ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সমালোচনার কারণ ব্যাখ্যা করে যা বললেন জামায়াত আমির


সমালোচনার কারণ ব্যাখ্যা করে যা বললেন জামায়াত আমির

জলাবদ্ধতার কারণে গত সরকারের দায় নেওয়ার জন্য রাজধানী উন্নয়নে বিশেষ বরাদ্দের দাবি করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা তথা জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান।

বুধবার (১৫ জুলাই) তিনি জাতীয় সংসদে আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন।

জামায়াতের আমির আরও বলেন, জলাবদ্ধতার সমস্যা বর্তমান সরকারের সৃষ্টি নয়, বরং এটি বিগত সরকারের তৈরি। জলাবদ্ধতা একটি দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এজন্য একটি কোঅর্ডিনেটেড এবং ওয়েল প্ল্যানড প্রকল্প হাতে নেওয়া প্রয়োজন। কিন্তু বিগত সময়ে উন্নয়নের জন্য বাজেট বরাদ্দ হলেও, সে অর্থটা কিছু লোকের পকেটে গিয়েছে। এ অবস্থায় রাজধানীর উন্নয়নের জন্য বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ রাখা প্রয়োজন।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

তিনি এ সময় বিরোধীদলের প্রতি ইনসাফ না হওয়ার কথাও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, সরকারের গৃহীত আর্থিক পদক্ষেপের মধ্যে বিরোধীদলের প্রতি ইনসাফ করা হয়নি। আমাদের কারণে আমাদের আসনগুলোতে জনগণ যেন বঞ্চিত না হয়, সেটি লক্ষ্য রাখতে হবে। সংরক্ষিত আসনের সদস্যদের ফান্ড অ্যালোকেশন করা হয়েছে। কিন্তু এখনো বিরোধীদলের কাউকেই তা দেয়া হয়নি। এটি অন্যায্য।

রাষ্ট্রের টাকার সঠিক ব্যবহারের আহ্বান জানিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, রাষ্ট্রের ট্রেজারির প্রতিটি টাকা সরকারের কাছে একটি আমানত। এখানে যদিও ছোট স্থাপনা তৈরি করা হয়, তাও উদ্বোধন করে স্টোন বসাতে অর্থ খরচ হয়। যেন খাজনার চেয়ে বাজনা বেড়ে যাচ্ছে। আর কিছু কিছু ভাইরাস এখনো সক্রিয় রয়েছে, যেখানে আমাদেরকে নেগেটিভভাবে সমালোচনা করা হচ্ছে।

বিরোধীদলীয় নেতা শিক্ষার বিস্তারে গুরুত্বারোপ করে বলেন, শিক্ষার মৌলিক প্রয়োজনের দিকে বেশি নজর দিতে হবে, বিশেষ করে প্রাইমারি এবং টারশিয়ারি। বাকিটা অটোমেটিক্যালি চলবে। টেকনিক্যাল শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার দিকেও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

তিনি দুর্নীতি প্রতিরোধের ওপর জোর দিয়ে বলেন, যদি এই সংসদ দুর্নীতির পৃষ্ঠপোষক না হয়, তবে বাংলাদেশ থেকে দুর্নীতি কানে ধরে বিদায় নেবে।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্থানীয় নির্বাচন: ২৭ আগস্ট প্রকাশ করবে ইসি চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্রের তালিকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:২৯ পি.এম


স্থানীয় নির্বাচন: ২৭ আগস্ট প্রকাশ করবে ইসি চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্রের তালিকা

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন (ইসি) আগামী ১০ আগস্ট খসড়া ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করবে। এর পরে ২৭ আগস্ট চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করা হবে।

বুধবার (১৫ জুলাই) ইসির সিনিয়র সহকারী সচিব মো. রশিদ মিয়া স্বাক্ষরিত চিঠি থেকে এ তথ্য জানা যায়।

চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে, স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) নির্বাচন, স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) নির্বাচন, স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) নির্বাচন, উপজেলা পরিষদ ও জেলা পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে ভোটকেন্দ্র স্থাপন ও ব্যবস্থাপনা নীতিমালা-২০২৫ বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় ২৬ জুন ২০২৫ তারিখে প্রকাশিত হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়েছে, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহের (জেলা পরিষদ ব্যতীত) নির্বাচন আয়োজনে ভোটকেন্দ্র স্থাপন ও ব্যবস্থাপনা নীতিমালা-২০২৫ এবং এর সর্বশেষ সংশোধনী অনুযায়ী ভোটগ্রহণের ২৫ দিন আগে ভোটকেন্দ্রের তালিকা চূড়ান্ত করে বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় প্রকাশ করার বিধান রয়েছে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য ভোটার এলাকার নাম সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করে ভোটকেন্দ্রের খসড়া তালিকা প্রকাশ করতে হবে। এরপর ওই তালিকার ওপর দাবি-আপত্তি গ্রহণ ও ভোটকেন্দ্র স্থাপন নীতিমালা অনুযায়ী সেসব দাবি-আপত্তি নিষ্পত্তি করে ভোটকেন্দ্রের চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করা হবে।

এ ক্ষেত্রে আগামী ১০ আগস্ট ভোটকেন্দ্রের খসড়া তালিকা প্রকাশ হবে। ভোটকেন্দ্রের খসড়া তালিকার ওপর দাবি-আপত্তি গ্রহণের শেষ তারিখ ১৮ আগস্ট। প্রাপ্ত দাবি-আপত্তি নিষ্পত্তির শেষ তারিখ ২৩ আগস্ট এবং সম্ভাব্য ভোটকেন্দ্রের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে ২৭ আগস্ট।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, উল্লিখিত সময়সূচি এবং ভোটকেন্দ্র স্থাপনের নীতিমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করে সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার মাধ্যমে ভোটকেন্দ্রের চূড়ান্ত তালিকা নির্বাচন সহায়তা-৩ শাখায় পাঠাতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া তফসিল ঘোষণার সাত দিনের মধ্যে চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্রের তালিকার হার্ড কপি ও সফট কপি বাহকের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট শাখায় পাঠানোর অনুরোধ করা হয়েছে।

এ ছাড়া ভোটকেন্দ্র স্থাপনের ক্ষেত্রে যতদূর সম্ভব সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিদ্যমান অবকাঠামোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে স্থায়ী ভোটকক্ষ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। ভবনের অভ্যন্তরে ভোটকক্ষ স্থাপন সম্ভব হলে অস্থায়ী ভোটকক্ষ স্থাপনের প্রস্তাব পরিহার করে সে অনুযায়ী ভোটকেন্দ্রের তালিকা পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইসরাইলের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ তদন্তের আহ্বান জানাল অ্যামনেস্টি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৩১ পি.এম


ইসরাইলের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ তদন্তের আহ্বান জানাল অ্যামনেস্টি

দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলের অন্তত তিনটি প্রাণঘাতী হামলাকে সম্ভাব্য যুদ্ধাপরাধ হিসেবে তদন্তের জন্য আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল আহ্বান জানিয়েছে। সংস্থাটির দাবি, চলতি বছরের মার্চের শুরুর দিকে এই হামলাগুলো ঘটে, যা বেসামরিক মানুষের বাড়িঘর ধ্বংস করে এবং একটি পুরো পরিবার নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়।

অ্যামনেস্টির তথ্য অনুযায়ী, এই হামলাগুলোর ফলে মোট ২৪ জন নিহত হন, যাদের মধ্যে ১২ জন শিশু ছিলেন। নিহতদের অধিকাংশই নিজেদের বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। হামলার ফলে বিভিন্ন বসতবাড়ি সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে যায় এবং স্থানীয় বাসিন্দারা ব্যাপকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হন।

এদিকে সংস্থাটি জানিয়েছে, ইসরাইল এসব হামলার লক্ষ্যবস্তু সম্পর্কে এখন পর্যন্ত কোনো নির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ করতে পারেনি। পাশাপাশি অ্যামনেস্টির নিজস্ব তদন্তেও হামলার সময় ওই এলাকায় কোনো সামরিক লক্ষ্যবস্তু বা সামরিক কার্যক্রমের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক গবেষকরা উল্লেখ করেছেন, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন অনুযায়ী, সংঘাতের সময় বেসামরিক নাগরিক এবং তাদের সম্পদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা বাধ্যতামূলক। যদি কোনো হামলায় সামরিক প্রয়োজনীয়তা প্রমাণিত না হয় এবং বেসামরিক মানুষের ওপর অসামঞ্জস্যপূর্ণ ক্ষয়ক্ষতি হয়, সে ক্ষেত্রে সেটি যুদ্ধাপরাধ হিসেবে গণ্য করা হতে পারে।

এই কারণে, অ্যামনেস্টি একটি ‘স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও আন্তর্জাতিক তদন্তের’ আহ্বান জানিয়েছে, যাতে হামলার প্রকৃত পরিস্থিতি, দায়ীদের পরিচয় এবং আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হয়।

অন্যদিকে, ইসরাইল দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছে যে, তারা লেবাননে হিজবুল্লাহর সামরিক অবকাঠামো ও যোদ্ধাদের লক্ষ্য করে অভিযান পরিচালনা করছে। তারা বেসামরিক হতাহতের জন্য হিজবুল্লাহকে দায়ী করে, কারণ সংগঠনটি জনবসতিপূর্ণ এলাকায় কার্যক্রম পরিচালনা করে বলে তাদের অভিযোগ রয়েছে।

২ মার্চ, হিজবুল্লাহ ইরানের পক্ষে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে যোগ দেওয়ার পর, ইসরাইল লেবাননের ওপর ব্যাপক বিমান হামলা ও স্থল অভিযান শুরু করে। সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে হামলা অব্যাহত রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ব্যাপক হতাহতের পাশাপাশি দক্ষিণ লেবানন কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।

লেবাননের কর্তৃপক্ষের মতে, ইসরাইলি হামলায় ২৫০ জনেরও বেশি শিশুসহ ৪,৩০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও কয়েক হাজার মানুষ। এছাড়া ১০ লক্ষাধিক মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন এবং তারা এখন খোলা আকাশের নিচে মানবেতচ জীবনযাপন করছেন।

দক্ষিণ লেবাননে চলমান সংঘাতের মধ্যে বেসামরিক মানুষের প্রাণহানি ও অবকাঠামো ধ্বংসের ঘটনায় আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। অ্যামনেস্টি বলছে, দায়মুক্তির সংস্কৃতি বন্ধ করতে এবং আন্তর্জাতিক মানবিক আইন কার্যকর রাখতে এসব ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করা অত্যন্ত জরুরি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খুলনায় সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে গুলি হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৩২ পি.এম


খুলনায় সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে গুলি হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

খুলনায় সাংবাদিকদের ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধন পরিচালনা করেছেন সাংবাদিকরা। যাচাই করে হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানানো হয় কর্মসূচির মাধ্যমে।

বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে খুলনা প্রেসক্লাবের সামনে খুলনা মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন ও খুলনায় কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দের ব্যানারে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এই মানববন্ধনে অংশ নেন বিভিন্ন প্রিন্ট, টেলিভিশন এবং অনলাইন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা।

মানববন্ধনে সাংবাদিকরা সাম্প্রতিক এই হামলার ঘটনায় গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা বলেন, "সাংবাদিকদের ওপর সশস্ত্র হামলা স্বাধীন সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমের জন্য হুমকিস্বরূপ।" হামলাকারীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং দায়িত্ব পালনরত সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি তুলে ধরেন তারা।

কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কেডিএ) চেয়ারম্যান ও মহানগর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট এস এম শফিকুল আলম মনা। তিনি সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণের ঘটনার প্রতি গভীর উদ্বেগ, নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। তিনি বলেন, "জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সাংবাদিকদের ওপর এ ধরনের হামলা সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তার জন্য চরম হুমকি।" অতীতে সাংবাদিক হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার হলে এ ধরনের হামলার সাহস সন্ত্রাসীরা পেত না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। একই সাথে হামলাকারীদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা জোরদারের আহ্বান জানান।

পরে খুলনা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে এ নিয়ে মতবিনিময় করেন খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান। তিনি এ সময় জানান, "সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনাটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ প্রশাসন।" তিনি যোগ করেন, "দ্রুত সময়ের মধ্যে অপরাধীদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা হবে।"

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাত ১২টা ৫ মিনিটে খুলনা নগরের জাতিসংঘ শিশুপার্কের পশ্চিম পাশে জলিলের চায়ের দোকানের সামনে সাংবাদিকদের নিয়মিত আড্ডাস্থলে মোটরসাইকেলে এসে দুই দুর্বৃত্ত গুলি ছোড়ে। তখন সেখানে কয়েকজন সাংবাদিক অবস্থান ছিল। গুলির স্প্লিন্টারের আঘাতে এক সাংবাদিক সামান্য জখম হন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, প্রতিদিনের মতো কাজ শেষ করে কয়েকজন সাংবাদিক ওই স্থানে বসে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় সাত রাস্তার দিক থেকে মোটরসাইকেলে আসা হেলমেট পরিহিত দুই যুবক তাদের লক্ষ্য করে গুলি করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। এ ঘটনার পর সাংবাদিকদের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশে কোনো ধরনের চরমপন্থা ও উগ্রবাদের ঠাঁই হবে না বলে প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৩৪ পি.এম


বাংলাদেশে কোনো ধরনের চরমপন্থা ও উগ্রবাদের ঠাঁই হবে না বলে প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশে কোনো ধরনের চরমপন্থা ও উগ্রবাদের ঠাঁই হবে না বলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, শহীদ ও মুক্তিযোদ্ধারা এমন এক বাংলাদেশ চেয়েছিলেন যেখানে চরমপন্থার স্থান থাকবে না এবং ন্যায়পরায়ণতাই হবে শেষ কথা। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে আর কাউকে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করতে দেওয়া হবে না। এই বিষয়ে বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে এসব কথা জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী তার দীর্ঘ বক্তব্যে সরকারী নানা পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। তিনি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান ও অর্থনীতি পুনর্গঠনের বিষয়ে আলোচনা করেন। কুইক রেন্টাল ও জ্বালানি খাতের সমালোচনা করে তিনি বলেন, বিগত ফ্যাসিবাদী সরকার ব্যক্তিগত স্বার্থের জন্য বিদ্যুৎ খাতকে দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত করেছিল।

গণতন্ত্রের সৌন্দর্যের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘একটি বিল উপস্থাপনকে কেন্দ্র করে আমাদের মধ্যে দ্বিমত থাকতে পারে, কিন্তু সংসদে অত্যন্ত প্রাণবন্ত আলোচনা হয়েছে। বিরোধী দল ও সরকারি দল–উভয় পক্ষই নিজ নিজ চিন্তা উপস্থাপন করতে পেরেছে। এই সংসদ সত্যিই জনগণের সংসদ হয়ে উঠেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা উভয় পক্ষই সিদ্ধান্ত নিয়েছি, বিগত ১৭ বছরে এবং জুলাই বিপ্লবে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের পাশে আমরা সব রকম অর্থনৈতিক সহযোগিতা নিয়ে দাঁড়াব।’

জাতীয় সংসদে স্বাক্ষরিত ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নে সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘৩১ দফা এখন আর কেবল বিএনপির ৩১ দফা নেই, এটি এখন সমগ্র দেশের ৩১ দফা। জুলাই সনদের প্রতিটি দফা বাস্তবায়নে আমরা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ।’

দেশের অর্থনীতিকে ঋণনির্ভরতা থেকে বের করে বিনিয়োগনির্ভর করার ঘোষণা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘২০৩৪ সালের মধ্যে আমরা বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির দেশে পরিণত করতে চাই। কেবল জনশক্তি রফতানি নয়, দেশে ইকো-টুরিজম, তথ্যপ্রযুক্তি ও ব্লু-ইকোনমি খাতে ১০ কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে।’

জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রতিবছর ৫ কোটি করে মোট ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনার কথা জানান তিনি। এই লক্ষ্যে চারা উৎপাদনের জন্য ১০ হাজার নতুন নার্সারি গড়ে তোলা হবে, যা আড়াই লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে। এ ছাড়াও তরুণদের জন্য চাহিদাভিত্তিক শিক্ষা ও ক্যারিয়ার সেন্টার তৈরির কাজ চলছে বলেও জানান তিনি।

বিগত সরকারের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষাকে অটো প্রমোশন ও নকল দিয়ে ধ্বংস করা হয়েছিল। ফ্যাসিবাদ পরিকল্পিতভাবে এই কাজটি করেছে। আমরা বিতর্কিত বিষয়গুলো সিলেবাস থেকে সরিয়ে এনে শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও মানসম্মত শিক্ষায় জোর দিচ্ছি। আগামী বাজেটে জিডিপির ৫ শতাংশ শিক্ষা খাতে বরাদ্দ করা হবে।’

দেশের স্বাস্থ্য খাতকে ‘১০১ ভাগ অসুস্থ’ আখ্যায়িত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘স্বৈরাচারী সরকার এ দেশের চিকিৎসাব্যবস্থাকে অন্য দেশের হাতে তুলে দিয়েছিল। আমরা স্বাস্থ্য খাতের বাজেট জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করতে চাই। রোগ প্রতিরোধের ওপর জোর দিতে দেশজুড়ে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের কাজ শুরু হয়েছে।’ গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে পাঁচটি বিভাগে ২০০ শয্যার পাঁচটি শিশু হাসপাতাল চালু করা হবে বলে জানান তিনি।

দেশ থেকে ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই দুর্নীতিকে হাত বেঁধে হোক কিংবা টুঁটি চেপে ধরে হোক–নিয়ন্ত্রণ করতে সরকার বদ্ধপরিকর। আমরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে সম্পূর্ণ পেশাদার বাহিনীতে রূপান্তর করতে চাই। এরইমধ্যে ১০ হাজার পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।’

সামাজিক ও পারিবারিক মূল্যবোধের অবক্ষয় রোধে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়তে দেশের ৩০০ সংসদ সদস্য ও সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্যদের নিজ নিজ এলাকার দায়িত্ব নিতে হবে, তাহলে পরিবর্তন আনা সম্ভব।

সংসদ অধিবেশন চলাকালীন নিরলস কাজ করা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এক মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ অগ্রিম ভাতা দেওয়ার জন্য স্পিকারের প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

সবশেষে রাজনৈতিক দলগুলোর উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের মধ্যে মতভিন্নতা থাকবে, কিন্তু শত্রুতা নয়। বাংলাদেশে আর যাতে কখনও ফ্যাসিবাদ-স্বৈরাচার মাথাচাড়া দিতে না পারে এবং দেশ যাতে কখনও তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত না হয়–এই প্রশ্নে আমাদের সবার মধ্যে জাতীয় ঐক্য রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%