মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৭:৫৯ পি.এম
মাছের বেঁচে থাকার জন্য সাধারণত পানি অপরিহার্য। তবে প্রকৃতিতে এমন কিছু মাছ বিদ্যমান, যারা ডাঙায় উঠে চলাফেরা করতে পারে, বাতাস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করতে সক্ষম এবং মাসের পর মাস কাদার নিচে টিকে থাকতে পারে। এই মাছগুলো পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার অসাধারণ ক্ষমতার জন্য বিজ্ঞানীদের কাছে বিশেষ আগ্রহের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বাংলায় প্রচলিত একটি প্রবাদ রয়েছে, ‘পানির মাছ ডাঙায় উঠলে যেমন হয়’। এই কথাটি সাধারণত প্রতিকূল পরিস্থিতিতে খাপ খাইয়ে নিতে না পারার অর্থে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু প্রকৃতির কিছু মাছের ক্ষেত্রে বিষয়টি একেবারেই ভিন্ন। বিশেষ শারীরিক বৈশিষ্ট্য ও অভিযোজন ক্ষমতার কারণে এসব মাছ পানির বাইরেও বেঁচে থাকতে সক্ষম।
কানাডার ইউনিভার্সিটি অব গুয়েলফের গবেষক অ্যান্ডি টার্কো এই ধরনের মাছ নিয়ে গবেষণা করেছেন। তাঁর গবেষণায় দেখা গেছে, কিছু মাছ পানি ও ডাঙা দুই পরিবেশেই টিকে থাকার জন্য শারীরিক বৈশিষ্ট্য অর্জন করেছে।
এমন একটি মাছ হলো ম্যানগ্রোভ রিভুলাস। গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে পানির তাপমাত্রা বেড়ে গেলে এই মাছটি শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে লাফ দিয়ে ডাঙায় উঠে আসে। এর ত্বকের নিচে থাকা ঘন রক্তনালির মাধ্যমে বাতাস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করা সম্ভব হয়। তাছাড়া, ত্বক শরীরে লবণের ভারসাম্য বজায় রাখার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজেও ভূমিকা রাখে।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ওয়াকিং ক্যাটফিশও পানির বাইরে চলাফেরা করতে সক্ষম। এই মাছের বিশেষ শ্বাসযন্ত্র বাতাস থেকে অক্সিজেন নিতে সাহায্য করে। শরীর বাঁকিয়ে ডানে-বাঁয়ে দোলানোর পাশাপাশি শক্ত বুকের পাখনার সাহায্যে এটি ডাঙায় এগিয়ে যেতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় এই মাছটি আগ্রাসী বহিরাগত প্রজাতি হিসেবে পরিচিত।
অন্যদিকে, মাডস্কিপার দিনের একটি বড় অংশ পানির বাইরে কাদামাটিতে কাটায়। কাদার ওপর চলাফেরা, খাবার সংগ্রহ এবং পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে মাছটি বেশ দক্ষ। এদের বিশেষ অভিযোজন পানির বাইরে টিকে থাকতে সাহায্য করে।
ফ্লোরিডা মিউজিয়াম অব ন্যাচারাল হিস্ট্রির মৎস্যবিজ্ঞানী জর্জ বার্গেসের মতে, ভারী বৃষ্টির পর ক্যাটফিশ ও বাইনজাতীয় কিছু মাছকে রাস্তা পার হতে দেখা অস্বাভাবিক নয়। উপযুক্ত পরিবেশ পেলে এসব মাছ এক জলাশয় থেকে অন্য জলাশয়ে যাওয়ার জন্যও ডাঙা ব্যবহার করতে পারে।
ব্রাজিলের কিছু চার চোখা মাছ পানির ওপর ভেসে থাকার পাশাপাশি কাদামাটিতে উঠে পোকামাকড় শিকার করে। আবার ইলজাতীয় কিছু মাছ স্যাঁতসেঁতে কাদার ওপর দিয়ে চলাচল করতে পারে। তাদের ত্বকও অক্সিজেন গ্রহণে ভূমিকা রাখে।
কিলিফিশের কিছু প্রজাতিও পানির বাইরে লাফিয়ে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে পারে। বিজ্ঞানীদের মতে, এদের লাফালাফি নিছক এলোমেলো চলাচল নয়; বরং পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করে গন্তব্যের দিকে এগিয়ে যাওয়ার কৌশল।
মামিচগ নামে পরিচিত একধরনের কিলিফিশ পানির বাইরে এসে চোখ দিয়ে আশপাশের পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করে। লাফ দেওয়ার সময় চারপাশের দৃশ্য দেখে পানির অবস্থান নির্ণয় করতে পারে বলে গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে।
পানির বাইরে টিকে থাকার সবচেয়ে বিস্ময়কর উদাহরণগুলোর একটি হলো পশ্চিম আফ্রিকার লাংফিশ। এদের ফুলকার পাশাপাশি ফুসফুসের মতো বিশেষ শ্বাসযন্ত্র রয়েছে, যার সাহায্যে বাতাস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করতে পারে।
শুষ্ক মৌসুমে জলাশয় শুকিয়ে গেলে লাংফিশ শরীর থেকে শ্লেষ্মাজাতীয় পদার্থ নিঃসরণ করে কোকুন তৈরি করে। এরপর কাদার নিচে আশ্রয় নিয়ে বিপাকক্রিয়া কমিয়ে দীর্ঘ সময় নিষ্ক্রিয় অবস্থায় কাটাতে পারে। অনুকূল পরিবেশ ফিরে এলে বৃষ্টির পানিতে কাদা ভিজে গেলে তারা আবার সক্রিয় হয়ে ওঠে।
পানিতে অক্সিজেনের ঘাটতি, অতিরিক্ত তাপমাত্রা, শিকারির হাত থেকে বাঁচা কিংবা খাবারের সন্ধান—বিভিন্ন কারণে মাছ পানি থেকে বাইরে আসে। কিছু প্রজাতি সঙ্গী খুঁজতে বা নতুন জলাশয়ে পৌঁছাতেও ডাঙা পাড়ি দেয়।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার উপকূলে গ্রুনিয়ন নামের ছোট মাছ প্রজননের জন্য বসন্তকালে দল বেঁধে বালুচরে উঠে আসে। সেখানে তারা ডিম পাড়ে। অন্যদিকে, চার চোখা মাছ কাদামাটিতে উঠে পোকামাকড় শিকার করে।
প্রকৃতির এসব মাছ প্রমাণ করে, বেঁচে থাকার প্রয়োজনে প্রাণীরা কত বিচিত্র উপায়ে নিজেদের পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারে। সাধারণভাবে মাছকে শুধু পানির প্রাণী হিসেবে বিবেচনা করা হলেও কিছু প্রজাতির জীবনযাপন সেই ধারণাকে নতুনভাবে ভাবতে শেখায়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দ্বারা তৈরি কনটেন্ট চিহ্নিত করা, বোঝা এবং দায়িত্বশীলভাবে ব্যবহারের জন্য বিশেষ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে ‘টিকটক’। এআই সম্পর্কে সচেতনতা, দক্ষতা, তথ্য প্রদান এবং এআই স্প্যাম শনাক্ত করার উদ্দেশ্যে ‘কোয়ালিশন ফর কনটেন্ট প্রোভেন্যান্স অ্যান্ড অথেন্টিসিটি’ (C2PA) জোটের সঙ্গে সহযোগিতা করছে টিকটক।
এআই সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নতুন ফিচারসহ একটি লার্নিং হাব চালু করেছে টিকটক। এই উদ্যোগের মাধ্যমে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের তথ্য সুরক্ষিত থাকবে। একইসাথে, এআই দ্বারা তৈরি কনটেন্ট সম্পর্কে প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারকারীরা আরও স্পষ্ট ধারণা লাভ করতে সক্ষম হবে।
যেসব অ্যাকাউন্ট এআই ব্যবহার করে স্প্যাম তৈরি করছে, সেসব কনটেন্ট শনাক্ত করার জন্য পরীক্ষামূলকভাবে উন্নত প্রযুক্তি চালু করবে টিকটক। বিশেষ করে, যেসব বিষয় মানুষের আস্থা বা সুস্থতার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে, সেসব বিষয়ে স্প্যাম নির্মূল করতে এ ব্যবস্থায় গুরুত্ব দেওয়া হবে।
এআই-নির্ভর কনটেন্টের স্বচ্ছতা বাড়ানোর জন্য টিকটক C2PA এর স্টিয়ারিং কমিটিতে যুক্ত হচ্ছে। এছাড়া, প্রতিষ্ঠান ন্যামলি এবং এআই বিশেষজ্ঞ হেনরি আজদারের সঙ্গে যৌথভাবে একটি নতুন গাইডলাইন তৈরি করেছে টিকটক। এখানে এআইয়ের টুলগুলো দায়িত্বশীলভাবে ব্যবহারের বিষয়গুলো উল্লেখ থাকবে।
টিকটকের নতুন ইন-অ্যাপ এআই হাবটি বাংলাদেশসহ বিশ্বজুড়ে ইতোমধ্যে চালু হয়েছে। এতে প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারকারীরা সরাসরি এআই সম্পর্কে জানতে পারবেন এবং বিভিন্ন রিসোর্সে সহজে অ্যাক্সেস পাবেন।
টিকটক অ্যাপে এআই-সম্পর্কিত কোনো শব্দ সার্চ করলে ব্যবহারকারীরা সার্চ রেজাল্টে AI Hub খুঁজে পাবেন। এখানে এআই দ্বারা তৈরি কনটেন্ট কীভাবে শনাক্ত করা যায় এবং এআই কিভাবে দায়িত্বশীলভাবে ব্যবহার করতে হয় সে বিষয়ে তথ্য থাকবে।
এআই নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং তথ্য প্রদান করতে ২০২৫ সাল থেকে ‘নোফিল্টার’ ও ‘রাসবেরি পাই ফাউন্ডেশন’ এর মতো বিশেষজ্ঞ প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে কাজ করছে টিকটক। এ পর্যন্ত এই উদ্যোগে প্রায় ৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি বিনিয়োগ করেছে টিকটক।
প্ল্যাটফর্মে স্প্যাম নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি, টিকটক ভুয়া অ্যাকাউন্টগুলোও সরিয়ে ফেলছে। চলতি বছরের প্রথম তিন মাসেই ৮ কোটি ৬০ লাখের বেশি ভুয়া অ্যাকাউন্ট সরিয়েছে টিকটক।
এআই-নির্ভর কনটেন্ট শনাক্ত করতে উৎস-তথ্য, ক্রিয়েটরদের লেবেল এবং অদৃশ্য ওয়াটারমার্ক ব্যবহারের ফিচার রয়েছে টিকটকে। ‘স্মার্ট স্প্লিট’, ‘এআই আউটলাইন’ এবং ‘ম্যানেজ টপিক্স’-এর মতো সুবিধার মাধ্যমে নিরাপদে এআই ব্যবহার এবং কনটেন্টের ওপর আরও নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত হচ্ছে টিকটকে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ও নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতি হয়রানির ঘটনায় বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা প্রকাশ করা হয়েছে।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি বিবৃতিতে মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে এই নিন্দা জানানো হয়।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, নিষিদ্ধঘোষিত সন্ত্রাসী রাজনৈতিক সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে সন্দেহ করা হচ্ছে—এমন একটি গোষ্ঠীর সদস্যরা এই হয়রানির ঘটনায় জড়িত থাকতে পারে।
এ ঘটনার সাথে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে এবং তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বাংলাদেশ মিশনকে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বিবৃতিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরিচয় নিশ্চিত করা এবং ঘটনার প্রেক্ষিতে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ক্যাথলিক খ্রিস্টানদের ধর্মগুরু পোপ লিও চতুর্দশ ফুসফুসের নডিউল অপসারণের উদ্দেশ্যে ইতালির রোমে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) তার ভর্তি হওয়া ঘটনা ঘটে রোমের আগোস্তিনো জেমেল্লি ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে।
আনাদোলু এজেন্সির রিপোর্ট অনুযায়ী, পোপের অস্ত্রোপচারটি মঙ্গলবার বিকেলে অনুষ্ঠিত হবে। এই অস্ত্রোপচারটি পরিচালনার জন্য অধ্যাপক স্তেফানো মার্গারিতোরার নেতৃত্বে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের একটি দল নিয়োজিত রয়েছে।
ভ্যাটিকানের হলি সি প্রেস অফিস টেলিগ্রামে একটি বার্তায় পোপের হাসপাতলে ভর্তি হওয়ার বিষয়টি এবং অস্ত্রোপচারের তথ্য নিশ্চিত করেছে। তারা জানিয়েছে, অস্ত্রোপচার এবং পোপের শারীরিক অবস্থার সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সন্ধ্যায় প্রদান করা হবে।
প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, পোপের ফুসফুসে একটি নডিউল অপসারণের জন্য এই অস্ত্রোপচারটি করা হবে। ফুসফুসের নডিউল হলো ফুসফুসের টিস্যুতে গঠিত ছোট অস্বাভাবিক গুটি বা দাগ। তবে, পোপের ফুসফুসে থাকা নডিউলটির প্রকৃতি এবং এটি ক্যানসারজনিত কি না, সে সম্পর্কে ভ্যাটিকানের পক্ষ থেকে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
অস্ত্রোপচার শেষে পোপের শারীরিক অবস্থার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক হালনাগাদ তথ্যের জন্য তার অনুসারীরা অপেক্ষা করছেন।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রংপুরের পীরগঞ্জে নির্মাণাধীন পৌরসভার নতুন ব্লিডিংয়ের ছাদ ধসে দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও তিন শ্রমিক আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার আরাজীগঙ্গারামপুর ৯নং ওয়ার্ডে পৌরসভার নির্মাণাধীন ভবনে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত শ্রমিকদের মধ্যে একজন হলেন আছাদুল হক, যার গ্রামের বাড়ি গাইবান্ধা জেলার সাদুল্লাপুর থানায় অবস্থিত, এবং অপরজন শিহাব, যিনি রংপুরের বাসিন্দা।
আহত শ্রমিকদের মধ্যে রয়েছেন বাবলা মিয়া, লিটন মন্ডল এবং সেলিম মিয়া, যাদেরকে পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পৌরসভার নির্মাণাধীন ব্লিডিংয়ে সকাল থেকে ১৩ জন শ্রমিক ছাদের নির্মাণ কাজ করছিলেন। হঠাৎ করে সাটারিং ভেঙে পড়লে পাঁচ শ্রমিক নিচে চাপা পড়েন। এরপর পীরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট এসে উদ্ধারকাজ শুরু করে এবং আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বরত চিকিৎসক আছাদুল ও শিহাবকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
পীরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস স্টেশন কর্মকর্তা নাজমুল সরকার জানান, ঘটনাস্থল থেকে দুইজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে। স্থানীয়রা আরও তিনজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেছেন।
পীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল বাকি উল বারি এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ