বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:১৭ পি.এম
বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) সালমান মোহাম্মদ মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাবের তথ্য তলব করেছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থাটি দেশের সব ব্যাংকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা পাঠিয়েছে। বিএফআইইউ’র একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, বিএফআইইউর পাঠানো ই-মেইল বার্তায় সালমান মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাবের তথ্য, হিসাব খোলার ফরম (এওএফ), গ্রাহকের পরিচিতি-সংক্রান্ত তথ্য (কেওয়াইসি) এবং হিসাব বিবরণী (স্টেটমেন্ট) চাওয়া হয়েছে।
এছাড়া, তার নামে থাকা হিসাবগুলোর কেওয়াইসি ও হিসাব বিবরণীর সফটকপি পাঠাতে বলা হয়েছে। বিএফআইইউর পাঠানো এক্সেল ফাইলে তার হিসাবসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য এবং চিহ্নিত প্রতিটি হিসাবের সুদ আয় ও উৎসে কর (টিডিএস)-সংক্রান্ত তথ্য পূরণ করে পাঠাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
লেনদেনসংক্রান্ত তথ্য তলবের ক্ষেত্রে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ বিধিমালার সংশ্লিষ্ট ধারা প্রযোজ্য হবে বলেও বিএফআইইউ’র ই-মেইলে উল্লেখ করা হয়েছে। একইসঙ্গে সংস্থাটির একটি পরিপত্রের সংশ্লিষ্ট ধারা উল্লেখ করে তলব করা তথ্যের গোপনীয়তা বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি সালমান মোহাম্মদ মুক্তাদিরের কার্যালয়ে ভাঙচুরের ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। ঘটনার পর সালমান মুক্তাদির প্রথমে অভিযোগ করেন, বিএনপির লোকজন তার কাছে চাঁদা চেয়েছিল। তবে পরে তিনি জানান, তার কাছে চাঁদা চাওয়া হয়নি। তার বক্তব্যের এই পরিবর্তনও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে।
এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ-উর রহমান বলেন, কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক পরিচিতি ও ভাইরাল জনপ্রিয়তা পাওয়া ব্যক্তিরা ভবিষ্যতে আরও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে বক্তব্য ও কর্মকাণ্ড পরিচালনা করবেন বলে আশা করেন তিনি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা ইন অ্যাগ্রিকালচার, ডিপ্লোমা ইন ফিসারিজ ও ডিপ্লোমা ইন লাইভস্টক শিক্ষাক্রমের ৩য়, ৪র্থ ও ৬ষ্ঠ পর্বের শিক্ষার্থীদের জন্য বদলি আবেদনের প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে ৩০ সেপ্টেম্বর। আগ্রহী শিক্ষার্থীরা ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত নিজেদের প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষের কাছে আবেদন করতে পারবেন।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরিচালক (কারিকুলাম) প্রকৌশলী অনিমেশ পালের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বদলির আবেদন, তথ্য পাঠানো এবং প্রয়োজনীয় শর্তাবলী সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করা হয়েছে।
নির্দেশনা অনুযায়ী, আবেদন গ্রহণের পর ছাড়পত্র প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তা যাচাই করবে। যাচাইয়ের পর ২৬ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের তথ্য অনলাইনে বোর্ডে পাঠাতে হবে। এই প্রক্রিয়ার জন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটের ‘অনলাইনে তথ্য গ্রহণ’ অংশে গিয়ে ‘ডিপ্লোমা পর্যায়’-এর ‘Diploma (Engg/Text/Agri/Fish/Live/Forest) Transfer Data Entry Link’ ব্যবহার করতে হবে। সংশ্লিষ্ট পর্বের সমাপনী পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর বদলির চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করা হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, খালি আসন থাকার পাশাপাশি বদলির নির্ধারিত শর্ত পূরণের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের প্রতিষ্ঠান পরিবর্তনের সুযোগ দেওয়া হবে। বদলির ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর বর্তমান প্রতিষ্ঠান এবং যে প্রতিষ্ঠানে যেতে চায়, উভয়ের কারিকুলাম ও প্রবিধানের মধ্যে সামঞ্জস্য থাকতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।
এইচএসসি (বিজ্ঞান), এইচএসসি (ভোকেশনাল) বা আলিম (বিজ্ঞান) পাস করে সরাসরি ৩য় পর্বে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীরা বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন না। একইভাবে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরাও এই সুযোগ থেকে বঞ্চিত থাকবেন। শুধুমাত্র ৩য়, ৪র্থ ও ৬ষ্ঠ পর্বে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বদলির আবেদন করতে পারবেন।
প্রশাসনিক কারণে একবার বদলি হওয়া শিক্ষার্থী পরবর্তীতে পূর্ববর্তী প্রতিষ্ঠানে ফিরে যাওয়ার জন্য নতুন করে বদলির আবেদন করতে পারবেন না। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে বর্তমান ও কাঙ্ক্ষিত উভয় প্রতিষ্ঠানের সম্মতি থাকতে হবে। এই প্রক্রিয়ায় বর্তমান প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে বোর্ডে তথ্য পাঠাবে। প্রাপ্ত আবেদনগুলো থেকে মেধাক্রম ও খালি আসনের ভিত্তিতে বদলি সম্পন্ন করা হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, বদলির আবেদন করতে শিক্ষার্থীদের নিজেদের আবেদনপত্রের সঙ্গে রেজিস্ট্রেশন কার্ডের সত্যায়িত ফটোকপি, সর্বশেষ পর্বের পরীক্ষার প্রবেশপত্র এবং নম্বরপত্র বা ফলাফলের সত্যায়িত কপি জমা দিতে হবে। এছাড়া, শিক্ষার্থীপ্রতি ৩২৫ টাকা বদলি ফি সচিব, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের নামে জমা দিয়ে সেই রশিদও আবেদনের সঙ্গে দিতে হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) দ্রুত উন্নয়ন মানবজাতির জন্য গুরুতর ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে—এমন বৈশ্বিক উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে একটি স্বেচ্ছামূলক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন প্রযুক্তি খাতের ছয় শীর্ষ নির্বাহী।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) হোয়াইট হাউজে প্রযুক্তি খাতের প্রভাবশালীদের নিয়ে আয়োজিত এক মধ্যাহ্নভোজের পর ট্রাম্প এই বহুল আলোচিত চুক্তির ঘোষণা দেন। কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
‘জয়েন্ট কমিটমেন্ট অন ফ্রন্টিয়ার রেসপনসিবিলিটিজ’ নামক নিরাপত্তা চুক্তিতে সই করেছেন অ্যানথ্রপিকের সিইও দারিও আমোদেই, ওপেনএআইয়ের প্রেসিডেন্ট গ্রেগ ব্রকম্যান, গুগলের সিইও সুন্দর পিচাই, মেটার প্রধান মার্ক জাকারবার্গ, এক্সএআইয়ের প্রধান ইলন মাস্ক এবং এনভিডিয়ার সিইও জেনসেন হুয়াং।
চুক্তির আওতায়, এআই মডেলগুলোর কার্যক্রম তদারকির জন্য একটি শক্তিশালী অভ্যন্তরীণ পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা চালু করা হবে এবং নিরাপত্তা যাচাইয়ের জন্য স্বাধীন নিরীক্ষক দল কাজ করবে। নির্বাহীরা সম্মত হয়েছেন যে, ভবিষ্যতে এসব স্বেচ্ছামূলক পদক্ষেপ আইনগত বাধ্যবাধকতার আওতায় আনা যুক্তিসংগত হতে পারে। তবে, সরকারি কঠোর আইনি নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের অনিচ্ছাও এ আয়োজনে স্পষ্ট হয়েছে।
সম্প্রতি এআই এজেন্টদের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংবেদনশীল তথ্য ও ওয়েবসাইটে অনুপ্রবেশের ঘটনায় সাইবার নিরাপত্তার ঝুঁকি বৃদ্ধি পেয়েছে। এমনকি অভ্যন্তরীণ পরীক্ষায় নিরাপত্তা ঝুঁকি শনাক্ত হওয়ায় চ্যাটজিপিটির নির্মাতা ওপেনএআই তাদের সর্বশেষ মডেলটি বাজারে আনা স্থগিত করেছে এবং অস্ট্রেলিয়ার সরকারি ডাটাবেজে এআই এজেন্টের মাধ্যমে অনাকাঙ্ক্ষিত প্রবেশের ঘটনায় ক্ষমা চেয়েছে।
জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্প আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কোনো এআই তদারকি সংস্থা গঠনের প্রচেষ্টার কঠোর বিরোধিতা করেন। প্রযুক্তি প্রতিযোগিতায় চীনকে পেছনে ফেলে শীর্ষে অবস্থান করাই তার প্রধান অগ্রাধিকার বলে তিনি জানান।
হোয়াইট হাউজের এই সমঝোতাকে ট্রাম্পের সাবেক উপদেষ্টা ডেভিড স্যাকস আমেরিকান প্রযুক্তির সুরক্ষায় ইতিবাচক পদক্ষেপ বলে অভিহিত করেছেন, তবে স্বাধীন বিশেষজ্ঞরা এ নিয়ে কড়া সমালোচনা করেছেন। সিডনির ইউএনএসডব্লিউ এআই ইনস্টিটিউটের প্রধান টবি ওয়ালশসহ একাধিক বিশ্লেষকের মতে, বাধ্যবাধকতাহীন এই চুক্তিতে স্বাধীনতার চরম অভাব রয়েছে; কারণ কোনো ট্রিলিয়ন ডলারের শিল্প নিজেদের তৈরি নীতিমালায় নিজের মূল্যায়ন নিজে করতে পারে না।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
স্কয়ার গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান এজিস সার্ভিসেস লিমিটেড একটি জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আবেদন করার জন্য আগ্রহী ব্যক্তিরা আগামী ১০ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।
পদের নাম: সিনিয়র অফিসার
বিভাগ: সেলস, এইচভিএসি
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে প্রার্থীদের ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিক অথবা মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ডিপ্লোমা অথবা বিএসসি থাকতে হবে।
অন্যান্য যোগ্যতার মধ্যে এইচভিএসি সিস্টেমে ভালো জ্ঞান থাকা আবশ্যক।
অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ৩ থেকে ৫ বছর
চাকরির ধরন: ফুলটাইম
কর্মক্ষেত্র: অফিসে
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়)
বয়সসীমা: সর্বোচ্চ ৩৫ বছর
কর্মস্থল: চট্টগ্রাম
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে
অন্যান্য সুবিধা: প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী
আবেদন প্রক্রিয়া: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পাবিপ্রবি) শাখা ছাত্রদলের সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক সজীব প্রামাণিকের বিরুদ্ধে তার স্ত্রীকে মারধর, হুমকি ও নির্যাতনের অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে সজীবের পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধেও মারধরের অভিযোগ করেছেন তার স্ত্রী। তবে সজীব এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
অভিযুক্ত সজীব প্রামাণিক বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তার স্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের (১৪তম ব্যাচ) শিক্ষার্থী। তিনি পড়াশোনার পাশাপাশি একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। জানা গেছে, চলতি বছরের জানুয়ারিতে পারিবারিকভাবে সজীবের সঙ্গে তার বিয়ে হয়।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সজীবের সঙ্গে তার বিরোধ চলছিল। অভিযোগ রয়েছে, বিয়ের পর সজীব অন্য এক নারীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন। বিষয়টি জানতে পেরে ওই নারী তার স্ত্রীকে বিষয়টি জানান। এ নিয়ে সজীবের সঙ্গে কথা বললে তিনি উল্টো তাকেই দোষারোপ করেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী।
এছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রত্ব শেষ করে দেওয়া, চাকরি খেয়ে দেওয়া এবং ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেছেন তিনি।
ভুক্তভোগী জানান, গতকাল (২৯ সেপ্টেম্বর) রাত ১টার দিকে সজীব ও তার বাবা-মা মিলে তাকে মারধর করেন। এ সময় সজীব তাকে কিল-ঘুষি মারেন এবং বুকে-পেটে লাথি দেন। সকালে তার বাবা-মা তাকে নিতে এলে বাসা থেকে বের হওয়ার সময় সজীবের মা বটি নিয়ে তাকে কোপ দিতে আসেন। তিনি হাত দিয়ে ঠেকাতে গেলে তার হাতে কোপ লাগে। এ ঘটনার পর তারা থানায় মামলা করার পরিকল্পনা করছেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, সজীবের পরিবারের আর্থিক সংকটের কথা বলে সোনালী ব্যাংক থেকে পাঁচ লাখ টাকা ঋণ করে দেওয়ার জন্যও তাকে চাপ দেওয়া হয়েছে।
ভুক্তভোগীর দাবি, এর আগে প্রায় দুই মাস আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগেটে সজীব তাকে মারধর করেন। এ সময় দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যরা সজীবকে প্রক্টর কার্যালয়ে নিয়ে যান।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সজীব প্রামাণিক। তিনি বলেন, "আমার ও আমার পরিবারের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা। ওর হাতে কেউ কোপ দেয়নি। আমার এলাকার প্রতিবেশীরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। ও বের হওয়ার সময় গেটের সঙ্গে ওর হাত লেগে কেটে যায়।"
হুমকি দেওয়ার অভিযোগও অস্বীকার করে সজীব বলেন, "আমি তাকে কোনো হুমকি দিইনি। গত রাতে (২৯ সেপ্টেম্বর) আমাদের দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয় এবং হাতাহাতিও হয়েছে। সেও আমার গায়ে হাত তুলেছে। পরে আমার বাবা-মা এসে আমাদের দুজনকে থামান। আমার মা-বাবা তার গায়ে হাত দেননি।"
ঋণ করে টাকা দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, "আমি লোন করে কোনো টাকা দিতে বলিনি। সে নিজে থেকেই আমাকে দিতে চেয়েছে।"
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি শেখ মোজাহিদ হোসেন বলেন, "বিষয়টি আমি মাত্র আপনার কাছ থেকেই জানতে পারলাম। আমাদের কমিটি গঠনের সময় কেউ বিবাহিত ছিল না। আমাদের কাছে অভিযোগ এলে সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ