ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

প্রকাশের পরই আলোচনায় হৃদির পরিচালনায় সঞ্জয়ের মিউজিক ভিডিও


প্রকাশের পরই আলোচনায় হৃদির পরিচালনায় সঞ্জয়ের মিউজিক ভিডিও

চলতি ফিফা বিশ্বকাপে বাংলাদেশের জন্য গৌরব বয়ে এনেছেন সঞ্জয় দেব। সিলেটের এই তরুণ, যিনি আমেরিকায় বেড়ে ওঠা, বিশ্বকাপ ফুটবলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মতো বিশাল মঞ্চে বাংলাদেশের ঐতিহ্য তুলে ধরেছেন। নোরা ফাতেহির সঙ্গে তার গান 'সির সির' দারুণ সাড়া ফেলেছে।

এই উন্মাদনার মধ্যেই, সঞ্জয়ের নতুন মিউজিক ভিডিও 'কার জন্য করিলা মায়া' প্রকাশিত হয়েছে বাংলাদেশের কাইনেটিক মিউজিকের ইউটিউব চ্যানেলে। সাধারণ মিউজিক ভিডিওর ধারার বাইরে গিয়ে এটি পরিচালনা করেছেন বর্তমানের জনপ্রিয় নৃত্যশিল্পী হৃদি শেখ। এছাড়া, ড্যান্স কোরিওগ্রাফিও তিনি করেছেন। হৃদির সঙ্গে পরিচালনায় অংশ নিয়েছেন রিয়াজ ও মাক্কি।

সঞ্জয়, জুয়েল মোর্শেদ ও রিয়াজ আলীর কথার গানটির সঙ্গীতায়োজন করেছেন সঞ্জয় দেব। গানটি গেয়েছেন লোকশিল্পী মাখন এবং মডেল হয়েছেন সানজিদা জাহান পুষ্প। গানটির প্রকাশের দুই দিনের মধ্যেই লোক সুরের গানটি দর্শকের মন কাড়তে সক্ষম হয়েছে। ভিউ ও মন্তব্যের দিক থেকে গানটি ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

হৃদি শেখ জানিয়েছেন, 'এতদিন আমি নাচের সঙ্গেই যুক্ত ছিলাম। তবে আমি ক্রিয়েটিভ দিকেও কিছুটা যুক্ত থাকতাম। এবার পরিচালনায় অগ্রসর হলাম। কনসেপ্ট থেকে শুরু করে সবকিছুতেই আমার হাত ছিল। সঞ্জয়ের মিউজিক সম্পর্কে নতুন করে কিছু বলার নেই! বিশ্বের কাছে তার ক্রিয়েশন ইতোমধ্যে প্রশংসিত হয়েছে। দারুণ একটি গান সে তৈরি করেছে। আমরা লোক সুর এবং কথার সঙ্গে কনটেম্পরারি স্বাদ যোগ করার চেষ্টা করেছি মিউজিক, ড্যান্স ও ভিডিও নির্মাণে।'

তিনি আরও বলেছেন, 'কাজটি একদমই ভীষণ এক্সপেরিমেন্টাল। তাই আমি চিন্তায় ছিলাম, দর্শক কিভাবে নেবে। তবে প্রকাশের পর সবার ইতিবাচক সাড়া আমাকে আরও নতুন এক্সপেরিমেন্ট করতে উৎসাহ দিয়েছে। ভবিষ্যতে এমন নতুন কাজ নিয়ে হাজির হব।'

সঞ্জয়ের আন্তর্জাতিক সাফল্য নিয়ে হৃদি বলেন, 'ফিফা বিশ্বকাপে সঞ্জয় দারুণ সাফল্য অর্জন করেছে। এখন সবাই তাকে চিনছে এবং নিয়ে আলোচনা করছে। তবে সে আমার অনেক আগের বন্ধু। আমরা এর আগে একাধিক কাজ করেছি। আমি তখন থেকেই জানতাম, সে অনেক বড় জায়গায় যাবে।'

তিনি বলেন, 'কারণ, মিউজিক নিয়ে সে অত্যন্ত পরিশ্রমী ও একাগ্র। এখন তার সাফল্য দেখে আমি গর্বিত। সবচেয়ে ভালো লেগেছে, আমেরিকায় বেড়ে উঠলেও সে তার সিলেটের শেকড়কে ভুলেনি। বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের প্রতি তার ভালোবাসা খুব সুন্দরভাবে তুলে ধরায় তাকে সম্মান আরও বেড়ে গেছে। কারণ, আমিও রাশিয়ায় বেড়ে উঠেছি কিন্তু যথাসাধ্য চেষ্টা করি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আমার দেশকে উপস্থাপন করতে।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশে ডেঙ্গুতে ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৩৯১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:১৬ পি.এম


দেশে ডেঙ্গুতে ২ জনের মৃত্যু,  হাসপাতালে ভর্তি ৩৯১

গত ২৪ ঘণ্টা ধরে সারাদেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ২ জনের মৃত্যু ঘটেছে। একই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩৯১ জন।

এ তথ্যটি বুধবার (১৫ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো ডেঙ্গু সম্পর্কিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, এই ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত যাদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ৭০ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৫৩, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৬৪ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৪৭ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৪৯ জন, খুলনা বিভাগে ৭২ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ১৬, রাজশাহী বিভাগে ১২, রংপুর বিভাগে ৬ এবং সিলেট বিভাগে ২ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতর আরও জানায় যে, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন ৯ হাজার ৩৭০ জন। তাদের মধ্যে ৬১ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৯ শতাংশ নারী রয়েছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কান্না থামাতে ছাত্রের মুখে কলম গুঁজে দিলেন শিক্ষক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:২১ পি.এম


কান্না থামাতে ছাত্রের মুখে কলম গুঁজে দিলেন শিক্ষক

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার চরতিল্লি দারুল উলুম মাদরাসা এবং এতিমখানার এক ‘শিক্ষকের বেত্রাঘাতে’ সাত বছরের একটি শিশু শিক্ষার্থীর বাম হাতের কনুইয়ের হাড় ফেটে গেছে। অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠেছে, তিনি ওই শিশুটির কান্না থামাতে শিশুটির মুখে কলম গুঁজে দেন।

‘দুষ্টু স্বভাবের’ ওই শিক্ষার্থীকে নিরাপদ আশ্রয় ও শিক্ষার জন্য তার বাবা স্থানীয় ওই মাদরাসায় ভর্তি করান।

ঘটনার দিন, ১১ জুলাই, অভিযোগের মুখে থাকা মাদরাসার সহকারী শিক্ষক মো. আব্দুল্লাহ এবং অধ্যক্ষ মো. ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে শিশুটির বাবা সাটুরিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

সহকারী শিক্ষক মো. আব্দুল্লাহ ঘটনার বিষয়টি স্বীকার করে বলেছেন, “ছেলেটি পড়ার সময় ‘অমনোযোগী’ থাকায় তাকে আমি বেত দিয়ে দুটি বাড়ি দিয়েছি। একটি হাতে লেগেছে, আরেকটি নড়াচড়া করায় অন্য জায়গায় লেগেছে।”

সাটুরিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন জানান, “অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। মামলা করার জন্য ভুক্তভোগী পরিবারকে থানায় আসতে বলা হয়েছে। তবে তারা এখনও আসেননি। তারা এলে মামলা নেওয়া হবে।”

শিশুটির বাবা ঘটনার বর্ণনায় বলেন, “ঘটনার দিন ছেলে মাদরাসায় গিয়ে আবার সকাল পৌনে ৯টার দিকে কান্নাকাটি করতে করতে বাড়ি ফিরে আসে। পরে সে জানায়, সে আর কখনো মাদরাসায় যাবে না। এ কথা বলতে বলতেই কান্নায় ভেঙে পড়ে। বারবার জানতে চাওয়ার পর এক পর্যায়ে সে পুরো ঘটনাটি আমাদের জানায়।”

তিনি আরো বলেন, পরে ছেলের বাম হাত ফুলে যাওয়া এবং সেখানে রক্ত জমাট বাঁধার চিহ্ন দেখতে পান। পিঠেও ছিল বেতের আঘাতের দাগ। শিশুটিকে মানিকগঞ্জ শহরের একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে গেলে এক্স-রে পরীক্ষায় দেখা যায়, তার বাম হাতের কনুইয়ের ওপরের হাড় ফেটে গেছে।

ভুক্তভোগী শিশুটি তার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে জানায়, পড়া ঠিকমতো না পারায় সহকারী শিক্ষক মো. আব্দুল্লাহ মোটা বেত দিয়ে প্রথমে পিঠে, পরে হাতে আঘাত করেন। পরে গালে একটি থাপ্পর দেন। এর ফলে ব্যথায় চিৎকার করে কাঁদতে থাকলে ওই শিক্ষক তার মুখে একটি কলম গুঁজে দেন এবং হুমকি দেন, ২০ থেকে ২৫ মিনিটের কলমটি মুখ থেকে পড়ে গেলে আবারও পেটানো হবে।

এ ঘটনার পর শিশুটি শারীরিকভাবে এবং মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে বলে জানান তার বাবা।

তিনি বলেন, “আমার ছেলে এখন মাদরাসার নাম শুনলেই ভয় পায়। আর ওই শিক্ষকের নাম শুনলেও আতঙ্কিত হয়ে পড়ে।”

ছেলেটি ব্যথায় চিৎকার করার পরও কেন তাকে মারধরের হুমকি দেওয়া হয়েছিল জানতে চাইলে সহকারী শিক্ষক মো. আব্দুল্লাহ বলেন, “তখন বুঝতে পারিনি ছেলেটির হাতের হাড় ফেটে গেছে। এটা পরে শুনেছি। এটি আমার অনেক বড় অন্যায় হয়েছে। আমি অধ্যক্ষকে বিষয়টি জানিয়েছি এবং তিনি বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করছেন।”

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাদরাসার অধ্যক্ষ মো. ওমর ফারুক ঘটনাটিকে অন্যায় বলে স্বীকার করেন।

তিনি বলেন, “আব্দুল্লাহ হুজুর নিজের দোষ স্বীকার করেছেন। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি থেকে সরে ৬ দফা নিয়ে সচিবালয়ে প্রতিনিধিদল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:২৬ পি.এম


শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি থেকে সরে ৬ দফা নিয়ে সচিবালয়ে প্রতিনিধিদল

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ছয়জন প্রতিনিধি পদত্যাগের দাবি থেকে সরে এসে ছয় দফা দাবি নিয়ে সচিবালয়ে প্রবেশ করেছেন।

বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেল পৌনে ৫টার দিকে, তারা শিক্ষা ভবনের সামনে থেকে সচিবালয়ের উদ্দেশে রওনা দেন।

এর আগে, বিকেল ৪টার দিকে শিক্ষা ভবনের সামনে পৌঁছালে পুলিশ শিক্ষার্থীদের আটকে দেয়। পরে তাদের ছয়জন প্রতিনিধিকে সচিবালয়ে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়।

শিক্ষার্থীদের ছয় দফা দাবিগুলো হলো:

১. দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় যারা পুনরায় অংশ নিতে চান, তাদের সেই সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।

২. যারা একই বিষয়ের পরীক্ষা পুনরায় দেবেন, তাদের ক্ষেত্রে আগের ও পুনঃপরীক্ষার ফলাফলের মধ্যে সর্বোচ্চ নম্বর চূড়ান্ত হিসেবে গণ্য করতে হবে।

৩. প্রশ্নপত্রে থাকা ভুল প্রশ্নের জন্য শিক্ষার্থীদের পূর্ণ নম্বর দিতে হবে।

৪. চলমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতি বিবেচনায় শিক্ষার্থীদের মানসিকভাবে স্থিতিশীল হওয়ার জন্য কিছু সময় দিয়ে এরপর পুনরায় পরীক্ষা নেয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

৫. পূর্বঘোষণা ছাড়া প্রশ্নপত্রের ধরনে পরিবর্তন আনা হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় শিক্ষার্থীদের কাছে অপরিচিত ছিল। এ বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে নম্বর মূল্যায়ন করতে হবে।

৬. পরীক্ষা চলাকালে ‘সচেতন গার্ড’-এর নামে কিছু শিক্ষকের কঠোর ও বিভ্রান্তিকর আচরণ বন্ধ করতে হবে, যাতে পরীক্ষার্থীরা ভীত বা মানসিক চাপে না পড়ে।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে আন্দোলন করলেও, সচিবালয়ে আলোচনায় অংশ নিতে যাওয়া প্রতিনিধিদলের দাবির তালিকায় মন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়টি রাখা হয়নি। তবে শিক্ষা ভবনের বাইরে অবস্থান করা সাধারণ শিক্ষার্থীরা এখনও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে অনড় রয়েছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সমালোচনার কারণ ব্যাখ্যা করে যা বললেন জামায়াত আমির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:২৮ পি.এম


সমালোচনার কারণ ব্যাখ্যা করে যা বললেন জামায়াত আমির

জলাবদ্ধতার কারণে গত সরকারের দায় নেওয়ার জন্য রাজধানী উন্নয়নে বিশেষ বরাদ্দের দাবি করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা তথা জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান।

বুধবার (১৫ জুলাই) তিনি জাতীয় সংসদে আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন।

জামায়াতের আমির আরও বলেন, জলাবদ্ধতার সমস্যা বর্তমান সরকারের সৃষ্টি নয়, বরং এটি বিগত সরকারের তৈরি। জলাবদ্ধতা একটি দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এজন্য একটি কোঅর্ডিনেটেড এবং ওয়েল প্ল্যানড প্রকল্প হাতে নেওয়া প্রয়োজন। কিন্তু বিগত সময়ে উন্নয়নের জন্য বাজেট বরাদ্দ হলেও, সে অর্থটা কিছু লোকের পকেটে গিয়েছে। এ অবস্থায় রাজধানীর উন্নয়নের জন্য বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ রাখা প্রয়োজন।

তিনি এ সময় বিরোধীদলের প্রতি ইনসাফ না হওয়ার কথাও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, সরকারের গৃহীত আর্থিক পদক্ষেপের মধ্যে বিরোধীদলের প্রতি ইনসাফ করা হয়নি। আমাদের কারণে আমাদের আসনগুলোতে জনগণ যেন বঞ্চিত না হয়, সেটি লক্ষ্য রাখতে হবে। সংরক্ষিত আসনের সদস্যদের ফান্ড অ্যালোকেশন করা হয়েছে। কিন্তু এখনো বিরোধীদলের কাউকেই তা দেয়া হয়নি। এটি অন্যায্য।

রাষ্ট্রের টাকার সঠিক ব্যবহারের আহ্বান জানিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, রাষ্ট্রের ট্রেজারির প্রতিটি টাকা সরকারের কাছে একটি আমানত। এখানে যদিও ছোট স্থাপনা তৈরি করা হয়, তাও উদ্বোধন করে স্টোন বসাতে অর্থ খরচ হয়। যেন খাজনার চেয়ে বাজনা বেড়ে যাচ্ছে। আর কিছু কিছু ভাইরাস এখনো সক্রিয় রয়েছে, যেখানে আমাদেরকে নেগেটিভভাবে সমালোচনা করা হচ্ছে।

বিরোধীদলীয় নেতা শিক্ষার বিস্তারে গুরুত্বারোপ করে বলেন, শিক্ষার মৌলিক প্রয়োজনের দিকে বেশি নজর দিতে হবে, বিশেষ করে প্রাইমারি এবং টারশিয়ারি। বাকিটা অটোমেটিক্যালি চলবে। টেকনিক্যাল শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার দিকেও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

তিনি দুর্নীতি প্রতিরোধের ওপর জোর দিয়ে বলেন, যদি এই সংসদ দুর্নীতির পৃষ্ঠপোষক না হয়, তবে বাংলাদেশ থেকে দুর্নীতি কানে ধরে বিদায় নেবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%