযোগিতার কথা আমরা মনে রাখব। আমাদের চেয়ারপারসনও মনে রাখবেন।’ পরবর্তীতে তারা জানান, চেয়ারপারসন আপনাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। মুশাররাত জেবীনের উত্তর ছিল একটাই—‘এটা আমার দায়িত্ব।’

আরো পড়ুন

ইনফ্লুয়েন্সারের আত্মহনন, টেক সিইওকে দুষলেন বাবা।

মালয়েশিয়া বিএনপির তৎকালীন নেতা মোশাররফ হোসেন সেদিনের ঘটনা স্মরণ করে বলেন, আরাফাত রহমান কোকোর মরদেহ দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়ায় হাইকমিশনের ঊর্ধ্বতন পর্যায় থেকে তাৎক্ষণিক সহযোগিতা পাওয়া যায়নি। এমন পরিস্থিতিতে এগিয়ে আসেন তৎকালীন প্রথম সচিব (শ্রম) মুশাররাত জেবীন। ছুটির দিন, বন্ধ হাইকমিশন—কোনো কিছুই তার দায়িত্ববোধের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। প্রয়োজনীয় অনুমতির অপেক্ষা না করে তিনি বন্ধ হাইকমিশনের তালা খুলে মরদেহ দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেন। তার এই তাৎক্ষণিক উদ্যোগের ফলে দ্রুত মরদেহ দেশে পাঠানো সম্ভব হয়েছিল।

তিনি আরো জানান, মুশাররাত জেবীনের এই মানবিক ও দায়িত্বশীল ভূমিকার জন্য তৎকালীন বিএনপির চেয়ারপারসন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া তাকে ধন্যবাদ জানিয়েছিলেন।

আরো পড়ুন

কৈলাশে স্বামীগৃহে ফিরবেন দেবী দুর্গা

মৃত্যুর পর একজন মানুষের রাজনৈতিক পরিচয় কিংবা সামাজিক অবস্থান নয়, সবার আগে সামনে আসে তার পরিবার, তার স্বজনদের শোক এবং শেষ বিদায়ের অধিকার। মুশাররাত জেবীনের কাছে সেদিন কাজটি হয়তো ছিল একটি সরকারি দায়িত্ব। কিন্তু সেই দায়িত্ব পালনের ঘটনাটিই তাকে মানবিক করে তুলেছিল।

কোকোর মরদেহ পরবর্তীতে দেশে আসে। ঢাকায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে জানাজা শেষে বনানী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। হাজার হাজার মানুষ শেষ বিদায় জানাতে এসেছিল।

কোকোর মরদেহ দেশে ফেরানোর সেই ঘটনা মুশাররাত জেবীনের কর্মজীবনের একটি স্মরণীয় অধ্যায় হয়ে থাকলেও তার পেশাগত জীবনের পথটি ছিল অনেকটাই ভিন্ন। প্রশাসন ক্যাডারের এই মেধাবী কর্মকর্তা বর্তমানে যুগ্ম সচিব। চাকরিজীবনে তিনি ফেনী জেলায় এসি ল্যান্ডসহ বিভিন্ন দপ্তর ও প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালন করেছেন। মালয়েশিয়া থেকে দেশে ফেরার পর খাদ্য অধিদপ্তর, আইসিটি দপ্তর, ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড, প্রত্যাগত অভিবাসী কর্মীদের পুনঃএকত্রীকরণ-সংক্রান্ত প্রকল্প এবং বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)-এর মহাব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করেছেন। বর্তমানে তিনি ট্যারিফ কমিশনের সদস্য হিসেবে কর্মরত আছেন।

এই ঘটনা স্মরণ করিয়ে দেয় যে সরকারি দায়িত্ব কখনো কখনো শুধু বিধিবিধানের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। মানবিকতা ও সময়ের তাগিদও সেখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

কিন্তু কোকোর লাশ ফেরত আনার বিষয়ে ভূমিকা রাখায় মুশাররাত জেবীনের পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত হতে হয় দীর্ঘদিন। বিগত সরকারের সময়ে তাকে নানা হয়রানির শিকার হতে হয়।

আরাফাত রহমান কোকো (জন্ম ১২ আগস্ট ১৯৬৯) ছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র এবং তারেক রহমানের ছোট ভাই। রাজনৈতিক পরিবারে জন্ম নিলেও তিনি সক্রিয় রাজনীতিতে যাননি। তার আগ্রহ ছিল ক্রীড়া, বিশেষ করে ক্রিকেট। ২০০২ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি দেশের ক্রিকেটের অবকাঠামো উন্নয়ন, যুব পর্যায়ের ক্রিকেট সম্প্রসারণ এবং পেশাদারি বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। অনেকের মতে, তিনি আধুনিক বাংলাদেশ ক্রিকেটের এক নীরব স্থপতি ছিলেন।

তবে ২০০৭ সালের সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে তিনি দুর্নীতি ও অর্থপাচারের অভিযোগে গ্রেপ্তার হন। পরে জামিনে মুক্তি পেয়ে চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ড যান এবং সেখান থেকে মালয়েশিয়ায় স্থায়ীভাবে অবস্থান শুরু করেন। ২০১১ সালে অনুপস্থিতিতেই তাকে ছয় বছরের কারাদণ্ড ও জরিমানা করা হয়। এরপর তিনি আর দেশে ফিরে আসেননি। স্ত্রী শর্মিলা রহমান এবং দুই কন্যা জাহিয়া ও জাফিয়ার সঙ্গে কুয়ালালামপুরে থাকতেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুনামগঞ্জে দুর্গাপূজায় তিন ধর্মের মানুষের মিলন মেলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৫৩ পি.এম


সুনামগঞ্জে দুর্গাপূজায় তিন ধর্মের মানুষের মিলন মেলা

সুনামগঞ্জ, ২১ অক্টোবর, ২০২৬ : মেঘ পাহাড়ের দেশ সুনামগঞ্জ জেলা। এই জেলায় সম্প্রীতির বন্ধন দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত রয়েছে। দুর্গাপূজা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য প্রধান উৎসব হিসেবে পরিচিত।

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার রঙ্গারচর ইউনিয়নের হাসাউড়া গ্রামে গতকাল মঙ্গলবার শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে হিন্দু, মুসলিম ও খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের মিলন মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

হাসাউড়া সার্বজনীন দেব মন্দিরে দুর্গাপূজার নবমী তিথিতে সুনামগঞ্জ সদর পিস ফ্যাসিলিটেটর গ্রুপ (পিএফজি) একটি অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এই সম্প্রীতি সমাবেশে একত্রিত হন হিন্দু, মুসলিম ও খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা।

ধর্মীয় ভিন্নতা ভুলে তিন ধর্মের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পূজামণ্ডপটি পরিণত হয় সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও মানবিক বন্ধনের মিলন মেলায়। গতকাল মঙ্গলবার রাত ৮টায় হাসাউড়া সার্বজনীন দেব মন্দির পূজা কমিটির উদ্যোগে এবং পিএফজি’র সহযোগিতায় হাসাউড়া গ্রামে এই মিলন মেলা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পূজা কমিটির সভাপতি মিলন তালুকদার। সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন পিএফজি সদস্য ও পূজা কমিটির সাধারণ সম্পাদক কর্ণবাবু দাস। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন ‘দ্য হাঙ্গার প্রজেক্ট’ বাংলাদেশের কুদরত পাশা।

এছাড়া অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রঙ্গারচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হাই, সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কালাম, পিস অ্যাম্বাসেডর মাহবুবুল হাসান শাহীন ও সালেহিন চৌধুরী শুভ, পিএফজি সদস্য আবুল হোসেন, নুরুল হাসান তাহের, সেলিনা আবেদীন, রিনা আক্তার, গারো সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি প্রহর আড়েং, হাসাউড়া সার্বজনীন দেবমন্দির পূজা কমিটির সাবেক সভাপতি হারাধন নন্দী ও প্রফুল্ল পাল।

বক্তারা অনুষ্ঠানে উল্লেখ করেন, মিলন মেলায় স্থানীয় জনগণের পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহাবস্থান গুরুত্ব পেয়েছে। তিন ধর্মের মানুষের অংশগ্রহণে উৎসবের আনন্দ আরও অর্থবহ হয়ে উঠেছে।

বাংলাদেশের গ্রামীণ সমাজে বিভিন্ন ধর্মের মানুষের পাশাপাশি বসবাস এবং সুখে-দুঃখে একে অপরের পাশে দাঁড়ানোর ঐতিহ্য দীর্ঘকাল ধরে বিদ্যমান।

নতুন প্রজন্মের জন্য শিক্ষণীয় দৃষ্টান্ত :

ধর্মীয় সহনশীলতা ও পারস্পরিক সম্মান শান্তিপূর্ণ সমাজের অন্যতম ভিত্তি। হাসাউড়ার দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই মিলনমেলা নতুন প্রজন্মের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে।

হাসাউড়ার এই দৃষ্টান্ত হোক অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি, যেখানে ধর্মীয় ভিন্নতা বিভেদের কারণ নয়, বরং পারস্পরিক সম্মান ও সহাবস্থানের শক্তি।

উল্লেখ্য, ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ধর্মের মানুষের উপস্থিতি সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে ওঠে।

অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল খ্রিস্টান শিশু-কিশোরদের পরিবেশনায় প্রাচীন গারো নৃত্য। ঐতিহ্যবাহী এই নৃত্য দেখতে পূজামণ্ডপে মানুষের ভিড় জমে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিসি-কমিশনারদের কার্যালয়ে সৌরবিদ্যুৎ সক্ষমতা ৫ মেগাওয়াটের বেশি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৫৪ পি.এম


ডিসি-কমিশনারদের কার্যালয়ে সৌরবিদ্যুৎ সক্ষমতা ৫ মেগাওয়াটের বেশি

দেশের বিভিন্ন জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে ছাদে স্থাপিত সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার উৎপাদন সক্ষমতা পাঁচ মেগাওয়াটের বেশি হয়ে গেছে। যদি এসব ব্যবস্থা সম্পূর্ণ কার্যকর করা হয়, তবে সরকারি কার্যালয়ের বিদ্যুৎ বিল সাশ্রয় হবে এবং জাতীয় গ্রিডের ওপর চাপও কমবে। তবে, নেট মিটারিং ব্যবস্থা চালু না হওয়ায় উৎপাদিত অতিরিক্ত বিদ্যুতের বিপরীতে বিল সমন্বয়ের সুবিধা এখনো পুরোপুরি পাওয়া যাচ্ছে না।

সরকারি প্রতিষ্ঠানের ভবনের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ কর্মসূচির অগ্রগতি প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুন মাসের শেষ পর্যন্ত জেলা প্রশাসকের কার্যালয়গুলোতে স্থাপিত সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার সক্ষমতা চার হাজার ৬৬৩ কিলোওয়াট। অন্যদিকে, পাঁচটি বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে এ সক্ষমতা ৪০৫ দশমিক ৫ কিলোওয়াট। সব মিলিয়ে উৎপাদন সক্ষমতা পাঁচ হাজার ৬৮ দশমিক ৫ কিলোওয়াট বা প্রায় ৫ দশমিক ০৭ মেগাওয়াট। এ কর্মসূচিতে সরকারি ব্যয় হয়েছে প্রায় ১৫ কোটি ১৪ লাখ ৮৬ হাজার টাকা।

আরো পড়ুন

ঢাকা বোর্ডে এসএসসিতে বৃত্তিপ্রাপ্তদের তালিকা প্রকাশ

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সরকারি কার্যালয়গুলোর ছাদে সৌরবিদ্যুৎব্যবস্থা স্থাপন করা হলেও নেট মিটারিংয়ের অনুমোদনসহ কিছু প্রক্রিয়া এখনো চলমান রয়েছে। নেট মিটারিং চালু হলে উৎপাদিত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হবে এবং বিদ্যুৎ বিল সমন্বয়ের সুযোগও তৈরি হবে।

শরীয়তপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ২৪ কিলোওয়াট সক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ওজোপাডিকো) তথ্য অনুযায়ী, কার্যালয়টির মাসিক বিদ্যুৎ চাহিদা প্রায় পাঁচ হাজার ইউনিট। সৌরবিদ্যুৎব্যবস্থা চালুর পর প্রতি মাসে প্রায় ৮০০ ইউনিট বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। তবে, নেট মিটারিংয়ের আবেদন প্রক্রিয়াধীন থাকায় অতিরিক্ত বিদ্যুতের বিপরীতে বিল সমন্বয় শুরু হয়নি।

আরো পড়ুন

নেপথ্যে মুশাররাত জেবীনের মানবিকতার গল্প

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঢাকা বিভাগের টাঙ্গাইল, মাদারীপুর, নরসিংদী ও নারায়ণগঞ্জে দরপত্র আহ্বান করা হলেও সৌরবিদ্যুৎব্যবস্থা স্থাপন করা সম্ভব হয়নি। খুলনার চুয়াডাঙ্গায় বরাদ্দের তুলনায় দরপত্রের প্রস্তাবিত মূল্য বেশি হওয়ায় কাজ এগোয়নি। ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় ভাড়া ভবনে পরিচালিত হওয়ায় সেখানে সৌরবিদ্যুৎব্যবস্থা স্থাপন করা সম্ভব হয়নি।

ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি ইকোনমিকস অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল অ্যানালাইসিসের (আইইইএফএ) লিড অ্যানালিস্ট শফিকুল আলম মন্তব্য করেন, এ সৌরবিদ্যুৎ সক্ষমতা জাতীয় পর্যায়ে খুব বড় অবদান না রাখলেও কার্যকর ব্যবহার অন্যান্য সরকারি-বেসরকারি ভবনে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে দৃষ্টান্ত হতে পারে। তিনি নেট মিটারিংয়ে দীর্ঘসূত্রতা কমানো এবং সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন ও সংযোগ কার্যক্রম সমন্বিতভাবে এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন।

আরো পড়ুন

ঋণের কিস্তির চাপে নিঃস্ব হচ্ছে অনেক পরিবার

নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র ২০২৬-২০৩০ অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন সক্ষমতা অর্জনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে পাঁচ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট আসার কথা ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ থেকে।

টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (স্রেডা) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানির মোট উৎপাদন সক্ষমতা এক হাজার ৯৩৫ মেগাওয়াট। এর মধ্যে সৌরবিদ্যুতের সক্ষমতা এক হাজার ৬৪২ মেগাওয়াট।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাতারের সতর্কতা, ইরানের হামলার শঙ্কায় বিভিন্ন দেশে ইন্টারনেট বিপর্যয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৫৫ পি.এম


কাতারের সতর্কতা, ইরানের হামলার শঙ্কায় বিভিন্ন দেশে ইন্টারনেট বিপর্যয়

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) হরমুজ প্রণালির তলদেশে অবস্থিত সমুদ্রের নিচের যোগাযোগ ক্যাবলকে নতুন লক্ষ্যবস্তু হিসেবে উল্লেখ করার হুমকি দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই হুমকি আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট যোগাযোগে বিঘ্ন ঘটানোর আশঙ্কা সৃষ্টি করেছে। কাতার সতর্ক করে বলেছে যে, যদি এসব ক্যাবলে হামলা হয়, তাহলে ইরানসহ উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের তুলনায় বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। দোহা একই সঙ্গে সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে এবং উত্তেজনা কমানোর ওপর জোর দিয়েছে।

সউদী গেজেটের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে, সোমবার (১৯ অক্টোবর) আইআরজিসির মুখপাত্র হোসেইন মোহেব্বি সাতটি প্রধান ডেটা যোগাযোগ ক্যাবলের কথা উল্লেখ করেন, যা হরমুজ প্রণালির তলদেশ দিয়ে চলে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি জানায়, তেহরানের স্যাক্রেড ডিফেন্স জাদুঘরে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ বিষয়ে আলোচনা করেন।

মোহেব্বি বলেন, "আমরা শুধু তাদের জানাতে চাই, নতুন লক্ষ্যবস্তু প্রকাশ করা হবে। নতুন অস্ত্রেরও আত্মপ্রকাশ ঘটবে।" তিনি আরও জানান, ইরান অঞ্চল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের অবশিষ্ট প্রভাব দূর করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে ক্যাবলগুলোতে হামলার নির্দিষ্ট সময় বা পদ্ধতি সম্পর্কে তিনি কিছু জানাননি।

গত মার্চের শুরুতে ড্রোন হামলায় সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনে অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেসের অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এতে অবকাঠামোগত ক্ষতির পাশাপাশি বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটে এবং ক্লাউড সেবায় সমস্যা দেখা দেয়। নতুন হুমকির পর গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়ে গেছে।

টেলিযোগাযোগ খাতের তথ্য বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান টেলিজিওগ্রাফির তথ্য অনুযায়ী, ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যে ডেটা পরিবহনে লোহিত সাগরের তলদেশ দিয়ে যাওয়া সাবমেরিন ফাইবার-অপটিক ক্যাবল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সমুদ্রের তলদেশে স্থাপিত এসব ক্যাবলের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট যোগাযোগ, আর্থিক লেনদেন এবং বিভিন্ন ডিজিটাল সেবা পরিচালিত হয়। ফলে গুরুত্বপূর্ণ ক্যাবলে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটলে একাধিক দেশের যোগাযোগব্যবস্থা ও অনলাইন সেবা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে দেশটির গণমাধ্যম ও যোগাযোগ বিভাগের পরিচালক ইব্রাহিম আল-হাশমি বলেন, হরমুজ প্রণালির তলদেশে থাকা ইন্টারনেট ক্যাবলের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে ইরানসহ এ অঞ্চলের দেশগুলোই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

তিনি বলেন, "ইরানের পক্ষের কেউ যদি পরিস্থিতি নিয়ে সৎভাবে চিন্তা করেন, তাহলে তাঁর প্রশ্ন করা উচিত, ‘সবচেয়ে বড় ক্ষতিগ্রস্ত কে?’" আল-হাশমির মতে, এ ধরনের ক্ষয়ক্ষতির প্রভাব আঞ্চলিক দেশগুলোর ওপরই বেশি পড়তে পারে।

কাতার আরও সতর্ক করেছে যে, হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে উত্তেজনা বাড়লে শুধু যোগাযোগব্যবস্থা নয়, পানির নিরাপত্তাও হুমকির মুখে পড়তে পারে। এ অঞ্চলের দেশগুলো সেচ, লবণ উৎপাদন ও মৎস্য আহরণের মতো কর্মকাণ্ডে প্রণালির পানির ওপর নির্ভরশীল। তাই জলপথটিকে লক্ষ্য করে হামলা ও হুমকি বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে দোহা।

এর আগে ইরানের নিরাপত্তা কর্মকর্তা মোহসেন রেজায়ি সতর্ক করেছিলেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন করে যুদ্ধ শুরু হলে এ অঞ্চলের ইন্টারনেট ক্যাবল, ডেটা সেন্টার ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক অবকাঠামো সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হতে পারে। এসব অবকাঠামোতে হামলা হলে আন্তর্জাতিক ডিজিটাল সেবা ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

কাতার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানের ওপর জোর দিয়েছে। দেশটির মতে, সামরিক উত্তেজনা বাড়তে থাকলে আঞ্চলিক নিরাপত্তার পাশাপাশি বিশ্ব অর্থনীতি ও জ্বালানি সরবরাহেও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তবে হরমুজ প্রণালির ক্যাবলে হামলা হলে বিভিন্ন দেশে ইন্টারনেট সেবা কতটা ব্যাহত হবে, তা নির্ভর করবে ক্ষতিগ্রস্ত ক্যাবলের সংখ্যা, বিকল্প সংযোগের সক্ষমতা এবং মেরামতের সময়ের ওপর।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%