০৩:৫০ এম
খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার ২ নম্বর চেঙ্গী ইউনিয়নের মধুমঙ্গলপাড়ায় আঞ্চলিক সংগঠন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ-প্রসীত) ও জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) মধ্যে সংঘটিত গোলাগুলির ফলে তিনজন নিহত হওয়ার খবর জানিয়েছে পুলিশ। সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।
পানছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফেরদৌস ওয়াহিদ তিনজন নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করে জানান, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি শুরু হয়, এবং এতে ঘটনাস্থলেই তিনজন প্রাণ হারান।
ওসি বলেছেন, নিহতদের পরিচয় এখনো নির্ধারণ করা যায়নি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে খবর পেয়ে। মরদেহ উদ্ধার এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার পর এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।
আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক মাস ধরে পানছড়ি এলাকায় পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (সন্তু গ্রুপ) ও ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (প্রসীত গ্রুপ)-এর মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে থেমে থেমে সংঘর্ষ সম্পর্ক প্রভাব ফেলছে।
গোলাগুলির পূর্বে, গত ২৪ জুন খাগড়াছড়ির দীঘিনালা ও রামগড় উপজেলার পৃথক দুটি স্থানে সংঘটিত গোলাগুলির ঘটনায় ইউপিডিএফ (প্রসীত)-এর দুটি সদস্য প্রাণ হারান। রামগড় উপজেলার প্রেমতলা এলাকায় নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে সংঘটিত গোলাগুলিতে ববিন ত্রিপুরা (৩২) নিহত হন এবং একই ঘটনায় মংসানু মারমা ওরফে জীবন (২৯) আহত হন বলে দাবি করে ইউপিডিএফ। ওই সময় ঘটনাস্থল থেকে নিরাপত্তাবাহিনী একটি একে-৪৭ রাইফেল উদ্ধার করে।
একই দিন দীঘিনালা উপজেলার বাবুছড়া ইউনিয়নের মুড়োপাড়া এলাকায় গুলিতে ইউপিডিএফ সদস্য সুজন চাকমা (৪৮) নিহত হন। ইউপিডিএফ সংগঠনটি ঘটনার জন্য জনসংহতি সমিতিকে দায়ী করে। তাদের দাবি, জেএসএসের সশস্ত্র সদস্যরা তাদের কর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে ছিল।
চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে পার্বত্য অঞ্চলে সংঘর্ষ, সশস্ত্র তৎপরতা ও আধিপত্যের দ্বন্দ্বে অন্তত তিনজন নিহত এবং কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনা সংঘটিত হয়েছে।
আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন